প্রবেশদ্বার:বাংলাদেশ সামরিক বাহিনী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

বাংলাদেশ সামরিক বাহিনীর প্রতীক.svg

প্রবেশদ্বার বাংলাদেশ সামরিক বাহিনী

National emblem of Bangladesh.svg

সম্পাদনা 

বাংলাদেশ সামরিক বাহিনী



বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রতীক.svg

বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী যা বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী হিসেবেও পরিচিত সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি সামরিক বাহিনীর সর্বাধিনায়ক এবং প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। ১৯৭১-এর ২১শে নভেম্বর মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী গঠিত হয়। এ কারণে এই দিনটিকে সশস্ত্র বাহিনী দিবস হিসাবে পালন করা হয়।

বাংলাদেশ নিয়মিতভাবে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা অভিযানে অংশগ্রহণ করে আসছে। বাংলাদেশ এককভাবে সর্বোচ্চ সংখ্যক সদস্য প্রেরণ করেছে শান্তিরক্ষী বাহিনীতে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, এবং বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত অফিসারদের জন্য আলাদা আলাদা সামরিক পদবিন্যাস রয়েছে। আধা-সামরিক বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের সাথে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের পদবিন্যাস নৌবাহিনীর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড আধা সামরিক বাহিনী দু'টি সাধারণ সময়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকে, তবে যুদ্ধকালীন সময়ে এই বাহিনীদ্বয় যথাক্রমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অধীনে পরিচালিত হবে।

সম্পাদনা 

নির্বাচিত নিবন্ধ

মুক্তিযুদ্ধের প্রতীক.svg

মুক্তিবাহিনী হলো ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নেয়া বাঙালি সেনা, ছাত্র, ও সাধারণ জনতার সমন্বয়ে গঠিত একটি সামরিক বাহিনী। ২৬শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার পর ধীরে ধীরে সাধারণ বাঙ্গালীদের এই বাহিনী গড়ে উঠে। পরবর্তীতে এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময়ে পূর্ব পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর সাবেক সদস্যরা "বাংলাদেশ সামরিক বাহিনী" গঠন করেন এবং জেনারেল আতাউল গণি ওসমানী প্রাধান সেনাপতি পদ গ্রহণ করেন।

বিস্তারিত

সম্পাদনা 

নির্বাচিত জীবনী

Abu Taher.jpg

লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আবু তাহের একজন বাংলাদেশী মুক্তিযোদ্ধা এবং বামপন্থী বিপ্লবের নেতা ছিলেন। তিনি ছিলেন ১১নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার। ১৯৬১ সালে পাকিস্তান আর্মিতে অফিসার হিসাবে যোগদান করেন এবং ১৯৬২ সালে কমিশন প্রাপ্তি হন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তাহের সম্মুখ সমরে আহত হন, ও এক পা হারান। জিয়াউর রহমানের সরকারের আনীত এক হত্যা মামলায় ১৯৭৬ সালের ২১শে জুলাই তাহেরকে ফাঁসী দেয়া হয়।

বিস্তারিত

সম্পাদনা 

আপনি জানেন কি...

সম্পাদনা 

নির্বাচিত চিত্র

সম্পাদনা 

সম্পর্কিত প্রবেশদ্বারসমূহ

সম্পাদনা 

বিষয়শ্রেণীসমূহ

নির্দিষ্ট কোন বিষয়শ্রেণীর উপবিষয়শ্রেণীগুলো দেখতে "+" চিহ্নে ক্লিক করুন। পূর্বাবস্থায় ফেরৎ যেতে "−" চিহ্নে ক্লিক করুন।

সম্পাদনা 

মূল আলোচ্য বিষয়

সম্পাদনা 

উইকিপ্রকল্প

সম্পাদনা 

উইকিমিডিয়া

সার্ভার ক্যাশ খালি করুন