সাঁওতাল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সাঁওতাল
মোট জনসংখ্যা
৬,১৫৬,২৬০
উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যার অঞ্চলসমূহ
ভারত ৫,৯৫৯,০০০ [১]
              ঝাড়খণ্ড ২,৪১০,৫০৯[২]
              পশ্চিমবঙ্গ ২,২৮০,৫৪০[৩]
              বিহার ৩৬৭,৬১২[৪]
              ওড়িশা ৬২৯,৭৮২
              ত্রিপুরা[৫] --
              মিজোরাম[৬] --
নেপাল ৪২,৬৯৮[৭]
              ঝাপা জেলা ২৩,১৭২
              মোরাং জেলা ১৬,৩৮৭
বাংলাদেশ ১,৫৭,৬৯৮[৮][৯]
ভুটান[১০] --
ভাষা
সাঁওতালী
ধর্ম
সারি ধর্মণ  • সর্ণবাদ  • হিন্দুধর্ম  • খ্রিস্টধর্ম
সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠী
মুণ্ডা  • হো  • কোল

সাঁওতাল[১১] বা মান্দি[১২] পূর্বভারতবাংলাদেশের সবচেয়ে বড় আদিবাসী নৃগোষ্ঠীগুলির একটি । এরা নিজেদেরকে কৃষ্ণদ্বৈপায়ণ রচিত মহাভারতে বর্ণিত কুরু-পাণ্ডবদের অস্ত্রগুরু দ্রোণাচার্যের প্রত্যাখ্যিত-ভাবশিষ্য একলব্যের বংশধর ব'লে বিশ্বাস করে এবং তীরচালনাালে এখনও নিজেদের বৃদ্ধাঙ্গুল ব্যবহার করে না কারণ তাদের আদিপুরুষ একলব্যকে গুরুদক্ষিণাস্বরূপ নিজের বৃদ্ধাঙ্গুল দান করেছিলেন । সান্তাল , সান্তালি , হোর , হর , সাঙ্তাল , সান্দাল , সন্থাল , সান্থাল , সান্তালি , সাতার প্রভৃতি অভিধায়ও এ নৃগোষ্ঠী অভিহিত হয়ে থাকে ।[১৩]

গোত্র[সম্পাদনা]

সাঁওতালরা বিশ্বাস করে যে , আদি মানব ও মানবী পিলচু হড়ম ও পিলচু বুড়ির সাত জোড়া সন্তান থেকেই তাদের উদ্ভব । এজন্যই সাঁওতালরা সাতটি গোত্রে বিভক্ত । সাঁওতালী ভাষায় এ গোত্র গুলো ‘পারিস‘ নামে অভিহিত ।

  1. হাঁসদাক
  2. সোরেন
  3. টুডু বা হেমবরোম
  4. কিসকু
  5. মুরমু
  6. মারুদি
  7. বাস্কে

এ সাতটি গোত্র ছাড়াও পরবর্তীকালে তাদের মধ্যে আরও পাঁচটি গোত্রের উদ্ভব ঘটে । সাঁওতালদের মধ্যে টোটেম বিশ্বাস প্রচলিত আছে । প্রতিটি গোত্র তাদের পূর্বপুরুষ কিংবা গাছপালা, জীবজন্তু ও পশুপাখী ইত্যাদি নামে পরিচিত । হাঁসদাক গোত্রের লোকের বিশ্বাস তাদের উদ্ভব ঘটেছে হাঁস থেকে । তাই হাঁসদাক গোত্রের হাঁস ভক্ষণ নিষিদ্ধ । আবার সোরেন গোত্রের উৎপত্তি হরিণ থেকে তাই তাদের হরিণের মাংস খাওয়া নিষেধ ।

ভাষানৃতাত্ত্বিক পরিচয়[সম্পাদনা]

ভাষা এবং নৃতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যে সাঁওতালরা বাংলাদেশের অন্য অনেক নৃগোষ্ঠীর মত মঙ্গোলীয় গোত্রের নয় । এরা সাঁওতালী ভাষায় কথা বলে যে ভাষাটি অস্ট্রো-এশীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্গত । এদের মধ্যম গড়নের আকৃতির শরীর , ত্বকের গাঢ় রঙ , চ্যাপ্টা নাক , পুরু ঠোঁট এবং কোঁকড়ানো চুল তাদের অস্ট্রেশীয় নৃতাত্বিক উৎস নির্দেশ করে যে গোষ্ঠিমানুষ ভারতীয় উপমহাদেশে এসেছিল দ্রাবিড়দেরও আগে অস্ট্রেলিয়া এবং সন্নিহিত প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপমালা থেকে । দেহ কাঠামোর বৈশিষ্ট্যগত দিক থেকে সাঁওতালদেরকে বিশুদ্ধ প্রাক-দ্রাবিড়ীয় গোষ্ঠীর প্রতিনিধি বলে মনে করা হয় । তবে অস্ট্রেলীয় কৌমগুলোর সাথে সাঁওতালদের বেশ মিল লক্ষ করা যায় বলে তাদেরকে আদি অস্ট্রেলীয় বলা হয় । ধারণা করা হয় সুঁতার(Soontar) কথাটি থেকে সাঁওতাল শব্দের উদ্ভব। সুঁতার বাঙালিদের প্রদত্ত খেতাব ।

আবাস[সম্পাদনা]

সাঁওতালরা দিনাজপুর ও রংপুর অঞ্চলে বাস করে। দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট , ফুলবাড়ি, চিরিরবন্দর , কাহারোল এবং রংপুর জেলার পীরগঞ্জে সাঁওতালরা অধিক সংখ্যায় বাস করে। রাজশাহী এবং বগুড়া অঞ্চলে কিছু সংখ্যক সাঁওতাল আছে। প্রাচনিকাল থেকেই সাঁওতালরা এদেশে বসবাস করে আসছে।

বাসস্থান ও পোশাক[সম্পাদনা]

এদের ঘরগুলো ছোট এবচং মাটির তৈরি । ঘরে সাধারণত কোনো জানালা থাকে না । সাঁওতালরা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে ভালো বাসে । সাঁওতাল পুরুষরা আগে সাদা থান কাপড়ের ধুতি পরতেন । বর্তমানে লুঙ্গি , ধুতি , গেঞ্জি , গামছা ব্যবহার করে । নারীরা ‘ফতা‘ নামের দুই খন্ডের কাপড় প'রে থাকে । বর্তমানে 'আরা শাড়ি'ও ব্যবহার করতে দেখা যায় । পুরুষ সকলে হাতে উল্কির ছাপ দেয় । মেয়েরা রূপার তৈরি গহনা যেমন- বালা , ঝুমকা , আংটি , মল , হাঁসুলি ইত্যাদি ব্যবহার করে এবং খোঁপায় ফুল গুঁজতে ভালোবাসে । অভিভাবকদের পছন্দ অনুযায়ী সাঁওতালি সমাজে যে বিয়ে হয় তাকে সাঁওতালি ভাষায় ‘ডাঙুয়াবাপলা‘ বলে । আগের দিনে মৃতদেহ দাহ করার নিয়ম ছিল । বর্তমানে অর্থনৈতিক কারণে বাংলাদেশের সকল এলাকায় সাঁওতালরা মরদেহের কবর দেয় ।

খাদ্যাভ্যাস[সম্পাদনা]

ভাত সাঁওতালদের প্রধান খাদ্য । মাছ , কাঁকড়া , শুকর , মোরগ , মুরগি , বন জঙ্গলের পশু , পাখি , খরগোশ , গুইসাপ , ইঁদুর বেঁজির মাংস এদের খুবই প্রিয় খাবার ।

পেশা[সম্পাদনা]

আদিকাল থেকেই কৃষিকে এরা প্রধান পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছে । নারী পুরুষ সবাই জমিতে কাজ করে । পুরুষেরা হাল চাষ এবং নারীরা বজি বোনা ও ফসল তোলার কাজ করে। সাঁওতালরা কৃষিকাজের যন্তপাতি নিজেরা তৈরি করে। শিকার করার ব্যাপারে এদের উৎসাহ খুব বেশি। বাংলাদেশে বন জঙগল কমে যাওয়ার কারণে তাদেও এই পেশায় সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে অনেক সাঁওতাল নারী পুরুষ কুলি, মজুর, মাটি কাটার শ্রমিক ও অন্যান্য কাজ করে।

সামাজিক আচার-অনুষ্ঠান[সম্পাদনা]

পরিবার[সম্পাদনা]

সাঁওতাল সমাজ পিতৃতান্ত্রিক। সম্পত্তিতে পুত্রদের অধিকার সমান, কিন্তু মেয়েদের কোন অধিকার নেই। তবে পিতা ইচ্ছা করলে মেয়েকে কিছু দিয়ে যেতে পারেন। তবে সম্পত্তি বন্টনের ক্ষেত্রে পিতা প্রত্যেক মেয়েকে একটি করে গাভী প্রদান করে। পুত্রহীন ব্যক্তির যাবতীয় সম্পত্তির মালিকানা তার সহোদর ভাইয়েরা পেয়ে থাকে।

বিবাহ প্রথা[সম্পাদনা]

সাঁওতাল সমাজে বহিঃগোত্র বিবাহ প্রচলিত। এমনকি উপগোত্রের মধ্যেও বিবাহ হয় না। তাদের সমাজে ছয় প্রকার বিবাহ রীতের প্রচলন থাকলেও বর্তমানে তিন ধরনের বিবাহের প্রচলন দেখা যায়। যথা

  • আসলি
  • রাজারাজি
  • হুর কাটারা বা ইতুর বিবাহ

সাধারণত ছেলের বয়স ১৯ ও মেয়ের বয়স ১৫-১৬ হলে বিবাহের ব্যবস্থা করা হয়। এছাড়া নিরবোলক নামক বিয়ের প্রচলন সাঁওতাল সমাজে লক্ষণীয়।

  • আসলি বিবাহ: আসলি বিবাহ সম্ভ্রন্ত পরিবার ও শিক্ষিত সমাজের মধ্যেই প্রচলিত। এ ধরনের বিবাহ কন্যার পিতা-মাতা ও আত্নীয় স্বজনের সম্মতিতেই সম্পন্ন হয়।
  • রাজারাজি: রাজারাজি বিবাহ হল প্রেম করে বিবাহ। সাঁওতালদের প্রত্যেক গ্রামেই হাট বসে। বস্তুত কেনাবেচার উদ্দেশ্য হলেও সাঁওতাল যুবক যুবতীরা তাদের পছন্দমত প্রিয়জনদের সেখানে খোঁজ করে। মেয়েরা যখন হাটে যায়, তখন তাদের সাথে একজন গণ্যমান্য ব্যক্তি থাকে। সাঁওতালী ভাষায় তাদের যোগমাঝি বলা হয়। কোন সাঁওতাল মেয়ের যদি কোন ছেলেকে পছন্দ করে তখন সে যুবতী যোগমাঝির কাছে তা প্রকাশ করে। তারপর যোগমাঝি সে যুবককে সন্ধান করে বের করে এবং তার নিকট সব কিছু খুলে বলে। যুবকটি‍ুযদি এ ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করে, তখন যোগমাঝি ছেলে ও মেয়ের অভিভাবকের সাথে আলাপ-আলোচনা করে বিয়ের দিন ধার্য করে।
  • হুর কাটারা: হুর কাটারা বিবাহ হচ্ছে জোর করে বিবাহ। কোন যুবক যদি কোন যুবতীকে ভালোবেসে ফেলে এবং সেই যুবতী যদি তাকে অপছন্দ করে ও বিয়েতে অসম্মতি জানায় এক্ষেত্রে যুবক তাকে পাবার জন্য হাটে যায়। সেখানে সে যুবতীর খোঁজ করতে থাকে। যুবতীর সাক্ষাৎ পেলে যুবক সুযোগ মত যদি যুবতীর কপালে সিঁদুর পরিয়ে দিতে পারে তাহলে সে যুবতীর অন্যত্র বিয়ে হতে পারে না। সাঁওতালদের মধ্যে প্রচলিত সংস্কার হল অবিবাহিত যুবতীর কপালে সিঁদুর পরিয়ে দিলে সে যুবতীর আর অন্যত্র বিয়ে হতে পারে না। তার গ্রামের মাতব্বরদের মাধ্যমে যুবককে অর্থদন্ডে দন্ডিত করা হয় এবং তা আদায় হলে যুবক যুবতীর বিবাহ কার্য সমাধা করা হয়।

ধর্মাচার[সম্পাদনা]

সাঁওতালী ভাষায় দেবতাকে বলে ‘বোংগা‘ বলে। এদের প্রধান দেবতা হচ্ছে সূর্য। পাহাড়ের দেবতাকে বলে ‘ মারাংমুরো‘। এর প্রভাব সাঁওতালদের জীবনে সবচেয়ে বেশি। এ দেবতাকে তারা জন্ম-মৃত্যুও কারণ বলে মনে কওে থাকে । সাঁওতালদেও গৃহদেবতার নাম ‘বোঞ্চার‘। সা৭ওতালরা খুব আনন্দ প্রিয় মানুষ । বিভিন্ন পূজার্পাবণ ও সামাজিক উৎসবে এরা নাচ গানে মেতে ওঠে । প্রকৃতির সাথে এদের নিড়ির সম্পর্কে রয়েছে। এরা বিভিন্ন উৎসবের আয়োজন করে থাকে । সাঁওতালদের বার্ষিক উৎসবের নাম ‘সোহরাই‘ । এই উৎসবে মেয়েরা দলবদ্ধভাবে নাচে। শীতের শেষে যখন বনে ফুল ফোটে তখন এরা ‘বাহা‘ উৎসব উদযাপন করে। এদের একাটি জনপ্রিয় উৎসবের নাম ‘দাসাই‘।

আচার অনুষ্ঠান[সম্পাদনা]

এরা নিজস্ব সামাজিক রীতিনীতি মেনে চলে । এদের জীবন যাপন সহজ ও সরল । বর্তমানে সাঁওতালিদেও ওপর বাঙালি সমাজের প্রভাব পড়েছে । এদের অনেকে শিক্ষালাভ ক'রে আধুনিক জীবন যাপনে অভ্যস্ত হচ্ছে । ফলে এদের আচার আচরণে পরিবর্তন আসছে ।

শিল্পকলা[সম্পাদনা]

শিল্পকলার পতি এদের আগ্রহ রয়েছে। এরা ঢোল, দোতারা , বাঁশি, মেগো প্রভৃতি বাদ্যযন্ত তৈরি কওে ও বাজায় । ঘরবাড়ির দেয়ালে ছবি আঁকে । হাঁড়ি কলসির গায়ে চুনকালি দিয়ে আমরা সকলে এদেশে মিলেমিশে বাসকরব। উপজাতিরাও বাংলাদেশের নাগরিক । তাদের সামাজিক রীতিনীতি ও আচর আচরণের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হব। এভাবে আমাদের সকলের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সর্ম্পক গড়ে উঠবে।

অন্য বাসস্থান[সম্পাদনা]

বাংলাদেশে উপজাতি জনগোষ্টি যে সমস্ত এলাকায় বাস করে তার কিছু অংশের নাম উল্লেখ্য করা হলোঃ রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, বগুড়া, পাবনা, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, যশোর, বরিশাল, খুলনা, ময়মনসিংহ, সিলেট, চট্রগ্রাম, বান্দরবান সহ বাংলাদেশে আরও অনেক জায়গায় বসবাস করে।

প্রতিপালিত দিবস[সম্পাদনা]

সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস[সম্পাদনা]

৩০শে জুন সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস । আজ থেকে প্রায় ১৫০ বছর আগের কথা । সেদিনটি ছিল ৩০শে জুন ১৮৫৫ খ্রীষ্টাব্দ । অত্যাচারী ব্রিটিশ শাসক এবং শোষক জমিদার ও মহাজনদের বিরুদ্ধে সান্তালদের গণ আন্দোলন শুরু হয়েছিল এই দিনে । নিরীহ ও শান্তিপ্রিয় সান্তাল আদিবাসিরা ভারত বর্ষে জেঘে উঠেছিল প্রতিবাদের দাবানল । বর্তমান সাঁওতালদের দেখে অনুমান করাই দুঃসাধ্য যে এ সান্তালরা একদিন ইংরেজ শাসকদের কঠিন বুকে কাপন ধরিয়ে দিয়েছিল । ক্রমাগত শোষন, বঞ্চনা , নির্যাতন , দাসত্ব এবং নারীদের অবমানোনা যখন ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙে দেয় তখন শান্তিপ্রিয় সান্তালদের মধ্যে ক্ষোভের দাবানল জ্বলে উঠে এবং প্রতবিাদের ঝড় উঠে । আদিবাসিদের অধিকার ও মযার্দা প্রতিষ্টায়কার সে রক্তঝরা সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবসটিকে বিশেষ র‌্যালি এবং সাঁওতাল কৃষ্টিতে মহিলাদের নৃত্যের মাধ্যমে এ দিনটিি যথাযোগ্য মর্যাদায় প্রতিপালিত হয়ে থাকে ।

সাঁওতাল কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

  • সিধু কানু বা সিধু মুর্মুকানু মুর্মু), অন্য বানানে সিধু মাঝি(? - ১৮৫৬) ও কানু মাঝি (১৮২০ - ২৩ জানুয়ারি, ১৮৫৬)ছিলেন ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রথম দিকের সাঁওতাল বিদ্রোহের দুজন সর্বশ্রেষ্ঠ নেতা।
  • কলিয়ান হরাম (ঊনবিংশ শতাব্দী) ছিলেন সাঁওতাল বিদ্রোহের ইতিহাসের লিপিকার এবং সাঁওতালদের গুরু ছিলেন।
  • রামকিঙ্কর বেইজ (২০ মে, ১৯০৬ - ২ অগস্ট, ১৯৮০) ছিলেন একজন ভারতীয় সাঁওতাল ভাস্কর। তিনি আধুনিক ভারতীয় ভাস্কর্যকলার অন্যতম অগ্রপথিক ছিলেন। রামকিঙ্কর ছিলেন প্রথম ভারতীয় শিল্পী যিনি আধুনিক পাশ্চাত্য শিল্প অধ্যয়ন করে সেই শৈলী নিজের ভাস্কর্যে প্রয়োগ করেন। তাঁকে ভারতীয় শিল্পে আধুনিকতার জনক[১৪] ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিল্পী মনে করা হয়।
  • মাতলা সাঁওতাল (? - ১৯৩৬) ছিলেন ১৯৩০ সালের আইন অমান্য আন্দোলনের অংশগ্রহণকারী। বন্দি অবস্থায় দিনাজপুর জেলে মারা যান। তাঁর জন্ম দিনাজপুরের কান্তাকোলে।[১৫]


আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ১৯৯৭ http://www.tribalzone.net/language/santali.htm
  2. "Jharkhand: Data Highlights the Scheduled Tribes" (PDF)। Census of India 2001। Census Commission of India। সংগৃহীত ২০১০-০১-১০ 
  3. "West Bengal: Data Highlights the Scheduled Tribes" (PDF)। Census of India 2001। Census Commission of India। সংগৃহীত ২০১০-০১-১০ 
  4. "Bihar: Data Highlights the Scheduled Tribes" (PDF)। Census of India 2001। Census Commission of India। সংগৃহীত ২০১০-০১-১০ 
  5. ১৯৯৭ http://www.tribalzone.net/language/santali.htm
  6. ১৯৯৭ http://www.tribalzone.net/language/santali.htm
  7. "Santali: Also spoken in Nepal"। সংগৃহীত ২০১১-০৪-০১ 
  8. (2001 Johnstone and Mandryk)
  9. http://www.tribalzone.net/language/santali.htm। সংগৃহীত ২০১১-০৪-০১  |title= অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য)
  10. ১৯৯৭ http://www.tribalzone.net/language/santali.htm
  11. আন্তর্জাতিক ও জাতীয়ভাবে
  12. নিজস্ব বলয়ে আত্মপরিচয় দেওয়ার সময়ে
  13. http://www.tribalzone.net/language/santali.htm
  14. Exhibition of works of Ramkinkar Baij The Hindu, Oct 05, 2007.
  15. সুবোধ সেনগুপ্ত ও অঞ্জলি বসু সম্পাদিত, সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান, প্রথম খণ্ড, সাহিত্য সংসদ, কলকাতা, দ্বিতীয় মুদ্রণ, নভেম্বর ২০১৩, পৃষ্ঠা ৫৬৪, ISBN 978-81-7955-135-6

]