বিষয়বস্তুতে চলুন

কক্সবাজার এক্সপ্রেস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
কক্সবাজার এক্সপ্রেস
সংক্ষিপ্ত বিবরণ
পরিষেবা ধরনআন্তঃনগর
অবস্থাসক্রিয়
প্রথম পরিষেবা১ ডিসেম্বর ২০২৩; ৫ মাস আগে (2023-12-01)
বর্তমান পরিচালকপূর্বাঞ্চল রেলওয়ে
যাত্রাপথ
শুরুঢাকা
বিরতিদুই দিক থেকে ৪টি
শেষকক্সবাজার
ভ্রমণ দূরত্ব৫৫১ কিমি (৩৪২ মা)
যাত্রার গড় সময়৪৮০ মিনিট
পরিষেবার হার৬ দিন/সপ্তাহ
রেল নং৮১৩ ও ৮১৪
ব্যবহৃত লাইন
যাত্রাপথের সেবা
আসন বিন্যাসহ্যাঁ
ঘুমানোর ব্যবস্থানা
অটোরেক ব্যবস্থাহ্যাঁ
খাদ্য সুবিধাহ্যাঁ
পর্যবেক্ষণ সুবিধাহ্যাঁ
বিনোদন সুবিধাহ্যাঁ
মালপত্রের সুবিধাহ্যাঁ
কারিগরি
গাড়িসম্ভারবিআর ক্লাস ৩০০০
ট্র্যাক গেজ১,০০০ মিলিমিটার (৩ ফুট   ইঞ্চি) মিটার-গেজ রেলপথ মিশ্র গেজের সাথে ১,৬৭৬ মিলিমিটার (৫ ফুট ৬ ইঞ্চি) ডুয়েল গেজ
পরিচালন গতি৭০ কিমি/ঘ (৪৩ মা/ঘ)
ট্র্যাকের মালিকরেলপথ মন্ত্রণালয়

কক্সবাজার এক্সপ্রেস হচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়েপূর্বাঞ্চলের অন্তর্গত একটি বিরতিহীন আন্তঃনগর ট্রেন যা ১ ডিসেম্বর ২০২৩ থেকে ঢাকা থেকে কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত চলাচল করছে। এটি কক্সবাজারে সেবাদানকারী সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক রেল পরিবহন[১] এই রেলসেবার মাধ্যমে ঢাকা ও চট্টগ্রামের সাথে কক্সবাজারের রেল সংযোগ স্থাপিত হয়।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রেলপথের দোহাজারী–কক্সবাজার অংশের নির্মাণ কাজ ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা করা হয়। এই অংশের নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশ রেলওয়ে রেলপথে অন্তত ৪টি ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা করে।[২] কিন্তু বিভিন্ন সমস্যার কারণে পরবর্তীতে কর্তৃপক্ষ ওই রেলপথে একটি আন্তঃনগর ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়।[৩] একই বছরের নভেম্বরে ওই যাত্রাপথে নির্ধারিত ট্রেনটি ১ ডিসেম্বর থেকে চালু করার ঘোষণা দেওয়া হয়। ট্রেনটির জন্য ছয়টি নাম প্রস্তাব করা হয়েছিল।[৪] ১৬ নভেম্বর ২০২৩ সালে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন ট্রেনটির নাম কক্সবাজার এক্সপ্রেস ঘোষণা করেন।[৫] ২০২৩ সালের ১ ডিসেম্বরে ট্রেনটি চলাচল শুরু করে।[৬]

সেবা[সম্পাদনা]

এই ট্রেনটি বাংলাদেশ রেলওয়ে দ্বারা পরিচালিত যা ঢাকা, ঢাকা বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারকে সংযুক্ত করেছে। এটি সপ্তাহে ৬ দিন ট্রেন নম্বর ৮১৩/৮১৪ দিয়ে পরিচালিত হয় (৮১৩-এর জন্য সাপ্তাহিক ছুটি মঙ্গলবার ও ৮১৪-এর জন্য সোমবার)।[৭][৮]

সময়সূচি[সম্পাদনা]

নিচে ৮১৩/৮১৪ কক্সবাজার-ঢাকা এক্সপ্রেসের সময়সূচি দেওয়া হল:[৮]

কক্সবাজার - ঢাকা - কক্সবাজার এক্সপ্রেস
৮১৩ স্টেশন ৮১৪
আগমন প্রস্থান আগমন প্রস্থান
---- দুপুর ১২:৩০ কক্সবাজার ভোর ০৬:৪০ ----
বিকাল ০৩:৪০ বিকাল ০৪:০০ চট্টগ্রাম রাত ০৩:৪০ ভোর ০৪:০০
রাত ০৮:৩০ রাত ০৮:৩৩ ঢাকা বিমানবন্দর রাত ১০:৫৩ রাত ১০:৫৮
রাত ০৯:১০ ---- ঢাকা ---- রাত ১০:৩০

কোচের গঠন[সম্পাদনা]

৮১৩/৮১৪ কক্সবাজার-ঢাকা এক্সপ্রেসে ৩টি এসি কেবিন, ৫টি এসি চেয়ার, ৬টি শোভন চেয়ার এবং ১টি বিশেষ চেয়ার কোচ আছে।[৭]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "'কক্সবাজার এক্সপ্রেস' ঢাকায় পৌঁছতে দেরি হলো যে কারণে"ঢাকা টাইমস। ১ ডিসেম্বর ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ২ ডিসেম্বর ২০২৩ 
  2. দাস, শুখলাল (২৭ মে ২০২৩)। "নতুন নতুন পরিকল্পনা, টুরিস্ট ট্রেন চালানোর প্রস্তুতি"দৈনিক আজাদি। সংগ্রহের তারিখ ২১ নভেম্বর ২০২৩ 
  3. সাহা, সুজিত (৩০ মে ২০২৩)। "ঢাকা-কক্সবাজার রুটে চলবে একটি ট্রেন"বণিক বার্তা। সংগ্রহের তারিখ ২১ নভেম্বর ২০২৩ 
  4. "ঢাকা টু কক্সবাজার যাবে ট্রেন, নির্ধারণ হলো ভাড়া"আরটিভি। ৩ নভেম্বর ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ২১ নভেম্বর ২০২৩ 
  5. "১ ডিসেম্বরে চালু হচ্ছে 'কক্সবাজার এক্সপ্রেস'"কালের কণ্ঠ। ১৬ নভেম্বর ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ২১ নভেম্বর ২০২৩ 
  6. "হাজার যাত্রী নিয়ে ছুটল 'কক্সবাজার এক্সপ্রেস'"ঢাকা পোস্ট। ১ ডিসেম্বর ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ১ ডিসেম্বর ২০২৩ 
  7. হোসেন, আনোয়ার (১৩ নভেম্বর ২০২৩)। "ঢাকা থেকে কক্সবাজারে ট্রেনের ভাড়া সর্বনিম্ন ৫০০, সর্বোচ্চ ১৭২৫ টাকা"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২২ নভেম্বর ২০২৩ 
  8. "পর্যটন নগরীর ট্রেন 'কক্সবাজার এক্সপ্রেস' থামবে কেবল চট্টগ্রামে"বিডিনিউজ২৪.কম। ২১ নভেম্বর ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ২৫ নভেম্বর ২০২৩