বিরামপুর উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
বিরামপুর
উপজেলা
Welcome gate of Birampur.jpg
বিরামপুর বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
বিরামপুর
বিরামপুর
বাংলাদেশে বিরামপুর উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৫°২১′ উত্তর ৮৮°৫৯′ পূর্ব / ২৫.৩৫০° উত্তর ৮৮.৯৮৩° পূর্ব / 25.350; 88.983স্থানাঙ্ক: ২৫°২১′ উত্তর ৮৮°৫৯′ পূর্ব / ২৫.৩৫০° উত্তর ৮৮.৯৮৩° পূর্ব / 25.350; 88.983 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগরংপুর বিভাগ
জেলাদিনাজপুর জেলা
সংসদীয় আসনদিনাজপুর-৬
সরকার
 • সংসদ সদস্যশিবলী সাদিক (বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ)
আয়তন
 • মোট২১১.৮১ কিমি (৮১.৭৮ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)
 • মোট১,৫০,৬২০
সাক্ষরতার হার
 • মোট৮৯% +
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড৫২৬৬ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট Edit this at Wikidata

বিরামপুর বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। বিরামপুর উপজেলা দিনাজপুর জেলার দক্ষিনাঞ্চালে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শহর।

ভৌগলিক অবস্থান[সম্পাদনা]

২১১.৮১ বর্গ কি.মি. আয়তনের বিরামপুর উপজেলার ওয়ার্ড ৯টি ও মহল্লা ২৯টি। এই উপজেলার উত্তরে ফুলবাড়ী উপজেলানবাবগঞ্জ উপজেলা, দক্ষিণে হাকিমপুর উপজেলাভারতের পশ্চিমবঙ্গ, পূর্বে নবাবগঞ্জ উপজেলাহাকিমপুর উপজেলা এবং পশ্চিমে ফুলবাড়ী উপজেলাপশ্চিমবঙ্গ দ্বারা ঘেরা। নদনদীর মধ্যে যমুনার শাখা নদী উল্লেখযোগ্য।এটি মূলত যমুনা নদীর উপবাহিকা। রাজধানী ঢাকা থেকে এটি প্রায় ৩০০ কী:মি: উত্তরে এবং দিনাজপুর সদর থেকে এটি ৫৬ কি.মি. দক্ষিনে অবস্থিত।

ইতিহাস ও পটভূমি[সম্পাদনা]

দিনাজপুর জেলা সদর হতে ৫৬ কিঃমিঃ দক্ষিণে প্রমত্ত যমুনার এক শাখা নদীর কোল ঘেঁষে বিরামপুর উপজেলার অবস্থান। বিরামপুর উপজেলার পটভূমি হিসেবে উল্লেখযোগ্য যে তৎকালীন ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর অত্র এলাকার বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ সহ অনেকেই এলাকার উন্নয়নে মনোনিবেশ করেছিলেন । ১৯৭৭ সালে বিরামপুরে মহকুমা সৃষ্টির দাবি ওঠে। বিরামপুর থানা সৃষ্টির পূর্বে হাকিমপুর, নবাবগঞ্জ ও ফুলবাড়ী থানার সমন্বয়ে এ অঞ্চল পরিচালিত হত। নবাবগঞ্জ ও হাকিমপুর থানার ২টি করে ও ফুলবাড়ী থানার ৩টি ইউনিয়নের সমন্বয়ে বিরামপুর থানা গঠিত হয়।১৯৭৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারী বিরামপুরকে থানা হিসেবে ঘোষনা দিলেও তা বাস্তবায়িত হয় ১৯৮১ সালের ৭ জুন অতঃপর ১৪ সেপ্টেম্বর ১৯৮৩ সালে বিরামপুর থানাকে উন্নীত করে উপজেলাতে পরিণত করা হয় এবং পরে ১৯৯০ ইং সালে বিরামপুর পৌরসভা ঘোষণা করা হয়। ১৬ জুন ১৯৯৫ সাল হতে বিরামপুর পৌরসভার কার্যক্রম শুরু হয়। ২৫.৭৫ বর্গ কিঃমিঃ আয়তন নিয়ে প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা হিসাবে পরিচালিত হয়ে আসছে এবং এর রাজস্ব আয় প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা।

নামকরণ ইতিহাস[সম্পাদনা]

কথিত আছে সম্রাট আকবরের সময় বাংলার বারো ভুঁইয়াদের মধ্যে পাতরদাস নামক এক শক্তিশালী রাজা ছিলেন। তাঁর রাজধানী ছিল এই এলাকায়। রাজা পাতরদাস মোগল সেনাপতি বৈরাম খাঁর নিকট যুদ্ধে পরাজয় বরণ করেন। সেনাপতি বৈরাম খাঁর নামে এই এলাকার নাম হয় বিরামপুর।

প্রশাসনিক তথ্য[সম্পাদনা]

বিরামপুর উপজেলা দিনাজপুর-৬ আসনের অন্তর্ভুক্ত। দিনাজপুর-৬ আসনের বর্তমান এমপি হলেন মো: শিবলি সাদিক। বিরামপুর উপজেলা চেয়ারম্যান হলেন মোোঃ খাইরুল আলম রাজু । বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসাবে মো: তৌহিদুর রহমান দায়িত্ব পালন করছেন। প্রশাসনিক এলাকার মধ্যে -

পৌরসভা : ১ টি

ইউনিয়ন : ৭ টি

মৌজা : ১৭১ টি এবং

গ্রাম মোট ১৮৯ টি আছে।

পৌরসভাসহ ইউনিয়ন সমূহঃ
  • বিরামপুর পৌরসভা
  • মুকুন্দপুর
  • কাটলা
  • খানপুর
  • দিওড়
  • বিনাইল
  • জোতবানী
  • পালিপ্রয়াগপুর [১]

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

বিরামপুর উপজেলার মোট জনসংখ্যা ১,৫০,৬২০ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ৭৭,৫১৭ জন এবং মহিলা ৭৩,১০৩ জন। [২]

শিক্ষায় বিরামপুর[সম্পাদনা]

বিরামপুর উপজেলাকে দিনাজপুরের অন্যতম শিক্ষা কেন্দ্র হিসাবে ধরা হয়। দিনাজপুরের মধ্যে বিরামপুর শিক্ষা অঙ্গনে এক অনন্য নাম।

মাধ্যমিক শিক্ষা[সম্পাদনা]

বিরামপুর উপজেলার শিক্ষার হার ২০১৪ সাল অনুযায়ী ৮৭%। এই উপজেলায় শীর্ষে আছে আদর্শ হাই স্কুল আন্ড ভোকেশনাল ইন্সটিটিউট, বিরামপুর। শিক্ষার্থীদের মনন চর্চায় আদর্শ হাইস্কুল এক বিস্ময়। আদর্শ হাইস্কুল কর্তৃক প্রকাশিত "আদর্শ" ম্যাগাজিন এক অন্য মাত্রা যোগ করেছে শিক্ষা ক্ষেত্রে। অন্যান্য স্কুলের মধ্যে বিরামপুর পাইলট হাইস্কুল, শিবপুর হাইস্কুল, কাটলা হাইস্কুল এর খ্যাতি নান্দনিক রূপে বেড়ে চলেছে।

Birampur Red cricent society By Ruhan.jpg

উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা[সম্পাদনা]

বিরামপুরে একটি সরকারি কলেজ রয়েছে । সেখানে একজন শিক্ষানুরাগী চাইলে অনার্স কোর্স সম্পন্ন করতে পারে। এছাড়াও পৌরশহরে বিরামপুর মহিলা কলেজ, বিএম কলেজ রয়েছে।

পার্শ্ববর্তী দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

গুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্য[সম্পাদনা]

কৃতিত্বপূর্ণ অবদান[সম্পাদনা]

১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধে বিরামপুর  উপজেলার রয়েছে এক গৌরবগাঁথা ইতিহাস। তৎকালীন ৭নং সেক্টরের মেজর নাজমুল হুদা ও মেজর নুরুজ্জমানের নেতৃত্বে কালিয়াগঞ্জ তরঙ্গপুর সেক্টরে দেশ মাতৃকার টানে ২৮০ জন মুক্তিযোদ্ধা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। অত:পর সু-দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধ করে বীর মুক্তিযোদ্ধারা বিরামপুরবাসীকে সাথে নিয়ে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর পাকহানাদার বাহিনীর কবল থেকে বিরামপুরকে শত্রুমুক্ত করেন। এতে অত্র উপজেলায় ২০ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। পঙ্গু হন ২ জন, এবং যুদ্ধে মারাত্মকভাবে আহত হন ১৩ জন মুক্তিযোদ্ধা। বিরামপুরের গোহাটি কুয়া, ঘাটপাড় ব্রীজ, ২নং রাইচ মিলের কুয়া, ওভার শিয়ার বাগান বাড়ী, ৪নং রাইচ মিল কুয়া বধ্যভূমি হিসেবে পরিচিত। যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে পাকহানাদার বাহিনী গণহত্যা করে শহীদদের লাশ এই সব বধ্যভূমিতে পুতে রাখে। উল্লেখ্য যে, বিরামপুরের কেটরা হাট নামক স্থানে ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধা ও পাকসেনাদের যুদ্ধে ৭ জন পাকসেনা ১৬ জন মুক্তিযোদ্ধা মারা যাওয়ার পর উক্ত অঞ্চলটি হানাদার মুক্ত হয়।

বিরামপুর জেলা দাবি[সম্পাদনা]

বিরামপুর ভৌগোলিক কারণে জেলা হবার যোগ্য দাবিদার। দিনাজপুর সদর অনেক দূরবর্তী হওয়ায় এটি ৪ থানার মানুষের প্রাণের দাবিতে রূপান্তরিত হয়েছে। পাশাপাশি দিনাজপুর সদর প্রায় ৬০ কি.মি হওয়ায় প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ করার প্রয়োজনে বিরামপুরকে জেলা ঘোষণা এখন সময়ের দাবি।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

বিরামপুর একটি ব্যবসা প্রধান এলাকা। এখানে অনেক চাল কল, সেমাই কল, চিড়া কল ও অটো রাইস মিল উল্লেখযোগ্য। এখানকার প্রধান জীবিকা কৃষি এবং কৃষি উৎপাদ হল ধান ।

আবহাওয়া[সম্পাদনা]

বিরামপুরের আবহাওয়া নাতিশীতোষ্ণ। তবে গরম কালে তীব্রতা ও শীতকালে শীতের মাঝারি তীব্রতা লক্ষণীয়।

নদ-নদী[সম্পাদনা]

বিরামপুরের কোল ঘেঁষে যমুনার একটি শাখা নদী চলে গিয়েছে। বিরামপুর উপজেলায় উল্লেখযোগ্য নদী ছোট যমুনা। বিরামপুর উপজেলাটি ছোট যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত। নদীর এক তীরে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক বেড়ি বাঁধ নির্মাণ করা আছে। ছোট যমুনা নদীটির উৎপত্তি ফুলবাড়ী, নবাবগঞ্জ এবং ঘোড়াঘাট উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া যমুনা নদীর শাখা নদী বিরামপুরের ছোট যমুনা নদী। তবে নদীতে যত্রতত্র বালি উত্তোলনের কারণে নদীর নাব্যতা হারানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

ঐতিহ্য[সম্পাদনা]

বিরামপুর উপজেলার উত্তরে ১২ কিলোমিটার দুরে খানপুর প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন অষ্টাদশ শতকের জমিদার বাড়িসহ জমিদারের ১২শ বিঘা জমি বনজ ফলজ ও ওষুধি বাগান রয়েছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে,ব্রিটিশরা অষ্টাদশ শতকে ফুলবাড়ি জমিদারের পক্ষে খাজনা আদায়কারী হিসাবে রাজকুমার সরকারকে বিরামপুরের রতনপুর কাচারীতে প্রেরণ করা হয়। এখান থেকে তিনি বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, হাকিমপুর ও ফুলবাড়ী এলাকার প্রজাদের নিকট থেকে নৈপুণ্য ও যোগ্যতার সাথে খাজনা আদায় করতেন। আদায়কারী কর্মদক্ষতায় সন্তুষ্ট হয়ে জমিদার তার বোনের সাথে রাজকুমারের বিয়ে দেয় এবং সাড়ে ৬শ বিঘা জমিসহ রতনপুর কাচারী উপহার দেন। সাধারণ আদায়কারী থেকে জমিদার বনে রাজকুমার আরো অধিক অর্থসম্পদের নেশায় মেতে ওঠেন। অপরদিকে একই মৌজায় আড়াইশত একর জমি ও অঢেল অর্থের মালিক রঘুহাসদা নামের একজন প্রতাপশালী সাওতাল ছিলেন। রাজকুমার সুযোগ বুঝে সাওতাল বঘু হাসদার কাছ থেকে ৫ বস্তা কাচা টাকা ধারে নিয়ে অন্য জমিদারের আরো ৩শ একর জমি নিলামে ডেকে ৫০ একর ফলের বাগান দখল করে নিয়ে উপকারী রঘু হাসদাকে বিতাড়িত করেন। এলাকার একক জমিদার হিসেবে তৈরী করে সুদৃশ্য দ্বিতল বিশিষ্ট মনোরম অট্টালিকা। জানা যায়, নতুন জমিদার রাজকুমারের রতন কুমার ও রক্ষনী কুমার নামে দুই পুত্র সন্তানের মধ্যে ১৬ বছর বয়সের বড় ছেলে রতন কুমার মন্দিরের পুকুরে গোসল করতে গিয়ে মারা যায়। পুত্র শোকে কিছুদিন পর রাজকুমারের মৃত্যু ঘটলে উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে অঢেল সম্পদ, বাগান ও পুকুরসহ ১২শ বিঘা জমিদারী লাভ করেন রক্ষুনী রাজকুমার সরকার। বর্তমানে এখানে গড়ে উঠেছে একটি ইসলামিক মিশন হাসপাতাল, ১টি দাখিল মাদ্রাসা, মসজিদসহ বিশাল একটি পুকুর। জমিদারের তৈরীকৃত সুদৃশ্য দ্বিতল অট্টালিকাটিতে ইউনিয়ন ভূমি অফিস হিসেবে কাজ করছে। জেলা প্রশাসক রক্ষুনী বাবুর সম্পত্তি ১নং খাস খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। যুগ যুগ ধরে এই জমিদার বাড়ীটি মেরামত ও সংষ্কার না করায় তা ধ্বংস হতে চলছে।[৩]

যোগাযোগ ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

বিরামপুরে রাজধানী থেকে যোগাযোগ ব্যবস্থা বেশ সুবিধাজনক। ঢাকা থেকে এটি ৩০০ কিমি দূরে অবস্থিত । মহানগরী থেকে এখানে দুটি প্রধান উপায়ে যাওয়া যায়।

  • রেলওয়ে মাধ্যম
  • সড়ক পরিবহন

রেলওয়ে মাধ্যম[সম্পাদনা]

বিরামপুর স্টেশনে উত্তরবঙ্গগামী সকল ট্রেন বিরতি দেয়। ঢাকা হতে মোট ৩ টি ট্রেন চলাচল করে।

  • নীলসাগর (চিলাহাটি-ঢাকা)
  • দ্রুতযান ( পঞ্চগড়-ঢাকা)
  • একতা ( পঞ্চগড়-ঢাকা)
  • বরেন্দ্র (রাজশাহী)
  • সীমান্ত (রাজশাহী)
  • রূপসা (খুলনা)

সড়ক পরিবহন[সম্পাদনা]

তাছাড়াও ঢাকা-দিনাজপুর মহাসড়ক বিরামপুর এর উপর দিয়ে অতিক্রান্ত করেছে।

মহাসড়ক কোড[সম্পাদনা]

  • ১.R585 ও
  • ২.Z5851
  • ৩.Z5854

মহাসড়ক পরিচিতি[সম্পাদনা]

  • ১.গোবিন্দগঞ্জ- ঘোড়াঘাট- বিরামপুর- ফুলবাড়ি- দিনাজপুর সড়ক দৈর্ঘ্যঃ ১০৬ কিলোমিটার (৬৬ মাইল)
  • ২.বিরামপুর-নবাবগঞ্জ-ভাদুরিয়া সড়ক দৈর্ঘ্যঃ ২৩ কিলোমিটার (১৪ মাইল)
  • ৩.বিরামপুর (বিজন)-হাকিমপুর সড়ক দৈর্ঘ্যঃ ১১ কিলোমিটার (৬.৮ মাইল)

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন ২০১৪)। "পৌরসভাসহ ইউনিয়ন সমূহ"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ২৩ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুলাই ২০১৪ 
  2. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন ২০১৪)। "উপজেলা প্রশাসনের পটভূমি"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ২৩ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুলাই ২০১৪ 
  3. http://birampur.dinajpur.gov.bd/site/page/7bd4dd84-18fd-11e7-9461-286ed488c766/উপজেলার-ঐতিহ্য

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]