গোয়াইনঘাট উপজেলা

স্থানাঙ্ক: ২৫°৪′৪৮.০০০″ উত্তর ৯১°৫৮′১২.০০০″ পূর্ব / ২৫.০৮০০০০০০° উত্তর ৯১.৯৭০০০০০০° পূর্ব / 25.08000000; 91.97000000
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
গোয়াইনঘাট
উপজেলা
গোয়াইনঘাট সিলেট বিভাগ-এ অবস্থিত
গোয়াইনঘাট
গোয়াইনঘাট
গোয়াইনঘাট বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
গোয়াইনঘাট
গোয়াইনঘাট
বাংলাদেশে গোয়াইনঘাট উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৫°৪′৪৮.০০০″ উত্তর ৯১°৫৮′১২.০০০″ পূর্ব / ২৫.০৮০০০০০০° উত্তর ৯১.৯৭০০০০০০° পূর্ব / 25.08000000; 91.97000000 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশবাংলাদেশ
বিভাগসিলেট বিভাগ
জেলাসিলেট জেলা
আয়তন
 • মোট৪৮১.১৩ বর্গকিমি (১৮৫.৭৭ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)
 • মোট২,৪১,৮৩৭
 • জনঘনত্ব৫০০/বর্গকিমি (১,৩০০/বর্গমাইল)
সাক্ষরতার হার
 • মোট%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
৬০ ৯১ ৪১
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

গোয়াইনঘাট বাংলাদেশের সিলেট জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা[১][২]

অবস্থান[সম্পাদনা]

৪৮১.১৩ বর্গ কি.মি. জুড়ে অবস্থিত এই উপজেলার উত্তরে মেঘালয়, দক্ষিণে সিলেট সদর উপজেলাজৈন্তাপুর উপজেলা, পূর্বে জৈন্তাপুর উপজেলা ও পশ্চিমে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা। প্রধান নদী সারি নদী, গোয়ানইন নদী, পিয়ান নদী।

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

গোয়াইনঘাট উপজেলায় বর্তমানে ১২টি ইউনিয়ন রয়েছে ২৬০টি মৌজা এবং ২৬৪টি গ্রাম রয়েছে।[৩] ইউনিয়নসমূহ:

ইতিহাস[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব প্রান্তে গোয়াইন নদীর তীরবর্তী কথিত ০৫ পরগনা (ধরগ্রাম, আড়াইখা, পিয়াইনগুল, পাঁচভাগ ও জাফলং) নিয়ে এই উপজেলা গঠিত। ১৮৩৫ সনের ১৬ মার্চ ব্রিটিশ কর্তৃক ভারত উপমহাদেশ দখলের দীর্ঘ ৯০ বছর পর জৈন্তা ব্রিটিশের অধিকারে আসে। জৈন্তা রাজের পতনের পর ১৮৩৬ সালে গোয়াইনঘাট সিলেট জেলা কালেক্টটরেটের অধিনে ন্যস্ত হয়। গোয়াইনঘাট বাজারে ১৯০৮ সালে ব্রিটিশ সরকার গোয়াইনঘাট থানা স্থাপন করেন। তখন থানাকে পুলিশ স্টেশন বলা হতো। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পরে ১৯৮৩ সানের ১৫ এপ্রিল গোয়াইনঘাট থানার স্বীকৃতি পায়। পরবর্তীতে ১৯৮৩ সনের ১৯ শে জুলাই উপজেলায় রুপান্তরিত হয়।[৪]

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

মোট জনসংখ্যা ২,৪১,৮৩৭ জন। জনসংখ্যার ঘনত্ব ৫০১ জন/বর্গ কি:মি:। পূরুষ ও নারীর অনুপাত যথাক্রমে ৫১.৮০% ও ৪৮.২০%।[১]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

এই উপজেলায় গড় শিক্ষার হার ৩২.৭%। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে ১১৭টি, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ২৯টি, মাদ্রাসা ৯টি ও কলেজ ৫ টি।[১]

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

উপজেলাটির কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ব্যবসা হচ্ছে: পাথর ব্যবসা, কয়লা ব্যবসা, চুনা পাথর ব্যবসা, চা ও পান উৎপাদন। এখানে জাফলং, ফতেপুর ও গুলনী চা বাগান নামে ৩টি চা বাগান রয়েছে।[১][৫]

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

দর্শনীয় স্থানের মধ্যে জাফলং, বিছনাকান্দি, রাতারগুল, পান্তুমাই, লালাখাল, লক্ষণ ছড়া, সাদাপাথর, বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্কসহ উল্লেখযোগ্য।[৬]

উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "এক নজরে গোয়াইনঘাট উপজেলা"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। ২৭ জুলাই ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুলাই ২০১৯ 
  2. "গোয়াইনঘাট উপজেলা - বাংলাপিডিয়া"bn.banglapedia.org। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৭-২৭ 
  3. "ইউনিয়নসমূহ - গোয়াইনঘাট উপজেলা"gowainghat.sylhet.gov.bd। জাতীয় তথ্য বাতায়ন। ১২ জুলাই ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 
  4. "উপজেলার পটভূমি"gowainghat.sylhet.gov.bd। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-১১-২৭ 
  5. "ব্যবসা বাণিজ্য"gowainghat.sylhet.gov.bd। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-১১-২৭ 
  6. "জাফলং, রাতারগুল সোয়ামফরেস্ট, বিছনাকান্দি, পান্তুমাই ঝর্ণা"gowainghat.sylhet.gov.bd। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-১১-২৭ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]