আখ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আখ
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ/রাজ্য: Plantae
বিভাগ: Magnoliophyta
শ্রেণী: Liliopsida
বর্গ: Poales
পরিবার: Poaceae
গণ: Saccharum
L.
Species

Saccharum arundinaceum
Saccharum bengalense
Saccharum edule
Saccharum officinarum
Saccharum procerum
Saccharum ravennae
Saccharum robustum
Saccharum sinense
Saccharum spontaneum

আখের ক্ষেত

আখ হল বাঁশঘাসের জাতভাই। এর রস চিনিগুড় তৈরির জন্য ব্যবহার হয় বলে এর চাষ করা হয়। আখ শব্দের উত্পত্তি "ইক্ষু" থেকে। এটি Gramineae পরিবারের অন্তর্গত উদ্ভিদ। অবশ্য বর্তমানে পরিবারটি Poaceae নামেও পরিচিত। বাংলাদেশে এর যে প্রজাতি চাষ হয় তার বৈজ্ঞানিক নাম Saccharum officinarum

উৎপাদন[সম্পাদনা]

আখ একটি বর্ষজীবি উদ্ভিদ। প্রথাগতভাবে আখের কান্ডের একটি টুকরা দুই-তৃতীয়াংশ মাটিতে পুঁতে দিয়ে এর চাষ করা হয়। তবে ইদানীং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে গবেষণাগারে টিস্যু কালচারের মাধ্যমেও আখের ব্যাপক চাষ হচ্ছে।

বাংলাদেশের আখের উৎপাদন[সম্পাদনা]

বাংলাদেশে গড়ে প্রতি বছর ০.৪৩ মিলিয়ন একর জমিতে ৭.৩ মিলিয়ন মে.টন আখ উৎপন্ন হয়। দেশের ১৫টি চিনিকলে বছরে গড়ে ১.৫-১.৯৯ লক্ষ মে. টন চিনি উৎপন্ন হয় বাকিটা গুড় ও খাওয়ার জন্য ব্যবহার হয়। বাংলাদেশ খাদ্য ও চিনি শিল্প কর্পোরেশন BSFIC নামে প্রতিষ্ঠান চিনি শিল্প নিয়ন্ত্রণ করে।

বেসরকারিভাবে ২০০৭-এ আরো ৩টি কোম্পানি চিনি উৎপাদনে আসছে, যার মধ্যে মেঘনা গ্রুপের বাৎসরিক উৎপাদন ক্ষমতা ৬ লাখ মে. টন বলে বলা হচ্ছে। বাংলাদেশের বাৎসরিক চিনির চাহিদা ১০-১২ লক্ষ মে. টন যার ১.৫ লক্ষ টন দেশে উৎপন্ন হয় বাকিটা আমদানি ও চোরাই পথে আসে।

বৈশ্বিক উৎপাদন[সম্পাদনা]

শীর্ষ-১০ চিনি উৎপাদনকারী দেশ, ২০০৮[১]
দেশের নাম উৎপাদন
(টনে)
মন্তব্য
 ব্রাজিল ৬৪৫,৩০০,১৮২
 ভারত ৩৪৮,১৮৭,৯০০
 গণচীন ১২৪,৯১৭,৫০২
 থাইল্যান্ড ৭৩,৫০১,৬১০
 পাকিস্তান ৬৩,৯২০,০০০
 মেক্সিকো ৫১,১০৬,৯০০
 কলম্বিয়া ৩৮,৫০০,০০০ এফএও
 অস্ট্রেলিয়া ৩২,৬২১,১১৩
 আর্জেন্টিনা ২৯,৯৫০,০০০
 ফিলিপাইন ২৬,৬০১,৪০০

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]