হালুয়া
কালিকুটের মিতাই রাস্তার হালুয়া | |
| অন্যান্য নাম | হালবা |
|---|---|
| ধরন | মিষ্টান্ন |
| অঞ্চল বা রাষ্ট্র | মধ্য প্রাচ্য, মধ্য এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়া, পূর্ব ইউরোপ, ককেশাস, উত্তর আফ্রিকা, আফ্রিকার শিং |
| প্রধান উপকরণ | ময়দাভিত্তিক: শস্যের ময়দা বাদামভিত্তিক: বাদাম মাখন এবং চিনি |
হালুয়া এক ধরনের মিষ্টান্ন। হালুয়া শব্দটি আরবী ভাষার حلوى(ḥalwā/হ্যলৱা) হতে এসেছে যার অর্থ মিষ্টান্ন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে হালুয়া অনতিমিষ্ট খাদ্য হিসেবে বেশ সমাদৃত। বাংলাদেশে হালুয়া-রুটি কথাটি সুপ্রচলিত; রুটি এবং লুচি হালুয়া সহযোগে খাওয়ার রীতি প্রচলিত আছে।[১][২][৩]
ধরন
[সম্পাদনা]হালুয়া তার উপাদানভেদে বিভিন্নরকম হয়ে থাকে। বাংলাদেশে সুজির হালুয়া সবচেয়ে বেশি প্রচলিত।
ময়দার হালুয়া
[সম্পাদনা]এ ধরনের হালুয়া তেল দিয়ে ময়দা ভেজে তারপর চিনির সিরায় চুবিয়ে তৈরি করা হয়।
সুজি
[সম্পাদনা]আটার সুজি হতে তৈরি হয়। বিশেষ করে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ইরান এবং তৎসংলগ্ন দেশে এ ধরনের হালুয়া প্রস্তুত হয়। এছাড়া আলবেনিয়া, আজারবাইজান, বুলগেরিয়া, সাইপ্রাস, গ্রিস, মন্টিনিগ্রো এবং তুরস্কে ভিন্ন ধরনের সুজির হালুয়া দেখা যায়। সুজি, চিনি অথবা মধু এবং তেল দিয়ে তৈরি করা হয়। মাঝে মাঝে কিছমিছ, বাদাম, খেজুর ইত্যাদি মেশানো হয়।


গাজরের হালুয়া তৈরি হয় গাজর দিয়ে। গাজর কুঁচি করে কেঁটে, তার সাথে চিনি, ঘি মিশিয়ে তাকে রান্না করে বানানো হয় গাজরের হালুয়া। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানসহ অনেক দেশেই এর প্রচলন আছে। বিশেষ করে শবে বরাতের দিন গাজরের হালুয়া বেশ জনপ্রিয়।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Davidson, Alan (১৯৯৯)। The Oxford Companion to Food। Oxford: Oxford University press। পৃ. ৩৭৮। আইএসবিএন ০-১৯-২১১৫৭৯-০।
- ↑ Sharar, Abdul Halim (১৯৯৪)। Lucknow: the last phase of an oriental culture। Oxford University Press। পৃ. ১৬৫। আইএসবিএন ৯৭৮০১৯৫৬৩৩৭৫৭।
- ↑ Clark, Melissa (২৪ মার্চ ২০০৪)। "For Halvah, Use 1/2 Cup Nostalgia"। The New York Times। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২০।