ফরিদা আনোয়ার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
কাউন্সিলর
ফরিদা আনোয়ার
অক্সফোর্ড সিটি কাউন্সিলর
হেডিংটন হিল এন্ড নর্থওয়ে
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
৮ মে ২০১৪
পূর্বসূরীরয় ডার্কী
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম১৯৪৬ (বয়স ৭২–৭৩)
ফরিদপুর জেলা, পূর্ব বাংলা, পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ)
জাতীয়তাব্রিটিশ
রাজনৈতিক দললেবার পার্টি (যুক্তরাজ্য)
দাম্পত্য সঙ্গীসাইয়েদুল হক
সন্তান
পিতামাতামোহাম্মদ ইসরাইল হক (পিতা)
ছালেমা খাতুন (মাতা)
বাসস্থানহেডিংটন, অক্সফোর্ড, অক্সফোর্ডশায়ার, ইংল্যান্ড
জীবিকারাজনীতিবিদ

ফরিদা আনোয়ার (জন্ম ১৯৪৬)অক্সফোর্ড সিটি কাউন্সিলের হেডিংটন হিল ও নর্থওয়েতে ব্রিটিশ লেবার পার্টির একজন রাজনীতিবিদ এবং কাউন্সিলর। ২০১৪ সালে অক্সফোর্ডশায়ার শহরের প্রথম বাংলাদেশী কাউন্সিলর হন।

প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

ফরিদা জন্ম গ্রহণ করেন তৎকালীন পাকিস্তানের পূর্ব বাংলার (বর্তমানে বাংলাদেশ) ফরিদপুর জেলায়[১] তার মরহুম পিতা শাহ মোহাম্মদ ইসরাইল হক ছিলেন একজন সরকারী চাকুরীজীবি, যিনি ১৯৬৫ সালে যুক্তরাজ্যে বসতি স্থাপন করেন সেখানকার ব্রিটিশ সিভিল সার্ভিস-এ উচ্চতর পদে আসীন হন,[২] বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস-এ যুগ্ম সচিব পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন এবং সরাসরি শেখ মুজিবুর রহমান এর পরবারের সাথে সম্পর্কযুক্ত ছিলেন। তার মরহুম মাতা ছালিমা খাতুন। ফরিদার পাঁচ ভাই এবং এক বোন, জেষ্ঠ ভাই বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, অপর ভাই সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউ ইয়র্ক এর প্রভাষক, এবং বাকী তিন ভাই বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস এ কর্মরত।[১]

১৯৬৬ সালে ফরিদা যুক্তরাজ্যে আসেন ছাত্রী হিসাবে।[৩] তিনি শিক্ষকতার যোগ্যতা, উচ্চতর ব্যবস্থাপনা যোগ্যতা সহ রাজনীতি, অর্থনীতি এবং ইংরেজিতে বিএ (সম্মান) অর্জন করেন। [৪]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

ফরিদা ১৯ বছর ধরেস্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা বিভাগে সরকারী চাকুরীজীবি হিসেবে কাজ করেন।[৩][৪] ১৯৮৭ সালে তিনি লন্ডন বোরাফ অব কামডীন-এ সোস্যাল সার্ভিস দপ্তরের হোম কেয়ার বিভাগের টীম ম্যানেজার নিযুক্ত হন। ১৯৯১ সালে,[১] তিনি একই বিভাগে কমিশনার পদে পদোন্নতি লাভ করেন।[৪]

ব্রিটিশ সিভিল সার্ভিস ও স্থানীয় সরকার বিভাগে ৪০ বছর কাজ করার পর ফরিদা যুক্তরাজ্য লেবার পার্টিতে যোগ দেয়ার জন্য ২০০৭ সালে দ্রুত অবসর নিয়ে নেন।[১] ২০১৪ সালে অক্সফোর্ড সিটি কাউন্সিল নির্বাচনে ফরিদা হেডিংটন হিল এবং নর্থওয়ের প্রায় ৩০০ জন সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন এবং তিনিই অক্সফোর্ডশায়ার সিটিতে প্রথম বাংলাদেশী কাউন্সিলর হন।[৩] ফরিদা ইউনিসন এর একজন নির্বাচিত সদস্য, অ্যামসফোর্ডশায়ার কাউন্সিল ফর কমিউনিটি রিলেশনের একজন নির্বাচিত সদস্য, থেমস ভ্যালি পুলিশ কনসালটেন্ট কমিটির সদস্য,[৫] প্রাক্তন অক্সফোর্ডশায়ার কাউন্সিল ফর কমিউনিটি রিলেশনস[১] এর নির্বাহী কমিটির সদস্য। এবং অক্সফোর্ডশায়ার বাংলাদেশী অ্যাসোসিয়েশনের সম্মানসূচক সচিব।[৩] তিনি অক্সফোর্ডের সেন্ট মাইকেল সিই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গভর্নর অক্সফোর্ড এশিয়ান সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা, যেখানে তিনি কমিউনিটি ও প্রিস্কুল কমিটির সভাপতিত্ব করেন এবং লন্ডন মুরিফিল্ডস আই হসপিটাল রোগীদের এবং গভর্নিং বডি নির্বাচিত সদস্য নির্বাচিত হন।[১]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

ফরিদা একজন মুসলিম পন্থী, সায়েদুল হককে বিয়ে করেন এবং বর্তমানে তিন নাতি/নাতনীর দাদী।[৩] তার একমাত্র কন্যা, ফাহমিদা একজন অক্সফোর্ড গ্রাজুয়েট,যিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর গবেষনা কেন্দ্রে কাজ করছেন[১]

ফরিদা হেডিংটন হেডলি ওয়েতে থাকেন এবং প্রায় ৪০ বছর ধরে অক্সফোর্ডে বসবাস করছেন।[৩]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. করিম, মোহাম্মদ আব্দুল; করিম, শাহাদাত (নভেম্বর ২০১৫)। British Bangladeshi Who's Who (PDF)। British Bangla Media Group। পৃষ্ঠা 21। সংগ্রহের তারিখ ১ জুন ২০১৭ 
  2. "Bangladeshi Farida elected councilor in Oxford local govt polls"Bdchronicle। ২৬ মে ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১ জুন ২০১৭ 
  3. "So proud, says city's first Bangladeshi councillor"। Oxford: The Oxford Times। ২ জুন ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১ জুন ২০১৭ 
  4. "Councillor details – Councillor Farida Anwar"। Oxford City Council। সংগ্রহের তারিখ ১ জুন ২০১৭ 
  5. "Farida Anwar, Liberal Democrat – Marston – Local Elections 2010"Oxford Mail। ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ১ জুন ২০১৭ 

বাহ্যিক সংযোগ[সম্পাদনা]