বিষয়বস্তুতে চলুন

রংপুর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
রংপুর
বিভাগীয় সদরদপ্তর ও শহর
রংপুরের অফিসিয়াল লোগো
লোগো
রংপুরের অবস্থান
রংপুর রংপুর বিভাগ-এ অবস্থিত
রংপুর
রংপুর
রংপুর বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
রংপুর
রংপুর
রংপুর শহরের অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৫°৩৪′ উত্তর ৮৯°১৫′ পূর্ব / ২৫.৫৬° উত্তর ৮৯.২৫° পূর্ব / 25.56; 89.25
দেশবাংলাদেশ
বিভাগরংপুর বিভাগ
জেলারংপুর জেলা
প্রতিষ্ঠা১৬ ডিসেম্বর, ১৭৬৯ খ্রিষ্টাব্দ[]
পৌরসভা১ মে, ১৮৬৯[]
সিটি কর্পোরেশন১ জুলাই, ২০১২[]
সরকার
  ধরনমেয়র - কাউন্সিলর
  শাসকরংপুর সিটি কর্পোরেশন
আয়তন
  বিভাগীয় সদরদপ্তর ও শহর২০৫ বর্গকিমি (৭৯ বর্গমাইল)
  মহানগর২৪০ বর্গকিমি (৯০ বর্গমাইল)
উচ্চতা৩৪ মিটার (১১২ ফুট)
জনসংখ্যা (২০২২)৭,০৮,৫৭০
  বিভাগীয় সদরদপ্তর ও শহর১৪,৫০,১২৮
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড৫৪০০[]
জাতীয় টেলিফোন কোড+৮৮০
কলিং কোড৫২১
ওয়েবসাইটrangpur.gov.bd

রংপুর বাংলাদেশের রংপুর বিভাগের প্রধান শহর এবং ১৮৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের প্রাচীনতম একটি পৌর কর্পোরেশন। রংপুর জেলা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৭৬৫ সালে এবং রংপুর শহর ১৭৬৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর রংপুর জেলার বিভাগীয় সদর দপ্তর হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। ১৮৯০ সালে তৎকালীন পৌর কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান ডিমলার জমিদার রাজা জানকীবল্লভ সেন রংপুর শহরে জলাবদ্ধতা ও মশার ও ম্যালেরিয়ার প্রাদুর্ভাব নিরসনে[] তার মা শ্যামাসুন্দরীর নামে[] যে খালটি পুনঃখনন করেন তাই আজকের শ্যামা সুন্দরী খাল নামে পরিচিত এবং তার দানকৃত বাগান বাড়ির জমিতে ১৮৯২ খ্রিষ্টাব্দে আজকের পৌরসভা ভবনটি গড়ে ওঠে। বর্তমানে আয়তনে দ্বিতীয় রংপুর সিটি কর্পোরেশন। রংপুর ৭০০ বছরের ঐতিহ্য "শতরঞ্জি", "হাড়িভাঙ্গা আম", " আলু", "তামাক" এর জন্য বিখ্যাত। রংপুরকে বলা হয় বাহের দেশ।

রংপুর বিভাগের একমাত্র পুর্ণাঙ্গ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, মুক্তিযুদ্ধে ৬ নম্বর সেক্টরে জীবন ত্যাগকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আবু মঈন মোহাম্মদ আশফাকুস সামাদ বীর উত্তম এর স্মরণে প্রতিষ্ঠিত বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজ, সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত রংপুর ক্যাডেট কলেজ এবং উত্তরবঙ্গের অক্সফোর্ড খ্যাত কারমাইকেল কলেজ এই শহরের দক্ষিণাংশে অবস্থিত।

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

১৫৭৫ সালে মুঘল সাম্রাজ্যের অধিপতি আকবরের সেনাপতি রাজা মানসিংহ রংপুর জয় করেন এবং ১৬৬৮ সালে সমগ্র রংপুরে মোগলদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা পায়। এ অঞ্চলের মোগালবাসা এবং মোগলহাট নামগুলো দীর্ঘ মোঘল শাসনের চিহ্ন বহন করছে। পরে রংপুর ঘোড়াঘাট সরকারের অধীনে চলে আসে এবং পরবর্তীতে ১৮'শ শতকের শেষের দিকে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনামলে রংপুরে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ সংঘটিত হয়।[] বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে রংপুর জেলার অবদান উল্লেখযোগ্য।

মুঘল যুগ

[সম্পাদনা]

আইন-ই-আকবরী অনুযায়ী, মুঘল আমলের রংপুর তিন ধরনের প্রশাসনিক এলাকায় বিভক্ত ছিল। মুঘল সম্রাট আকবরের সেনাপতি রাজা মান সিংহের নেতৃত্বে রংপুর ১৫৭৫ সালে বিজিত হয়, কিন্তু ১৬৮৬ সাল পর্যন্ত এটি সম্পূর্ণরূপে মুঘল সাম্রাজ্যে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। ১৬১১ খ্রিস্টাব্দে রংপুরের পুরো অঞ্চলে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়। মুঘলবাসা ("মুঘলদের একটি স্থান") এবং মুঘলহাট ("মুঘলদের দ্বারা সংগঠিত স্থানীয় বাজার") এর মতো স্থাননামগুলি রংপুর এবং এর আশেপাশের অঞ্চলের সাথে মুঘলদের সংযোগ ও অতীতের সাক্ষ্য বহন করে। পরে, রংপুর ঘোড়াঘাটের সরকারের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।

ব্রিটিশ উপনিবেশ

[সম্পাদনা]

১৭৬৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি "দেওয়ানি" লাভ করার পর, রংপুর ব্রিটিশ শাসনের অধীনে আসে। ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ রংপুর অঞ্চলে ঘটে, যেখানে ফকির মজনু শাহের মতো নেতারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। উল্লেখযোগ্য ঔপনিবেশিক বিরোধী বিদ্রোহী দেবী চৌধুরানী এবং ভবানী পাঠক এই অঞ্চলের ছিলেন। ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহে বিদ্রোহী সিপাহীরা এই অঞ্চলে ব্রিটিশ শাসকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়।পরে রংপুর ঘোড়াঘাট সরকারের অধীনে চলে আসে এবং পরবর্তীতে ১৮'শ শতকের শেষের দিকে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনামলে রংপুরে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ সংঘটিত হয়। পরে, ১৯৩০ সালে, কংগ্রেসের আহ্বানে রংপুরের বিভিন্ন স্থানে প্রথম অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়। ১৯৪৬ সালের অক্টোবর মাসে এখানে উত্তরবঙ্গের কৃষক নেতাদের একটি সভা অনুষ্ঠিত হয় এবং নভেম্বর মাসে তেভাগা আন্দোলন শুরু হয়।

জনসংখ্যার উপাত্ত

[সম্পাদনা]

রংপুরের মোট জনসংখ্যা ৩১,৬৯,৬১৫ জন। সর্বোচ্চ ৯০.৬১% ইসলাম ধর্মালম্বী, হিন্দু সম্প্রদায় ৮.৯৩%, খ্রিষ্টান ০.২৫%, বৌদ্ধ ০.০৫% এবং অন্যান্য ০.১৫% সাঁওতাল, রাজবংশী এবং ওঁরাও জাতিগোষ্ঠী।[]

ভূগোল

[সম্পাদনা]

অর্থনীতি

[সম্পাদনা]

আশেপাশের জেলাগুলোর জন্য ব্রিটিশ শাসনকাল থেকেই রংপুর একটি বাণিজ্যিক কেন্দ্রবিন্দু। শহরের কেন্দ্রবিন্দুতে অসংখ্য সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংক, বীমা সংস্থা, আবাসিক হোটেল, চীনা এবং দেশী-বিদেশী রেস্টুরেন্ট, ফাস্ট ফুড, মিষ্টির ও উপহারের দোকান রয়েছে। রংপুর ফাউন্ড্রি লিমিটেড (আর এফ এল), দেশের সব চেয়ে বড় জুতার কারখানা, মিল্ক ভিটা, আর ডি সহ আরো অনেক শিল্প করখানা রয়েছে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এর প্রভাব অপরিসীম।

উল্লেখযোগ্য স্থানসমূহ

[সম্পাদনা]
তাজহাট জমিদার বাড়ি (রংপুর বিভাগীয় সদর দপ্তর ও যাদুঘর)
রংপুর টাউন হল
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন , রংপুর

তাজহাট জমিদার বাড়ি

[সম্পাদনা]

তাজহাট জমিদার বাড়ি রংপুর শহরের দক্ষিণে অবস্থিত। ১৯৮৪ সালে হাইকোর্ট হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এটি তাজহাট জমিদার বাড়ি নামেই পরিচিত ছিলো। ব্রিটিশ শাসনামলের শেষে ভবনটি দ্রুত পরিত্যক্ত এবং ক্ষয়প্রাপ্ত হতে থাকে। ১৯৮০ সালের দিকে এই ভবনটিকে "কোর্ট হাউস" হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিলো। ২০০৪ সালে তাজহাট জমিদার বাড়িকে সংস্কার করে যাদুঘরে রুপান্তরিত করা হয় এবং এই যাদুঘরের সংগ্রহে হিন্দুদের কালো পাথরের ভাস্কর্য, চারুলিপি এবং মুঘল আমলের শিল্প উল্লেখযোগ্য। তহবিলের অভাবে যাদুঘরটি মাঝে মাঝে বন্ধ থাকে।[]

এই জমিদার বাড়িটির প্রান্তদেশ দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে তিন কিলোমিটার বিস্তৃত। বাংলাদেশের সুপ্রীম কোর্টের রংপুর উচ্চ আদালতের শাখা হিসেবে ১৯৯৫ সালে প্রাসাদটি ব্যবহার করা হয়েছিলো। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ কর্তৃক প্রাসাদটিকে সুরক্ষিত স্মৃতিস্তম্ভ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের জন্য বাংলাদেশ সরকার ২০০২ সালে এটিকে জাদুঘরে রুপান্তরিত করে। তদনুসারে ২০০৫ সাল থেকে ভবনটি রংপুর জাদুঘর হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

টাউন হল

[সম্পাদনা]

সাংস্কৃতিক প্রোগ্রামের জন্য শহরের কেন্দ্রে একটি প্রাচীন অডিটোরিয়াম রয়েছে যেটি রংপুর টাউন হল নামে পরিচিত।

কারমাইকেল কলেজ

[সম্পাদনা]

১৯১৬ সালে প্রতিষ্টিত কারমাইকেল কলেজ বাংলাদেশের পুরাতন কলেজগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই কলেজের প্রধান আকর্ষণ তার প্রশাসনিক ভবন (বাংলা বিভাগে অবস্থিত)। ভবনটি ইন্দো-ইসলামিক রেনেসাঁ স্থাপত্যশিল্পের নিদর্শন।

জাদু নিবাস

[সম্পাদনা]

জাদু নিবাস রংপুর সরকারি কলেজের পাশে রাধাবালভে অবস্থিত। এটি মশিউর রহমান যাদু মিয়ার নিবাস ছিলো। এই বাড়িটির বয়স আনুমানিক একশত বছর। বাড়িটি সম্ভবত মহারাজা গোপাল লাল রায় এর সময়ে নির্মিত এবং মালিকানাধীন ছিল, এই সময় রংপুর জেলা পরিষদ, রংপুর টাউন হল এবং তাজহাট জমিদার বাড়ি নির্মিত হয়েছিল।

মিঠাপুকুর তিনকাতারের মসজিদ

এটি রংপুরের মিঠাপুকুরে অবস্থিত।[]

শিক্ষা

[সম্পাদনা]
রংপুর মেডিকেল কলেজ

রংপুরের উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমুহ হল:

বিশ্ববিদ্যালয়

[সম্পাদনা]

মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজসমূহ

[সম্পাদনা]

কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

[সম্পাদনা]

কলেজসমূহ

[সম্পাদনা]

বিদ্যালয়সমূহ

[সম্পাদনা]

মাদরাসা সমূহ

[সম্পাদনা]

জলবায়ু

[সম্পাদনা]

রংপুর আর্দ্র উপক্রান্তীয় জলবায়ুর মধ্যে অবস্থিত। রংপুরের আবহাওয়ার মধ্যে মৌসুমি বায়ু, উষ্ণ তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, ও ভারী বৃষ্টিপাত বিদ্যমান। গ্রীষ্মকাল এপ্রিলের শুরু থেকে জুলাই পর্যন্ত স্থায়ী হয়। বার্ষিক তাপমাত্রা ২৪.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৭৬.৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট) এবং বার্ষিক বৃষ্টিপাত ২,১৯২ মিমি (৮৬.৩০ ইঞ্চি)

রংপুরের আবহাওয়া সংক্রান্ত তথ্য
মাস জানুয়ারী ফেব্রুয়ারি মার্চ এপ্রিল মে জুন জুলাই আগস্ট সেপ্টেম্বর অক্টোবর নভেম্বর ডিসেম্বর
সর্বোচ্চ তাপমাত্রা (°সেঃ) ২৪.৪° ২৭.১° ৩১.৫° ৩৪.১° ৩২.৬° ৩১.৮° ৩১.৭° ৩১.৮° ৩১.৮° ৩০.৯° ২৮.৪° ২৫.৬°
সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (°সেঃ) ১০.৩ ১২.০ ১৫.৯ ২১.০ ২৩.০ ২৪.৭ ২৫.৭ ২৬.৩ ২৫.৬ ২২.৩ ১৬.৪ ১২.২
বৃষ্টিপাত(মিঃমিঃ) ১২ ২৬ ৭৮ ২৯১ ৪৮১ ৪৬১ ৩৫২ ৩১৫ ১৫৪ ১০
Source: |[National news papers]
রংপুরের আবহাওয়া
মাস জানুয়ারী ফেব্রুয়ারি মার্চ এপ্রিল মে জুন জুলাই আগস্ট সেপ্টেম্বর অক্টোবর নভেম্বর ডিসেম্বর
গড় তাপমাত্রা (°সেঃ) ১৩.৫° ১৫.৫° ১৯° ২১° ২১.৫° ২৩° ২২° ২৩° ২১.৫° ২২.৫° ১৮.৫° ১৬°
গড় বৃষ্টিপাত (মিঃমিঃ) ০.১ ০.৬ ২.৮ ৬.৭ ২.৯ ১.৪
Source: |[National news papers]

বিশিষ্ট ব‍্যক্তিবর্গ

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ২৫ নভেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ ডিসেম্বর ২০১৪
  2. Our Correspondent, Rangpur (২ জুলাই ২০১২)। "Rangpur turns city corporation"। Thedailystar.net। সংগ্রহের তারিখ ১০ ডিসেম্বর ২০১৪ {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: |লেখক= প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য)
  3. www.geopostcodes.com, GeoPostcodes, ZIP codes, ZIPCodes, gazetteer, Postcodes। "ZIP Code database of Bangladesh, Rangpur, Rangpur, Rangpur Sadar"। Geopostcodes.com। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুন ২০১৩{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: একাধিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক)
  4. Bāṃlādeśera lokaja saṃskr̥ti granthamālā। Śāmasujjāmāna Khāna, Bāṃlā Ekāḍemī। Dhaka। ২০১৪। আইএসবিএন ৯৮৪-০৭-৫৩৩৬-৩ওসিএলসি 930364524{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অন্যান্য (লিঙ্ক) উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অবস্থানে প্রকাশক অনুপস্থিত (লিঙ্ক) উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: তারিখ এবং বছর (লিঙ্ক)
  5. "শ্যামাসুন্দরী খাল বাঁচাতে সোচ্চার নগরবাসী | blog.bdnews24.com - pioneer blog for citizen journalism in bangladesh"blog.bdnews24.com। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১
  6. Lorenzen, D.N. (১৯৭৮)। "Warrior Ascetics in Indian History."। Journal of the American Oriental Society.৯৮ (1)। American Oriental Society: ৬১৭–৭৫। ডিওআই:10.2307/600151জেস্টোর 600151
  7. "Population Census Wing, BBS."। ২৭ মার্চ ২০০৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ নভেম্বর ২০০৬
  8. মুহম্মদ মনিরুজ্জামান (২০১২)। "রায়, গোপাল লাল"ইসলাম, সিরাজুল; মিয়া, সাজাহান; খানম, মাহফুজা; আহমেদ, সাব্বীর (সম্পাদকগণ)। বাংলাপিডিয়া: বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্বকোষ (২য় সংস্করণ)। ঢাকা, বাংলাদেশ: বাংলাপিডিয়া ট্রাস্ট, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটিআইএসবিএন ৯৮৪৩২০৫৯০১ওসিএলসি 883871743ওএল 30677644M
  9. টেলিভিশন, Ekushey TV | একুশে। "ঘুরে আসুন রংপুর বিভাগ থেকে"Ekushey TV (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুলাই ২০২১
  10. Muhammad Maniruzzaman (২০১২)। "Carmichael College, Rangpur"। Sirajul Islam and Ahmed A. Jamal (সম্পাদক)। Banglapedia: National Encyclopedia of Bangladesh (Second সংস্করণ)। Asiatic Society of Bangladesh। ৮ মার্চ ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ ডিসেম্বর ২০১৪
  11. "পুলিশ লাইন্স স্কুল এন্ড কলেজ ,রংপুর"প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট। সংগ্রহের তারিখ ২ ফেব্রুয়ারি ২০২১

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]