বিয়ানীবাজার উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
বিয়ানীবাজার
উপজেলা
বাংলাদেশে বিয়ানীবাজার উপজেলার অবস্থান
বাংলাদেশে বিয়ানীবাজার উপজেলার অবস্থান
বিয়ানীবাজার সিলেট বিভাগ-এ অবস্থিত
বিয়ানীবাজার
বিয়ানীবাজার
বিয়ানীবাজার বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
বিয়ানীবাজার
বিয়ানীবাজার
বাংলাদেশে বিয়ানীবাজার উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৪°৪৯′৩০″ উত্তর ৯২°৯′৪৫″ পূর্ব / ২৪.৮২৫০০° উত্তর ৯২.১৬২৫০° পূর্ব / 24.82500; 92.16250স্থানাঙ্ক: ২৪°৪৯′৩০″ উত্তর ৯২°৯′৪৫″ পূর্ব / ২৪.৮২৫০০° উত্তর ৯২.১৬২৫০° পূর্ব / 24.82500; 92.16250 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগসিলেট বিভাগ
জেলাসিলেট জেলা
আয়তন
 • মোট২৫১.২২ কিমি (৯৭.০০ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)
 • মোট২,৫৩,৩৭০
 • জনঘনত্ব১০০০/কিমি (২৬০০/বর্গমাইল)
সাক্ষরতার হার
 • মোট৫৪.৪০%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
৬০ ৯১ ১৭
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট Edit this at Wikidata

বিয়ানীবাজার বাংলাদেশের সিলেট জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা[১]

অবস্থান[সম্পাদনা]

এ উপজেলার পূর্বে জকিগঞ্জ উপজেলাভারত, দক্ষিণে মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলা, পশ্চিমে গোলাপগঞ্জ উপজেলা, উত্তরে কানাইঘাট উপজেলা[১]

নামকরণ[সম্পাদনা]

বিয়ানীবাজারের পূর্ব নাম ছিল পঞ্চখন্ড। তৎকালীন সময়ে পঞ্চখন্ড গহীন জঙ্গল ও টিলা বেষ্টিত ভূমি ছিল। সিলেটের প্রথম রায় বাহাদুর হরেকৃষ্ণ রায় চৌধুরীর পুত্র কৃষ্ণ কিশোর পাল চৌধুরী এখানে একটি বাজার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। কিন্তু হিংস্র জীবজন্তুদের ভয়ে লোকজন সকালবেলা (স্থানীয়ভাষায়ঃ বিহানে) বাজার শেষ করে নিজ নিজ আশ্রয়ে ফিরতেন। বিহানবেলা এই হাট বসতো তাই এর নাম হলো বিহানীবাজার যা কালের আবর্তণে বিয়ানীবাজার নাম ধারণ করে।[১][২]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৭৬৫ সালে মোঘল অধিকৃত সিলেট ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর অন্তর্ভুক্ত হয়। ১৭৮২ সালের ৩ জানুয়ারী সিলেট ঢাকা প্রশাসন স্বতন্ত্র হয়ে পড়ায় সিলেটকে ১০টি রাজস্ব জেলায় বিভক্তির সুপারিশ করা হয়। বিয়ানীবাজার লাতু রাজস্ব জেলার অন্তভূক্ত হয়। ১৮৭৪ সালে ১২ সেপ্টেম্বর সিলেটকে আসামের সাথে সংযুক্ত করা হয়। আসাম ভূক্তির পর ১৮৭৮ সালে করিমগজ্ঞ মহকুমা সৃষ্টি করা হলে বিয়ানীবাজার করিমগজ্ঞ মহকুমার অন্তভূক্ত হয়। ১৭৯৩সালের ২২শে মে লর্ড কর্ণওয়ালিসের সময় থানা ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হলে জলঢুপ(বর্তমানে থানা বাজার নামে পরিচিত) থানা প্রতিষ্টিত হয়। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্ত হলে বিভক্ত ভারতের কোন অংশে সিলেট যোগদান করবে তা নির্ধারণের জন্য গণভোট হয়। ৬ ও ৭ জুলাই দু’দিনের গণভোটে সিলেটবাসী পাকিস্তানের পক্ষে রায় দেয়। কিন্ত গণরায়কে উপেক্ষা করে রেড ক্লিফের রোয়েদাদ করিমগজ্ঞ মহকুমার মুসলিম প্রধান তিনটি থানা (পাথার কান্দি,রাতাবাড়ি,বদরপুর ও করিমগঞ্জের অধিকাংশ অঞ্চল) পাকিস্থানের হাত ছাড়া হয়ে ভারতে থেকে যায়। এদিকে পাকিস্তান সৃষ্টির পূর্বে সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার ও মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা থানাকে নিয়ে ’জলঢুপ’ নামে একটি থানা গঠিত হয়। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পূর্বে ১৯৪০ সালের ২৮ মে সরকারী নোটিফিকেশনএর মাধ্যমে জলঢুপ’ থানাকে ভেঙ্গে বিয়ানীবাজার ও বড়লেখা নামে দু’টি থানা প্রতিষ্টা লাভ করে। সেখান থেকেই এই ’ বিয়ানীবাজার’ স্বতন্ত থানা হিসাবে পরিচিত হয়।পরে ১৯৮৩ সালের ১ আগষ্ট তৎকালীন স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ মন্ত্রী জেনারেল শামসুল হক আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ানীবাজারকে উপজেলায় উন্নীত করেন।[১]

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

বিয়ানীবাজার উপজেলায় ১টি পৌরসভা।

  1. বিয়ানীবাজার পৌরসভা

ইউনিয়ন পরিষদ ১১টি। নির্বাচনী এলাকা - ২৩৪- (সিলেট-০৬)। মৌজা - ১৪৪ টি।[২]

  1. আলীনগর ইউনিয়ন, বিয়ানীবাজার
  2. কুড়ারবাজার ইউনিয়ন
  3. চরখাই ইউনিয়ন
  4. দুবাগ ইউনিয়ন
  5. বিয়ানীবাজার ইউনিয়ন (বর্তমানে বিলুপ্ত)
  6. মাথিউরা ইউনিয়ন
  7. তিলপাড়া ইউনিয়ন
  8. মুড়িয়া ইউনিয়ন
  9. মোল্লাপুর ইউনিয়ন
  10. লাউতা ইউনিয়ন
  11. শেওলা ইউনিয়ন

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

জনসংখ্যা -২,৫৩,৩৭০জন (২০১১ এর আদম শুমারী অনুযায়ী) জনসংখ্যার ঘনত্ব - ৮৩৯। [১]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

  • কলেজ - সরকারী - ০১ টি, বেসরকারী- ০৪ টি।
  • মাধ্যমিক বিদ্যালয় - ৩৫টি।
  • প্রাথমিক বিদ্যালয় - সরকারীঃ ১১৩ টি, বেসরকারীঃ রেজি: ১৮টি ও নন রেজি: ১০টি, স্বল্প ব্যায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ ৬টি।
  • মাদ্রাসা - সিনিয়রঃ - ১টি, কওমিঃ - ১০টি, দাখিলঃ - ৫টি, ইবতেদায়ীঃ - ৩৮টি, ফোরকানিয়াঃ - ৩২৫টি, হাফিজিয়াঃ - ১৩টি।

হাসপাতাল ও ক্লিনিক[সম্পাদনা]

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "এক নজরে বিয়ানীবাজার উপজেলা"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। ২ জুলাই ২০১৯। ২ জুলাই ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ জুলাই ২০১৯ 
  2. "বিয়ানীবাজার উপজেলা"বাংলাপিডিয়া। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৫। ২ জুলাই ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ জুলাই ২০১৯ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]