হিন্দু দেবদেবী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
হিন্দু দেবতাদের উদাহরণ:(উপর থেকে) ব্রম্ভা, সরস্বতী, লক্ষী, বিষ্ণু, শিব, দুর্গা, হরিহর and অর্ধনারীশ্বর.

হিন্দু উপাস্যগণ বলতে হিন্দুধর্মের দেব-দেবীদেরকে বোঝানো যায়।বৈচিত্রপূ্র্ণ এই ধর্মে  উপাস্য বোঝাতে দেব,দেবী,ঈশ্বর,ভগবান,ভগবতী শব্দগুলি ব্যবহার করা যেতে পারে।[১][২]

হিন্দুদের দেব-দেবীগণ বৈদিক যুগ(খ্রীষ্টপূর্ব দ্বিতীয় শতক) ও মধ্যযুগে(খ্রীষ্টীয় প্রথম শতক) নেপাল ভারত ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বহু বিবর্তনের মধ্য দিয়ে বর্তমান অবস্থায় পৌঁছেছে। [৩][৪]হিন্দু দেবতা বলতে যোগশাস্ত্রের ইষ্টদেবতা[৫][৬],তেত্রিশ বৈদিক দেবতা[৭] বা শতাধিক পৌরাণিক দেবতাদের কথা বোঝানো যায়[৮] । এদের মধ্যে মুখ্য দেবতারা হলেন বিষ্ণু,শিব ,শ্রী বা লক্ষী,পার্বতী বা দুর্গা,ব্রম্ভা এবং সরস্বতী। প্রত্যেক দেবতার আলাদা আলাদা জটিল জটিল চরিত্রাবলী বিদ্যমান হলেও তাঁদেরকে অনেকসময়ই ব্রাম্ভণ নামে এক নিরাকার পরম সত্তার অংশবিশেষ বলে ধরা হয়।[৯] প্রাচীন কাল  থেকেই এই একত্বের ধারনা হিন্দুধর্মের অন্যতম এক বৈশিষ্ট্য,যা ধর্মশাস্ত্র এবং হরিহর[১০](শিববিষ্ণু), অর্ধনারীশ্বর(অর্ধেক শিব অর্ধেক পার্বতী) -এর মতো মূর্তিগুলির ক্ষেত্রে দেখা যায়।[১১]

মুখ্য দেবতার উপাসকরা হিন্দুধর্মের ভিন্ন শাখাগুলির জন্ম দিয়েছেন যেমন শৈবমত,বৈষ্ণবমতশাক্তমত। কিন্তু শাখাগুলির মধ্যে বহু মিলও আবার রয়েছে। 

হিন্দু দেবতাদেরকে বিভিন্ন প্রতীকের দ্বারা চেনানো যেতে  পারে,যেমন  ছবি  বা প্রতিমা। কিছু  হিন্দুদর্শন যেমন  চার্বাকরা আবার নাস্তিক্যবাদী মনোভাব পোষণ করেছেন এবং দেবতা বা ঈশ্বরের ধারণাকে অস্বীকার করেছেন।আর্য সমাজ বা ব্রাহ্ম সমাজের মতো  ঊনবিংশ শতাব্দীর ধর্মমতগুলি একাধিক দেবতার ধারণাকে বাতিল করে  অাব্রাহামীয় ধর্মগুলির মতই নিরাকার একেশ্বর-বিশ্বাসের পথে হেঁটেছেন। জৈনধর্ম বা বহির্ভারতীয় থাইল্যান্ড বা জাপানিজ বৌদ্ধবিশ্বাসে হিন্দু দেবতাদের  আপন করে নেওয়া হয়েছে। এখনও এঁদেরকে সেইসব ধর্মীয়  মন্দিরে বা শিল্পে দেখানো হয়। 

প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় শাস্ত্রে মানবশরীরকে এক মন্দির বলে বর্ণনা করা হয়েছে। বলা হয়েছে যে ভগবান মানবমন্দিরেই বসবাস করেন। একইরকমভাবে ব্রাম্ভণ বা পরমতম সত্তাকে আত্মা বলে বর্ণনা করা হয়েছে। হিন্দুরা বিশ্বাস করেন যে এই আত্মা শ্বাশ্বত ও প্রত্যেক প্রাণীশরীরে বাস করেন। হিন্দুধর্মের উপাস্যগণ বৈচিত্র্যময় কেননা হিন্দুধর্মাবলম্বীগণ বহুঈশ্বরবাদী,একেশ্বরবাদী নাস্তিক্যবাদী বা মানবতাবাদী হতে পারেন।


দেব-দেবীসমূহ[সম্পাদনা]

হিন্দুধর্মে দেবতা(পুংলিঙ্গ) ও দেবী(স্ত্রীলিঙ্গ) বলতে উপাস্য বোঝানো হয়।[১২][১৩][১৪] এই শব্দগুলির বূৎ্যপত্তিগত অর্থ হল পবিত্র স্বর্গীয় বা অসাধারণ যেকোনো কিছু।[১৫] ডগলাস হারপারের মতে দেব শব্দের বূৎ্যপত্তিগত অর্থ হল “উজ্জ্বল যিনি” যেটি এসছে দিব্য বা উজ্জ্বল  শব্দ থেকে। 

আদি বৈদিক ধারণায় সমস্ত অমানবীয়রাই অসুর।[১৬][১৭] বৈদিক যুগের শেষের দিকে ভালো অতিমানবীয় ব্যক্তিত্বদের দেবাসুর নামে অভিহিত করা হয়।বেদোত্তর যুগের শাস্ত্রে, যেমন পুরাণেইতিহাসে দেবতারা সাধু ও অসুররা দুর্বৃত্ত।[৩][৪] কিছু মধ্যযুগীয় ভারতীয় সাহিত্যে দেবতাদের  সুর বলেও বর্ণনা করা হয়েছে এবং তাদের মতই শক্তিশালী কিন্তু দুষ্ট অসুরদের কথা বলা হয়েছে। এই অসুররা দেবতাদের বৈমাত্রেয় ভ্রাতা[১৮]


বৈদিক যুগের দেবতাদের বৈশিষ্ট্য[সম্পাদনা]

Vedic era deities evolved over time. Rudra (left) is represented in Vedic literature, is shown as Shiva-Rudra 2nd-century sculpture (middle), and as Shiva (meaning kind) in 13th-century art work (right). The iconography evolved, retaining some symbolic elements such as trident, axe or antelope.[১৯][২০]

বৈদিক সাহিত্যে দেব-দেবীরা প্রাকৃতিক  শক্তির প্রতীক। কয়েকজন যেমন আদিত্যগণ,মিত্র নৈতিক গুণাবলীর সঙ্গে সম্পর্কীত। একেকজন একেকটি করে বিশেষ জ্ঞান বা অতীন্দ্রিয় শক্তি(সিদ্ধি)-র অধিকারী। [২১][২২]

ঋগ্বেদে সবচেয়ে বেশি উল্লেখিত দেবতারা হলেন ইন্দ্র,অগ্নি,এবং সোম। অগ্নিদেবকে সমগ্র মানবজাতির মিত্র বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সোমাগ্নি যজ্ঞকালে উপাসিত দেবতাদ্বয়।অন্যান্য দেবতারা হলেন সাবিত্রী,বিষ্ণু,রুদ্র(পরবর্তীকালে শিবের সাথে সমার্থক) এবং প্রজাপতি( পরবর্তীতে  ব্রহ্মা)।[২৩]

বৈদিক দেবীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। এঁদের মধ্যে ঊষা,পৃথিবী,অদিতি,সরস্বতী,বাক,রাত্রি, অরণ্যানী ইত্যাদি ঋগ্বেদে বর্ণিত।.[২৪] শ্রী বা লক্ষীও পরবর্তী বৈদিক সাহিত্যে আছেন।[২৫] বৈদিক যুগে সমস্ত দেব-দেবীরা পৃথক। কিন্তু পরবর্তী  শাস্ত্রে(অাঃ ৫০০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দ—২০০ খ্রীষ্টাব্দ),বিশেষ করে প্রথম দিকের মধ্যযুগীয় শাস্ত্রে তাঁরা এক নিরাকার পরম ব্রহ্মের বিভিন্ন রূপ ।[২৫][২৬]

মধ্যযুগের দেবতাদের বৈশিষ্ট্য[সম্পাদনা]

হিন্দুশাস্ত্রের পুরাণইতিহাসে দেবতারা নায়ক এবং অসুরেরা খলনায়ক হিসাবে বর্ণিত ।[৩][৪] শ্রীমদ্ভাগবতগীতার মতে জীবজগতের সকল প্রাণীর মধ্যেই সাত্ত্বিক প্রবৃত্তি ও আসুরিক প্রবৃত্তি বিদ্যমান।[৪][২৭] গীতার ষোড়শ পরিচ্ছেদে বলা হয়েছে যে সম্পূর্ণ সাত্ত্বিক ও সম্পূর্ণ তামসিক এই দুই চরিত্রই বিরল। অধিকাংশ মানুষই আসলে বহু গুণাদোষের সন্নিবেশ।.[৪] জিনি ফাউলারের মতে কামনা বাসনা লোভ আবেগকে গীতায় সাধারণ জীবনের অঙ্গ বলেই ধরা হয়েছে। কিন্তু যখন তারা কাম ক্রোধ  হিংসা মাৎসর্য ইত্যাদি ধ্বংসাত্মক প্রবৃত্তিতে বদলে যায় তখন সাধারণ মানবিক প্রবৃত্তিগুলির আসুরিকতায় উত্তরণ ঘটে।[৪][২৭] 

Indra is a Vedic era deity, found in south and southeast Asia. Above Indra is part of the seal of a Thailand state.

মহাকাব্য ও মধ্যযুগীয় পুরাণ গুলির একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য হল যে হিন্দু দেবতাদের সঙ্গে নানারকম উপাখ্যান সংযুক্ত করা । [২৮][২৯][৩০]

অনেক পুরাণ  মুখ্য দেবতাদের নামানুসারে নামাঙ্কিত যেমন বিষ্ণুপুরাণ,শিবপুরাণ ও দেবী-মাহাত্ম্য।[২৮] অন্যান্য  টীকাকারেরা যেমন আদি-শঙ্কর এই মত পোষণ করেন যে,হিন্দু দেবদেবীগণ একাধারে ব্রহ্মাণ্ড ও মানবমন্দির এ দুয়েই অবস্থান করেন।[৩১][৩২] তাঁদের মতে সূর্যদেব দৃষ্টিশক্তি,বায়ুদেব নাসিকা,প্রজাপতি যৌনাঙ্গে, লোকপালগণ কর্ণে ও চন্দ্রদেব মনে অবস্থান করেন। বরুণ নিশ্বাসে, মিত্র প্রশ্বাসে ,ইন্দ্রদেব বাহুদ্বয়ে ও বৃহস্পতি বাকে অবস্থান করেন। বিষ্ণু পদদ্বয়ে ও মায়া হাস্যে অবস্থান করেন।[৩২]

দেবতার সংখ্যা[সম্পাদনা]

ভারতের প্রথম প্রামাণ্য ভাষাবিদ যক্ষ() উল্লেখ করেছেন যে বেদে তিন দেবতা আছেন,যথা “মর্ত্যবাসী অগ্নি,শূণ্যবাসী বায়ু ও আকাশবাসী সূর্য)।[৩৩] এই ত্রিলোকের ধারণা এরপর বহু প্রাচীন শাস্ত্রেই আাসে। বেদের প্রাচীনতম অংশ সংহিতায় ৩৩ রকম দেবতার কথা বলা রয়েছে,[note ১] হয় ত্রিলোকের একাদশ দেবতা বা দ্বাদশ আদিত্য,একাদশ রুদ্র,অষ্টবসু এবং বেদের ব্রাহ্মণ অংশে অশ্বিনীকুমারদ্বয়[৭][১৫]


   ঋগ্বেদের ১/১৩৯/১১ নং সুক্ত অনুযায়ী
   ये देवासो दिव्येकादश स्थ पृथिव्यामध्येकादश स्थ ।
  अप्सुक्षितो महिनैकादश स्थ ते देवासो यज्ञमिमं जुषध्वम् ॥११॥[111]

O ye eleven gods whose home is heaven, O ye eleven who make earth your dwelling, Ye who with might, eleven, live in waters, accept this sacrifice, O gods, with pleasure. – Translated by Ralph T. H. Griffith[৩৭]

Gods who are eleven in heaven; who are eleven on earth; and who are eleven dwelling with glory in mid-air; may ye be pleased with this our sacrifice. – Translated by HH Wilson[৩৮]


বহু দেবতার একত্ব সম্পর্কে ধারণা[সম্পাদনা]

যজুর্বেদে তেত্রিশ জন দেবতার কথা বলা রয়েছে।[৩৯] তবে হিন্দুধর্মে কোনও নির্দিষ্ট-সংখ্যক দেবতার ধারণা নেই,বরং একই দেবতার একাধিক রূপ প্রচলিত।[৪০] [৪১] তবে সাধারণভাবে তেত্রিশ কোটি দেবতার একটা ধারণা বেশ জনপ্রিয়। ফাওলস্টোন ও এ্যাবট দেখিয়েছেন যে এঁদের মধ্যে অধিকাংশ দেবী।[৪০] তেত্রিশ কোটি দেবতার কোনও তালিকা অনুপস্থিত তবে সকল দেবতাকেই এক নিরাকার পরম ব্রহ্মের ভিন্ন ভিন্ন স্বরুপ হিসাবে দেখা হয়।[৪০][৪১][৪২]


ব্রহ্মের ধারণা আব্রাহামীয় গড এর সঙ্গে সম্পূর্ণ এক নয়। ব্রড বলেন যে আব্রাহামীয় ধর্মে গড “স্রষ্টা ও মানব অস্তিত্বের থেকে পৃথক”। কিন্তু হিন্দুমতে ঈশ্বর,ব্রহ্মাণ্ড,মানুষ ও অন্যান্য জীবজগৎ আসলে একই সূত্রে গ্রথিত । ইশ্বর আত্মারূপে সকলের মধ্যেই অবস্থান করেন। এই আত্মা শাশ্বত ও পরম সত্তা।[৪২][৪৩]

উদাহরণ[সম্পাদনা]

হিন্দুধর্মের মুখ্য দেবতাদের নিয়ে পুরাণ অগমের মতো বহু সাহিত্য রচিত হয়েছে।[৪৪][৪৫] বিষ্ণু এবং তাঁর অবতারেরা বৈষ্ণব-সাহিত্যের মূল বিষয়। ঠিক তেমনই শৈব- সাহিত্যে মহাদেব এবং শাক্তদের ক্ষেত্রে দেবী মুখ্য। স্মার্তদের মতো কেউ কেউ পরম ব্রহ্মের  বিভিন্ন  অংশ হিসাবে মুখ্য দেবতাদের উপাসনা করেছেন।[৪১][৪৬][৪৭] 

লরেন্স বলেছেন যে এই ধর্মশাখাগুলি শুধুমাত্র তাদের দেবতাকেই একমাত্র পরম সত্য বলে প্রচার করেনি।[৪১] জুলিয়াস লিপনার দেখিয়েছেন যে এই বহুবাদিতা,যেখানে অন্য শাখার মুখ্য দেবতাকেও যথেষ্ট সম্মান জানানো হয়,হিন্দুধর্মের এক প্রধান বৈশিষ্ট্য।.[৪৪][৪৮] 

ত্রিমূর্তি ও ত্রিদেবী[সম্পাদনা]

Brahma, Vishnu and Shiva with their consorts.

ত্রিনাথের ধারণা হিন্দু সাহিত্যে বেশ কিছুটা পরের দিকেই এসছে। আনুমানিক  প্রথম খ্রীষ্টপূর্বাব্দ শতকে এর আত্মপ্রকাশ।[৪৯] ত্রিনাথের ধারণা এই যে ব্রহ্মা বিষ্ণু ও মহেশ্বর এই তিন দেবতা সৃষ্টির তিন কর্মে নিয়োজিত থাকেন। ব্রহ্মা জগৎ সৃষ্টি করেন,বিষ্ণু তা পালন করেন ও মহেশ্বর সৃষ্টির বিনাশ সাধন করেন। তবে এই তিন জন হিন্দু  সাহিত্যের একমাত্র ত্রিনাথ নন।[৫০] ত্রিদেবী হিসাবে লক্ষ্মী সরস্বতীদুর্গারও উল্লেখ আছে দেবী-মাহাত্ম্য গ্রন্থে। শাক্তরা কেউ কেউ আবার এও বিশ্বাস করে থাকেন যে দেবীই হলেন পরম ব্রহ্ম এবং তাঁরই শক্তি ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর-কে পরিচালিত করে। [৪৯]প্রাচীন শাস্ত্রে উল্লেখিত অন্য ত্রিনাথরা হলেন সূর্য(স্রষ্টা),বায়ু(পালক) ও অগ্নি(প্রলয়কারী) ; প্রাণ (স্রষ্টা),খাদ্য(পালক) ও  কাল(প্রলয়কারী)।[৪৯]   জেন গোণ্ডা দেখান যে বিভিন্ন সময়ে তিন দেবতাদেরকে ত্রিস্তর না বানিয়েই একত্রিত করা হয়েছে,আবার কখনও তাদেরকে এক সচ্চিদান্দ পরম ব্রহ্মেরই অংশবিশেষ বলে বর্ণনা করা হয়েছে।[৪৯]পুরাণে ধারণাটি এভাবে বর্ণিত হয়েছে

আধুনিক ত্রিদেবের ধারণা মৈত্রেনীয় উপনিষদে প্রথম বর্ণিত হয়। এই ধারণাই বর্তমান কাল পর্যন্ত চলে আসছে। এই ত্রিদেবকে তিন গুণের দ্বারা বর্ণনা করা হয়ে থাকে।প্রকৃতি ও জীব প্রত্যেকেই সত্ত্ব,রজ ও তম এই তিন গুণের সমাহারে গঠিত। এই ত্রিগুণের সঠিক অনুপাতই ব্যক্তি ও পৃথিবীকে সচল রাখে।[৫০][৫১]মধ্যযুগীয় পুরাণে আচার থেকে আধ্যাত্মিক বিভিন্ন ব্যাপারেই ত্রিমূর্তির উল্লেখ আছে।তবে বেলির মতে পৌরাণিক  কাহিনী হিন্দু ঐতিহ্যে প্রধান নয়,বরং তার আধ্যাত্মিক বার্তাটিই বড় কথা।[৫০]

হিন্দু দেবতাদের অবতার[সম্পাদনা]

The ten avatars of Vishnu, (Clockwise, from top left) Matsya, Kurma, Varaha, Vamana, Krishna, Kalki, Buddha, Parshurama, Rama and Narasimha, (in centre) Radha and Krishna. Painting currently in Victoria and Albert Museum.

হিন্দু দেবতাদের অবতারের ধারণাটি বহু প্রাচীন।দেবতারা যখন মানবজন্ম ধারণ করে পৃথিবীতে আবির্ভূত হন,তখন তাদের অবতার বলা হয়।[৫২][৫৩]অবতারের অর্থ দেবতাদের মানবরূপে পৃথিবীতে প্রকট হওয়া।[৫৪][৫৫]

অবতারের ধারণাটি বৈষ্ণবধর্মে সবচেয়ে পরিপুষ্ট ।[৫৬][৫৭] পুরাণে বিষ্ণুর বহু অবতারের কথা বলা আঠে। সমুদ্রমন্থনের সময় তিনি মোহিনী রূপ ধারণ করে দেবাসুরের বিবাদ মেটান। বিষ্ণুর দশাবতাররা হলেন মৎস্য,কূর্ম,বরাহ,নৃসিংহ,বামন,পরশুরাম,রাম,কৃষ্ণ,বুদ্ধকল্কি[৫৭] ভগবতগীতায় বলা আছে যে যখনই ভারতভূমিতে অধর্মের অভুত্থান ঘটবে,তখন সাধুদিগের পরিত্রাণ ও অধর্মাচারীর বিনাশের উদ্দেশ্যে ভগবান বিষ্ণু স্বয়ং দেহধারণ করে পৃথিবীতে আবির্ভূত হবেন।[৫৩]

শাক্তধারাতেও দেবীর বিভিন্ন রূপে প্রকাশ হবার কথা বলা আছে।[৫৮] দেবী মহামায়ার বিভিন্ন রূপ হল দু্র্গা কালীজগদ্ধাত্রী। এদেঁরকে পূ্র্ব ভারতে বেশি করে পূজা করা হয়। তন্ত্রধর্মে এঁদের বিশেষ স্থান রয়েছে।[৫৯][৬০][৬১] শৈবসাহিত্যে শিবের একবিংশ অবতারের কথা বলা থাকলেও শৈবধারা অবতারদের চেয়ে স্বয়ং শিবকেই বেশি প্রাধান্য দেয়।[৫২]

প্রধান প্রাদেশিক ও সর্বভারতীয় হিন্দু দেবতারা[সম্পাদনা]

নাম
যে দেবতার অবতার বা রূপ
এলাকা মূর্তি বা ছবি প্রাচীনতম শিল্পমুদ্রণ
বিষ্ণু রাম, কৃষ্ণ,
নারায়ন, বিঠভা, জগন্নাথদেব
বরাহ
Naraenten (那羅延天, জাপান)
সর্বভারতীয়,নেপাল Bhagavan Vishnu.jpg KINGS of BAKTRIA. Agathokles. Circa 185-170 BC. AR Drachm (3.22 gm, 12h). Bilingual series. BASILEWS AGAQOKLEOUS with Indian god Balarama-Samkarshana.jpg
2nd-century BCE
শিব মহাদেব, পশুপতি,
ত্রিপুরান্তক,
দক্ষিণমূর্তি, অচলনাথ
Fudō Myōō (জাপান)[৬২][৬৩]
সর্বভারতীয়,নেপাল Shiva Kanachur MP.JPG Shiva temple with trident standard Audumbara State Punjab 1st century BCE.jpg
1st-century BCE[৬৪]
ব্রহ্মা Bonten (Japan)[৬৫]
Phra Phrom (থাইল্যান্ড)
সর্বভারতীয়, নেপাল Thai - Seated Brahma - Walters 542555.jpg Shiva Linga Delhi National Museum 01-13.jpg
6th-century CE
গণেশ গণপতি, বিনায়ক
(শিব পার্বতীর সন্তান)
Kangiten (জাপান)
সর্বভারতীয়, নেপাল Balinese Hindu Puja Offerings, Ubud Bali Indonesia 2010.jpg Ganesha, Lord of Obstacles LACMA M.84.67.jpg
7th-century CE
কার্তিকেয় স্কন্দ , মুরুগান
(শিব পার্বতীর সন্তান)
সর্বভারতীয় Balaskandha.jpg Skanda, from Kannuaj.jpg
8th-century CE
পার্বতী উমা, দেবী,গৌরী,
দুর্গা,কালী
Umahi (烏摩妃, জাপান)
দেবী শ্রী (ইন্দোনেশিয়া)[৬৬]
সর্বভারতীয়,নেপাল Lalita statue.jpg Calcutta ei05-72.jpg
5th-century CE
লক্ষ্মী শ্রী,সীতা,রাধা
Kisshōten (জাপান)
Nang Kwak (থাইল্যান্ড)[৬৭]
সর্বভারতীয়, নেপাল Gajalakshmi.jpeg Coin of Azilises showing Gaja Lakshmi standing on a lotus 1st century BCE.jpg
1st-century BCE
সরস্বতী Benzaiten (Japan),
Biàncáitiān (চীন),
Thurathadi (মায়ানমার),
Suratsawadi (থাইল্যান্ড)[৬৮]
সর্বভারতীয়,নেপাল, জাভা, বালী A Saraswati Statue in park.jpg Saraswati Close up from Vishni, Lakshmi and Sarasvati carvings 11th century carvings from Pala period from Bengal, India. Basalt stone. National Gallery of Victoria - Asian art.jpg
11th-century CE
দুর্গা পার্বতী, কালী
বেতারি দুর্গা (ইন্দোনেশিয়া)[৬৯]
সর্বভারতীয়, নেপাল Durga at Rewalsar Lake. 2010.jpg Aihole si05-1471.jpg
8th-century CE
কালী দুর্গা, পার্বতী সর্বভারতীয়, নেপাল Kaliposter1940s.jpg Goddess Kali.jpg
12th-century CE
মারীয়াম্মান দুর্গা, পার্বতী দক্ষিণ ভারত,
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
Mariamman.jpg
হরিহর অর্ধেক বিষ্ণু অর্ধেক শিব সর্বভারতীয় Indian god-sivakesava.JPG Harihara. Cave3Badami.jpg
6th-century CE
অর্ধনারীশ্বর অর্ধেক শিব অর্ধেক পার্বতী সর্বভারতীয়, নেপাল God marriage AS.jpg Kushana Ardhanareswar.jpg
1st-century CE

পরিশিষ্ট[সম্পাদনা]

টীকা[সম্পাদনা]

  1. Radhakrishnan and Moore (1967, Reprinted 1989), A Source Book in Indian Philosophy, Princeton University Press, ISBN 978-0691019581, pages 37-39, 401-403, 498-503
  2. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; mirceaelaide73 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  3. Nicholas Gier (2000), Spiritual Titanism: Indian, Chinese, and Western Perspectives, State University of New York Press, ISBN 978-0791445280, pages 59-76
  4. Jeaneane D Fowler (2012), The Bhagavad Gita, Sussex Academic Press, ISBN 978-1845193461, pages 253-262
  5. Renou 1964, পৃ. 55
  6. Mike Burley (2012), Classical Samkhya and Yoga - An Indian Metaphysics of Experience, Routledge, ISBN 978-0415648875, page 39-41;
    Lloyd Pflueger, Person Purity and Power in Yogasutra, in Theory and Practice of Yoga (Editor: Knut Jacobsen), Motilal Banarsidass, ISBN 978-8120832329, pages 38-39;
    Kovoor T. Behanan (2002), Yoga: Its Scientific Basis, Dover, ISBN 978-0486417929, pages 56-58
  7. George Williams (2008), A Handbook of Hindu Mythology, Oxford University Press, ISBN 978-0195332612, pages 90, 112
  8. Sanjukta Gupta (2013), Lakṣmī Tantra: A Pāñcarātra Text, Motilal Banarsidass, ISBN 978-8120817357, page 166
  9. Knut Jacobsen (2008), Theory and Practice of Yoga : 'Essays in Honour of Gerald James Larson, Motilal Banarsidass, ISBN 978-8120832329, pages 77-78
  10. David Leeming (2001), A Dictionary of Asian Mythology, Oxford University Press, ISBN 978-0195120530, page 67
  11. Ellen Goldberg (2002), The Lord who is half woman: Ardhanārīśvara in Indian and feminist perspective, State University of New York Press, ISBN 0-791453251, pages 1-4
  12. Monier Monier-Williams, A Sanskrit-English Dictionary" Etymologically and Philologically Arranged to cognate Indo-European Languages, Motilal Banarsidass, page 496
  13. John Stratton Hawley and Donna Marie Wulff (1998), Devi: Goddesses of India, Motilal Banarsidass, ISBN 978-8120814912, page 2
  14. William K Mahony (1997), The Artful Universe: An Introduction to the Vedic Religious Imagination, State University of New York Press, ISBN 978-0791435809, page 18
  15. Monier Monier-Williams, A Sanskrit-English Dictionary" Etymologically and Philologically Arranged to cognate Indo-European Languages, Motilal Banarsidass, page 492
  16. Wash Edward Hale (1999), Ásura in Early Vedic Religion, Motilal Barnarsidass, ISBN 978-8120800618, pages 5-11, 22, 99-102
  17. Monier Monier-Williams, A Sanskrit-English Dictionary" Etymologically and Philologically Arranged to cognate Indo-European Languages, Motilal Banarsidass, page 121
  18. Encyclopaedia Britannica
  19. Stella Kramrisch (1994), The Presence of Siva, Princeton University Press, ISBN 978-0691019307, pages 338-339
  20. M Chakravarti (1995), The concept of Rudra-Śiva through the ages, Motilal Banarsidass, ISBN 978-8120800533, pages 59-65
  21. George Williams (2008), A Handbook of Hindu Mythology, Oxford University Press, ISBN 978-0195332612, pages 24-33
  22. Bina Gupta (2011), An Introduction to Indian Philosophy, Routledge, ISBN 978-0415800037, pages 21-25
  23. Hajime Nakamura (1998), A Comparative History of Ideas, Motilal Banarsidass, ISBN 978-8120810044, pages 26-33
  24. David Kinsley (2005), Hindu Goddesses: Vision of the Divine Feminine in the Hindu Religious Traditions, University of California Press, ISBN 978-8120803947, pages 6-17, 55-64
  25. David Kinsley (2005), Hindu Goddesses: Vision of the Divine Feminine in the Hindu Religious Traditions, University of California Press, ISBN 978-8120803947, pages 18, 19
  26. Christopher John Fuller (2004), The Camphor Flame: Popular Hinduism and Society in India, Princeton University Press, ISBN 978-0691120485, page 41
  27. Christopher K Chapple (2010), The Bhagavad Gita: Twenty-fifth–Anniversary Edition, State University of New York Press, ISBN 978-1438428420, pages 610-629
  28. Ludo Rocher (1986), The Puranas, Otto Harrassowitz Verlag, ISBN 978-3447025225, pages 1-5, 12-21
  29. Greg Bailey (2001), Encyclopedia of Asian Philosophy (Editor: Oliver Leaman), Routledge, ISBN 978-0415172813, pages 437-439
  30. Gregory Bailey (2003), The Study of Hinduism (Editor: Arvind Sharma), The University of South Carolina Press, ISBN 978-1570034497, page 139
  31. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; holmbowker76 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  32. Alain Daniélou (1991), The Myths and Gods of India, Princeton/Bollingen Paperbacks, ISBN 978-0892813544, pages 57-60
  33. WJ Wilkins (2003), Hindu Gods and Goddesses, Dover, ISBN 978-0486431567, pages 9-10
  34. Hermann Oldenberg (1988), The Religion of the Veda, Motilal Banarsidass, ISBN 978-8120803923, pages 23-50
  35. AA MacDonell, গুগল বইয়ে Vedic mythology, পৃ. PA19,, Oxford University Press, pages 19-21
  36. Francis X Clooney (2010), Divine Mother, Blessed Mother, Oxford University Press, ISBN 978-0199738731, page 242
  37. The Rig Veda/Mandala 1/Hymn 139 Verse 11, Ralph T. H. Griffith, Wikisource
  38. The Rig Veda Samhita Verse 11, HH Wilson (Translator), Royal Asiatic Society, WH Allen & Co, London
  39. See White Yajurveda verses 20.11 and 20.36, for example: Ralph Griffith, The texts of the white Yajurveda EJ Lazarus, pages 187, also 190, 132-135, 241
  40. Lynn Foulston, Stuart Abbott (২০০৯)। Hindu goddesses: beliefs and practices। Sussex Academic Press। পৃ: 1–3, 40–41। আইএসবিএন 9781902210438 
  41. David Lawrence (2012), The Routledge Companion to Theism (Editors: Charles Taliaferro, Victoria S. Harrison and Stewart Goetz), Routledge, ISBN 978-0415881647, pages 78-79
  42. Jeffrey Brodd (2003), World Religions: A Voyage of Discovery, Saint Mary's Press, ISBN 978-0884897255, page 43
  43. Christopher John Fuller (2004), The Camphor Flame: Popular Hinduism and Society in India, Princeton University Press, ISBN 978-0691120485, pages 30-31, Quote: "Crucial in Hindu polytheism is the relationship between the deities and humanity. Unlike Jewish, Christian and Islamic monotheism, predicated on the otherness of God and either his total separation from man and his singular incarnation, Hinduism postulates no absolute distinction between deities and human beings. The idea that all deities are truly one is, moreover, easily extended to proclaim that all human beings are in reality also forms of one supreme deity - Brahman, the Absolute of philosophical Hinduism. In practice, this abstract monist doctrine rarely belongs to an ordinary Hindu's statements, but examples of permeability between the divine and human can be easily found in popular Hinduism in many unremarkable contexts".
  44. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; juliuslipner371 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  45. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; frazierintrop2 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  46. Guy Beck (2005), Alternative Krishnas: Regional and Vernacular Variations on a Hindu Deity, SUNY Press, ISBN 978-0791464151, pages 1-2
  47. Editors of Hinduism Today, Editors of Hinduism Today। "What is Hinduism?"Himalayan Academy Publications। সংগৃহীত ১৬ অক্টোবর ২০১১ 
  48. Andrew J Nicholson (2013), Unifying Hinduism: Philosophy and Identity in Indian Intellectual History, Columbia University Press, ISBN 978-0231149877, pages 167-168
  49. Jan Gonda (1969), The Hindu Trinity, Anthropos, 63/64, 1/2, pages 212-226
  50. GM Bailey (1979), Trifunctional Elements in the Mythology of the Hindu Trimūrti, Numen, Vol. 26, Fasc. 2, pages 152-163
  51. James G. Lochtefeld, Guna, in The Illustrated Encyclopedia of Hinduism: A-M, Vol. 1, Rosen Publishing, ISBN 9780823931798, page 265
  52. James Lochtefeld (2002), The Illustrated Encyclopedia of Hinduism: A-M, The Rosen Publishing Group, ISBN 978-0-8239-3180-4, pages 72-73
  53. Sheth, Noel (Jan ২০০২)। "Hindu Avatāra and Christian Incarnation: A Comparison"। Philosophy East and West (University of Hawai'i Press) 52 (1 (Jan. 2002)): 98–125। জেএসটিওআর 1400135ডিওআই:10.1353/pew.2002.0005 
  54. Matchett, Freda (২০০১)। Krishna, Lord or Avatara?: the relationship between Krishna and Vishnu। 9780700712816। পৃ: ৪। আইএসবিএন 978-0-7007-1281-6 
  55. Christopher Hugh Partridge, Introduction to World Religions, pg. 148
  56. Kinsley, David (২০০৫)। Lindsay Jones, সম্পাদক। Gale's Encyclopedia of Religion 2 (Second সংস্করণ)। Thomson Gale। পৃ: 707–708। আইএসবিএন 0-02-865735-7 
  57. Bryant, Edwin Francis (২০০৭)। Krishna: A Sourcebook। Oxford University Press। পৃ: ১৮। আইএসবিএন 978-0-19-514891-6 
  58. Hawley, John Stratton; Vasudha Narayanan (২০০৬)। The life of Hinduism। University of California Press। পৃ: ১৭৪। আইএসবিএন 978-0-520-24914-1 
  59. David Kinsley (1988), Hindu Goddesses: Vision of the Divine Feminine in the Hindu Religious Traditions, University of California Press, ISBN 0-520063392, pages 45-48, 96-97
  60. Sally Kempton (2013), Awakening Shakti: The Transformative Power of the Goddesses of Yoga, ISBN 978-1604078916, pages 165-167
  61. Eva Rudy Jansen, The Book of Hindu Imagery: Gods, Manifestations and Their Meaning, Holland: Binkey Kok, ISBN 978-9074597074, pages 133-134, 41
  62. Miyeko Murase (1975), Japanese Art: Selections from the Mary and Jackson Burke Collection, The Metropolitan Museum of Art (New York), ISBN 978-0870991363, page 31
  63. Jiro Takei and Marc P Keane (2001), SAKUTEIKI, Tuttle, ISBN 978-0804832946, page 101
  64. M Chakravarti (1995), The concept of Rudra-Śiva through the ages, Motilal Banarsidass, ISBN 978-8120800533, pages 148-149
  65. Robert Paine and Alexander Soper (1992), The Art and Architecture of Japan, Yale University Press, ISBN 978-0300053333, page 60
  66. Joe Cribb (1999), Magic Coins of Java, Bali and the Malay Peninsula, British Museum Press, ISBN 978-0714108810, page 77
  67. Jonathan Lee, Fumitaka Matsuoka et al (2015), Asian American Religious Cultures, ABC, ISBN 978-1598843309, page 892
  68. Kinsley, David (1988), Hindu Goddesses: Vision of the Divine Feminine in the Hindu Religious Traditions, University of California Press, ISBN 0-520-06339-2, pages 94-97
  69. Francine Brinkgreve (1997), Offerings to Durga and Pretiwi in Bali, Asian Folklore Studies Vol. 56, No. 2, pages 227-251

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

আরোও পড়ুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]


উদ্ধৃতি ত্রুটি: "note" নামক গ্রুপের জন্য <ref> ট্যাগ রয়েছে, কিন্তু এর জন্য কোন সঙ্গতিপূর্ণ <references group="note"/> ট্যাগ পাওয়া যায়নি, বা বন্ধকরণ </ref> দেয়া হয়নি