হাইকোর্ট বিভাগ

স্থানাঙ্ক: ২৩°৪৩′৫১″ উত্তর ৯০°২৪′০৯″ পূর্ব / ২৩.৭৩০৭৭৭° উত্তর ৯০.৪০২৪৫৮° পূর্ব / 23.730777; 90.402458
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
উচ্চ আদালত বিভাগ
বাংলাদেশ সর্বোচ্চ আদালতের উচ্চ আদালত বিভাগ
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের সিলমোহর.svg
সুপ্রীম কোর্টের চিত্রলিপি
অধিক্ষেত্রগণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
অবস্থানরমনা, ঢাকা 1000, বাংলাদেশ
স্থানাঙ্ক২৩°৪৩′৫১″ উত্তর ৯০°২৪′০৯″ পূর্ব / ২৩.৭৩০৭৭৭° উত্তর ৯০.৪০২৪৫৮° পূর্ব / 23.730777; 90.402458
অনুমোদনকর্তাবাংলাদেশের সংবিধান
তথ্যক্ষেত্রsupremecourt.gov.bd
বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি
সম্প্রতিহাসান ফয়েজ সিদ্দিকী
হইতে৩০ডিসেম্বর ২০২১

হাইকোর্ট বিভাগ বা উচ্চ আদালত বিভাগ হল বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রীম কোর্টের নিম্ন বিভাগ (উচ্চ বিভাগ হল আপীল বিভাগ)। এ বিভাগ প্রধান বিচারপতি ও হাইকোর্ট বিভাগের অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়ে গঠিত। 

হাইকোর্ট বিভাগ মূল বিচারকার্য পর্যালোচনার ক্ষমতা রাখে এবং দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় বিষয়ে আপীল শুনানী করতে পারে। 

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ঢাকা হাইকোর্ট (১৯৪৭ - ১৯৫৫)[সম্পাদনা]

পুরাতন হাইকোর্ট ভবন

১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান বিভক্ত হওয়ার পর পাকিস্তান (প্রাদেশিক সংবিধান) আদেশ ১৯৪৭ অনুযায়ী ঢাকায় আপীল, সিভিল ও মূল বিচার বিভাগ সহ আলাদা হাইকোর্ট গঠিত হয়, যা ঢাকা হাইকোর্ট নামে পরিচিত ছিল।[১]

সুপ্রিম কোর্টের বিভাগ (১৯৭১ - বর্তমান)[সম্পাদনা]

১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তান থেকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। ১৯৭২ সালের ৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইন পাশ হয়েছিল। আইনে ঘোষিত আছে যে, বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট আপীল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে গঠিত হবে। ঢাকা হাইকোর্ট ভেঙে হাইকোর্ট বিভাগ গঠিত হয়েছিল এবং পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্ট নিয়ে আপীল বিভাগ গঠিত হয়েছিল। 

এখতিয়ার[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের সংবিধানের ১০১ ধারায় হাইকোর্টের এখতিয়ার বর্ণিত আছে। হাইকোর্ট বিভাগ মূল মামলা, আপীল ও অন্যান্য বিচারকার্য সম্পাদন করবে। এছাড়াও, বাংলাদেশের সংবিধানের আর্টিকেল ১০২ এর অধীনে রিট আবেদন এবং কোম্পানী এবং সেনাবিভাগ বিষয় হিসেবে নির্দিষ্ট সীমিত ক্ষেত্রে মূল এখতিয়ার আছে।

হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিগণ[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]