নবীগঞ্জ উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

স্থানাঙ্ক: ২৪°৩৪′০১″উত্তর ৯১°৩০′৫১″পূর্ব / ২৪.৫৬৭০° উত্তর ৯১.৫১৪৩° পূর্ব / 24.5670; 91.5143

নবীগঞ্জ উপজেলা
BD Districts LOC bn.svg
Red pog.svg
নবীগঞ্জ
বিভাগ
 - জেলা
সিলেট বিভাগ
 - হবিগঞ্জ জেলা
স্থানাঙ্ক ২৪°৩৪′০১″উত্তর ৯১°৩০′৫১″পূর্ব / ২৪.৫৬৭০° উত্তর ৯১.৫১৪৩° পূর্ব / 24.5670; 91.5143
আয়তন ৪৩৯.৬০ বর্গকিমি
সময় স্থান বিএসটি (ইউটিসি+৬)
জনসংখ্যা (২০১১)
 - ঘনত্ব
 - শিক্ষার হার
২,৮৫,০৪০জন[১]
 - ৬৪৮ বর্গকিমি
 - %
ওয়েবসাইট: উপজেলা প্রশাসনের ওয়েবসাইট

নবীগঞ্জ বাংলাদেশের হবিগঞ্জ জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা

অবস্থান[সম্পাদনা]

নবীগঞ্জ উপজেলার উত্তরে সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলাজগন্নাথপুর উপজেলা এবং সিলেট জেলার বালাগঞ্জ উপজেলা, দক্ষিণে হবিগঞ্জ সদর উপজেলাবাহুবল উপজেলা, পূর্বে মৌলভীবাজার সদর উপজেলাশ্রীমঙ্গল উপজেলা এবং সিলেট জেলার বালাগঞ্জ উপজেলা এবং পশ্চিমে হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলা

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

নবীগঞ্জ উপজেলায় ১৩ টি ইউনিয়ন( ১নংবড়ভাকৈর(পঃ), ২নংবড়ভাকৈর(পূঃ), ৩নংইনাতগঞ্জ, ৪নংদীঘলবাক, ৫নংআউশকান্দি, ৬নংকুর্শি, ৭নংকরগাঁও, ৮নংনবীগঞ্জ, ৯নংবাউসা, ১০নংদেবপাড়া, ১১নংগজনাইপুর, ১২নংকালিয়ারভাঙ্গাও১৩নংপানিউমদা) ০১টিপৌরসভা, ০১টিথানারয়েছে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

বৃটিশশাসনে নবীগঞ্জঃ

১৭৫৭ খৃষ্টাব্দে পলাশী বিপর্যয়ের ৮ বছর পর ১৭৬৫ খৃষ্টাব্দেইষ্ট ইন্ডিয়াকোম্পানী বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানী সনদ লাভ করে।এবছরই সিলেট ব্রিটিশ শাসনের অধীনে আসে। ১৮৮৪ খৃষ্টাব্দ পর্যন্ত সিলেট ছিল ঢাকা বিভাগের অধীনে। ১৯০৫ খৃষ্টাব্দে বাংলাকে ভাগ করে পূর্ববঙ্গ আসাম প্রদেশ সৃষ্টি করা হলে সিলেটকে চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তর্ভূক্ত করা হয়। ১৯৪৭ সালের ১৩ই আগষ্ট পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পূর্বদিন পর্যন্ত সিলেট আসামের ১টি জেলা হিসেবে গণ্যছিল। অর্থাৎ এই সময়ে নবীগঞ্জ আসাম প্রদেশের ১টি জেলা হিসেবে সিলেটের অন্তর্ভূক্ত ছিল। ১৯৪৭ সালের ১৪ই আগষ্ট ব্রিটিশের কবল থেকে মুক্ত হয়ে ১টি স্বাধীন সার্বভৌম পাকিস্তান কায়েম হলে সিলেট তদানিন্তন পূর্ব পাকিস্তানের ১টি জেলায় পরিগণিত হয়। তখন সিলেটকে পুনরায় চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তর্ভূক্ত করা হলে নবীগঞ্জ কে চট্টগ্রাম বিভাগে ন্যস্ত করা হয়। ১৯৮৪ সালে সাবেক সেনাশাসক(রাষ্ট্রপতি) এইচ.এম.এরশাদ প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের অংশহিসেবে মহকুমা গুলোকে জেলায় পরিণত করলে সিলেট জেলাকে ৪টি জেলায় বিভক্ত করা হয়। যথা-সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ। ১৯৯৪ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কর্তৃক উপরোক্ত ৪ টি জেলার সমন্নয়ে বাংলাদেশের ৬ষ্ঠ বিভাগ হিসেবে সিলেট বিভাগ ঘোষণা করেন। ১৯৯৫ সালের ১লা আগষ্ট আনুষ্ঠানিক ভাবে সিলেটবিভাগের কার্যক্রম শুরু হয়।


রাজস্ব জেলা নবীগঞ্জ ও এরআওতাধীন পরগনা সমূহঃ

জনউইলস এর আমলে ১০ টি রাজস্ব জেলার মধ্যে নবীগঞ্জ ছিল ১টি অন্যতম রাজস্ব জিলা এবং এর অধীনস্থ ছিল মোট ১৬ টি পরগনা এগুলো হচ্ছে ১।দিনারপুর ২।মান্দারকান্দি ৩।চৌকি ৪।মুড়াকরি ৫।বানিয়াচং ৬।কুর্শা ৭।জোয়ার বানিয়াচং ৮।আগনা ৯।বিথঙ্গঁল ১০।জলসুখা ১১ ।জন্তরী ১২।বাজেসুনাইত্যা ১৩।সত্রসতী ১৪। জোয়ানশাহী ১৫।বাজেসত্রসতী ১৬।কিংকুর্শা

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

শাহ এ এম এস কিবরিয়া* (সাবেক মন্ত্রী)

  • দেওয়ান ফরিদ গাজী
  • ড. রেজা কিবরিয়া
  • ড. নাজলি কিবরিয়া
  • মতিউর রহমান চৌধুরী
  • মাবুবুর রব সাদী,
  • আবদুল মান্নান চৌধুরী

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

বিবিয়ানা গ্যাস ফিল্ড,মীর টিলা(গদার বাজার),কুরিটিলা,বৃহৎ তেতুল গাছ(শতক), সৈয়দ শাহনুর র. মাজার, সৈয়দ শাহবুদ র. মাজার,,

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে নবীগঞ্জ উপজেলা"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ৫ জুলাই, ২০১৫ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]