ভারত বিভাজন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(ভারত বিভাগ থেকে পুনর্নির্দেশিত)
Jump to navigation Jump to search

ভারত বিভাজন হল ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক বিভাজন।[১] ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ব্রিটিশ ভারত ভেঙে হয়ে পাকিস্তান অধিরাজ্যভারত অধিরাজ্য নামে দুটি সার্বভৌম রাষ্ট্র গঠন করা হয়। পাকিস্তান অধিরাজ্য পরবর্তীকালে আবার দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পাকিস্তানবাংলাদেশ নামে দুটি রাষ্ট্রে পরিণত হয়। ভারত অধিরাজ্য পরবর্তীকালে ভারতীয় প্রজাতন্ত্র বা ভারত গণরাজ্য নামে পরিচিত হয়। ১৯৪৭ সালের ভারত বিভাজনের ফলে ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সিপাঞ্জাব প্রদেশও দ্বিখণ্ডিত হয়। বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি ভেঙে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য (ভারত) ও পূর্ব বাংলা/পূর্ব পাকিস্তান প্রদেশ (পাকিস্তান) গঠিত হয়। পাঞ্জাব প্রদেশ ভেঙে পাঞ্জাব প্রদেশ (পাকিস্তান) ও পাঞ্জাব রাজ্য (ভারত) গঠিত হয়। ভারত বিভাজনের সঙ্গে সঙ্গে ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনী, ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস ও অন্যান্য প্রশাসনিক কৃত্যক এবং রেলপথ ও অন্যান্য কেন্দ্রীয় সম্পদ দুই রাষ্ট্রের মধ্যে বিভক্ত করে দেওয়া হয়।

ভারত বিভাজনের অব্যবহিত পূর্বে পাঞ্জাব অঞ্চলে যে ধর্মীয় দাঙ্গা বেধেছিল, তাতে উভয় ধর্মের ২০০,০০০ থেকে ৫০০,০০০ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন।[২][৩] ইউএনএইচসিআর-এর হিসেব অনুসারে, ১ কোটি ৪০ লক্ষ হিন্দু, শিখমুসলমান ভারত বিভাজনের ফলে বাস্তুচ্যুত হয়েছিলেন এবং এর ফলে মানব ইতিহাসের বৃহত্তম দেশত্যাগের ঘটনাটি ঘটেছিল।[৪][৫][৬]

সিলোন (অধুনা শ্রীলঙ্কা) ১৭৯৫ থেকে ১৭৯৮ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশ ভারতের মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সির অন্তর্ভুক্ত ছিল। তারপর এটি ভারত থেকে পৃথক হয়ে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের একটি পৃথক ক্রাউন কলোনি ঘোষিত হয়। ১৮২৬-৮৬ সালের মধ্যে ব্রিটিশরা ধীরে ধীরে ব্রহ্মদেশকে (অধুনা মায়ানমার) ব্রিটিশ ভারতের অন্তর্ভুক্ত করেছিল। ১৯৩৭ সাল পর্যন্ত ব্রহ্মদেশ ছিল ব্রিটিশ ভারতীয় প্রশাসনের দ্বারা শাসিত অঞ্চল। তারপর থেকে ব্রহ্মদেশ পৃথকভাবে শাসিত হতে থাকে।[৭] ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি ব্রহ্মদেশ এবং ওই বছরই ৪ ফেব্রুয়ারি সিলোন স্বাধীনতা পায়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর পাকিস্তান দ্বিধাবিভক্ত হয়ে বাংলাদেশ রাষ্ট্র সৃষ্টি হয়। ভারত থেকে সিলোন ও ব্রহ্মদেশের বিভাজন বা পাকিস্তানের বিভাজন ভারত বিভাজনের অন্তর্গত নয়।

ভুটান, নেপালমালদ্বীপ – এই তিনটি অধুনা দক্ষিণ এশীয় রাষ্ট্রে ভারত বিভাজনের কোনো প্রভাব পড়েনি। নেপাল ও ভুটান ব্রিটিশদের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে ‘স্বাধীন রাষ্ট্রে’র মর্যাদা অর্জন করেছিল এবং কখনই ব্রিটিশ ভারতীয় সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়নি। তাই এই দুই রাষ্ট্রের সীমা ভারত বিভাজনের সময় অপরিবর্তিত থেকে যায়।[৮] মালদ্বীপ ১৮৮৭ সালে ব্রিটিশ ক্রাউনের প্রোটেক্টোরেট মর্যাদা পায় এবং ১৯৬৫ সালে স্বাধীন হয়। এই রাষ্ট্রের সীমাও ভারত বিভাজনের সময় অপরিবর্তিত ছিল।

প্রেক্ষাপট[সম্পাদনা]

বঙ্গভঙ্গ (১৯০৫)[সম্পাদনা]

১৯০৯ সালে হিন্দুদের শতকরা হার 
১৯০৯ সালে মুসলমানেদের শতকরা হার 
১৯০৯ সালে শিখ, বৌদ্ধ ও জৈনদের শতকরা হার 

১৯০৫ সালে তাঁর দ্বিতীয় কার্যকালে তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড কার্জন ব্রিটিশ ভারতের বৃহত্তম প্রশাসনিক বিভাগ বেঙ্গল প্রেসিডেন্সিকে রাজনৈতিক ভাবে দ্বিখণ্ডিত করেন। এই বিভাজনের ফলে গঠিত হয় মুসলমান-প্রধান পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ (অধুনা বাংলাদেশ রাষ্ট্র, ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলপশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের জলপাইগুড়ি বিভাগ) এবং হিন্দু-প্রধান বঙ্গপ্রদেশ (অধুনা পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের প্রেসিডেন্সিবর্ধমান বিভাগ, বিহার, ঝাড়খণ্ডওড়িশা রাজ্য)।[৯] কারো কারো মতে কার্জনের বঙ্গভঙ্গ প্রশাসনিক দিক থেকে খুবই ফলপ্রসূ হয়েছিল। লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের সময় থেকে এই ধরনের প্রশাসনিক সংস্কারের কথা অনেক বার ভাবা হলেও তা বাস্তবায়িত করা হয়নি। যদিও ভারতীয় জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে এই ঘটনার ফলে যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়, তেমনটি আগে ঘটেনি।[৯] বাঙালি হিন্দু উচ্চবিত্ত গোষ্ঠী বঙ্গভঙ্গের তীব্র বিরোধিতা করেন। এঁদের অনেকেরই পূর্ববঙ্গে জমিদারি ছিল এবং সেই জমিদারির প্রজারা ছিলেন মুসলমান কৃষক। বাঙালি হিন্দু মধ্যবিত্ত বা ভদ্রলোক সমাজও নবগঠিত বঙ্গপ্রদেশে বিহারি ও ওড়িয়াদের দিয়ে বাঙালিদের সংখ্যালঘু করে দেওয়ার জন্য বঙ্গভঙ্গের তীব্র প্রতিবাদ জানান। তাঁরা মনে করেন, তাঁদের রাজনৈতিক সক্রিয়তার জন্যই কার্জন বঙ্গভঙ্গের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।[৯] কার্জনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে স্বদেশি আন্দোলন শুরু হয়। এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন দুই-বারের কংগ্রেস সভাপতি সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই আন্দোলনের উদ্দেশ্য ছিল ব্রিটিশ দ্রব্য বয়কট। ইচ্ছাকৃতভাবে না হলেও কখনও কখনও আন্দোলনকারীরা রাজনৈতিক সহিংসতার আশ্রয় নিতেন। যার ফলে সাধারণ নাগরিকরা আক্রান্ত হতেন।[১০] সহিংস আন্দোলন কার্যকরী হয়নি। কারণ, সেগুলি ব্রিটিশরা প্রতিহত করেছিল এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে সেগুলি ব্যর্থ হয়েছিল।[১১] উভয় ধরনের আন্দোলনের প্রধান শ্লোগান ছিল ‘বন্দেমাতরম্‌’। এটি ছিল বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি গানের শিরোনাম। গানটি একাধারে বঙ্গজননী, ভারতমাতা ও হিন্দু দেবী কালীর উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল।[১২] কলকাতার ইংরেজি-শিক্ষিত ছাত্ররা যখন কলকাতা থেকে তাদের গ্রাম বা মফঃস্বলে যান, তখন আন্দোলন বাংলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।[১৩] ‘বন্দেমাতরম্‌’ শ্লোগানটির ধর্মীয় উন্মাদনা ও বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিবাদ যুগান্তর ইত্যাদি দলের অধীনে যুবকদের একত্রিত করে। এঁরা সরকারি ভবনে বোমা বিস্ফোরণ, সশস্ত্র ডাকাতি,[১১] ও ব্রিটিশ আধিকারিকদের হত্যা করতে শুরু করে।[১২] কলকাতা যেহেতু সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল, তাই এই রাজনৈতিক আন্দোলন ও ‘বন্দেমাতরম্‌’ শ্লোগানটি জাতীয় স্তরে পরিচিত ও স্বীকৃত হয়।[১২]

বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে হিন্দুদের সর্বব্যাপী প্রতিবাদ আন্দোলন এবং তার ফলে সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুদের মধ্যে সংস্কারের ভয়ে ভারতের মুসলমান উচ্চবিত্ত সম্প্রদায় ১৯০৬ সালে নতুন ভাইসরয় লর্ড মিন্টোর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে মুসলমানেদের জন্য পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থার দাবি জানায়। প্রাক্তন শাসক এবং ব্রিটিশদের সঙ্গে তাদের সহায়তার নথি তুলে ধরে মুসলমান উচ্চবিত্তেরা আইনসভায় তাঁদের আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের দাবি জানান। এরপরই ১৯০৬ সালের ডিসেম্বরে ঢাকায় অল-ইন্ডিয়া মুসলিম লিগ স্থাপিত হয়। লর্ড কার্জন সেই সময় তাঁর সামরিক প্রধান লর্ড কিচেনারের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে ইস্তফা দিয়ে ইংল্যান্ডে ফিরে গিয়েছিলেন। কিন্তু লিগ তাঁর বঙ্গভঙ্গের পরিকল্পনার সমর্থক ছিল। ১৮৭১ সালে ব্রিটিশ ভারতের জনগণনায় প্রথম ভারতের মুসলমান-অধ্যুষিত অঞ্চলগুলির কথা জানা গিয়েছিল। এরপর তিন দশক ধরে মুসলমান উচ্চবিত্ত সম্প্রদায়ের অবস্থান নির্ধারিত হয়েছিল। সেই অবস্থানই ছিল মুসলিম লিগের অবস্থান।[১৪] (কার্জন পূর্ববঙ্গের মুসলমানেদের সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপন করতে চেয়েছিলেন। ১৮৭১ সালের জনগণনার পর থেকে পূর্ববঙ্গের মুসলমানেদের অবস্থান ব্রিটিশদের কাছে আশঙ্কাজনক হয়ে উঠেছিল। তাছাড়া সিপাহি বিদ্রোহদ্বিতীয় আফগান যুদ্ধের সময় ব্রিটিশ-মুসলমান বিরোধ তাঁর বিশেষ চিন্তার কারণ হয়েছিল।[১৪]) ১৮৭১ সালের জনগণনার পর থেকে উত্তর ভারতের মুসলমান নেতৃবর্গ নবগঠিত হিন্দু রাজনৈতিক ও সামাজিক গোষ্ঠীগুলির গণপ্রতিরোধের সম্মুখীন হয়েছিল।[১৪] যেমন, আর্যসমাজ শুধুমাত্র গোরক্ষাকারী গোষ্ঠীগুলিকে সমর্থনই করেনি,[১৫] বরং মুসলমানেদের হিন্দুধর্মে পুনরায় ধর্মান্তরিত হওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছিল।[১৪] ১৯শ শতাব্দীর শেষভাগে যুক্তপ্রদেশে (অধুনা উত্তরপ্রদেশ) রাজনৈতিক প্রতিনিধি সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে হিন্দুরা অধিক ক্ষমতাশালী হয়ে ওঠে। সেই সময় হিন্দি-উর্দু বিতর্ক রাজনৈতিক মোড় নেয় এবং ১৮৯৩ সালে গোহত্যা-বিরোধী দাঙ্গা বাধে। এর ফলে মুসলমানেরা আতঙ্কিত হয়ে ওঠে।[১৬] ১৯০৫ সালে লোকমান্য বাল গঙ্গাধর তিলকলালা লাজপত রাই কংগ্রেসে নেতা হয়ে ওঠার চেষ্টা করেন এবং কংগ্রেসও কালীর প্রতীকতত্ত্বকে আন্দোলনের সামনে নিয়ে আসে। এর ফলে মুসলমানেদের ভয় বৃদ্ধি পায়।[১৪] উল্লেখ্য, ‘বন্দেমাতরম্‌’ শ্লোগানটি বঙ্কিমচন্দ্রের যে আনন্দমঠ উপন্যাস থেকে গৃহীত হয়েছিল, সেই উপন্যাসের উপজীব্য ছিল পূর্বতন মুসলমান শাসনে শাসক কর্তৃক হিন্দুদের অবদমন ও হিন্দুদের বিদ্রোহ।[১৭] মুসলমান উচ্চবিত্ত সমাজের প্রতিনিধি ঢাকার নবাব খাজা সলিমুল্লাহ শাহবাগে নিজের বাড়িতে মুসলিম লিগের প্রথম অধিবেশন ডেকেছিলেন। তিনি জানতেন, নবগঠিত প্রদেশে মুসলমানেরা সংখ্যাগুরু এবং এতে মুসলমানেদের রাজনৈতিক ক্ষমতালাভের সুবিধাই হবে।[১৭]

ভারতীয় উপমহাদেশ ১৯৪৭১৯৪৮ সালে ব্রিটেনের শাসন থেকে স্বাধীনতা লাভ করে এবং ভারত,বার্মা (বর্তমান মায়ানমার) সিলন (বর্তমান শ্রীলঙ্কা) এবং পাকিস্তান (তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তান, বর্তমান বাংলাদেশ) এই চারটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
ভারতবর্ষের বিভাজন(১৯৪৭)

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

টীকা[সম্পাদনা]

  1. Khan 2007, পৃ. 1।
  2. Paul R. Brass (২০০৩)। "The partition of India and retributive genocide in the Punjab, 1946–47: means, methods, and purposes" (PDF)Journal of Genocide Research। পৃষ্ঠা 75 (5(1), 71–101)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-০৮-১৬ 
  3. "20th-century international relations (politics) :: South Asia"Encyclopedia Britannica। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-০৮-১৬ 
  4. "Rupture in South Asia" (PDF)। UNHCR। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-০৮-১৬ 
  5. Dr Crispin Bates (২০১১-০৩-০৩)। "The Hidden Story of Partition and its Legacies"BBC। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-০৮-১৬ 
  6. Tanya Basu (১৫ আগস্ট ২০১৪)। "The Fading Memory of South Asia's Partition"The Atlantic। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-০৮-১৬ 
  7. Sword For Pen, Time, 12 April 1937
  8. "Nepal." Encyclopædia Britannica. 2008. Encyclopædia Britannica. 2008. "Bhutan."
  9. (Spear 1990, পৃ. 176)
  10. (Spear 1990, পৃ. 176), (Stein 2001, পৃ. 291), (Ludden 2002, পৃ. 193), (Metcalf ও Metcalf 2006, পৃ. 156)
  11. (Bandyopadhyay 2005, পৃ. 260)
  12. (Ludden 2002, পৃ. 193)
  13. (Ludden 2002, পৃ. 199)
  14. (Ludden 2002, পৃ. 200)
  15. (Stein 2001, পৃ. 286)
  16. Talbot ও Singh 2009, পৃ. 20।
  17. (Ludden 2002, পৃ. 201)

আরো পড়ুন[সম্পাদনা]

পাঠ্যপুস্তক ইতিহাস
প্রকরণগ্রন্থাবলী
নিবন্ধ
  • Brass, Paul. 2003. The partition of India and retributive genocide in the Punjab,1946–47: means, methods, and purposes Washington University
  • Gilmartin, David. 1998. "Partition, Pakistan, and South Asian History: In Search of a Narrative." The Journal of Asian Studies, 57(4):1068–1095.
  • Gupta, Bal K. "Death of Mahatma Gandhi and Alibeg Prisoners" www.dailyexcelsior.com
  • Gupta, Bal K. "Train from Pakistan" www.nripulse.com
  • Gupta, Bal K. "November 25, 1947, Pakisatni Invasion of Mirpur". www.dailyexcelsior.com
  • Jeffrey, Robin. 1974. "The Punjab Boundary Force and the Problem of Order, August 1947"Modern Asian Studies 8(4):491–520.
  • Kaur, Ravinder. 2009. Citizenship: Refugees, Subjects and Postcolonial State in India's Partition', Cultural and Social History.
  • Kaur, Ravinder. 2008. 'Narrative Absence: An 'untouchable' account of India's Partition Migration, Contributions to Indian Sociology.
  • Kaur Ravinder. 2007. "India and Pakistan: Partition Lessons". Open Democracy.
  • Kaur, Ravinder. 2006. "The Last Journey: Social Class in the Partition of India". Economic and Political Weekly, June 2006. epw.org.in
  • Khan, Lal (২০০৩)। Partition – Can it be undone?। Wellred Publications। পৃষ্ঠা 228। আইএসবিএন 1-900007-15-0 
  • Mookerjea-Leonard, Debali. 2005. "Divided Homelands, Hostile Homes: Partition, Women and Homelessness". Journal of Commonwealth Literature, 40(2):141–154.
  • Mookerjea-Leonard, Debali. 2004. "Quarantined: Women and the Partition". Comparative Studies of South Asia, Africa and the Middle East, 24(1): 35–50.
  • Morris-Jones. 1983. "Thirty-Six Years Later: The Mixed Legacies of Mountbatten's Transfer of Power". International Affairs (Royal Institute of International Affairs), 59(4):621–628.
  • Noorani, A. G. (২২ ডিসে ২০০১ – ৪ জানু ২০০২)। "The Partition of India"Frontline18 (26)। সংগ্রহের তারিখ ১২ অক্টোবর ২০১১ 
  • Spate, O. H. K. (১৯৪৭)। "The Partition of the Punjab and of Bengal"। The Geographical Journal110 (4/6): 201–218। doi:10.2307/1789950 
  • Spear, Percival. 1958. "Britain's Transfer of Power in India." Pacific Affairs, 31(2):173–180.
  • Talbot, Ian. 1994. "Planning for Pakistan: The Planning Committee of the All-India Muslim League, 1943–46". Modern Asian Studies, 28(4):875–889.

Visaria, Pravin M. 1969. "Migration Between India and Pakistan, 1951–61" Demography, 6(3):323–334.

  • Chopra, R. M., "The Punjab And Bengal", Calcutta, 1999.
প্রাথমিক উৎস
  • Mansergh, Nicholas, and Penderel Moon, eds. The Transfer of Power 1942–47 (12 vol., London: HMSO . 1970–83) comprehensive collection of British official and private documents
  • Moon, Penderel. (1998) Divide & Quit
জনপ্রিয়করণ
স্মৃতিকথা এবং মৌখিক ইতিহাস
  • Bonney, Richard; Hyde, Colin; Martin, John. "Legacy of Partition, 1947–2009: Creating New Archives from the Memories of Leicestershire People," Midland History, (Sept 2011), Vol. 36 Issue 2, pp 215–224
  • Azad, Maulana Abul Kalam: India Wins Freedom, Orient Longman, 1988. আইএসবিএন ৮১-২৫০-০৫১৪-৫
  • Mountbatten, Pamela. (2009) India Remembered: A Personal Account of the Mountbattens During the Transfer of Power

Gupta, Bal K.:"Forgotten Atrocities: Memoirs of a Survivor of the 1947 Partition of India" www,lulu.com (2012),

ঐতিহাসিক-কথাসাহিত্য

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

গ্রন্থতালিকা
অন্যান্য সংযোগ