ঘোড়াঘাট উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ঘোড়াঘাট
উপজেলা
ঘোড়াঘাট বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
ঘোড়াঘাট
ঘোড়াঘাট
বাংলাদেশে ঘোড়াঘাট উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৫°১৪′৪৮″ উত্তর ৮৯°১৩′২″ পূর্ব / ২৫.২৪৬৬৭° উত্তর ৮৯.২১৭২২° পূর্ব / 25.24667; 89.21722স্থানাঙ্ক: ২৫°১৪′৪৮″ উত্তর ৮৯°১৩′২″ পূর্ব / ২৫.২৪৬৬৭° উত্তর ৮৯.২১৭২২° পূর্ব / 25.24667; 89.21722 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগরংপুর বিভাগ
জেলাদিনাজপুর জেলা
আয়তন
 • মোট১৪৮.৬৭ কিমি (৫৭.৪০ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা [১]
 • মোট১,০৩,১১৯
 • জনঘনত্ব৬৯০/কিমি (১৮০০/বর্গমাইল)
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
৫৫ ২৭ ৪৩
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

ঘোড়াঘাট উপজেলা বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা।

অবস্থান[সম্পাদনা]

রংপুর বিভাগের দিনাজপুর জেলার দক্ষিণের সর্বশেষ উপজেলা এটি। এর উত্তরে নবাবগঞ্জ উপজেলা, পূর্বে পলাশবাড়ী উপজেলাগোবিন্দগঞ্জ উপজেলা, দক্ষিণে পাঁচবিবি উপজেলাও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা এবং পশ্চিমে হাকিমপুর উপজেলা

ঘোড়াঘাট দুুর্গ

ঘোড়াঘাট দুর্গ দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। প্রাচীন এ দুর্গে খননকার্য পরিচালনার সময় বহু ধর্মীয় ও অন্যান্য স্থাপনার সন্ধান পাওয়া যায় তবে এর মধ্যে কয়েকটি মসজিদের ধ্বংসাবশেষ ও ঢিবি ব্যতীত তেমন কিছু অবশিষ্ট নেই।

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

ঘোড়াঘাট উপজেলার মোট ৪টি ইউনিয়ন ও ১ টি পৌরসভা রয়েছে; ইউনিয়ন সমূহঃ

  • বুলাকীপুর
  • পালশা
  • সিংড়া
  • ঘোড়াঘাট
পৌরসভার নাম
  • ঘোড়াঘাট পৌরসভা

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৭৯৩ সালে ঘোড়াঘাট অবিভক্ত দিনাজপুর জেলার থানা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।[২]

সুরা মসজিদ বা শুজা মসজিদঃ

বাংলাদেশের রংপুর বিভাগের অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ। এটি দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলার অন্তর্গত একটি প্রাচীন মসজিদ। এটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর তালিকাভুক্ত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা। এই মসজিদে গ্রানাইটসহ নানা মূল্যবান পাথরের অস্তিত্ব পাওয়া যায়।

বার পাইকের গড়

বাংলাদেশের রংপুর বিভাগেঅবস্থিত একটি প্রাচীন স্থাপনা। এটি মূলত দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলার অন্তর্গত একটি প্রাচীন দুর্গ। এটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর তালিকাভুক্ত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

এই উপজেলার মোট জনসংখ্যা ১,০৩,১১৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৫২,৫৫৪ জন এবং মহিলা ৫০,৫৬৫ জন। লোকসংখ্যার ঘনত্ব ১৮০৯ জন (বর্গকিলোমিটারে)।

শিক্ষা[সম্পাদনা]

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

ঘোড়াঘাট উপজেলা চারটি ইউনিয়ন এবং ১ টি পৌরসভায় বিভক্ত। দেশের অন্যান্য উপজেলার মত এখানে একক কোন অর্থনৈতিক কেন্দ্র গড়ে উঠেনি। থানা প্রশাসন ঘোড়াঘাটে হলেও উপজেলা ভবনসহ অন্যান্য কাঠামো উসমানপুরে অবস্থিত। আবার প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র হচ্ছে রানীগঞ্জ বাজার।

নদীসমূহ[সম্পাদনা]

এ উপজেলায় মাত্র দুটি নদী আছে। একটি করতোয়া অন্যটি মইলা নদী বা মরা করতোয়া।

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

  • শাহ ইসমাইল গাজী
  • কবির সাকের মাহমুদ
  • করম আলী খাঁ

[৩]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসুত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "উপজেলা সর্ম্পকিত তথ্য : এক নজরে উপজেলা"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ডিসেম্বর ২০১৪  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  2. ধনঞ্জয় রায়, দিনাজপুর জেলার ইতিহাস, কে পি বাগচী অ্যান্ড কোম্পানি কলকাতা, প্রথম প্রকাশ ২০০৬, পৃষ্ঠা ২১১
  3. http://www.ghoraghat.dinajpur.gov.bd/site/page/a17f9c28-18fd-11e7-9461-286ed488c766

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]