পাইকপাড়া রেলওয়ে স্টেশন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পাইকপাড়া রেলওয়ে স্টেশন
বাংলাদেশের রেলওয়ে স্টেশন
অবস্থানহবিগঞ্জ সদর উপজেলা, হবিগঞ্জ জেলা, সিলেট বিভাগ
 বাংলাদেশ
মালিকানাধীনবাংলাদেশ রেলওয়ে
পরিচালিতবাংলাদেশ রেলওয়ে
লাইন
ট্রেন পরিচালকপূর্বাঞ্চল রেলওয়ে
ইতিহাস
চালু১৯২৮
বন্ধ হয়২০০৫

পাইকপাড়া রেলওয়ে স্টেশন বাংলাদেশের সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ জেলার হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় অবস্থিত একটি রেলওয়ে স্টেশন। ২০০৫ সালে স্টেশনটি বন্ধ হয়ে গেছে শায়েস্তাগঞ্জ থেকে হবিগঞ্জ বাজার পর্যন্ত রেলপথ উঠিয়ে সড়কপথ তৈরী করার কারণে।[১][২][৩]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯২৮ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার হবিগঞ্জ জেলা সদর শহর থেকে শায়েস্তাগঞ্জ জংশন হয়ে বাল্লা সীমান্ত পর্যন্ত প্রায় ৪৫[৩] অথবা ৫২ কিলোমিটার[৪] দীর্ঘ রেলপথ স্থাপন করে।[৩][৫] এর মধ্যে ১৯২৮ সালে শায়েস্তাগঞ্জ–হবিগঞ্জ (১৫[৩] অথবা ১৬ কিমি[৪]) এবং ১৯২৯ সালে শায়েস্তাগঞ্জ–বাল্লা (৩০[৪] অথবা ৩৬ কিমি[৩]) রেলপথ উদ্বোধন করা হয়। শায়েস্তাগঞ্জ -হবিগঞ্জ লাইনের স্টেশন হিসেবে পাইকপাড়া রেলওয়ে স্টেশন তৈরি করা হয়ে। সে সময় হবিগঞ্জের চুনারঘাট উপজেলার ১৩টি বাগানের চা পাতা রপ্তানি ও বাগানের রেশনসহ আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র আমদানী করার একমাত্র মাধ্যম ছিল এ রেলপথ। স্বাধীনতার পরবর্তীতে এরশাদ সরকারের প্রথম দিকে হবিগঞ্জ বাজারশায়েস্তাগঞ্জবাল্লা সর্বপ্রথম অঘোষিতভাবে বন্ধ হয়, তবে জনসাধারণের প্রতিবাদ আন্দোলনের চাপে পরে আবার চালু হয়। এরপর ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে অনুরূপ বন্ধ হয় এবং ২০০০ সালে রেলপথটি উন্নত সংস্কার করে ট্রেন চলাচল চালু হয়েও সর্বশেষ ২০০৩ সালে হবিগঞ্জ বাজারশায়েস্তাগঞ্জবাল্লা রেলপথটি অঘোষিত ভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়ে। ২০০৫ সালের দিকে সড়ক করার অজুহাতে হবিগঞ্জ বাজার থেকে শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশন পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার রেলপথ তুলে ফেলা হয়।[৩] পরে আবার শায়েস্তাগঞ্জ থেকে হবিগঞ্জ পর্যন্ত রেল লাইনটি উঠিয়ে বাইপাস সড়ক নির্মাণ করা হয়।[৪] আগে এ লাইনে ট্রেন চলত নিয়মিত।[৬]

পরিষেবা[সম্পাদনা]

পাইকপাড়া রেলওয়ে স্টেশন দিয়ে ২০০৩ সাল পর্যন্ত, হবিগঞ্জ বাজার থেকে বল্লা রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত লোকাল ট্রেন চলাচল করতো। যা বর্তমানে বন্ধ হয়ে গেছে।[৩]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "কোটি কোটি টাকার মালামাল লুটপাট : ১৬ বছর ধরে বন্ধ হবিগঞ্জ-শায়েস্তাগঞ্জ বাল্লা রেলপথ"দৈনিক জালালাবাদ (ইংরেজি ভাষায়)। ২০২০-০১-৩১। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৩-০৮ 
  2. সবুজ, জাহিদ। "অস্তিত্ব সংকটে হবিগঞ্জ-শায়েস্তাগঞ্জ-বাল্লা রেলপথ"Sylhet Voice। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৩-০৮ 
  3. "১৪ বছরেও চালু হয়নি শায়েস্তাগঞ্জ-বাল্লা রেলপথ"দৈনিক সমকাল। ২০১৭-০২-১৪। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১১-২২ 
  4. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; dailyjalalabad.com নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  5. "সংক্ষিপ্ত ইতিহাস"। বাংলাদেশ রেলওয়ে। ২০ ডিসেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-১২-১৬ 
  6. {{ওয়েব উদ্ধৃতি।ইউআরএল=https://samakal.com/todays-print-edition/tp-lokaloy/article/1702270044/%E0%A7%A7%E0%A7%AA-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%93-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%81-%E0%A6%B9%E0%A7%9F%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%AA%E0%A6%A5।শিরোনাম=১৪ বছরেও চালু হয়নি শায়েস্তাগঞ্জ-বাল্লা রেলপথ। প্রকাশিত হয়েছে : দৈনিক সমকাল, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ওয়েবসাইট=samakal.com।সংগ্রহের-তারিখ=2020-03-08}}