একতা এক্সপ্রেস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
একতা এক্সপ্রেস
সংক্ষিপ্ত বিবরণ
পরিষেবা ধরনআন্তঃনগর ট্রেন
বর্তমান পরিচালকবাংলাদেশ রেলওয়ে
যাত্রাপথ
শুরুকমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন
শেষপঞ্চগড় রেলওয়ে স্টেশন
ভ্রমণ দূরত্ব৫২৬ কিলোমিটার (৩২৭ মাইল)
যাত্রার গড় সময়১০ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট
পরিষেবার হারদৈনিক
রেল নং৭০৬ / ৭০৫
যাত্রাপথের সেবা
শ্রেণীএসি, নন-এসি, শোভন,
আসন বিন্যাসহ্যাঁ
ঘুমানোর ব্যবস্থাহ্যাঁ
স্বয়ংক্রিয় আলনা ব্যবস্থাহ্যাঁ
খাদ্য সুবিধাহ্যাঁ
কারিগরি
গাড়িসম্ভার১২
ট্র্যাক গেজ১,৬৭৬ মিলিমিটার (৫ ফুট ৬ ইঞ্চি)
পরিচালন গতি১০০ কিমি/ঘণ্টা

একতা এক্সপ্রেস (ট্রেন নং-৭০৫/৭০৬) হল বাংলাদেশ রেলওয়ের পরিষেবার একটি আন্তঃনগর ট্রেন যা রাজধানী ঢাকা এবং উত্তরাঞ্চলের পঞ্চগড় জেলার সীমান্তবর্তী পঞ্চগড় রেলওয়ে স্টেশনের মধ্যে চলাচল করে। এটি প্রথমে দিনাজপুর থেকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত চলাচল করত, পরে পঞ্চগড় পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়। এটি বাংলাদেশের দ্রুত ও বিলাসবহুল ট্রেনগুলোর একটি।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯৮৬ সালে উত্তরবঙ্গের দিনাজপুর থেকে রাজধানী ঢাকা পর্যন্ত একতা এক্সপ্রেস নাম নিয়ে একটি আন্তঃনগর ট্রেন চালু হয়। সেই সময় যমুনা সেতু না থাকায় একতা এক্সপ্রেস দিনাজপুর থেকে ছেড়ে পার্বতীপুর, রংপুর, কাউনিয়া, গাইবান্ধা হয়ে বালাসী ঘাট এসে যাত্রী নামিয়ে দিত, তারপর যাত্রীগণ রেলওয়ের নিজস্ব ফেরী সেবার মাধ্যমে যমুনা নদী পাড়ি দিয়ে বাহাদুরাবাদ ঘাটে পৌঁছাতো। সেখানে একতা এক্সপ্রেসের অপর রেক পুনরায় যাত্রা শুরু করে জামালপুর, ময়মনসিংহ, জয়দেবপুর হয়ে ঢাকায় পৌছাত। পরে যমুনা সেতু চালু হলে এটির অবসান হয়।

২০১৬ সালের ২ সেপ্টেম্বর একতা ও দ্রুতযান এক্সপ্রেস রেলগাড়ি দুটি গেজ পরিবর্তন করে মিটারগেজ থেকে ব্রডগেজ ট্রেনে রূপান্তরিত হয়।

সময়সূচী[সম্পাদনা]

একতা এক্সপ্রেস পঞ্চগড় থেকে প্রতিদিন রাত ২১:০০ ছাড়ে ও ট্রেনটি ঢাকায় পৌঁছায় পরদিন সকাল ০৮:১০ মিনিটে। ঢাকা থেকে একতা এক্সপ্রেস প্রতিদিন সকাল ১০:০০ টায় ছাড়ে এবং পঞ্চগড় পৌঁছায় রাত ২০:৪৫ এ। একতা এক্সপ্রেসের বগিসংখ্যা মোট ১৩। ট্রেনটি প্রায় ১ হাজার ২০০ যাত্রী বহন করতে পারে।[১]

বিরতিস্থান[সম্পাদনা]

ট্রেনটি নিচের স্টেশনগুলিতে থামে:

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "পঞ্চগড়-ঢাকা সরাসরি ট্রেন চলাচল শুরু"প্রথম আলো। ১০ নভেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জানুয়ারি ২০১৯