বাহুবল উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বাহুবল
উপজেলা
বাহুবল বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
বাহুবল
বাহুবল
বাংলাদেশে বাহুবল উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৪°২১′২০″উত্তর ৯১°৩২′৩০″পূর্ব / ২৪.৩৫৫৬° উত্তর ৯১.৫৪১৭° পূর্ব / 24.3556; 91.5417স্থানাঙ্ক: ২৪°২১′২০″উত্তর ৯১°৩২′৩০″পূর্ব / ২৪.৩৫৫৬° উত্তর ৯১.৫৪১৭° পূর্ব / 24.3556; 91.5417
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ সিলেট বিভাগ
জেলা হবিগঞ্জ জেলা
আয়তন
 • মোট ২৫০.৬৬ কিমি (৯৬.৭৮ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট ১,৯৭,৯৯৭
 • ঘনত্ব ৭৯০/কিমি (২০০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট ৩৯.৪%
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
ওয়েবসাইট http://bahubal.habiganj.gov.bd


বাহুবল উপজেলা বাংলাদেশের হবিগঞ্জ জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা।

অবস্থান ও আয়তন[সম্পাদনা]

উত্তরে- নবীগঞ্জ উপজেলা, দক্ষিণে- চুনারুঘাট উপজেলা, পূর্বে- মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলা এবং পশ্চিমে হবিগঞ্জ সদর উপজেলা

ইতিহাস[সম্পাদনা]

প্রশাসন বাহুবল থানা গঠিত হয় ১৯২১ সালে। বর্তমানে এটি উপজেলা।

নামকরণ[সম্পাদনা]

জনশ্রতি এবং প্রাচীন লোকদের নিকট থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত পত্র-পত্রিকা হতে জানা যায় প্রাচীনকালে কুদরত মাল নামক জনৈক পলোয়ান বাহুবল এলাকায় বাস করতেন। মৌলভীবাজার জেলার দক্ষিণ বাগ থেকে পলোয়ান এসে ছিলেন কুদরত মালের সংগে মলল যুদ্দ করতে। দু পলোয়ানের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ মলল যুদ্দের পর কুদরত মাল বিজয়ী হয়ে বীর দর্পে বলেছিলেন ‘‘বাহুকা বল দেখ বেটা ’’এ ঘটনাটি একটি প্রবাদ প্রবচনে প্রকাশ করা হয়েছে। ‘‘দক্ষিণ বাগ থেকে আইলো মাল মিরমিরাইয়া চায়, কুদরত মালের ঘুষি খাইয়া গড়াগড়ি বায়’’। কিংবদন্তীর মলল যুদ্ধে ‘‘দেখ বাহুকাবল’’ থেকে বাহুবল নাম হয়েছে বলে অনেক মনে করেন।

 শত বর্ষের প্রাচীন লোকদের মুখ থেকে শুনা যায় এক কালে অত্র এলাকার লোকজন ছিল খুবই শক্তিশালী ও বীরযোদ্ধা। তখনকার কেউ কোনরূপ ধারালো অসত্র ব্যবহার করত না বা ধারালো অসেত্রর ব্যবহার ছিল না। মারামারিতে ৩/৪ হাত লম্বা বড় একটি বাঁশের টুকরাই লাঠি হিসাবে ব্যবহার হতো। সে বাঁশের লাঠি যার হাত থেকে পরে যেত বা ভেংগে যেত সে হত পরাজিত। তার উপর আর কেউ আঘাত করত না। এছাড়া পাহাড়ের হিংস্র বাঘের সংগে অনেক সময় মানুষের হাতাহাতি যুদ্ধ হত। বাঘের হাত থেকে হরিণ ছিনিয়ে আনতেও লোকজন মোটেও ভয় পেত না। তাই এলাকার নির্ভীক মানুষের সাহসিকতা ও বীরত্বের পরিচয় হিসাবে ‘‘ বাহুবল ’’ নামের উদ্ভব হয়েছে বলেও ধারণা করা হয়।

মুক্তিযুদ্ধে বাহুবল[সম্পাদনা]

ভৌগোলিক উপাত্ত[সম্পাদনা]

ভূপ্রকৃতি[সম্পাদনা]

মৃত্তিকা[সম্পাদনা]

নদ-নদী[সম্পাদনা]

জলাশয় কোরাংগী, খোয়াই ও বরাক নদী উল্লেখযোগ্য।

সাংষ্কৃতিক বৈশিষ্ঠ্য[সম্পাদনা]

ভাষা[সম্পাদনা]

উত্সব[সম্পাদনা]

খেলাধুলা[সম্পাদনা]

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

এই উপজেলার ইউনিয়ন সমূহঃ-

  1. স্নানঘাট ইউনিয়ন
  2. পুটিজুরী ইউনিয়ন
  3. সাতকাপন ইউনিয়ন
  4. বাহুবল সদর ইউনিয়ন
  5. লামাতাশী ইউনিয়ন
  6. মিরপুর ইউনিয়ন এবং
  7. ভাদেস্বর ইউনিয়ন

জনসংখ্যা[সম্পাদনা]

২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী ১,৯৭,৯৯৭ জন; এর মধ্যে ৯৮,১০১ জন এবং মহিলা ৯৯,৮৯৬ জন। এ উপজেলায় খাসিয়া, টিপরা, মণিপুরি প্রভৃতি আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে।

শিক্ষা[সম্পাদনা]

প্রতিষ্ঠান সংখ্যা
কলেজ ২টি(উচ্চমাধ্যমিক), ১টী (ডিগ্রি)
উচ্চবিদ্যালয় ১০টি
মাদ্রাসা ৪টি(দাখিল)

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

  • কমান্ডার মানিক চৌধুরী - রাজনীতিবিদ;
  • আমাতুন কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী - রাজনীতিবিদ।

বিবিধ[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে বাহুবল"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ৫ জুলাই, ২০১৫ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]