ঢাকা রেসিং
| ঢাকা রেসিং | |
|---|---|
ঢাকা রেসিং প্রাথমিক লোগো, ২০০৮ | |
| নির্মাতা | ইসোফার্স |
| প্রকাশক | ইসোফার্স |
| নকশাকার | আশিক নুন আদনান করিম |
| প্রোগ্রামার | মোজাম্মেল হক রুমন জাকারিয়া |
| ভিত্তিমঞ্চ | মাইক্রোসফট উইন্ডোজ |
| মুক্তি | ডেমো সংস্করণ ২ মার্চ ২০০২ বাণিজ্যিক সংস্করণ ১২ জানুয়ারি ২০০৩ |
| ধরন | রেসিং |
| কার্যপদ্ধতি | একক খেলোয়াড় |
ঢাকা রেসিং ইসোফার্স লিমিটেড দ্বারা বিকাশিত ও প্রকাশিত একটি রেসিং ভিডিও গেম। এটি ঢাকার বিভিন্ন রাজপথের পটভূমিতে বানানো একক খেলোয়াড় ভিত্তিক রেসিং গেম। ২০০২ সালের ২ মার্চ এটির ডেমো সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল, মাইক্রোসফট উইন্ডোজের অপারেটিং সিস্টেমের উপযোগী বাণিজ্যিক ও চূড়ান্ত সংস্করণটি বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটি (বিসিএস) কম্পিউটার মেলায় একই সাথে প্রথম প্রকাশ ও বাজারে আসে ২০০৩ সালের ১২ জানুয়ারি। এটি সেই মেলার সেরা পণ্যের পুরস্কার পেয়েছিল। এটি বাংলাদেশে প্রথম ত্রিমাত্রিক বা থ্রিডি গেম।[১]
গেমপ্লে
[সম্পাদনা]গেমটিতে ঢাকার বিখ্যাত এবং ব্যস্ত রাস্তার কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। খেলোয়াড়রা রিকশা এবং অটোরিকশার মতো ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি বাহন সহ 8টি ভিন্ন যান থেকে নিজের পছন্দের বাহন বেছে নিতে পারেন। রেসিংয়ের জন্য খেলোয়াড়রা ঢাকার শহরের চারটি ভিন্ন স্থান থেকে নির্বাচন করতে পারেনঃ মানিক মিয়া এভিনিউ, চন্দ্রিমা/জিয়া উদ্যান, রমনা পার্ক এলাকা বা জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে, একটি বিশেষ ট্র্যাক সহ – সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা।[২] খেলোয়াড়রা আবহাওয়ার পরিস্থিতিও বেছে নিতে পারে। রিকশা ম্যানিয়া নামে একটি গেম মোড রয়েছে যেখানে খেলোয়াড় অন্যান্য রিকশার বিরুদ্ধে রিকশাচালক হিসাবে রেস করতে পারে।[৩]
উন্নয়ন
[সম্পাদনা]গেমটির প্রতিষ্ঠাতা, প্রধান নকশাকারক এবং প্রোগ্রামার, আশিক নুন এবং আদনান করিম। খেলাটির উন্নয়নের সময় তারা নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চূড়ান্ত বর্ষের ছাত্র ছিলেন। খেলার পটভূমি বাস্তবসম্মত করতে তারা দুজনে ঢাকার বিভিন্ন রাস্তার ৫০০ স্থিরচিত্র তুলেছেন।[১] গ্রাফিক্স মডেলিংটি অটোডেস্ক থ্রিডিএস ম্যাক্স-এর মাধ্যমে করা হয়েছিল যখন গেমে যুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, গাড়ির গতিবিধি এবং আচরণ মাইক্রোসফট ভিজুয়াল সি++ ব্যবহার করে প্রোগ্রাম করা হয়েছিল। ডেমো সংস্করণ তৈরী করতে নয় সপ্তাহ লাগে।[৪][৫]
বাজারজাত
[সম্পাদনা]প্রাথমিকভাবে, গেমটির একটি ডেমো সংস্করণ ২০০২ সালের মার্চ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। কয়েক মাস পরে ২০০৩ সালের ১২ জানুয়ারী পূর্ণ ও বাণিজ্যিক সংস্করণ বাজারে আসে। গেমটি ২০০৩ সালে বাংলাদেশের বিসিএস কম্পিউটার মেলার সেরা পণ্যের পুরস্কার পেয়েছে। অনলাইন দস্যুতা থেকে রক্ষা করার জন্য, বিকাশকারীরা পরে শুধুমাত্র অর্থপ্রদানের মাধ্যমে গেমটিকে অনলাইনে ডাউনলোড করার অনুমতি দেয়।[২]
অভ্যর্থনা ও প্রভাব
[সম্পাদনা]ঢাকা রেসিং বাংলাদেশের থ্রিডি ভিডিও গেম শিল্পের পথপ্রদর্শক। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী দেশে প্রথম থ্রিডি গেম তৈরির জন্য নুন ও করিমকে বিশেষ পুরস্কার দেন। আব্দুল মঈন খানও খেলাটির প্রশংসা করেন।[১][২]
পরবর্তীতে বাংলাদেশ ৭১ ( বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সেট করা একটি প্রথম-ব্যক্তি শুটার গেম), জেপিজিএল বোট রেসিং গেম (ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর জন্য একটি মাল্টিপ্লেয়ার বোট রেসিং গেম), কলকাতা রেসিং (সোনোলাইটের জন্য একটি রেসিং গেম) মাল্টিমিডিয়া ইন্ডিয়া) নামের স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারের ইসফার্স আরও কয়েকটি গেম নির্মাণ করে।[২]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 "Hang on, it's race time"। দ্য ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ)। ৩১ ডিসেম্বর ২০০২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মে ২০১৪।
- 1 2 3 4 রাগীব, শাম্মা। "The first 3D game developers of Bangladesh"। দ্য ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ)। ১৯ মে ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মে ২০১৪।
- ↑ "দুই তরুণের ঢাকা রেসিং। ঢাকার রাস্তায় রিকশা ও গাড়ির রেস" ঢাকার রাস্তায় রিক্সা আর গাড়ির রেস। দৈনিক ইত্তেফাক। ২৯ জানুয়ারি ২০০৩। ১১ মে ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মে ২০১৪।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক) - ↑ "IMAGE" দুই তরুণের বিস্ময়কর উদ্ভাবন। Daily Ittefaq। ৩১ জুলাই ২০০২। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মে ২০১৪।
- ↑ "দুই তরুণের বিষ্ময়কর উদ্ভাবন ঢাকা রেসিং" গাড়ি ছোটান মানিক মিয়া অ্যাভেনিউতে। প্রথম আলো। ৭ জুন ২০০২। ১৬ নভেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মে ২০১৪।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক)