হবিগঞ্জ সদর উপজেলা

স্থানাঙ্ক: ২৪°২২′৪৬″ উত্তর ৯১°২৪′৪৭″ পূর্ব / ২৪.৩৭৯৪৪° উত্তর ৯১.৪১৩০৬° পূর্ব / 24.37944; 91.41306
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
হবিগঞ্জ সদর
উপজেলা
হবিগঞ্জ সদর উপজেলা
হবিগঞ্জ সদর সিলেট বিভাগ-এ অবস্থিত
হবিগঞ্জ সদর
হবিগঞ্জ সদর
হবিগঞ্জ সদর বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
হবিগঞ্জ সদর
হবিগঞ্জ সদর
বাংলাদেশে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৪°২২′৪৬″ উত্তর ৯১°২৪′৪৭″ পূর্ব / ২৪.৩৭৯৪৪° উত্তর ৯১.৪১৩০৬° পূর্ব / 24.37944; 91.41306 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশবাংলাদেশ
বিভাগসিলেট বিভাগ
জেলাহবিগঞ্জ জেলা
আয়তন
 • মোট২৫৩.৭৮ বর্গকিমি (৯৭.৯৯ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০০১)[১]
 • মোট২,৭৫,০৭৪
 • জনঘনত্ব১,১০০/বর্গকিমি (২,৮০০/বর্গমাইল)
সাক্ষরতার হার
 • মোট৫০.৭০%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
৬০ ৩৬ ৪৪
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

হবিগঞ্জ সদর উপজেলা বাংলাদেশের হবিগঞ্জ জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা।

অবস্থান ও আয়তন[সম্পাদনা]

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার উত্তরে বানিয়াচং উপজেলানবীগঞ্জ উপজেলা, দক্ষিণে চুনারুঘাট উপজেলামাধবপুর উপজেলা, পূর্বে বাহুবল উপজেলা এবং পশ্চিমে লাখাই উপজেলা অবস্থিত।

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় বর্তমানে ১টি পৌরসভা ও ৮টি ইউনিয়ন রয়েছে। সম্পূর্ণ উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম হবিগঞ্জ সদর থানার আওতাধীন।[২]

পৌরসভা:
ইউনিয়নসমূহ:

ইতিহাস[সম্পাদনা]

নামকরণ[সম্পাদনা]

ঐতিহাসিক সুলতানসি হাবেলির প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ সুলতানের অধস্তন পুরুষ সৈয়দ হেদায়েত উল্লাহর পুত্র সৈয়দ হবিব উল্লাহ খোয়াই নদীর তীরে একটি গঞ্জ বা বাজার প্রতিষ্ঠা করেন। তার নামানুসারে হবিবগঞ্জ থেকে কালক্রমে তা হবিগঞ্জে পরিণত হয়।

মুক্তিযুদ্ধে হবিগঞ্জ সদর[সম্পাদনা]

ভৌগোলিক উপাত্ত[সম্পাদনা]

ভূপ্রকৃতি[সম্পাদনা]

মৃত্তিকা[সম্পাদনা]

নদ-নদী[সম্পাদনা]

খোয়াই নদীর তীরে অবস্থিত।

সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য[সম্পাদনা]

ভাষা[সম্পাদনা]

উৎসব[সম্পাদনা]

খেলাধুলা[সম্পাদনা]

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

২,৭৫,০৭৪ জন (২০০১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী), পুরুষ ১,৪০,৯৫১ জন, মহিলা ১,৩৪,১২৩ জন, লোক সংখ্যার ঘনত্ব ১০৮৪/ব.কি.মি., মোট ভোটার সংখ্যা ১,৯৬৬২০ পুরুষ ভোটার সংখ্যা ৯৮,২২৬, মহিলা ভোটার সংখ্যা ৯৮,৩৯৪। [৩]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

শিক্ষার হার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড় হার ৪৭.০৪%; পুরুষ ৫১.৩৮%, মহিলা ৪২.৫৪%। মেডিকেল কলেজ ১, কলেজ ৪, প্রাইমারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট ১, কারিগরি কলেজ ১, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ২০, প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৪৬, কিন্ডার গার্টেন ২, মাদ্রাসা ১৬। [৪]

উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান:

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

এই অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর আয়ের প্রধান উৎস কৃষি ৪৭.১৩%, অকৃষি শ্রমিক ৫.৭২%, ব্যবসা ১৬.৭৯%, পরিবহন ও যোগাযোগ ৪.৭৮%, চাকরি ৮.৭৪%, নির্মাণ ২.১১%, ধর্মীয় সেবা ০.৩৫%, রেন্ট অ্যান্ড রেমিটেন্স ২.২৫% এবং অন্যান্য ১২.১৩%। [৫]

উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

হবিগঞ্জ জেলার অন্যতম দর্শনীয় স্থান:

রেলপথ[সম্পাদনা]


শায়েস্তাগঞ্জ-হবিগঞ্জ রেলপথ সেকশনে চারটি রেলওয়ে স্টেশন আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২৮ সালে।

শায়েস্তাগঞ্জ জংশন

বি.দ্র.: শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন ১৯০৩ সালে আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯২৮-২৯ সালে হবিগঞ্জ বাজার-শায়েস্তাগঞ্জ-বাল্লা রেলপথ সংযোগ ফাঁড়ি যোগাযোগ চালু হলে এটি জংশন রেলওয়ে স্টেশনে পরিণত হয়।

শায়েস্তাগঞ্জ-চুনারুঘাট রেলপথ সেকশনে সাতটি রেলওয়ে স্টেশন আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২৯ সালে।

রেলপথ ইতিবৃত্ত

হবিগঞ্জ বাজার–শায়েস্তাগঞ্জ–বাল্লা রেলপথ

উপনবেশিক বৃটিশ শাসন আমলে তৎকালীন (অবিভক্ত বৃটিশ-ভারতের) আসাম প্রভেন্সির সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহুকুমায় রেলপথে ট্রেন চলাচল শুরু হয়। বৃটিশ সরকার ১৯২৮ সালে হবিগঞ্জ বাজার-শায়েস্তাগঞ্জ-বাল্লা রেলপথ নির্মাণ করে গড়ে তুলে অবকাঠামো।[১৪]

রেলপথটি তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে কর্তৃক [১৫] হবিগঞ্জ জেলা সদর শহর থেকে শায়েস্তাগঞ্জ জংশন হয়ে বাল্লা সীমান্ত পর্যন্ত প্রায় ৪৫[১৬] অথবা ৫২ কিলোমিটার[১৭] দীর্ঘ রেলপথ চালু করে।[১৬][১৮] এর মধ্যে ১৯২৮ সালে শায়েস্তাগঞ্জ–হবিগঞ্জ (১৫[১৬] অথবা ১৬ কিমি[১৭]) এবং ১৯২৯ সালে শায়েস্তাগঞ্জ–বাল্লা (৩০[১৭] অথবা ৩৬ কিমি[১৬]) রেলপথ উদ্বোধন করা হয়।

উক্ত কিলোমিটারের মধ্যে হবিগঞ্জ বাজার, হবিগঞ্জ কোর্ট, শায়েস্তাগঞ্জ জংশন, শাকির মোহাম্মদ, চুনারুঘাট, আমুরোড, আসামপাড়া এবং ত্রিপুরা সীমান্ত ঘেঁষা বাল্লা-এ ৮টি স্টেশনের মধ্যে চলাচল করতো কয়লার ইঞ্জিনচালিত ট্রেন।[১৪] এর মধ্যে চুনারুঘাট, আমুরোড এবং আসামপাড়া স্টেশনগুলোর গুরুত্ব ছিল বেশি। ওই ৩টি স্টেশন থেকে ২২টি চা বাগানে উৎপাদিত চা রেলপথেই চালান দেয়া হতো।[১৪]

কম খরচে সে সময় হবিগঞ্জের চুনারঘাট উপজেলার ১৩টি বাগানের চা পাতা রপ্তানি ও বাগানের রেশনসহ আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র আমদানী করার একমাত্র মাধ্যম ছিল এ রেলপথ।[১৭]

শায়েস্তাগঞ্জ–হবিগঞ্জ রেলপথে মোট ৪টি স্টেশন রয়েছে (শায়েস্তাগঞ্জ জংশন বাদে), যথা: হবিগঞ্জ বাজার, হবিগঞ্জ কোর্ট, ধুলিয়াখাল এবং পাইকপাড়া। শায়েস্তাগঞ্জ–বাল্লা রেলপথে মোট ৭টি স্টেশন রয়েছে (শায়েস্তাগঞ্জ জংশন বাদে), যথা: বারকোটা, শাকির মোহাম্মদ, সুতাং বাজার, চুনারুঘাট, আমু রোড, আসামপারা এবং বাল্লা

বাংলাদেশ স্বাধীনতার পরবর্তীতে বাল্লা ট্রেনের গুরুত্ব আরো বেড়ে যায়। এ কারণে প্রত্যন্ত অঞ্চল বলে খ্যাত সুতাং বাজার ও বারকোটা নামে আরো দুটি স্টেশন গড়ে তুলে রেল কর্তৃপক্ষ।[১৪] সেই সময় ভারত থেকে শরণার্থী ফিরিয়ে আনার কাজে ট্রেনটির ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়।[১৪] এ সময় বাল্লার ট্রেনে যুক্ত হয় ডিজেল ইঞ্জিন।[১৪] ট্রেনটি দিনে দু’বার করে যাতায়াত করতো হবিগঞ্জ থেকে সীমান্ত স্টেশন বাল্লার মধ্যে।[১৪] শরণার্থী পরিবহন পর্ব শেষ হওয়ার পর বাল্লার ট্রেনটি দখলে নেয় চোরাকারবারিরা। পরবর্তীতে বাল্লার ট্রেনটি চোরাকারবারিদের ট্রেনে পরিণত হয়।[১৪] প্রথম প্রথম এ নিয়ে যাত্রীরা প্রতিবাদ করলেও পরবর্তীতে বিনা টিকিটে ভ্রমণের সুযোগ পেয়ে চুপসে যান যাত্রীরা। এ অবস্থায় চলতে থাকা ট্রেনটি লোকসানের মুখে পড়ে।[১৪] রেল কর্তৃপক্ষ রেল লাইনের সংস্কার কাজ স্থগিত করে দেয়। ট্রেনটি চলতে থাকে চরম ঝুঁকি নিয়ে। গতিবেগ নেমে আসে ১৫ কিলোমিটারে।[১৪]

সামরিক শাসক এরশাদ সরকারের আমলে প্রথম এ রুটে ট্রেন চলাচল অঘোষিত ভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়।[১৪] যাত্রীদের আন্দোলনের মুখে ১ সপ্তাহের মধ্যেই পুনরায় ট্রেন চলাচল শুরু হয় এ পথে।[১৪] ১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার কিছুদিন পর বাল্লার ট্রেনের চলাচল আবার অঘোষিত ভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়।[১৪] বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ট্রেন চলাচলের দাবি নিয়ে আন্দোলন শুরু করে।[১৪] সেই কারণে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ট্রেনটি চলাচলের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।[১৪] কিছুদিন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চলার পর আবার বন্ধ করে দেয়া হয় ট্রেনটি।[১৪]

এরপর ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ঐ সময়ের অর্থমন্ত্রী হবিগঞ্জ সদর-লাখাই উপজেলা (হবিগঞ্জ-৩) আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য এমপি প্রয়াত শাহ এ এম এস কিবরিয়া সাহেবের ঐকান্তিক দূরদৃষ্টি সম্পন্ন রাজনৈতিক প্রচেষ্ঠায় ২০০০ সালে রেলপথটি উন্নত সংস্কার করে ট্রেন চলাচল চালু হয়েও সর্বশেষ ২০০৩ সালে এ লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।[১৪] বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলের অঘোষিত ভাবে বন্ধ হওয়ার পর থেকেই একটি প্রভাবশালী মহল রেলের বিশাল সম্পদের দিকে নজর দেয়।[১৭] ২০০৫ সালের দিকে সড়ক করার অজুহাতে হবিগঞ্জ বাজার থেকে শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশন পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার রেলপথ তুলে ফেলা হয়।[১৬] পরে আবার শায়েস্তাগঞ্জ থেকে হবিগঞ্জ পর্যন্ত রেল লাইনটি উঠিয়ে বাইপাস সড়ক নির্মাণ করা হয়।[১৭]

দীর্ঘদিন চলে গেলেও পুনরায় চালু করা যায়নি হবিগঞ্জ-বাল্লা ট্রেন।[১৪] রাজনীতির নাম ভাঙিয়ে দখল করে নেয়া হয়েছে রেলের কোটি কোটি টাকার ভূমি।[১৪] রেলের কর্মচারীরা যারা বিভিন্ন স্টেশনে অবস্থান করতেন তারাও রেলের জমি দখল করে ভবন নির্মাণ করে বসবাস করছেন। কোনো কোনো কর্মচারী রেলের ভূমিতে ভবন নির্মাণ করে ভাড়াটিয়া বসিয়ে টাকাকড়ি পকেটস্থ করছেন।[১৪]

২০০৩ সালে এ পথে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার পর পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে এ রেলপথটি।[১৬] এরপর থেকে কোটি কোটি টাকার রেল সম্পদ লুটপাট হতে থাকে।[১৬] এরই মধ্যে পথটির মূল্যবান যন্ত্রপাতি ও স্টেশন ঘরের আসবাবপত্র লুটপাট হয়ে গেছে।[১৬] এখন চলছে রেলপথের জমি দখল।[১৬] একশ্রেণির মানুষ এসব জমি দখল করে ইমারত নির্মাণ করছে।[১৬] চাষ করছে নানা ফসল।[১৬] পরিত্যক্ত রেলপথটির সাথে জড়িয়ে আছে শায়েস্তাগঞ্জ জংশনের নাম।[১৭] জশংনের ঐতিহ্য রক্ষায় দ্রুত এ রেলপথে পুনরায় ট্রেন চালুর দাবি স্থানীয়দের।[১৭]

২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর রেলমন্ত্রী প্রয়াত সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে শায়েস্তাগঞ্জবাসী সংবর্ধনা প্রদান করে। এ সময় তিনি বাল্লা ট্রেনটি কিছুদিনের মধ্যে চালু করবেন বলে আশ্বাস দেন।[১৪] সুরঞ্জিত সেন রাজনৈতিক শিকারে পরিণত হলে হবিগঞ্জ সদর হইতে বাল্লার ট্রেন আর চালু করা যায়নি।[১৪] এখনো হবিগঞ্জ সদর হইতে বাল্লার ট্রেন বন্ধই রয়ে গেছে।[১৪] এলাকাবাসীরা জানান, হবিগঞ্জ-শায়েস্তাগঞ্জ-বাল্লা রেলপথ স্টেশনের ৪টির অবস্থান হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় এবং ৭টির অবস্থান চুনারুঘাট উপজেলায়। শায়েস্তাগঞ্জ জংশন শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায়।[১৪] সে কারণে ১১তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে হবিগঞ্জ সদর হইতে বাল্লার ট্রেনটি চালু, ট্রেনের ভূমি উদ্ধারসহ বিভিন্ন দাবি উঠে সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে।[১৪] নির্বাচনের প্রচারণার সময় আওয়ামী লীগের নেতারা হবিগঞ্জ সদর হইতে বাল্লার ট্রেন চালু করার আশ্বাসও দিয়েছেন কিন্তু বিগত বছর গুলো চলে যাবার পরও ট্রেন চালু করার বিষয়ে এখনো কোন কথা নেতাদের মুখ থেকে উচ্চারিত হয়নি।[১৪] চুনারুঘাট-মাধবপুর উপজেলার (হবিগঞ্জ-৪) সংসদ সদস্য মাহবুব আলী বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাবার পর এলাকার মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেড়ে গেছে। সাধারণ মানুষ মনে করে, মন্ত্রী মাহবুব আলীই পারেন এলাকার এবং হবিগঞ্জ জেলার ঐতিহ্য হবিগঞ্জ বাজার অর্থাৎ হবিগঞ্জ সদর হইতে চুনারুঘাট বাল্লা স্থল বন্দর পর্যন্ত বাল্লা ট্রেনকে পুনরায় চালু করতে। আর সে আশায় পথপ্রাণে চেয়ে আছেন সাধারণ মানুষ।[১৪]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন ২০১৪)। "হবিগঞ্জ সদর উপজেলা সম্পর্কিত তথ্য"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুলাই ২০১৫ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  2. "ইউনিয়নসমূহ - হবিগঞ্জ সদর উপজেলা"habiganjsadar.habiganj.gov.bd। জাতীয় তথ্য বাতায়ন। ৬ আগস্ট ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১১ আগস্ট ২০২০ 
  3. "হবিগঞ্জ-সদর-উপজেলা-সম্পর্কিত-তথ্য"। ৩ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুন ২০১৬ 
  4. হবিগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স থেকে সংগ্রিহিত তথ্য
  5. "হবিগঞ্জ সদর উপজেলা - বাংলাপিডিয়া"bn.banglapedia.org। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০১-২০ 
  6. ছাপাকৃত মশাজান সৈয়দ হাবেলীর হালনাগাদ নসবনামার পুস্তক। প্রকাশকাল জুন ২০০১।
  7. http://www.dpp.gov.bd/upload_file/gazettes/041-042-Law-1982.pdf
  8. "গবেষক ও রম্য লেখক সৈয়দ মোস্তফা কামাল'র মৃত্যু"banglanews24.com। ২০১৩-১২-২১। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-১০-০১ 
  9. Islam, Anis (২০১৪-০১-১৫)। "সৈয়দ মোস্তফা কামাল স্মরণে"আমার সিলেট ‍টুয়েন্টিফোর ডটকম (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-১০-০১ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  10. "ঐতিহ্য অনুসন্ধানী ধ্যানী গবেষক সৈয়দ মোস্তফা কামাল : কিছু কথা"utsanga.com (ইংরেজি ভাষায়)। ২০২১-১০-০১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-১০-০১ 
  11. "সিলেটে বিখ্যাত যারা"Bangladesh Journal Online। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-১০-০১ 
  12. "লন্ডনে সৈয়দ মোস্তফা কামাল স্মরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত"The Sunrise Today (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৪-০১-১৯। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-১০-০১ 
  13. https://mocat.gov.bd/site/page/1d2f9526-2995-4ca3-b945-1eadd8f4dbd0/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%97%E0%A6%A3?fbclid=IwAR1qgKQnGaeSxNreLoOa9JdwEICMF3PlZCfYtW3VkBYZqMJFPVagtH3PUN4
  14. "হাজার কোটি টাকার সরকারি সম্পদ লুট"mzamin.com। ৩১ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-১০-২৫ 
  15. "রেলওয়ে - বাংলাপিডিয়া"bn.banglapedia.org। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৩-০৮ 
  16. "১৪ বছরেও চালু হয়নি শায়েস্তাগঞ্জ-বাল্লা রেলপথ"samakal.com। ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১২-০৮ 
  17. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; dailyjalalabad.com নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  18. "সংক্ষিপ্ত ইতিহাস"railway.gov.bd। Archived from the original on ২০১১-১২-২০। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১২-০৮ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]