এমআরটি লাইন ৬

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
এমআরটি লাইন ৬
সংক্ষিপ্ত বিবরণ
অন্য নামঢাকা মেট্রো লাইন ৬
ধরনদ্রুত পরিবহন
সিস্টেমঢাকা মেট্রো
অবস্থানির্মীয়মান
বিরতিস্থলউত্তরা উত্তর (উত্তর)
মতিঝিল(দক্ষিণ)
ক্রিয়াকলাপ
উদ্বোধনডিসেম্বর ২০২১ (প্রস্তাবিত)
পরিচালকঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড
বৈশিষ্ট্যউত্তোলিত
ঘাঁটি(গুলি)উত্তরা
প্রযুক্তিগত
রেলপথের দৈর্ঘ্য২০.১ কিলোমিটার (১২.৫ মা)(উত্তোলিত)
ট্র্যাক গেজ১,৪৩৫ এমএম (৪ ফুট ৮ ১⁄২ ইঞ্চি) স্ট্যান্ডার্ড গেজ
চালন গতি৮০ কিমি
বিদ্যুতায়ন১,৫০০ ভোল্ট ডিসি ওভারহেড ক্যাটারানারি দ্বারা

এমআরটি লাইন ৬ বা ঢাকা মেট্রো লাইন ৬ হল ঢাকা মেট্রো রেলের একটি রেলপথ। উত্তরা থেকে মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংক পর্যন্ত মেট্রোরেলের এই রুটের দূরত্ব ২০.১ কিলোমিটার। এই পথ পাড়ি দিতে সময় লাগবে ৩৫ মিনিট। ১৬টি স্থানে স্টেশন থাকবে। এর পুরোটাই হবে উড়ালসড়কে, মাটির ১৩ মিটার ওপর দিয়ে। এ জন্য উড়ালসড়ক নির্মাণ হচ্ছে। পরে রেলের লাইন বসানো হবে। কর্তৃপক্ষ বলছে, শব্দ নিয়ন্ত্রণের জন্য লাইনের পাশে শব্দনিরোধক দেয়াল থাকবে। জুলাই ২০১৯ সাল পর্যন্ত উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত ১২ কিলোমিটারের মধ্যে প্রায় ৪ কিলোমিটার উড়ালসড়ক দৃশ্যমান হয়েছে। আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত দূরত্ব ৮ দশমিক ১২ কিলোমিটার। এই পথে পাইলিং ও পিলার তৈরির কাজ চলছে।[১]

এমআরটি-৬ - এর কাজ চলছে কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, পরীবাগে ( জুন ২০২১)

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ঢাকার যানজট নিরসনে এমআরটি লাইন ৬ মেট্রোরেল প্রকল্প ২০১২ সালের ডিসেম্বরে একনেকে অনুমোদন হয়। ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাপানের আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থা জাইকার সঙ্গে ঋণ চুক্তি হয়। প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৪ সাল পর্যন্ত। তবে সরকার প্রথমে চলতি বছরের ডিসেম্বরে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত অংশ চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু এখন পুরোটা একসঙ্গেই ২০২১ সালের ডিসেম্বরে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

নির্মান ব্যয়[সম্পাদনা]

প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে সাড়ে ১৬ হাজার কোটি টাকা দেবে জাইকা।[২]

স্টেশন[সম্পাদনা]

এমআরটি লাইন ৬ এ ১৬টি স্টেশন হবে। এগুলো হচ্ছে উত্তরা উত্তর, উত্তরা সেন্টার, উত্তরা দক্ষিণ, পল্লবী, মিরপুর ১১, মিরপুর ১০, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, আগারগাঁও, বিজয় সরণি, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সচিবালয় ও মতিঝিল। মেট্রোরেলের স্টেশনগুলোও হবে তিনতলা উচ্চতায়। টিকিট কাউন্টার এবং অন্যান্য সুবিধাদি থাকবে দ্বিতীয় তলায়। আর ট্রেনে ওঠার জন্য প্ল্যাটফর্ম থাকবে তৃতীয় তলায়। স্টেশনগুলোতে ওঠার জন্য সাধারণ সিঁড়ির পাশাপাশি থাকবে লিফট ও চলন্ত সিঁড়ি। টিকিট দিয়ে প্ল্যাটফর্মে প্রবেশের ব্যবস্থা হবে স্বয়ংক্রিয়। নিরাপত্তার জন্য স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে নিরাপত্তাবেষ্টনী বা প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর স্থাপন করা হবে।

ট্রেন[সম্পাদনা]

শুরুতে মেট্রোরেলে ২৪ সেট ট্রেন চলাচল করবে। প্রতি সেট ট্রেনে কোচ থাকবে ছয়টি। কর্তৃপক্ষের হিসাবে, ২০২১ সালে চালু হওয়ার পর ব্যস্ত সময় ঘণ্টায় সাড়ে ২২ হাজার যাত্রী পরিবহন সম্ভব হবে। দিনে যাত্রী পরিবহন করতে পারবে ৫ লাখের কাছাকাছি।

চিত্রশালা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "4-km of Dhaka metro rail now visible"। প্রথম আলো। ১৬ জুলাই ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১৩ আগস্ট ২০১৯ 
  2. "মেট্রোরেলের চার কিলোমিটার এখন দৃশ্যমান"। প্রথম আলো। ১৬ জুলাই ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১৩ আগস্ট ২০১৯