হিন্দু দর্শন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

হিন্দু দর্শন বলতে বোঝায় প্রাচীন ভারতে উদ্ভূত একগুচ্ছ দর্শনের একটি সমষ্টি। মূল ধারার হিন্দু দর্শনের মধ্যে ছয়টি দার্শনিক শাখা (ষড়দর্শন) বিদ্যমান। এগুলি হল: সাংখ্য, যোগ, ন্যায়, বৈশেষিক, মীমাংসাবেদান্ত[১] ষড়দর্শনকে আস্তিক দর্শনও বলা হয়। এই দর্শনগুলিতে বেদকে জ্ঞানের প্রামাণ্য ও গুরুত্বপূর্ণ উৎস রূপে স্বীকার করা হয়।[২][note ১] প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় ভারতে আরও কয়েকটি দার্শনিক শাখার উদ্ভব ঘটেছিল যেগুলি বেদকে অস্বীকার করে কিছুটা একই ধরনের দার্শনিক ধারণা প্রচার করেছিল। এগুলিকে নাস্তিক দর্শন বলা হয়।[১][২] ভারতীয় নাস্তিক দর্শনগুলি হল: বৌদ্ধধর্ম, জৈনধর্ম, চার্বাক, আজীবক ও অন্যান্য।[৪]

আস্তিক দর্শনের বিভিন্ন শাখাগুলির মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক এবং আস্তিক ও নাস্তিক শাখাগুলির মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক ও পার্থক্য নিয়ে গবেষকদের মধ্যে মতভেদ আছে। ১৮শ ও ১৯শ শতাব্দীর ভারততত্ত্ববিদপ্রাচ্যবিদদের রচনা থেকে এই মতভেদের সূচনা। মনে রাখতে হবে, এঁদের রচনার উৎস সেই যুগে প্রাপ্ত অল্প কিছু ভারতীয় সাহিত্য গ্রন্থ ও মধ্যযুগীয় ধর্মগ্রন্থ।[১] হিন্দু দর্শনের বিভিন্ন পরস্পর-সম্পর্কযুক্ত ধারাগুলি বৈচিত্র্যপূর্ণ। ইতিহাস, ধারণা, একই মূল ধর্মগ্রন্থ, একই তত্ত্ববিদ্যা ও মুক্তিতত্ত্ব ও বিশ্বতত্ত্বের মাধ্যমে এগুলি পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।[৫][৬] বৌদ্ধ ও জৈনধর্মকে পৃথক দর্শন ও ধর্ম হিসেবে গণ্য করা হয়। তবে চার্বাক ইত্যাদি কয়েকটি নাস্তিক শাখাকে হিন্দু দর্শনের অন্তর্গত মনে করা হয়।[৭][৮][৯]

ষড়দর্শনের একটি বা দুটি শাখার সঙ্গে সম্পর্ক-যুক্ত কয়েকটি আস্তিক্যবাদী উপশাখাও হিন্দু দর্শনের অন্তর্গত। এগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য ন্যায়ের বাস্তববাদ, বৈশেষিকের প্রকৃতিবাদ, সাংখ্যের দ্বৈতবাদ, অদ্বৈত বেদান্তের অদ্বৈতবাদ ও মোক্ষলাভের জন্য আত্মজ্ঞানের প্রয়োজনীয়তার ধারণা, যোগের আত্ম-নিয়ন্ত্রণ এবং কৃচ্ছ্রসাধন ও আস্তিক্যবাদী ধারণার বিভিন্ন উপাদান উল্লেখযোগ্য।[১০][১১][১২] এই ধরনের দর্শনগুলির থেকে পাশুপত শৈবধর্ম, শৈবসিদ্ধান্ত, প্রত্যভিজ্ঞবৈষ্ণবধর্মের উৎপত্তি।[১০][১১] কোনো কোনো উপশাখায় কয়েকটি বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অনুরূপ তান্ত্রিক ধারণার অবতারণা করা হয়েছে।[১৩] এই সব উপশাখাগুলি পুরাণআগমে পাওয়া যায়।[১৪][১৫][১৬]

হিন্দু দর্শনের প্রত্যেকটি শাখার বিস্তারিত জ্ঞানতত্ত্বীয় সাহিত্য পাওয়া যায়। এগুলিকে ‘প্রমাণ বলা হয়।[১৭][১৮] এছাড়া প্রত্যেকটি শাখার অধিবিদ্যা, মূল্যবিদ্যা ও অন্যান্য বিষয়ের উপর তাত্ত্বিক গ্রন্থও পাওয়া যায়।[১৯]

শ্রেণীবিন্যাস[সম্পাদনা]

মধ্যযুগ থেকে ব্রাহ্মণেরা ভারতীয় দর্শনকে আস্তিক ও নাস্তিক – এই দুই ভাগে বিভক্ত করে এসেছে।[২০] হিন্দুধর্মের ইতিহাস অধ্যয়ন করলে দেখা যায়, হিন্দু দর্শনের ছয়টি প্রধান শাখা (ষড়দর্শন) খ্রিস্টের জন্মের সমসাময়িক কাল থেকে গুপ্ত সাম্রাজ্য বা খ্রিস্টীয় চতুর্থ শতাব্দীর মধ্যে বিদ্যমান ছিল।[২১] এই দার্শনিক শাখাগুলির মধ্যে বৈচিত্র্য ও প্রত্যেকটি প্রধান শাখার মধ্যে মতবাদের বিবর্তনের পরিপ্রেক্ষিতে কোনো কোনো গবেষক অবশ্য প্রশ্ন তুলেছেন যে, হিন্দু দর্শনকে আস্তিক ও নাস্তিক – এই দুই ভাগে ভাগ করার প্রবণতাটি যথেষ্ট বা যথাযথ কিনা তা নিয়ে। অন্যদিকে এমন কিছু দার্শনিক উপশাখাও ছিল, যেগুলির মধ্যে আস্তিক ও নাস্তিক উভয় মতবাদের বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান ছিল।[২২]

আস্তিক[সম্পাদনা]

ছয়টি আস্তিক দর্শনের অস্তিত্ব আছে।[note ২] এগুলির প্রত্যেকটিকে ‘দর্শন’ বলা হয়। প্রত্যেকটি দর্শনেই বেদের প্রামাণ্যতা ও ‘আত্মা’র অস্তিত্ব স্বীকার করা হয়।[২][২৩] আস্তিক দর্শনগুলি হল:

  1. সাংখ্য: নিরীশ্বরবাদী দর্শন। এই দর্শনে পুরুষপ্রকৃতির দ্বৈতবাদী তাত্ত্বিক ব্যাখ্যার উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়।
  2. যোগ: এই দর্শনে ধ্যান, সমাধিকৈবল্যের উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।
  3. ন্যায় বা নীতিশাস্ত্র: এই দর্শনে ‘প্রমাণ’ বা জ্ঞানের উৎসের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করা হয়। ন্যায়সূত্র এই দর্শনের একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ।
  4. বৈশেষিক: পরমাণুবাদের একটি অভিজ্ঞতাবাদী শাখা।
  5. মীমাংসা: অর্থোপ্র্যাক্সির একটি কৃচ্ছ্রসাধন-বিরোধী ও মরমিয়াবাদ-বিরোধী শাখা।
  6. বেদান্ত: বেদের সর্বশেষ জ্ঞানভাগ বা ‘জ্ঞানকাণ্ড’। মধ্যযুগের পরবর্তী পর্যায়ে হিন্দুধর্মে বেদান্ত দর্শন প্রাধান্য বিস্তার করে।

নাস্তিক[সম্পাদনা]

দর্শনের যে সকল শাখা বেদের প্রামাণ্যতা স্বীকার করে না, সেগুলিকে নাস্তিক দর্শন বলা হয়। নাস্তিক দর্শনগুলির মধ্যে চারটি শাখা প্রধান:[৪]

  1. চার্বাক: একটি বস্তুবাদী শাখা যেটি স্বাধীন ইচ্ছাশক্তির অস্তিত্বে বিশ্বাস করে।[২৪][২৫]
  2. আজীবক: একটি বস্তুবাদী শাখা যেটি স্বাধীন ইচ্ছাশক্তির অস্তিত্ব অস্বীকার করে।[২৬][২৭]
  3. বৌদ্ধধর্ম: এই দর্শন আত্মার অস্তিত্ব অস্বীকার করে।[২৮] বৌদ্ধ দর্শনের ভিত্তি গৌতম বুদ্ধের উপদেশ ও বোধিলাভ।
  4. জৈনধর্ম: এই দর্শন আত্মার অস্তিত্ব স্বীকার করে। এই দর্শনের ভিত্তি তীর্থঙ্কর নামে পরিচিত চব্বিশজন ধর্মগুরুর উপদেশ ও বোধিলাভ। এই তীর্থঙ্করদের প্রথম হলেন ঋষভ এবং সর্বশেষ হলেন মহাবীর[২৯]

অন্যান্য শাখা[সম্পাদনা]

প্রধান আস্তিক্য ও নাস্তিক্যবাদী শাখাগুলির পাশাপাশি কিছু কিছু উপশাখাও রয়েছে যেগুলি বিভিন্ন মতবাদকে যুক্ত করে নিজস্ব দর্শন খাড়া করেছে। মধ্যযুগীয় পণ্ডিত মধ্ব জৈনধর্ম ও বৌদ্ধধর্মের সঙ্গে এই জাতীয় নিম্নোক্ত উপশাখাগুলিকে হিন্দু দর্শনের উপশাখা বলে বর্ণনা করেছেন: [৩০][৩১]

উপরিউক্ত উপশাখাগুলি ন্যায়ের বাস্তববাদ, বৈশেষিকের প্রকৃতিবাদ, অদ্বৈত বেদান্তের অদ্বৈতবাদ ও মোক্ষলাভের জন্য আত্মজ্ঞানের প্রয়োজনীয়তা, যোগের আত্ম-সংযম এবং ঈশ্বরবাদী ধারণাগুলির নানা উপাদান গ্রহণ করে নিজস্ব দার্শনিক মতবাদ গড়ে তোলে।[১০] কোনো কোনো উপশাখায় বৌদ্ধধর্মের অনুরূপ তান্ত্রিক প্রভাবও দেখা যায়।[১৩]

বৈশিষ্ট্য[সম্পাদনা]

শাখা সাংখ্য যোগ ন্যায় বৈশেষিক মীমাংসা অদ্বৈত[N ১] বিশিষ্টাদ্বৈত[N ১] দ্বৈত[N ১] অচিন্ত্যভেদাভেদ পাশুপত শৈবসিদ্ধান্ত কাশ্মীর শৈবধর্ম রসেশ্বর পাণিনীয়
শ্রেণী যুক্তিবাদ,[৪০][৪১] দ্বৈতবাদ, নিরীশ্বরবাদ দ্বৈতবাদ, আধ্যাত্মিক অনুশীলন বাস্তবতাবাদ,[৪২] যুক্তি, ব্যাখ্যামূলক দর্শন প্রকৃতিবাদ,[৪৩] পরমাণুবাদ ধর্মব্যাখ্যা, ভাষাতত্ত্ব, আচারবাদ অদ্বৈতবাদ বিশিষ্ট অদ্বৈতবাদ, সর্বেশ্বরবাদ দ্বৈতবাদ, ঈশ্বরতত্ত্ব একাধারে অদ্বৈতবাদদ্বৈতবাদ আস্তিক্যবাদ, আধ্যাত্মিক অনুশীলন আস্তিক্যবাদী দ্বৈতবাদ আস্তিক্যবাদী অদ্বৈতবাদআদর্শবাদ অপরসায়ন ভাষাতত্ত্ব, ভাষার দর্শন
দার্শনিক কপিল, ঈশ্বরকৃষ্ণ, বাচস্পতি মিশ্র, গুণরত্ন, আরও... পতঞ্জলি, যাজ্ঞবল্ক্য, ব্যাস[N ২] অক্ষপাদ গৌতম, বাৎস্যায়ন, উদয়ন, জয়ন্ত ভট্ট আরও... কণাদ, প্রশস্তপাদ, শ্রীধরের ন্যায়কণ্ডলী, আরও... জৈমিনী, কুমারিল ভট্ট, প্রভাকর আরও... গৌড়পাদ, আদি শঙ্কর, মধুসূদন সরস্বতী, বিদ্যারণ্য, আরও... যমুনাচার্য, রামানুজ আরও... মধ্ব, জয়তীর্থ, ব্যাসতীর্থ, রাঘবেন্দ্র স্বামী চৈতন্য মহাপ্রভু, বৃন্দাবনের ষড় গোস্বামী, বিশ্বনাথ চক্রবর্তী, কৃষ্ণদাস কবিরাজ, বলদেব বিদ্যাভূষণ, রূপ গোস্বামী, আরও... হরদত্তাচার্য, নকুলীশ হরদত্তাচার্য, নকুলীশ সদ্যোজ্যোতি মেয়কন্দর, অঘোরশিব বসুগুপ্ত, অভিনবগুপ্ত, জয়রথ, গোবিন্দ ভাগবত, সর্বজ্ঞ রামেশ্বর পাণিনি, ভর্তৃহরি, কাত্যায়ন
ধর্মগ্রন্থ সাংখ্যপ্রবচন সূত্র, সাংখ্যকারিকা, সাংখ্যতত্ত্বকৌমুদী আরও... যোগসূত্র, যোগ যাজ্ঞবল্ক্য, সাংখ্য প্রবচন ভাষ্য ন্যায়সূত্র, ন্যায়ভাষ্য, ন্যায়বর্তৃকা আরও... বৈশেষিক সূত্র, পদার্থ ধর্ম সংগ্রহ, দশপদার্থ শাস্ত্র, আরও... পূর্ব মীমাংসা সূত্র, মীমাংসাসূত্রভাষ্যম্‌, আরও... ব্রহ্মসূত্র, প্রস্থানত্রয়ী, অবধূত গীতা, অষ্টাবক্র গীতা, পঞ্চদশী আরও... সিদ্ধিত্রয়ম্‌, শ্রীভাষ্য, বেদার্থ সংগ্রহ অনুব্যাখ্যান, ব্রহ্মসূত্র ভাষ্য, সর্ব শাস্ত্রার্থ সংগ্রহ, তত্ত্বপ্রকাশিকা, ন্যায়সুধা, ন্যায়ামৃত, তর্কতাণ্ডব, দ্বৈতদ্যুমণি ভাগবত পুরাণ, ভগবদ্গীতা, ষট্‌সন্দর্ভ, গোবিন্দ ভাষ্য, চৈতন্যচরিতামৃত গণকারিকা, পঞ্চার্থ ভাষ্যদীপিকা, রাশিকর ভাষ্য শৈব আগম, শ্রীমতকিরণ, রৌরবতন্ত্র, মৃগেন্দ্র বসুগুপ্তের শিবসূত্র, তন্ত্রলোক রসার্ণব, রসহৃদয়, রসেশ্বর সিদ্ধান্ত বাক্যপদীয়, মহাভাষ্য, বার্তৃককার
দার্শনিক ধারণা পুরুষ, প্রকৃতি, গুণ, সৎকার্যবাদ যম, নিয়ম, আসন, প্রাণায়ম, প্রত্যাহার, ধারণা, ধ্যান, সমাধি প্রত্যক্ষ, অনুমান, উপমান, অন্যথাক্যতিবাদ, নিঃশ্রেয়স আরও... পদার্থ, দ্রব্য, সামান্য, বিশেষ, সমবায়, পরমাণু অপৌরুষেয়ত্ব, অর্থাপত্তি। অনুপলব্ধি, সতঃপ্রামাণ্যবাদ জীবমুক্ত, মহাবাক্য, সাধনচতুষ্টয়, সত্যের তিন স্তর, বিবর্তবাদ হিত, অন্তব্যাপী, বহুব্যাপী, আরও... প্রপচ্চ, মুক্তিযোগ, নিত্যসংসারী, তমোযোগ সম্বন্ধ, অভিধেয়, প্রয়োজন পশুপতি, আটটি পঞ্চক চর্যা, মন্ত্রমার্গ, রোধশক্তি চিতি, মালা, উপায়, অনুত্তর, অহম্‌, স্বাতন্ত্র্য পারদ, পারদের তিনটি ধরন স্ফোট, অষ্টাধ্যায়ী


টীকা[সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ ১.২ Advaita, Vishishtadvaita and Dvaita have evolved from an older Vedanta school and all of them accept Upanishads and Brahma Sutras as standard texts.
  2. Vyasa wrote a commentary on the Yoga Sutras called Samkhyapravacanabhasya.(Radhankrishnan, Indian Philosophy, London, George Allen & Unwin Ltd., 1971 edition, Volume II, p. 344.)
  1. M Chadha (2015), in The Routledge Handbook of Contemporary Philosophy of Religion, states that Vedas were knowledge source but interpreted differently by different schools of Hindu philosophy: "The sacred texts of the Hindus, the Vedas, are variously interpreted by the six traditional Hindu philosophical schools. Even within a single school, philosophers disagree on the import of Vedic statements. (...) Hindu intellectual traditions must be understood as standing for the collection of philosophical views that share a textual connection. There is no single, comprehensive philosophical doctrine shared by all intellectual traditions in Hinduism that distinguishes their view from other Indian religions such as Buddhism or Jainism on issues of epistemology, metaphysics, logic, ethics or cosmology. The Vedas are regarded as Apauruseya, but by the same token, they are not the Word of God either.[৩]
  2. For an overview of the six orthodox schools, with detail on the grouping of schools, see: Radhakrishnan and Moore, "Contents", and pp. 453–487.

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ ১.২ Andrew Nicholson (2013), Unifying Hinduism: Philosophy and Identity in Indian Intellectual History, Columbia University Press, ISBN 978-0231149877, pages 2-5
  2. ২.০ ২.১ ২.২ Klaus Klostermaier (2007), Hinduism: A Beginner's Guide, ISBN 978-1851685387, Chapter 2, page 26
  3. M Chadha (2015), The Routledge Handbook of Contemporary Philosophy of Religion (Editor: Graham Oppy), Routledge, ISBN 978-1844658312, pages 127-128
  4. ৪.০ ৪.১ P Bilimoria (2000), Indian Philosophy (Editor: Roy Perrett), Routledge, ISBN 978-1135703226, page 88
  5. Frazier, Jessica (২০১১)। The Continuum companion to Hindu studies। London: Continuum। পৃ: 1–15। আইএসবিএন 978-0-8264-9966-0 
  6. Carl Olson (2007), The Many Colors of Hinduism: A Thematic-historical Introduction, Rutgers University Press, ISBN 978-0813540689, pages 101-119
  7. R Thomas (2014), Hindu Perspectives on Evolution: Darwin, Dharma, and Design. Sociology of Religion, Vol. 75, No. 1, pages 164-165, Quote: "some of the ancient Hindu traditions like Carvaka have a rich tradition of materialism, in general, other schools..."
  8. KN Tiwari (1998), Classical Indian Ethical Thought, Motilal Banarsidass, ISBN 978-8120816077, page 67; Quote: "Of the three heterodox systems, the remaining one, the Cārvāka system, is a Hindu system.";
  9. V.V. Raman (2012), Hinduism and Science: Some Reflections, Zygon - Journal of Religion and Science, 47(3): 549–574, Quote (page 557): "Aside from nontheistic schools like the Samkhya, there have also been explicitly atheistic schools in the Hindu tradition. One virulently anti-supernatural system is/was the so-called Carvaka school.", ডিওআই:10.1111/j.1467-9744.2012.01274.x
    Bill Cooke (2005), Dictionary of Atheism, Skepticism, and Humanism, ISBN 978-1591022992, page 84;
    For a general discussion of Cārvāka and other atheistic traditions within Hindu philosophy, see Jessica Frazier (2014), Hinduism in The Oxford Handbook of Atheism (Editors: Stephen Bullivant, Michael Ruse), Oxford University Press, ISBN 978-0199644650, pages 367-378
  10. ১০.০ ১০.১ ১০.২ Klaus K. Klostermaier (1984), Mythologies and Philosophies of Salvation in the Theistic Traditions of India, Wilfrid Laurier University Press, ISBN 978-0889201583, pages 124-134, 164-173, 242-265
  11. ১১.০ ১১.১ Flood 1996, পৃ. 132-136, 162-169, 231-232.
  12. Teun Goudriaan and Sanjukta Gupta (1981), Hindu Tantric and Śākta Literature, A History of Indian Literature, Volume 2, Otto Harrassowitz Verlag, ISBN 978-3447020916, pages 7-14
  13. ১৩.০ ১৩.১ Klaus K. Klostermaier (1984), Mythologies and Philosophies of Salvation in the Theistic Traditions of India, Wilfrid Laurier University Press, ISBN 978-0889201583, pages 219-223
  14. Klaus K. Klostermaier (1984), Mythologies and Philosophies of Salvation in the Theistic Traditions of India, Wilfrid Laurier University Press, ISBN 978-0889201583, pages 28-35
  15. Jayandra Soni (1990), Philosophical Anthropology in Śaiva Siddhānta, Motilal Banarsidass Publishers, ISBN 978-8120806320, pages vii-xii
  16. Hilko Schomerus and Humphrey Palme (2000), Śaiva Siddhānta: An Indian School of Mystical Thought, Motilal Banarsidass Publishers, ISBN 978-8120815698, pages 13-19
  17. Potter 1991, পৃ. 172.
  18. Guttorm Fløistad 1993, পৃ. 137-154.
  19. Karl H. Potter (1961), A Fresh Classification of India's Philosophical Systems, The Journal of Asian Studies, Vol. 21, No. 1, pages 25-32
  20. Nicholson 2010.
  21. Students' Britannica India (2000), Volume 4, Encyclopedia Britannica, ISBN 978-0852297605, page 316
  22. Potter 1991, পৃ. 98-102.
  23. John Plott, James Dolin and Russell Hatton (2000), Global History of Philosophy: The Axial Age, Volume 1, Motilal Banarsidass, ISBN 978-8120801585, pages 60-62
  24. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; bhattacarv নামের ref গুলির জন্য কোন টেক্সট প্রদান করা হয়নি
  25. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; bronkhorst নামের ref গুলির জন্য কোন টেক্সট প্রদান করা হয়নি
  26. James Lochtefeld, "Ajivika", The Illustrated Encyclopedia of Hinduism, Vol. 1: A–M, Rosen Publishing. ISBN 978-0823931798, page 22
  27. AL Basham (2009), History and Doctrines of the Ajivikas - a Vanished Indian Religion, Motilal Banarsidass, ISBN 978-8120812048, Chapter 1
  28. Steven Collins (1994), Religion and Practical Reason (Editors: Frank Reynolds, David Tracy), State Univ of New York Press, ISBN 978-0791422175, page 64; Quote: "Central to Buddhist soteriology is the doctrine of not-self (Pali: anattā, Sanskrit: anātman, the opposed doctrine of ātman is central to Brahmanical thought). Put very briefly, this is the [Buddhist] doctrine that human beings have no soul, no self, no unchanging essence.";
    John C. Plott et al (2000), Global History of Philosophy: The Axial Age, Volume 1, Motilal Banarsidass, ISBN 978-8120801585, page 63, Quote: "The Buddhist schools reject any Ātman concept. As we have already observed, this is the basic and ineradicable distinction between Hinduism and Buddhism"
    KN Jayatilleke (2010), Early Buddhist Theory of Knowledge, ISBN 978-8120806191, pages 246–249, from note 385 onwards;
    Katie Javanaud (2013), Is The Buddhist 'No-Self' Doctrine Compatible With Pursuing Nirvana?, Philosophy Now (2013, Subscription Required);
  29. Paul Dundas (2002), The Jains, 2nd Edition, Routledge, ISBN 978-0415266055, pages 1-19, 40-44
  30. Cowell and Gough (1882, Translators), The Sarva-Darsana-Samgraha or Review of the Different Systems of Hindu Philosophy by Madhva Acharya, Trubner's Oriental Series, pages 12-35
  31. Cowell and Gough (1882, Translators), The Sarva-Darsana-Samgraha or Review of the Different Systems of Hindu Philosophy by Madhva Acharya, Trubner's Oriental Series, pages 36-63
  32. Cowell and Gough (1882, Translators), The Sarva-Darsana-Samgraha or Review of the Different Systems of Hindu Philosophy by Madhva Acharya, Trubner's Oriental Series, pages 103-111
  33. Cowell and Gough (1882, Translators), The Sarva-Darsana-Samgraha or Review of the Different Systems of Hindu Philosophy by Madhva Acharya, Trubner's Oriental Series, pages 112-127
  34. King 2007, পৃ. 45.
  35. Cowell and Gough (1882, Translators), The Sarva-Darsana-Samgraha or Review of the Different Systems of Hindu Philosophy by Madhva Acharya, Trubner's Oriental Series, pages 128-136
  36. Cowell and Gough (1882, Translators), The Sarva-Darsana-Samgraha or Review of the Different Systems of Hindu Philosophy by Madhva Acharya, Trubner's Oriental Series, pages 137-144
  37. Cowell and Gough (1882, Translators), The Sarva-Darsana-Samgraha or Review of the Different Systems of Hindu Philosophy by Madhva Acharya, Trubner's Oriental Series, pages 64-86
  38. Cowell and Gough (1882, Translators), The Sarva-Darsana-Samgraha or Review of the Different Systems of Hindu Philosophy by Madhva Acharya, Trubner's Oriental Series, pages 87-102
  39. Cowell and Gough (1882, Translators), The Sarva-Darsana-Samgraha or Review of the Different Systems of Hindu Philosophy by Madhva Acharya, Trubner's Oriental Series, pages 203-220
  40. Mike Burley (2012), Classical Samkhya and Yoga - An Indian Metaphysics of Experience, Routledge, ISBN 978-0415648875, pages 43-46
  41. Tom Flynn and Richard Dawkins (2007), The New Encyclopedia of Unbelief, Prometheus, ISBN 978-1591023913, pages 420-421
  42. Nyaya Realism, in Perceptual Experience and Concepts in Classical Indian Philosophy, Stanford Encyclopedia of Philosophy (2015)
  43. Dale Riepe (1996), Naturalistic Tradition in Indian Thought, ISBN 978-8120812932, pages 227-246

গ্রন্থপঞ্জি[সম্পাদনা]

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]

  • Radhakrishnan, Sarvepalli; and Moore, Charles A. A Source Book in Indian Philosophy. Princeton University Press; 1957. Princeton paperback 12th edition, 1989. ISBN 0-691-01958-4.
  • Rambachan, Anantanand. "The Advaita Worldview: God, World and Humanity." 2006.
  • Zilberman, David B., The Birth of Meaning in Hindu Thought. D. Reidel Publishing Company, Dordrecht, Holland, 1988. ISBN 90-277-2497-0. Chapter 1. "Hindu Systems of Thought as Epistemic Disciplines".

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:History of religions টেমপ্লেট:Philosophy of science