জুড়ী উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
জুড়ী
উপজেলা
জুড়ী সিলেট বিভাগ-এ অবস্থিত
জুড়ী
জুড়ী
জুড়ী বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
জুড়ী
জুড়ী
বাংলাদেশে জুড়ী উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৪°৩৪′৪৮.২১৬″ উত্তর ৯২°৯′৫২.৮১৯″ পূর্ব / ২৪.৫৮০০৬০০০° উত্তর ৯২.১৬৪৬৭১৯৪° পূর্ব / 24.58006000; 92.16467194স্থানাঙ্ক: ২৪°৩৪′৪৮.২১৬″ উত্তর ৯২°৯′৫২.৮১৯″ পূর্ব / ২৪.৫৮০০৬০০০° উত্তর ৯২.১৬৪৬৭১৯৪° পূর্ব / 24.58006000; 92.16467194 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ সিলেট বিভাগ
জেলা মৌলভীবাজার জেলা
আয়তন
 • মোট ২২২.৯১ কিমি (৮৬.০৭ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০০১)[১]
 • মোট ১,৪৮,৯৫৮
 • ঘনত্ব ৬৭০/কিমি (১৭০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট ৪২%
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড ৩২৫১ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
ওয়েবসাইট প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

জুড়ী উপজেলা বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা। বাংলাদেশ সরকারের প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকা)র ৯০তম বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশের ৪৭১তম প্রশাসনিক উপজেলা হিসেবে জুড়ীর আত্নপ্রকাশ হয় ২৬ আগস্ট ২০০৪ খ্রিঃ। এটি বিভাগীয় শহর সিলেট হতে ৪৮ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত।[২]

অবস্থান ও আয়তন[সম্পাদনা]

উত্তরে বড়লেখা উপজেলা, পূর্বে ভারত, দক্ষিণে কুলাউড়া উপজেলা এবং পশ্চিমে হাকালুকি হাওড় ও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

০৬ টি নিয়ন্ত্রীত এবং ২ মামলা চলমান ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত জুড়ী উপজেলা গঠিত -

  • জায়ফরনর ইউনিয়ন
  • পশ্চিমজুড়ী ইউনিয়ন
  • পূবর্জুড়ী ইউনিয়ন
  • গোয়ালবাড়ী ইউনিয়ন
  • সাগরনাল ইউনিয়ন
  • ফুলতলা ইউনিয়ন [৩]
  • মামলা চলমান ২টি ইউনিয়ন
  • ১) দক্ষিণভাগ
  • ২) সুজানগর

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কোনপাহাড়ি অঞ্চল থেকে নেমে আসা ছোট একটি স্রোত ধারা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে জুড়ী শহর কে দুইভাগে বিভক্ত করে। উল্লেখ্য উক্ত নদীই ছিল পূর্বে ও কুলাউড়া বড়লেখা উপজেলার সীমানা প্রকাশ থাকা আবশ্যক লংলা পরগনার কালেক্টর কামিনীবাবু নাম অনুসারে কামিনীগঞ্জ এবং পাথারিয়া পরগনার কালেক্টর ভবানী বাবুর নাম অনুসারে ভবানী গঞ্জ নামে জুড়ী শহর আজও বিভক্ত। হকালুকি হাওর দিয়ে কুশিয়ারা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। এ স্রোত ধারাটি সুচনার দিকে জুড়ী নদী নামে পরিচিত। এই জুড়ী নদীর কোল ঘেষে মানুষ বসবাস শুরু করে, গড়ে উঠে লোকালয়, জনপথ। আর ঐ জুড়ী নদীর কিনারায় গড়ে উঠা জনপদকেই জুড়ী অঞ্চল বলে চিহ্নিত হয়।[৪]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

শিক্ষার হার : 68%

কৃষি[সম্পাদনা]

প্রধান ফসল ধান, পাট, চা, কমলা।

স্বাস্থ্য[সম্পাদনা]

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

  • হযরত শাহ নিমাত্রা মাজার
  • কমলা বাগান
  • হাকালুকি হাওর।

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "এক নজরে"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। জুন, ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুলাই ২০১৫  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
  2. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "জুড়ী উপজেলার পটভূমী"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুন ২০১৪  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
  3. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "ইউনিয়ন সমূহ"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুন ২০১৪  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
  4. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "জুড়ী উপজেলার পটভূমী"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুন ২০১৪  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
  5. সিলেটের 'মরহুম তৈমুছ আলী':গেরিলা কমান্ডার থেকে সাংসদ