শাহ এ এম এস কিবরিয়া

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
শাহ এ এম এস কিবরিয়া
অর্থমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
কার্যালয়ে
১৯৯৬ – ২০০১
পূর্বসূরী সাইফুর রহমান
উত্তরসূরী সাইফুর রহমান
নির্বাহী সচিব, এসকাপ
কার্যালয়ে
১৯৮১ – ১৯৯২
পূর্বসূরী জে বি পি মারামিস
উত্তরসূরী রাফিউদ্দিন আহমেদ
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম (১৯৩১-০৫-০১)মে ১, ১৯৩১
হবিগঞ্জ জেলা, ব্রিটিশ ভারত
মৃত্যু জানুয়ারি ২৭, ২০০৫(২০০৫-০১-২৭) (৭৩ বছর)
রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
ধর্ম ইসলাম

শাহ এ এম এস কিবরিয়া (জন্ম: মে ১, ১৯৩১ - মৃত্যু: ২৭ জানুয়ারি, ২০০৫) বাংলাদেশী অর্থনীতিবিদ, কূটনীতিবিদ এবং রাজনীতিবিদ। তাঁর পুরো নাম শাহ আবু মোহাম্মদ শামসুল কিবরিয়া

১৯৫৪ সালে তৎকালীন পাকিস্তানের বৈদেশিক বিভাগে যোগদান করে কিবরিয়া পররাষ্ট্রবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক বিষয়ক বিভাগের মহাপরিচালক হয়েছিলেন। ১৯৮১-১৯৯২ সালের মধ্যেকার সময়ে তিনি জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক এবং সামাজিক কমিশন (এসকাপ)-এর প্রধান নির্বাহী ছিলেন। এছাড়াও, অর্থমন্ত্রী হিসেবে কিবরিয়া ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে এম.পি বা সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

শাহ কিবরিয়া জানুয়ারি ২৭, ২০০৫ তারিখে তার নির্বাচনী এলাকা সিলেটের হবিগঞ্জে গ্রেনেড হামলায় মর্মান্তিকভাবে নিহত হন।[১]

জীবনী[সম্পাদনা]

এস এ এম এস কিবরিয়া ১ মে, ১৯৩১ তারিখে বাংলাদেশের সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তার পিতা শাহ ইমতিয়াজ আলী ছিলেন বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের প্রাথমিক শিক্ষা প্রসারের অগ্রদূত। কিবরিয়া শৈশবেই তীক্ষ্ণ ধী-শক্তির অধিকারী ও মেধাবী ছাত্র হিসেবে সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। ১৯৫২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন। ঐ বৎসরেই বাংলা ভাষা আন্দোলনে সম্পৃক্ততার অভিযোগে তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান পুলিশ কর্তৃক তিনি গ্রেফতার হন এবং অল্পকিছুদিন পরেই মুক্তি পান। ১৯৫৩ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জনের পর পাকিস্তান সরকারের সেন্ট্রাল সুপিরিয়র সার্ভিস পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়ে পাকিস্তানে বৈদেশিক বিভাগে যোগদান করেন। কিবরিয়া আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে ফ্লেচার স্কুল অব ল এবং যুক্তরাজ্যের লণ্ডনে ব্রিটিশ ফরিন অফিসে কূটনৈতিক সেবায় আরো দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।[২]

কূটনৈতিক জীবন[সম্পাদনা]

শাহ এ এম এস কিবরিয়া পাকিস্তানের কূটনৈতিক মিশনের সদস্য হিসেবে কলকাতা, কায়রো, জাতিসংঘ মিশন, নিউইয়র্ক, তেহরান এবং জাকার্তায় নিয়োজিত ছিলেন। এছাড়াও তিনি ইসলামাবাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এবং ওয়াশিংটন ডি.সি.-তে পাকিস্তান দূতাবাসে নিযুক্ত ছিলেন। বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে শাহ কিবরিয়া ওয়াশিংটন ডি.সি.-তে অবস্থিত পাকিস্তান দূতাবাসে রাজনৈতিক পরামর্শদাতা হিসেবে চাকুরীরত ছিলেন। পাক দূতাবাসে কর্মরত অবস্থায় ৪ আগস্ট, ১৯৭১ তারিখে তিনি ও তার বাঙ্গালী সহকর্মীবৃন্দ দূতাবাস ত্যাগ করে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের প্রতি আনুগত্য দেখান। পরে তিনি ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ মিশন তদারকী করাসহ বাংলাদেশের পক্ষে জনমত গঠনে প্রভূত সহায়তা করেন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে যুদ্ধকালীন সময়ে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সাফল্য ও অগ্রগতি নিয়ে নিয়মিতভাবে বুলেটিন, পুস্তিকা প্রকাশনার কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত করে স্বাধীনতা যুদ্ধে ব্যাপক অবদান রাখেন।

স্বাধীনতা যুদ্ধের পর শাহ এ এম এস কিবরিয়া ঢাকায় নবপ্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন রাজনৈতিক বিষয়ক বিভাগের মহাপরিচালক হিসেবে যোগদান করেন।[৩] এছাড়াও, তিনি সচিব হিসেবে প্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৩ সালের জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং ফিজিতে হাইকমিশনার হিসেবে নিযুক্ত করে। ১৯৭৬ সালে তিনি জেনেভায় জাতিসংঘের ইউরোপীয় কার্যালয়ের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে নিযুক্ত হন। ১৯৭৮ সালে বৈদেশিক সচিব হিসেবে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। ১৯৭৯ সালে ৭৭-জাতি গ্রুপের প্রস্তুতি কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে ম্যানিলায় আংকটাডের সভায় নির্বাচিত হন তিনি। মে ১৯৮১ থেকে মার্চ ১৯৯২ পর্যন্ত সময়কালে কিবরিয়া এসকাপের নির্বাহী সচিবের পদে অধিষ্ঠিত হন।[৪] এছাড়াও, ১৯৮৬ সালে তিনি জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রতিনিধি হিসেবে কম্বোডিয়ায় ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে জড়িত ছিলেন।

রাজনৈতিক জীবন[সম্পাদনা]

জাতিসংঘের কার্যাবলী সম্পন্ন করে কিবরিয়া ১৯৯২ সালে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দেশের সেবা করার লক্ষ্যে রাজনীতিতে আগ্রহী হয়ে ঐ বছরের সেপ্টেম্বর মাসে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে এডভাইজরী কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে যোগদান করেন। একই সময়ে কিবরিয়া জাতীয় দৈনিকগুলোতে অর্থনীতি এবং রাজনৈতিক ইস্যু সম্পর্কীয় নিবন্ধ লেখতে শুরু করেন। ১৯৯৪ সালে তিনি আওয়ামী লীগ সভাপতির "রাজনৈতিক উপদেষ্টা" পদে নিযুক্ত হন। জুন ১২, ১৯৯৬ তারিখে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনের পর তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মন্ত্রী পরিষদে অর্থমন্ত্রী হিসেবে যোগদান করেন। ২০০১ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত ঐ সরকারের মেয়াদকালীন সময়ে একই পদে অধিষ্ঠিত হয়ে দেশ সেবার মানসে নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে গেছেন।[৫]

১৯৯৭ সালের বার্ষিক সভায় কিবরিয়া এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (এসকাপ) চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এছাড়াও ১৯৮৮ সালে আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি হিসেবে অধিষ্ঠিত ছিলেন তিনি। ২০০১ সালের ১ অক্টোবরে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে শাহ এ এম এস কিবরিয়া হবিগঞ্জ-৩ নির্বাচনী এলাকা থেকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে মেম্বার অব পার্লামেন্ট (এমপি) বা সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

অর্থমন্ত্রীর মেয়াদকালে[সম্পাদনা]

বিশ্লেষকেরা শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ৫ বছরের সময়কালকে অর্থনৈতিক উন্নতি ও স্থিরতার প্রতিকৃতি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ১৯৯৬ সালের স্টক মার্কেট বা পুঁজি বাজার ধ্বসই ছিল শুধুমাত্র এর ব্যতিক্রম ঘটনা।[৬] ১৯৯৬ থেকে ২০০১ এর সময়কালে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো জিডিপি'র গড় ৫.৮৩%-এ উন্নীত হয়। মুদ্রাস্ফীতির গড় হার ৫%-এর নিচে নেমে যায়। জুন ২০০১ সালে মুদ্রাস্ফীতির গড় হার ছিল ১.৫৩%। ১৯৯৫-১৯৯৬ অর্থবছরের ৩,৮৮৪ মিলিয়ন ডলারের স্থলে ২০০০-২০০১ অর্থবছরে ৬,৪৭৭ মিলিয়ন ডলারের পণ্যসামগ্রী বিদেশে রপ্তানী করা হয়। সামাজিক অবকাঠামো হিসেবে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ইত্যাদি খাতে ২০০০-২০০১ অর্থবছরে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়ে ২৪.৭% হয়, যেখানে ১৯৯৫-১৯৯৬ অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল ২১.০২%। ৫ বছর মেয়াদে আওয়ামী লীগের আমলে জাতীয় সঞ্চয়ের হার ২০.১৭% থেকে ২৩.৭৮% হয়। একইভাবে বিনিয়োগের হার ১৯.৯৯% থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২৩.৬৩% হয়। বাহ্যিক অর্থনৈতিক অবকাঠামো আরো উন্নত এবং আধুনিকায়ণ হয়। বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ ২,১০৫ মেগাওয়াট থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৩,৬০০ মেগাওয়াটে রূপান্তরিত হয়। চাউল এবং আটা উৎপাদন যেখানে ১৯৯৫-৯৬ অর্থবছরে ছিল ১৯০.৬ মিলিয়ন মেট্রিক টন; সেখানে ২০০০-২০০১ অর্থবছরে উৎপাদন দাঁড়ায় ২৬৪.৯১ মিলিয়ন মেট্রিক টন। এ উৎপাদনের ফলেই বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরবর্তীকালে প্রথমবারের মতো খাদ্যে স্বয়ং-সম্পূর্ণতা অর্জনে সক্ষম হয়।

বাংলাদেশীদের গড় আয়ু ৫৮.৭ বছর থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০০০-২০০১ অর্থবছরে ৬১.৮ বছরে পৌঁছে। অর্থমন্ত্রী থাকাবস্থায় শাহ কিবরিয়া'র আমলে গ্রামীণ এলাকায় মাথাপিছু খাদ্য গ্রহণের পরিমাণ ২,২০৬.১ কিলোক্যালরী থেকে ২,২৭৪.২ কিলোক্যালরী এবং শহরাঞ্চলে ২,২২০.২ কিলোক্যালরী থেকে ২,২৮৩.২ কিলোক্যালরী হয়। শিক্ষিতের হার যেখানে ১৫ বছর বয়সীদের ঊর্ধ্বে ছিল ৪৭.৩ শতাংশ; সেখানে ২০০০ সালে ৬৪ শতাংশে দাঁড়ায়। শিশু মৃত্যুর হার যেখানে ১৯৯৫-৯৬ সালে ছিল প্রতি হাজারে ৬৭ জন, সেখানে ১৯৯৮ সালে তা ৫৭ জনে নেমে আসে।

হত্যাকাণ্ড[সম্পাদনা]

২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি তারিখ বিকেলে শাহ এ এম এস কিবরিয়া হবিগঞ্জের বৈদ্যের বাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক রাজনৈতিক জনসভায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি বক্তৃতা শেষ করে স্কুল গেট দিয়ে বের হয়ে আসার সময় তাকে লক্ষ করে দ্রুত দুটি আর্জেস গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়।[৭] তিনি ও তার ভাইপোসহ তিন সহযোগী ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন। কিবরিয়াকে প্রথমে হবিগঞ্জ এবং মাধবপুরে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু ডাক্তারের অনুপস্থিতি এবং চিকিৎসা সামগ্রীর অপ্রতুলতার জন্য তার কোনো চিকিৎসা করা যায়নি। পরবর্তীকালে তাকে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৬৫ মাইল দূরবর্তী ঢাকার বারডেম হাসপাতালে নেয়া হয়। এ্যাম্বুলেন্স সহযোগে বারডেম হাসপাতালে শাহ কিবরিয়াকে নেয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।[৮]

শাহ কিবরিয়ার হত্যাকাণ্ডে হবিগঞ্জের নিরাপত্তা বাহিনী, সরকারি কর্মকর্তাসহ চিকিৎসকদের ভূমিকার ব্যাপক সমালোচনা হয়। কিবরিয়ার দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এ নারকীয় হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সরকার-বিরোধী আন্দোলন ও দেশব্যাপী হরতালের ডাক দেয়।[৯] কিবরিয়া'র পরিবার ঢাকায় এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত বিচারের দাবীতে সন্ত্রাসবিরোধী আন্দোলন করে।[১০]

২১ মার্চ, ২০০৫ তারিখে বাংলাদেশ পুলিশ হবিগঞ্জে বোমা হামলার অভিযোগে ১০ ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে চার্জশীট দাখিল করে।[১১] এছাড়াও সিআইডি কর্তৃপক্ষ কিবরিয়া হত্যাকাণ্ডে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, মুফতি হান্নানসহ ১৪জনকে অন্তর্ভূক্ত করে সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করে।[১২]

লিখিত বই-পুস্তকাদি[সম্পাদনা]

শাহ কিবরিয়া নিয়মিতভাবে জাতীয় দৈনিকগুলোতে অর্থনীতি এবং রাজনীতি বিষয়ক নিবন্ধ রচনা করে গেছেন। এছাড়াও তিনি সাপ্তাহিক মৃদু ভাষণ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা এবং সম্পাদক ছিলেন। কিবরিয়া ৪টি বই রচনা করছেন।

  • মৃদু ভাষণ, ১৯৯৭, আইএসবিএন: ৯৮৪-০৫-০১৮৩-৬
  • দি ইমার্জিং নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার, ইংরেজি, ১৯৯৯, আইএসবিএন: ৯৮৪-০৫-১৪৭০-৯
  • বাংলাদেশ এট দ্য ক্রসরোডস্‌, ইংরেজি, ১৯৯৯, আইএসবিএন: ৯৮৪-০৫-১৪৬৩-৬
  • চিত্ত যেথা ভয়শূণ্য

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

মৃদুভাষী ব্যক্তিসত্তার অধিকারী, পরিশীলিত ও মার্জিত ভদ্রলোক হিসেবে সামাজিকভাবে ভীষণ জনপ্রিয় ছিলেন শাহ এ এম এস কিবরিয়া। বাংলাদেশের রাজনীতিতে তার সততা, বিনয়, শিষ্টতা ও নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গীতে সম্মানিত রাজনীতিবিদ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন। কিবরিয়া'র পুত্র ড. রেজা কিবরিয়া একজন স্বনামখ্যাত অর্থনীতিবিদ এবং কন্যা ড. নাজলী কিবরিয়া বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। তার সহধর্মিনী আসমা কিবরিয়া ব্যক্তিগত জীবনে একজন চিত্রকর

আরো পড়ুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. গ্রেনেড হামলার শিকার বাংলাদেশের আইনপ্রণেতা - সিএনএন
  2. দেশের প্রভূত ক্ষতি হলো - ডেইলী স্টার
  3. মিনিস্ট্রি অব ফরেন এ্যাফেয়ার্স
  4. এসকাপের সাবেক নির্বাহী সচিব : এস এ এম এস কিবরিয়া
  5. কিবরিয়ার জীবনের খণ্ডচিত্র - দ্য ডেইলী স্টার
  6. স্টক মার্কেট দু'জনের কাছে বন্দী - দ্য নিউ স্ট্রেইটস্‌ টাইমস্‌
  7. একই গ্রুপ বোমা ব্যবহার করে - দ্য ডেইলী স্টার
  8. শোকে মূহ্যমান গণমাধ্যম - দ্য ডেইলী স্টার
  9. বাংলাদেশ প্রতিবাদ মুখর - বিবিসি
  10. রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বলে দাবী করলেন মরহুমের কন্যা - দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট
  11. দশজনের বিরুদ্ধে চার্জশীট দাখিল - বিবিসি নিউজ
  12. ডয়চে ভেলের প্রতিবেদনঃ সম্পূরক অভিযোগপত্র