তাহিরপুর উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
তাহিরপুর
উপজেলা
তাহিরপুর সিলেট বিভাগ-এ অবস্থিত
তাহিরপুর
তাহিরপুর
তাহিরপুর বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
তাহিরপুর
তাহিরপুর
বাংলাদেশে তাহিরপুর উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৫°৫′৩০″ উত্তর ৯১°১০′৩০″ পূর্ব / ২৫.০৯১৬৭° উত্তর ৯১.১৭৫০০° পূর্ব / 25.09167; 91.17500স্থানাঙ্ক: ২৫°৫′৩০″ উত্তর ৯১°১০′৩০″ পূর্ব / ২৫.০৯১৬৭° উত্তর ৯১.১৭৫০০° পূর্ব / 25.09167; 91.17500 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ সিলেট বিভাগ
জেলা সুনামগঞ্জ জেলা
আয়তন
 • মোট ৩৩৬.৭০ কিমি (১৩০�০০ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট ১,৫৫,১৯৮
 • ঘনত্ব ৪৬০/কিমি (১২০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট %
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড ৩০৩০ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
ওয়েবসাইট অফিসিয়াল ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

তাহিরপুর বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। এই উপজেলা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর স্থানিক বৈচিত্রতার অনন্য প্রতীক। তবে অবকাঠামোগত উন্নয়নের দিক দিয়ে তুলনামূলক পিছিয়ে সম্ভাবনাময় এই উপজেলাটি।

অবস্থান[সম্পাদনা]

এই উপজেলার উত্তরে - ভরতের মেঘালয় রাজ্য, দক্ষিণে সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলা, পূর্বে সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা এবং পশ্চিমে ধর্মপাশা উপজেলা অবস্থিত।

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

এই উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন হচ্ছে -

  1. শ্রীপুর(উঃ) ইউনিয়ন
  2. শ্রীপুর(দঃ) ইউনিয়ন
  3. বড়দল(দঃ) ইউনিয়ন
  4. বড়দল(উঃ) ইউনিয়ন
  5. বাদাঘাট ইউনিয়ন
  6. তাহিরপুর ইউনিয়ন এবং
  7. বালিজুরি ইউনিয়ন
== তাহিরপুরের ইতিহাস ==

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

শিক্ষা ক্ষেত্রে তাহিরপুর উপজেলার অগ্রগতি খুব কম। তবে ইদানিং ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার প্রতি আগ্রহ দিনদিন বাড়ছে। উক্ত উপজেলায় দুটি কলেজ রয়েছে। এর একটি ডিগ্রী পর্যন্ত (বাদাঘাট ডিগ্রী কলেজ), যা সরকারীকরণের পথে এবং অন্যটি (জয়নাল আবেদীন মহাবিদ্যালয়) উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত। রয়েছে মাত্র একটি সরকারী উচ্চবিদ্যালয়। বালিকা উচ্চবিদ্যালয় মাত্র দুটি। এছাড়াও বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও অন্যান্য শিক্ষা ব্যবস্থা চালু রয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রে স্মরণীয় ব্যক্তিবর্গ হলেন, বাদাঘাট ইউনিয়নের মরহুম মালু মিয়া পুরকায়স্থ, মরহুম ফখরউদ্দিন চেয়ারম্যান ও মরহুম জয়নাল আবেদিন। এছাড়াও এ উপজেলায় আরোও অনেক মহান ব্যক্তির জন্ম হয়েছে, যারা দেশ ও জাতিকে অনেক উপকৃত করেছেন। হাওড়ের নিম্নাঞ্চল, দারিদ্র, কুসংস্কার ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সমস্যা শিক্ষা-ক্ষেত্রে মূল প্রতিবন্ধক। তবে নারী শিক্ষায় এ উপজেলা এগিয়ে যাচ্ছে। ইদানিং বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছেলে-মেয়েদের সরব উপস্থিতি আনন্দ দেয়। তারমাঝে ভাটির সন্তানই বেশী।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

কথায় আছে, মৎস-পাথর-ধান হলো সুনামগঞ্জের প্রাণ। আর এই মৎস-পাথর-ধান এর অন্যতম যোগানদাতা হলো তাহিরপুর উপজেলা। সুতরাং, এ উপজেলার অর্থনীতির অন্যতম উৎস এসব। বিশেষ করে হাওড়ের বোরো ধান হলো প্রধান উৎস। আর এর পরে রয়েছে হাওরের মাছ। নদীতেও প্রচুর মাছ ধরা পড়ে। তাহিরপুর উপজেলার ফাজিলপুরের বালি দেশ বিখ্যাত ও দেশের একমায়ত্র চুনাপাথর খনি রয়েছে এ উপজেলায়। বেশ কয়েক বছর আগে চালু হওয়া কয়লা আমদানীও অর্থনীতিতে ব্যাপক ভুমিকা রেখেছে। দরিদ্র শ্রেণীর লোকেরা নদীতে মাছ ধরে, পাথর আহরণ করে, বালু তুলে কিংবা ধানি জমিতে কাজ করে জিবীকা নির্বাহ করে। কৃষি প্রধান পেশা হলেও- ইদানিং ব্যবসা-বাণিজ্যে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে খুব। মূলত, ধান চাষ প্রকৃত নির্ভতা থাকায় বছরের জলের কমতি-বাড়িতিতেও এ উপজেলার লোকেদের ভাগ্য উঠানামা করে। আর এর প্রভাব স্থানীয় অর্থনীতিতে ব্যাপক।

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

দর্শনীয় স্থানসমূহ[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে উপজেলা"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ৫ জুলাই, ২০১৫ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]