অলাতচক্র (চলচ্চিত্র)
| অলাতচক্র | |
|---|---|
| পরিচালক | হাবিবুর রহমান[১] |
| প্রযোজক | রহিমা বেগম[১] |
| রচয়িতা | আহমদ ছফা |
| চিত্রনাট্যকার | হাবিবুর রহমান |
| উৎস | আহমদ ছফা কর্তৃক অলাতচক্র |
| শ্রেষ্ঠাংশে | |
| বর্ণনাকারী | আহমেদ রুবেল |
| চিত্রগ্রাহক | মাজাহারুল ইসলাম রাজু[২] |
| সম্পাদক | অভিজিৎ অর্ক |
| প্রযোজনা কোম্পানি | মিজ অঁ সিন প্রোডাকশন্স[৩] |
| পরিবেশক | জাজ মাল্টিমিডিয়া |
| মুক্তি |
|
| স্থিতিকাল | ৮৩ মিনিট |
| দেশ | বাংলাদেশ |
| ভাষা | বাংলা |
| নির্মাণব্যয় | ৳ ৬০ লাখ (নির্মাণ) |
অলাতচক্র (ইংরেজি: Circle of desire) ২০২১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলাদেশি পূর্ণদৈর্ঘ্য ত্রিমাত্রিক চলচ্চিত্র। এটি আহমদ ছফা'র বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতায় রচিত এবং ১৯৯৩ সালে একই নামে প্রকাশিত 'অলাতচক্র' উপন্যাসের নাট্যরূপ হিসেবে নির্মিত।[৪] চিত্রনাট্য রচনা ও পরিচালনা করেছেন হাবিবুর রহমান।[৩] এটি হাবিবুর রহমান কতৃক পরিচালিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। চলচ্চিত্রে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় শরণার্থী হিসেবে কলকাতায় আশ্রিত বাংলাদেশী লেখক আহমেদ ও ক্যান্সারে আক্রান্ত প্রগতিশীল নারী তায়েবার মধ্যকার অস্ফুট ভালোবাসা, মানসিক টানাপড়েনের পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন দিক চিত্রায়িত হয়েছে।[৫] মূল উপন্যাসের দুই প্রধান চরিত্র- দানিয়াল ও তায়েবা'র নাট্যরূপে অভিনয় করেছেন আহমেদ রুবেল এবং জয়া আহসান। এছাড়াও মামুনুর রশীদ, আজাদ আবুল কালাম, গাজী মাহতাব হাসান, আকরাম খান প্রমুখ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র রূপদান করেছেন।
অলাতচক্রের দৃশ্য ত্রিমাত্রিক ক্যামেরায় ধারণকৃত। এটি একইসাথে বাংলাদেশে এবং বাংলা ভাষায় নির্মিত প্রথম ত্রিমাত্রিক চলচ্চিত্র।[৬][৭] ২০১৯ সালে মিজ অঁ সিন প্রোডাকশন্সের ব্যানারে বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে এটির নির্মাণ শুরু হয় এবং ২০২০ সালে দৃশ্যধারণের সমাপ্তি ও পরবর্তী সম্পাদনা করা হয়। চলচ্চিত্রটি ২০২১ সালের ১৯ মার্চ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়।[৪][৮] উপন্যাসের সম্পূর্ণ চলচ্চিত্রায়ন না হলেও, অভিনয় ও দৃশ্যধারণের জন্য এটি সমালোচকদের কাছ থেকে প্রশংসা অর্জন করে এবং একটি পুরস্কারের আসরে সেরা 'চলচ্চিত্র অভিনেত্রী' বিভাগে বিজয়ী হয়।
কাহিনিসংক্ষেপ
[সম্পাদনা]১৯৭১ সাল। বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ চলছে। এসময় অন্যান্য বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক, সাংস্কৃতিক কর্মীর সাথে শরণার্থী হিসেবে কলকাতার বউবাজার স্ট্রিটে এক বোর্ডিংয়ে আশ্রয় নিয়েছেন বাংলাদেশের লেখক আহমেদ (আহমেদ রুবেল)। তিনবার মুক্তিযুদ্ধে যেতে চাইলেও প্রতিবার প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন। নিজের দিনলিপি লিখে আর কলকাতার সংবাদ মাধ্যমে কাজ খুঁজে দিন পার করছেন। কলকাতায় থিয়েটার রোড আর অন্যান্য স্থানে আশ্রিত বাংলাদেশী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের কর্মকাণ্ড দেখে বেড়ানো ছাড়াও শহরের অন্য কোথাও আশ্রয় নেয়া তায়েবাকে (জয়া আহসান) খুঁজছেন তিনি। একসময় তায়েবাকে পাওয়া যায় কলকাতার পিজি হাসপাতালে। লিউকোমিয়ায় আক্রান্ত তায়েবাকে দেখতে আহমেদ হাজির হন হাসপাতালে। বাংলাদেশের বাইরে তাদের প্রথম দেখায় তায়েবা আর আহমেদ ঢাকায় থাকাকালীন সময়ের স্মৃতিচারণ করে সময় কাটিয়ে দেন। হাসপাতালে দর্শনার্থীদের জন্য নির্ধারিত সময়ের বেশি থাকতে গিয়ে চিকিৎসক মাইতি'র (আজাদ আবুল কালাম) সাথে পরিচয় হয় আহমেদের। আহমেদকে তায়েবা মরিচ ছাড়া জিরে আর হলুদ দিয়ে অল্প ভাত আর সামান্য টেংরা মাছের তরকারি খাওয়ার আবদার করে। ডাক্তার মাইতি তায়েবাকে ভাত মাছ গোপনে খাওয়ার পরামর্শ দেন, নয়তো জৈষ্ঠ চিকিৎসক ভট্টাচার্য শুনলে খেপতে পারেন। হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার পর মাইতি আহমেদকে খাবারে লবণ দিতে নিষেধ করেন। তাদের কথায় বের হয়ে আসে তায়েবার অসুখ সম্পর্কে আহমেদ কিছুই জানেন না। তায়েবা বেশি দিন বাঁচবেন না, তাই ডাক্তার মাইতিও তার ভাত মাছ খাওয়ার শখপুরণে ছাড় দেন। বোর্ডিংয়ে নরেশদা (গাজী মাহতাব হাসান), আহমেদের কাছের বন্ধু, নিজেদের মধ্যে তাদের ব্যক্তিগত আলাপ হয়। বোর্ডিংয়ে ফিরে আহমদে তার তায়েবার সাথে সাক্ষাতের কথা নরেশকে জানান। এরই মাঝে তায়েবার ছোটবোন ডোরা (নুসরাত জাহান জেরী) তার স্বামীসহ তায়েবাকে দেখে যায়। নরেশদার দুইজন ছাত্র মুক্তিযুদ্ধের প্রশিক্ষণে দেরাদুনে যাওয়ার আগে দেখা করে যায়। প্রত্যেকেই যুদ্ধের মাঝে নিজেদের পরিবারকে বাংলাদেশে রেখে এসেছে, সবারই পরিবার নিয়ে আবেগ দেখা যায়। বোর্ডিংয়ের সংস্কৃতিকর্মীরা বারাসতের শরণার্থী শিবিরে নাটক করতে যায়। হোস্টেলের বারান্দার চলে মুনির চৌধুরীর ‘কবর’ নাটকের অনুশীলন। হোস্টেলের বাবুর্চি চিত্তকে আহমেদ তায়েবার আবদার অনুযায়ী লবণ ছাড়া হলদ মরিচ দিয়ে টেংরা মাছের তরকারি আর ভাত রান্না করে দেয়ার অনুরোধ করেন, বাজার করার জন্য টাকা দেন। পরের বার তায়েবার সাথে দেখা করার সময় ঘনিয়ে এলে আহমেদ চিত্তকে খুঁজতে থাকেন। কোন কারণে চিত্ত আর বোর্ডিংয়ে ফেরেনি। আহমেদ নিজেই রান্না করেন। রান্না করা খাবার নিয়ে তিনি তায়েবার সাথে আবার দেখা করতে যান। হাসপাতালে গিয়ে দেখেন তায়েবার বিছানা অন্য একজন রোগীকে দেয়া হয়েছে। এক কর্মচারীর কাছে তায়েবার খোঁজ নিতে গিয়ে জানতে পারেন, তায়েবা আর নেই।
কুশীলব
[সম্পাদনা]অলাতচক্রে নিয়মিত অভিনয়শিল্পী ছাড়াও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে নাট্যতত্ত্ব পড়ুয়া শিক্ষার্থীবৃন্দ পার্শ্বচরিত্রসমূহে অভিনয় করেছেন।[৩] চলচ্চিত্রটির শ্রেষ্ঠাংশের শিল্পীবৃন্দ হলেন -
- মামুনুর রশীদ
- জয়া আহসান
- গাজী মাহতাব হাসান
- আজাদ আবুল কালাম
- শিল্পী সরকার অপু
- শফিউল আলম বাবু
- আকরাম খান
- আহমেদ রুবেল
- নুসরাত জাহান জেরী
- সৈয়দ মোশাররফ
- সাদিকা পারভিন স্বর্ণা
- মেহরাজ রনি
প্রযোজনা
[সম্পাদনা]২০১৪ সালে জ্যঁ লুক গদারের নিরীক্ষামূলক কাহিনিচিত্র গুডবাই টু ল্যাংগুয়েজ হতে হাবিবুর রহমান ত্রিমাত্রিক প্রযুক্তিতে আলাতচক্র নির্মাণের ধারণা পান।[৯] অলাতচক্র নির্মাণের মাধ্যমে হাবিবুর রহমানের পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র পরিচালনায় অভিষেক ঘটে। আহমদ ছফার উপন্যাস অবলম্বনে ও বাংলাদেশ সরকারের অনুদানে নির্মিত বাংলাদেশ ও বাংলা ভাষার প্রথম ত্রিমাত্রিক কাহিনিচিত্র এটি।[১][৬]
চিত্রনাট্য
[সম্পাদনা]অলাতচক্র ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে আহমদ ছফা'র আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস। উপন্যাস রচিত হয়েছে ছফা'র নিজ অভিজ্ঞতা, নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও কল্পনার মিশেলে।[১০] প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৮৫ সালে সাপ্তাহিক নিপুণ পত্রিকার ঈদ সংখ্যায়। এটি ছিল আহমেদ ছফা'র নিজ ভাষ্যে মুক্তিযুদ্ধকালীন স্মৃতিসমূহের সংকলন। ম্যাগাজিনে প্রকাশের পর ছফা বিভিন্ন মহল হতে সমালোচিত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালে মুক্তধারা থেকে পরিমার্জিত রূপে উপন্যাসটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এসময় ছফা উপন্যাসের চরিত্রদের নাম পরিবর্তন করেন।[১১][১২] উপন্যাসে যুদ্ধকালীন সময়ে দানিয়াল নামক একজন লেখকের চোখে দেখা কলকাতায় বাংলাদেশীদের শরণার্থী জীবনের গল্প বর্ণিত হয়েছে, পাশাপাশি দানিয়াল আর নারী চরিত্র- এক সময়ের সাহসী আন্দোলনকর্মী, হাসপাতালের বিছানায় মৃত্যুপথযাত্রী তায়েবা'র অনুচ্চারিত প্রণয়োপাখ্যান, মুক্তিযুদ্ধ ও ১৯৭০-এর দশকের কলকাতার বিভিন্ন দিক রচিত হয়েছে।[১৩] মূল উপন্যাস হতে শুধুমাত্র দানিয়াল ও তায়েবা'র প্রেম আখ্যানকে প্রাধান্য দিয়ে[১৪] হাবিবুর রহমান ছয় বছর সময় নিয়ে চিত্রনাট্য লিখেছিলেন।[১৫] উপন্যাসের মুখ্য চরিত্র 'দানিয়াল'কে চিত্রনাট্যে 'আহমেদ' হিসেবে রাখা হয়।[১৩][১৬] এটি ছিল বাংলাদেশ সরকারের কাছে ২০১৭ সালে অনুদানের জন্য আবেদন করা ১৫০টি চিত্রনাট্যে হতে নির্বাচিত ৫টি চিত্রনাট্যের একটি।[১৩]
নির্মাণ
[সম্পাদনা]চলচ্চিত্রটি ২০১৮ সালে বাংলাদেশ সরকার হতে ৬০ লাখ টাকা অনুদান পায়।[১৭] সরকারী অনুদানের পাশাপাশি রহিমা বেগমের ব্যক্তিগত অর্থায়ন ছিল। ত্রিমাত্রিক দৃশ্যসমূহ থ্রিয়ালিটি টিএসফাইভ ক্যামেরায় ধারণকৃত।[১][১৮] ২০১৯ সালে চিত্রগ্রহণ শুরু হয়[৫] ১০ ফেব্রুয়ারি প্রথম ধাপের চিত্রগ্রহণ সম্পন্ন হয়।[২] ২২ জুন হতে দ্বিতীয় ধাপের চিত্রগ্রহণ শুরু হয়ে[১৯][২০] ২০২০ সালের প্রথম দিকে এটির চিত্রগ্রহণ সম্পূর্ণ হয়।[২১] মূল প্রযোজক হিসেবে বাংলাদেশ সরকার চলচ্চিত্রটিকে কলকাতায় দৃশ্য ধারণের অনুমতি দিয়েছিল;[২২] তথাপি এটির সম্পূর্ণ চলচ্চিত্রায়ন পুরান ঢাকা ও ময়মনসিংহের সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে করা হয়েছে।[২৩][২৪] উপন্যাসের ঘটনাসমূহ কলকাতা কেন্দ্রিক হওয়ায়, ঢাকা ও ময়মনসিংহে পুরনো কলকাতার আবহ তৈরী করা হয়েছিল।[২৪][২৫] করোনা মহামারী'র সময়ে[২৬] ভারতের স্কাই ওয়ার্ক স্টুডিও-তে এটির সম্পদনা করা হয়েছে।[৪]
প্রচারণা ও মুক্তি
[সম্পাদনা]২০২০ সালের ১৫ ডিসেম্বরে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড চলচ্চিত্রটিকে প্রদর্শনের ছাড়পত্র দেয়।[২৭] ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি হতে এটির প্রচারণা শুরু হয়।[২৬] অলাতচক্রের প্রচারণা মূলত টিজার, ট্রেলার, পোস্টার ও পত্রিকায় কলাকুশলীদের ছবি সম্পর্কে সাক্ষাতকারের মাধ্যমে করা হয়। মুখ্যশিল্পীরা তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা চালান।[৫][২৮][২৯] সীমিত প্রচারণার পর জাজ মাল্টিমিডিয়ার পরিবেশনায়[১৫][৩০] ২০২১ সালের ১৯ মার্চ বাংলাদেশের ১৭টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়।[৪][৮] ১৭ মে চলচ্চিত্রটি চ্যানেল আইয়ের মাধ্যমে টেলিভিশনে প্রচারিত হয়।[১৬]
মূল্যায়ন
[সম্পাদনা]চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শনের ছাড়পত্র অর্জনের সময় সেন্সর বোর্ডের সদস্যদের প্রসংশা পেয়েছিল।[২৬] এছাড়াও দুজন ভিন্ন সমালোচক হতে মিশ্র মূল্যায়ন লাভ করে।
সমালোচকদের অভ্যর্থনা
[সম্পাদনা]বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম-এ মুহাম্মাদ আলতামিশ নাবিল ‘অলাতচক্র’কে ত্রিমাত্রিক প্রযুক্তিতে নির্মিত ও উপন্যাস হতে অভিযোজিত ছায়াছবি হওয়ার কারণে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি মুনির চৌধুরীর ‘কবর’ নাটকের মহড়ার দৃশ্যে অভিনেতাদের অভিনয়, লিউকোমিয়া আক্রান্ত রোগী তায়েবার চরিত্রে জয়া আহসান, আহমেদ রুবেলের মঞ্চসুলভ অভিনয়, এবং প্বার্শচরিত্রে আজাদ আবুল কালাম, নুসরাত জাহান জেরীদের অভিনয়ের প্রসংশা করেন।[১৫]
সামগ্রিকভাবে মূল উপন্যাসের গল্প সম্পূর্ণ অবয়বে নির্মিত না হওয়ায়, এবং "আহমেদ ও তায়েবার অপরিণত প্রেমপর্বের দৃশ্যায়ন" প্রাধান্য পাওয়ায় দৈনিক সমকালে শ্যামল শিশির "আহমদ ছফার 'অলাতচক্র'র সেই আগুন-উত্তাপ-ঐতিহাসিক চেহারা বেশ নীরব" হিসেবে মন্তব্য করেছেন। একই সাথে তিনি পরিচালকের উপন্যাস হুবহু দৃশ্যায়ন না করে নিজের স্বাধীনতা ব্যবহারকে সমর্থন করেছেন। তিনিও আহমেদ রুবেল, জয়া আহসান, আজাদ আবুল কালাম ও নুসরাত জাহান জেরির অভিনয়ের প্রশংসা করেন। চিত্রায়নের স্থানে পরিসর স্বল্পতার মাঝেও মাজাহারুল রাজুর দৃশ্যাধারণকে "সুন্দর দৃশ্যায়ন চোখে আরাম দেয়" মর্মে মন্তব্য করেন।[১৪]
প্রসংশা
[সম্পাদনা]| সংগঠন | বছর | বিভাগ | প্রাপক এবং মনোনীত | ফলাফল | তথ্যসূত্র |
|---|---|---|---|---|---|
| মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার | ২০২১ | সেরা চলচ্চিত্র অভিনেত্রী | জয়া আহসান | বিজয়ী | [৩১] |
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 5 "এ বছর থেকে তাঁরা বড় পর্দার নির্মাতা"। প্রথম আলো। ২৮ মার্চ ২০২১। ২০ অক্টোবর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ অক্টোবর ২০২১।
- 1 2 "Bangladesh's first 3D film starts production" [বাংলাদেশের প্রথম ত্রিমাত্রিক চলচ্চিত্রের নির্মাণ শুরু]। ঢাকা ট্রিবিউন। ৪ মার্চ ২০১৯। ২৭ অক্টোবর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ অক্টোবর ২০২১।
- 1 2 3 "নির্মিত হচ্ছে দেশের প্রথম ত্রিমাত্রিক চলচ্চিত্র 'অলাতচক্র'"। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ৫ মার্চ ২০১৯। ১৯ আগস্ট ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০২১।
- 1 2 3 4 "মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি উস্কে আসছে প্রথম 3D বাংলা ছবি 'অলাতচক্র', লিড রোলে জয়া"। হিন্দুস্তান টাইমস। ৬ মার্চ ২০২১। ১৮ এপ্রিল ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০২১।
- 1 2 3 "প্রেক্ষাগৃহে আসছে দেশের প্রথম থ্রিডি চলচ্চিত্র 'অলাতচক্র'"। বণিক বার্তা। ৩ মার্চ ২০২১। ১৯ আগস্ট ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০২১।
- 1 2 "মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি নিয়ে আসছে প্রথম 3D বাংলা ছবি অলাতচক্র, অভিনয়ে Jaya"। জি নিউজ। ৫ মার্চ ২০২১। ৫ মার্চ ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০২১।
- ↑ "যুদ্ধ কিংবা দানিয়েল-তায়েবার অস্ফুট প্রেম"। চ্যানেল আই অনলাইন। ৫ মার্চ ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০২১।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- 1 2 "জয়ার থ্রিডি ছবি 'অলাতচক্র' এলো প্রেক্ষাগৃহে"। দৈনিক ইত্তেফাক। ১৯ মার্চ ২০২১। ২০ অক্টোবর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ অক্টোবর ২০২১।
- ↑ "ডিসেম্বরে মুক্তি"। কালের কণ্ঠ। ৫ মার্চ ২০২০। ২৭ অক্টোবর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ অক্টোবর ২০২১।
- ↑ হাসান, সোহরাব (১ ডিসেম্বর ২০১১)। "প্রেম ও যুদ্ধের উপন্যাস"। প্রথম আলো। ২ নভেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ নভেম্বর ২০২১।
- ↑ খান, সলিমুল্লাহ (২০১৩) [প্রথম প্রকাশ ২০১০]। "রাষ্ট্র ও বাসনা"। আহমদ ছফা সঞ্জীবনী। ঢাকা: আগামী প্রকাশনী। পৃ. ২২১–২৩৮। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-০৪-১৫৮৫-৪।
- ↑ সাত্তার, সরদার আবদুস (২০১৭)। "মুক্তিযুদ্ধ ও অলাতচক্র"। আহমদ ছফা: আলোকপথের অভিযাত্রী। ঢাকা: সুচয়নী পাবলিশার্স। পৃ. ২৯৯–৩২৬।
- 1 2 3 হক, লতিফুল (১৭ মার্চ ২০২১)। "অথঃ অলাতচক্র সমাচার"। দৈনিক কালের কণ্ঠ। ২৯ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ অক্টোবর ২০২১।
- 1 2 শিশির, শ্যামল (২৩ মার্চ ২০২১)। "অলাতচক্র: পরিচালক থ্রিডি চলচ্চিত্রের জনক হয়ে থাকলেন"। দৈনিক সমকাল। ১ নভেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
আহমদ ছফার অলাতচক্রের সামগ্রিক অবয়ব অবলম্বনে চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়নি। একজন চলচ্চিত্র পরিচালককে কোনো উপন্যাস হুবহু দৃশ্যায়ন করতে হবে এমন বিধানও নেই দুনিয়ায়।
- 1 2 3 নাবিল, মুহাম্মাদ আলতামিশ (২২ মার্চ ২০২১)। "অলাতচক্র: ত্রিমাত্রিক আহমদ ছফার আত্মকথন"। বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম। ২০ অক্টোবর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ অক্টোবর ২০২১।
বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে 'অলাতচক্র' কেনো গুরুত্বপূর্ণ? আমার কাছে এর দুটি উত্তর রয়েছে। প্রথমত ত্রিমাত্রিক (থ্রিডি ফর্মেট) চলচ্চিত্র নির্মাণ নি:সন্দেহে এ দেশের পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ইতিহাসে প্রথম এবং প্রয়াসটিকে কতকটা সফল বলাই চলে। দ্বিতীয়ত বাংলাদেশে উপন্যাসনির্ভর চলচ্চিত্রের সংখ্যা এখনো চাইলে হাতে গোনা যায়। উপমহাদেশে যেখানে ইতোমধ্যে নায়ক-নায়িকা নির্ভর 'চটকদার' চলচ্চিত্রকে পেছনে ফেলে চলচ্চিত্রের গল্পই বনে যাচ্ছে আসল নায়ক! সেখানে বাংলাদেশে গল্পনির্ভর চলচ্চিত্র নির্মাণের উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে।
- 1 2 "সোমবার টিভি পর্দায় জয়া-রুবেল অভিনীত 'অলাতচক্র'"। চ্যানেল আই অনলাইন। ১৬ মে ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ২৭ অক্টোবর ২০২১।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ "পাঁচ নির্মাতা পাচ্ছেন ২ কোটি ৮০ লাখ টাকা"। প্রথম আলো। ৭ জুন ২০১৮। ১৯ আগস্ট ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০২১।
- ↑ "স্পষ্ট হলো দানিয়েল-তায়েবার অস্ফুট প্রেম (ভিডিও)"। বাংলা ট্রিবিউন। ৫ মার্চ ২০২১। ১৫ এপ্রিল ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০২১।
- ↑ "আহমদ ছফার 'প্রেমিকা' চরিত্রে জয়া আহসান"। বাংলা ট্রিবিউন। ২৯ জুন ২০১৯। ২৭ অক্টোবর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ অক্টোবর ২০২১।
- ↑ "'অলাতচক্র' নিয়ে আসছেন জয়া"। একুশে টেলিভিশন। ২৫ জুন ২০১৯। ১ নভেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- ↑ "জয়ার 'অলাতচক্র' মুক্তি পাচ্ছে ১৯ মার্চ"। বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০২১।
- ↑ "সরকারী অনুদানপ্রাপ্ত 'অলাতচক্র' নামক চলচ্চিত্রের বিশেষ দৃশ্য ধারণের জন্য ভারতে শুটিং করার অনুমতি" (পিডিএফ)। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় (বাংলাদেশ)। ১৫ মে ২০১৯। ১ নভেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- ↑ "দানিয়েলের ভূমিকায় আহমেদ রুবেল"। প্রথম আলো। ১৭ মার্চ ২০২১। ১ নভেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- 1 2 "যে তিন কারণে 'অলাতচক্রে' জয়া"। প্রথম আলো। ১৭ মার্চ ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ "বাংলায় প্রথম থ্রিডি"। আনন্দবাজার পত্রিকা। ১২ জুলাই ২০১৯। ১ নভেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- 1 2 3 "প্রস্তুত জয়া-রুবেলের 'অলাতচক্র', মার্চে মুক্তির টার্গেট"। চ্যানেল আই অনলাইন। ২৬ জানুয়ারি ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ "ত্রিমাত্রিক চলচ্চিত্র 'অলাতচক্র' মুক্তি পাচ্ছে ১৯ মার্চ"। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ২ মার্চ ২০২১। ১ নভেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- ↑ "চলতি মাসে তায়েবা হয়ে পর্দায় আসছেন জয়া"। রাইজিংবিডি.কম (ইংরেজি ভাষায়)। ২ মার্চ ২০২১। ২৭ অক্টোবর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ অক্টোবর ২০২১।
- ↑ "এলো জয়ার অলাতচক্রের অফিসিয়াল পোস্টার"। দেশ রূপান্তর। ১ মার্চ ২০২১। ১ নভেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- ↑ "আসছে শুক্রবার 'অলাতচক্র'র দিন, ১৭ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি"। চ্যানেল আই অনলাইন (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১২ মার্চ ২০২১। ২০ অক্টোবর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ অক্টোবর ২০২১।
- ↑ "মেরিল–প্রথম আলো পুরস্কার ২০২১"। প্রথম আলো। ২৭ মে ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মে ২০২২।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- বাংলা মুভি ডেটাবেজে অলাতচক্র
- দাপ্তরিক ওয়েবসাইট
(ইংরেজি) - ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজে অলাতচক্র (ইংরেজি)
- ২০২১-এর চলচ্চিত্র
- বাংলা ভাষার চলচ্চিত্র
- বাংলাদেশী চলচ্চিত্র
- বাংলাদেশী ত্রিমাত্রিক চলচ্চিত্র
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের চলচ্চিত্র
- ময়মনসিংহে ধারণকৃত চলচ্চিত্র
- ঢাকায় ধারণকৃত চলচ্চিত্র
- আহমদ ছফার সৃষ্টিকর্ম অবলম্বনে চলচ্চিত্র
- বাংলা ভাষার বাংলাদেশী চলচ্চিত্র
- বাংলাদেশী উপন্যাস অবলম্বনে চলচ্চিত্র
- জয়া আহসান
- ২০২১-এর ত্রিমাত্রিক চলচ্চিত্র