খেলাফত মজলিস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
খেলাফত মজলিস
আমীরঅধ্যক্ষ মাও মুহাম্মদ ইসহাক
মহাসচিবআহমদ আবদুল কাদের
প্রতিষ্ঠাতাশাইখুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক
প্রতিষ্ঠা৮ ডিসেম্বর ১৯৮৯
সদর দপ্তরবাংলাদেশ
ছাত্র শাখাবাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস
মতাদর্শআল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠার আন্দোলন
আন্তর্জাতিক অধিভুক্তিনা
নির্বাচনী প্রতীক
দেওয়াল ঘড়ি
ওয়েবসাইট
দাপ্তরিক ওয়েবসাইট
বাংলাদেশের রাজনীতি
রাজনৈতিক দল
নির্বাচন

খেলাফত মজলিস বাংলাদেশের একটি ইসলামী রাজনৈতিক দল। দলটির আমির অধ্যক্ষ মাও মুহাম্মদ ইসহাক, মহাসচিব আহমদ আবদুল কাদের[১] দলটির নির্বাচনী প্রতীক হল দেওয়াল ঘড়ি।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

৮ ডিসেম্বর ১৯৮৯ সালে ঢাকায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এক জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে তৎকালীন শায়খুল হাদিস মাওলানা আজিজুল হকের নেতৃত্ত্বাধীন খেলাফত আন্দোলন ও আহমদ আবদুল কাদেরের নেতৃত্ত্বাধীন যুব শিবির মওলানা ভাসানীর ন‌্যাপের একাংশের নেতা , তমদ্দুন মজলিসের সংগঠক ভাষাসৈনিক অধ‌্যক্ষ মসউদ খান এর নেতৃত্বে একীভূত হয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস আত্মপ্রকাশ করে।

দলটি ৯০’র স্বৈরাচার পতন আন্দোলন, ভারতের বাবরী মসজিদ ধ্বংসের প্রতিবাদ ও বাবরী মসজিদ পুনঃ নির্মাণের দাবীতে বাবরী মসজিদ লং মার্চ, ৯৪ সালের নাস্তিক-মুরতাদ তাসলিমা নাসরিন বিরোধী আন্দোলন, ২০০০-২০০১ সালে গণ-বিরোধী, শেখ হাসিনা সরকার বিরোধী ৪ দলীয় জোটের আন্দোলন, ১/১১ পরবরতী তত্ত্বাধায়ক সরকার বিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন আন্দোলনে অংশ নিয়েছে।

২০০৮ সালে খেলাফত মজলিস সরকারী ভাবে নিবন্ধন লাভ করে।[২]

খেলাফত মজলিস বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দল। তবে ২০০৫ সালে খেলাফত মজলিস ভেঙে দুই টুকরো হয়ে যায়। একটি ভাগ ‘খেলাফত মজলিস’ নামে বিএনপি জোটে থেকে যায়। অপর ভাগটি জোট থেকে আলাদা হয়ে ‘বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস’ নাম ধারণ করে এবং পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের সাথে সখ্য গড়ে তোলে।[৩][৪]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "খেলাফত আমীর ও মহাসচিব নির্বাচিত ২৫/০১/২০১৯"। ২৭ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  2. "খেলাফত মজলিস"জাগরণীয়া। ১৯ আগস্ট ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২৯ এপ্রিল ২০১৯ 
  3. জাহিদ, সেলিম। "আ.লীগের সঙ্গে ইসলামি দল বেশি"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৬-২৪ 
  4. প্রতিবেদক, নিজস্ব। "জামায়াত আমিরের সঙ্গে টেলিসংলাপকে 'ভুয়া' বলছে খেলাফত"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৬-২৪