চুনারুঘাট উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
চুনারুঘাট
উপজেলা
চুনারুঘাট সিলেট বিভাগ-এ অবস্থিত
চুনারুঘাট
চুনারুঘাট
চুনারুঘাট বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
চুনারুঘাট
চুনারুঘাট
বাংলাদেশে চুনারুঘাট উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৪°১২′৩৪″ উত্তর ৯১°৩১′১১″ পূর্ব / ২৪.২০৯৪৪° উত্তর ৯১.৫১৯৭২° পূর্ব / 24.20944; 91.51972স্থানাঙ্ক: ২৪°১২′৩৪″ উত্তর ৯১°৩১′১১″ পূর্ব / ২৪.২০৯৪৪° উত্তর ৯১.৫১৯৭২° পূর্ব / 24.20944; 91.51972 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগসিলেট বিভাগ
জেলাহবিগঞ্জ জেলা
আয়তন
 • মোট৪২৭ কিমি (১৬৫ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট২,৬৭,০২০
 • জনঘনত্ব৬৩০/কিমি (১৬০০/বর্গমাইল)
সাক্ষরতার হার
 • মোট৪৮.৮০%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
৬০ ৩৬ ২৬
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট Edit this at Wikidata

চুনারুঘাট উপজেলা বাংলাদেশের হবিগঞ্জ জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা। অতি প্রাচীনকালে (খোয়াই) নদীপথে প্রচুর চুনাপাথর এই অঞ্চলে আসত। ব্যবসায়ীগণ এখানে এসে চুনাপাথর ক্রয়-বিক্রয় করতেন। প্রথমে লোকে বলত চুনা পাথরের ঘাট বা চুুুনারঘাট, কালক্রমে এটি হয়ে ওঠে ঐতিহ্যবাহী জনপদ চুনারুঘাট।

অবস্থান ও আয়তন[সম্পাদনা]

এই উপজেলার দক্ষিণে ভারত ও হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা, উত্তরে হবিগঞ্জ সদর উপজেলাবাহুবল উপজেলা , পূর্বে ভারত ও মৌলভী বাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলা এবং পশ্চিমে মাধবপুর উপজেলা

ইতিহাস[সম্পাদনা]

নামকরণ[সম্পাদনা]

অতি প্রাচীনকালে (খোয়াই) নদীপথে প্রচুর চুনা পাথর আসত। ব্যবসায়ীগণ এখানে এসে চুনা পাথর ক্রয় বিক্রয় করতেন। প্রথমে লোকে বলত চুনা পাথরের ঘাট, পরে এটি হয়ে যায় ঐতিহ্যবাহী জনপদ চুনারুঘাট।

মুক্তিযুদ্ধে চুনারুঘাট[সম্পাদনা]

মুক্তিযুদ্ধে চুনারুঘাট উপজেলা ৪নং সেক্টরের অধীনে ছিল। এই অঞ্চলের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর কমান্ডার (অবঃ) সি আর দত্ত (বীরউত্তম)।

ভৌগোলিক উপাত্ত[সম্পাদনা]

ভূপ্রকৃতি[সম্পাদনা]

মৃত্তিকা[সম্পাদনা]

নদ-নদী[সম্পাদনা]

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

চুনারুঘাট উপজেলার ইউনিয়নগুলো হচ্ছে -

  1. গাজীপুর ইউনিয়ন, চুনারুঘাট
  2. আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন
  3. দেওরগাছ ইউনিয়ন
  4. পাইকপাড়া ইউনিয়ন
  5. শানখলা ইউনিয়ন
  6. চুনারুঘাট ইউনিয়ন
  7. উবাহাটা ইউনিয়ন
  8. সাটিয়াজুরী ইউনিয়ন
  9. রাণীগাঁও ইউনিয়ন এবং
  10. মিরাশী ইউনিয়ন

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

এই উপজেলার মোট জনসংখ্যা ২,৬৭,০২০ জন (প্রায়), এর মধ্যে পুরুষ ১,৩৫,১২০ জন এবং মহিলা ১,৩১,৯০০ জন। জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রায় ৪৭২ জন/ বর্গকিমি।

শিক্ষা[সম্পাদনা]

শিক্ষার হার ৪৮%

তবে উচ্চশিক্ষায় অংশগ্রহণ বৃদ্ধির জন্যে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং সরকারি মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা " ক্যাটালিস্ট পরিবার " সংগঠনের মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান[সম্পাদনা]

প্রাথমিক বিদ্যালয়[সম্পাদনা]

প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থান স্থাপিত তারিখ
পাইকপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পাইকপাড়া, পাইকপাড়া ইউনিয়ন
সতং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সতংবাজার, পাইকপাড়া ইউনিয়ন

মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়[সম্পাদনা]

উচ্চ বিদ্যালয় স্থান স্থাপিত তারিখ
আলহাজ্ব মোজাফফর উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয় পাইকপাড়া,পাইকপাড়া ইউনিয়ন ১৯৮৪
শানখলা উচ্চ বিদ্যালয় শানখলা, শানখলা ইউনিয়ন
দক্ষিণা চরণ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় চুনারুঘাট, চুনারুঘাট উপজেলা ১৯২৮
অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয় চান্দপুর,পাইকপাড়া ইউনিয়ন ১৯৭০
আলোর পথে উচ্চ বিদ্যালয় চুনারুঘাট, চুনারুঘাট উপজেলা
আমুরোড হাই স্কুল এন্ড কলেজ গোছাপারা ১৯৬৬
রাজার বাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় রাজারবাজার, চুনারুঘাট উপজেলা
একডালা উচ্চ বিদ্যালয়
চুনারুঘাট পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
শাকির মোহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়
সাটিয়াজুরী উচ্চ বিদ্যালয়

দাখিল মাদ্রাসা[সম্পাদনা]

দাখিল মাদ্রাসা স্থান স্থাপিত তারিখ
আজগর আহম্মদ দাখিল মাদ্রাসা , পাইকপাড়া ইউনিয়ন

সরকারি কলেজ[সম্পাদনা]

কলেজের নাম স্থান স্থাপিত তারিখ
চুনারুঘাট সরকারি কলেজ ১৯৭৩

কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান[সম্পাদনা]

কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থান স্থাপিত তারিখ
ইকরা টেকনিক্যল ইনস্টিটিউট উপজেলা গেইট, চুনারুঘাট ইউনিয়ন ২০০০
কলেজ কম্পিউটার এন্ড ট্রেনিং সেন্টার চুনারুঘাট সরকারি কলেজ গেইট
চুনারুঘাট টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট মুসলিম, চুনারুঘাট উপজেলা

সাংষ্কৃতিক বৈশিষ্ট্য[সম্পাদনা]

শিক্ষামূলক সংঘটন ঃ- *ক্যাটালিস্ট পরিবার (Catalyst Family)

সাংস্কৃতিক সংগঠন[সম্পাদনা]

ভাষা[সম্পাদনা]

উৎসব[সম্পাদনা]

ক্যাটালিস্ট উৎসব (প্রতি ডিসেম্বর মাসে)

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

খেলাধুল[সম্পাদনা]

চুনারুঘাট উপজেলায় সব ধরনের খেলাধুলা প্রচলিত থাকলেও এই অঞ্চলে জনপ্রিয় খেলা হিসেবে ফুটবল খেলাটি ছোট বড় সকল মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছে ।পাশাপাশি ক্রিকেট খেলাও বেশ জনপ্রিয়।

প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ত্ব[সম্পাদনা]

  • চিত্ত রঞ্জন দত্ত (সি আর দত্ত) (জন্ম: ১ জানুয়ারি, ১৯২৭) বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একজন সেক্টর কমান্ডার। তিনি ৪নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেছেন। মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত হন।[১] তিনি 'সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের সাথে যুক্ত।এছাড়া ঢাকার কাঁটাবন থেকে কারওয়ান বাজার সিগন্যাল পর্যন্ত সড়কটি 'বীরউত্তম সি আর দত্ত' সড়ক নামে নামকরণ করা হয়।[৪]
  • ড. এম এ রশীদ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর ও সাবেক মন্ত্রী।
  • এনামুল হক মোস্তফা শহীদ, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী।
  • হেমাঙ্গ বিশ্বাস (জন্ম: ১৪ ডিসেম্বর ১৯১২ - মৃত্যূ: ২২ নভেম্বর ১৯৮৭[১]) একজন বাঙালি অসমীয়া সঙ্গীতশিল্পী এবং সুরকার। মূলত লোকসঙ্গীতকে কেন্দ্র করে গণসঙ্গীত সৃষ্টির ক্ষেত্রে তার অবদান উল্লেখযোগ্য।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন ২০১৪)। "এক নজরে চুনারুঘাট"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ১২ জুলাই ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুলাই ২০১৫ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]