তেত্রিশ দেবতা

এটি একটি ভালো নিবন্ধ। আরও তথ্যের জন্য এখানে ক্লিক করুন।
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

তেত্রিশ দেবতা (সংস্কৃত: त्रिदश) বা তেত্রিশ কোটি দেবতা হলো হিন্দুধর্মে দেবতাদের প্রকারভেদ অনুযায়ী একটি সমষ্টিবদ্ধ সংখ্যা। সংস্কৃত ভাষায় ত্রয়োত্রিংশ কোটি বলতে "তেত্রিশ গুণ সম্পন্ন বা তেত্রিশ প্রকার"-কে বোঝায়।[১] প্রকৃতপক্ষে তেত্রিশ কোটি দেবতা বলতে তেত্রিশ প্রকার গুণ সম্পন্ন বৈদিক দেবতাকে বুঝানো হয়।[২][৩] হিন্দুদের প্রধান ধর্মগ্রন্থ বেদ, শতপথ ব্রাহ্মণ সহ অন্যান্য ধর্মগ্রন্থেও এই বিষয়ে ধারণা পাওয়া যায়।[১][২] পরবর্তি কালে এই তেত্রিশ দেবতা "তেত্রিশ কোটি দেবতা" নামে লোকমুখে প্রচলিত হয়। তবে হিন্দুধর্মে কোনও নির্দিষ্ট-সংখ্যক দেবতার ধারণার পরিবর্তে একই দেবতার একাধিক রূপ প্রচলিত।[৪][৫]

বিবরণ[সম্পাদনা]

তেত্রিশ কোটি দেবতা সম্পর্কে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তার “দেবতত্ত্ব ও হিন্দুধর্ম, অন্যান্য রচনাবলিতে” বলেছেন,[৬]

"হিন্দুর মুখে তো শুনি, হিন্দুর দেবতা তেত্রিশ কোটি। কিন্তু দেখি বেদে আছে দেবতা মোটে তেত্রিশটি।"

ভারতের প্রথম প্রামাণ্য ভাষাবিদ যাস্কাচার্যের মতে, বেদে দেবতাগণ তিন শ্রেণীতে বিভক্ত রয়েছে, যথা “মর্ত্যবাসী অগ্নি, শূণ্যবাসী বায়ু ও আকাশবাসী সূর্য"।[৭] এই তিন দেবতার ভিন্ন ভিন্ন কর্ম ও বিশেষণ নিয়ে অন্য দেবগণের নামকরণ হয়েছে। বেদের প্রাচীনতম অংশ সংহিতায় তেত্রিশ দেবতার কথা বলা রয়েছে, ত্রিলোকের একাদশ দেবতা বা দ্বাদশ আদিত্য(সূর্যের ১২টি বিশেষণ), একাদশ রুদ্র (বায়ুর ১১টি বিশেষণ), অষ্টবসু(অগ্নির ৮টি বিশেষণ) এবং বেদের ব্রাহ্মণ অংশে অশ্বিনীকুমারদ্বয়[৮][২][৯] শতপথ ব্রাহ্মণ এই ১২ জন আদিত্য, ১১ জন রুদ্র এবং ৮ জন বসু নিয়ে গঠিত ৩১ জন দেবতার একটি দল অন্তর্ভুক্ত করে, অপর দুইজন দেবতার মাধ্যমে ৩৩ জন পূরণ করে, তবে সেই দুজন দেবতার পরিচয়ে ভিন্নতা দেখা যায়।[টীকা ১] বৃহদারণ্যক উপনিষদে দেবতার সংখ্যা বিষয়ে শাকল্যের প্রশ্নের উত্তরে ঋষি যাজ্ঞবল্ক্য প্রথমে তেত্রিশ, তারপর পর্যায়ক্রমে ছয়, তিন, দুই, অর্ধ্যর্ধ (দেড়) এবং সবশেষে এক বলে উত্তর দেন।[১১] বৃহদারণ্যক উপনিষদে যাজ্ঞবল্ক্য কর্তৃক ব্যাখ্যা করা ৩৩ বৈদিক দেবতাগণ হলেন - দ্বাদশ আদিত্য, একাদশ রুদ্র, অষ্টবসু, ইন্দ্রপ্রজাপতি[১২] এছাড়া ঋগ্বেদ[১৩][১৪][১৫][১৬][১৭][১৮][১৯], যজুর্বেদ[২০] এবং অথর্ববেদেও[২১] তেত্রিশ প্রকার দেবতা বিষয়ে উল্লেখ হয়েছে।

ঋগ্বেদে বলা হয়েছে,

ये देवासो दिव्येकादश स्थ पृथिव्यामध्येकादश स्थ ।
अप्सुक्षितो महिनैकादश स्थ ते देवासो यज्ञमिमं जुषध्वम् ॥११॥

— ঋগ্বেদ, ১ম মণ্ডল। সুক্ত ১৩৯। মন্ত্র ১১।[২২]

যে দেবগণ স্বর্গে একাদ্বশ, পৃথিবীর উপরেও একাদশ, যখন অন্তরীক্ষে বাস করেন তখনো একাদশ, তারা নিজ মহিমায় যজ্ঞ সেবা করেন।

— ভাষ্যকার রমেশচন্দ্র দত্ত

দশপ্রাণ ও আত্মা নিয়ে গঠিত সৌরজগতে এগারোটি দেব রয়েছেন। একইভাবে এই পৃথিবীতে রয়েছে এগারটি আর জলেও রয়েছে এগারটি দেব। এরা দশ ইন্দ্রিয় এবং মন সৃষ্টি করেন। হে জ্ঞানীগণ! দেবতাদের জানুন এবং তারপরে যজ্ঞ ‍শুরু করুন।

— ভাষ্যকার ধর্মদেব বিদ্যামার্তণ্ড।[২৩]

তেত্রিশ দেবতার তালিকা[সম্পাদনা]

হিন্দু ধর্মগ্রন্থে তেত্রিশ দেবতার নাম বৈচিত্র্যময়। এর মধ্য থেকে নিম্নে ভাগবত পুরাণ অনুসারে দ্বাদশ আদিত্য,[২৪] ভাগবত পুরাণ অনুসারে একাদশ রুদ্র (প্রথম কলাম)[২৫] ও মতান্তরে একাদশ রুদ্র (দ্বিতীয় কলাম), মহাভারত অনুসারে অষ্টবসু, এবং দুই অশ্বিন

তেত্রিশ কোটি (প্রকার) দেবতার নাম
দ্বাদশ আদিত্য একাদশ রুদ্র অষ্টবসু দুই অশ্বিন
  • প্রাণ (নিঃশ্বাস)
  • অপান (প্রশ্বাস)
  • ব্যান
  • সমান
  • উদান
  • নাগ
  • কূর্ম
  • কৃকল
  • দেবদত্ত
  • ধনঞ্জয়
  • আত্মা
  • ধরা (পৃথিবী)
  • অনল (অগ্নি)
  • অনিল (বায়ু)
  • অপ (জল) / সবিতা
  • প্রত্যূষ (সূর্য)
  • প্রভাস (আকাশ)
  • সোম (চন্দ্র)
  • ধ্রুব
  • নাসত্য
  • দস্র

দ্বাদশ আদিত্য[সম্পাদনা]

বিবস্বান (সূর্য), দ্বাদশ আদিত্যের একজন
বিষ্ণু, দ্বাদশ আদিত্যের আরেকজন

আদিত্য (সংস্কৃত: आदित्य) বলতে অদিতির  সন্তানকে বোঝায়।[২৬] সাধারণত, আদিত্যগণ সংখ্যায় বারো। এদের একত্রে দ্বাদশ আদিত্য বলা হয়। এরা হলেন, বিবস্বান (সূর্য), অর্যমা, পূষা, ত্বষ্টা, সাবিত্র, ভগ, ধাত্র, বিষ্ণু, বরুণ, মিত্র, ইন্দ্র, অংশুমান[২৭] মহাভারতপুরাণে ঋষি কশ্যপকে তাদের পিতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।[২৭]

একাদশ রুদ্র[সম্পাদনা]

শম্ভু (শিব), একাদশ রুদ্রের অন্যতম।

একাদশ রুদ্র (সংস্কৃত: एकादश रुद्र) দ্বারা হিন্দু দেবতা রুদ্রের (শিব) অনুসারী এগারো দেবতাকে বোঝায়।[২৮] তাদেরকে কখনও কখনও মরুত (শিবের পুত্রগণ) বলে উল্লেখ করা হয়ে থাকে এবং কখনও কখনও সম্পূর্ণ আলাদা রূপে উপস্থাপন করা হয়।[২৯] বামন পুরাণসহ আরও কিছু গ্রন্থে একাদশ রুদ্রকে ঋষি কশ্যপ ও তার স্ত্রী অদিতির সন্তান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।[৩০]

অষ্টবসু[সম্পাদনা]

চন্দ্র, অষ্টবসুর একজন
অগ্নি, অষ্টবসুর আরেকজন

অষ্টবসু (সংস্কৃত: अष्टवसु) বলতে হিন্দুধর্মে প্রকৃতির মৌলিক দিকগুলি (পঞ্চভূত) এবং মহাজাগতিক প্রকৃতির প্রতিনিধিত্বকারী আটজন দেবতাগণকে বোঝায় যেমন: সূর্য, চন্দ্র (সোম) ইত্যাদি। তারা হলেন দক্ষের কন্যা ও ধর্মদেবের স্ত্রী বসুর সন্তান।[৩১] কিছু পুরাণ ও রামায়ণে তাদেরকে ঋষি কশ্যপ ও অদিতির সন্তান এবং মহাভারতে মনু বা ব্রহ্মার সন্তান বলা হয়েছে। বসু শব্দের শাব্দিক অর্থ হলো 'উজ্জ্বল' ও 'ধন দানকারী'।

দুই অশ্বিন[সম্পাদনা]

দুই অশ্বিন

দুই অশ্বিন (সংস্কৃত: अश्विन्) বলতে সূর্য ও তার পত্নী শরণ্যু (নামান্তরে সংজ্ঞা, সঞ্জনা বা সন্ধ্যা) এর দুইজন যমজ পুত্রকে বোঝানো হয়ে থাকে। তারা হলেন স্বাস্থ্য, চিকিৎসা, ভোর ও বিজ্ঞানের দেবতা।[৩২] ঋগ্বেদে তাদেরকে তরুণ অশ্বারোহী, দুর্বলদের সহায়তাকারী রূপে উপস্থাপন করা হয়েছে।[৩৩][৩৪] ঋগ্বেদ অনুসারে সূর্য ও সঞ্জনা অশ্বরূপে মিলিত হবার ফলে দুই অশ্বিনের জন্ম হয়।[৩৫] মহাভারত অনুসারে নকুলসহদেব দুই অশ্বিনের মানসপুত্র ছিলেন।[৩৬] তাদের নাম যথাক্রমে নাসত্য (জ্যৈষ্ঠ) ও দস্র (কনিষ্ঠ)।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

টীকা[সম্পাদনা]

  1. There are eight Vasus, eleven Rudras, twelve Âdityas; and these two, Heaven and Earth, are the (thirty-second and) thirty-third. And there are thirty-three gods, and Pragâpati is the thirty-fourth;--thus he makes him (the sacrificer, or Yagña) to be Pragâpati 2: now that 3 is, for that is immortal, and what is immortal that is. But what is mortal that also is Pragâpati; for Pragâpati is everything: thus he makes him to be Pragâpati, and hence there are these thirty-four utterances, called expiations. Satapatha Brahmana 4:5:7:2[১০]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বৈদিক একেশ্বরবাদ ও ৩৩ কোটি দেবতা ? ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৩১ মার্চ ২০২২ তারিখে, https://www.agniveerbangla.org/ ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৩০ মার্চ ২০২২ তারিখে সংগ্রহের তারিখ, ১৭,০৩,২০২২
  2. গ্রেগর উইলিয়াম্স (২০০৮), এ হ্যান্ডবুক অব হিন্দু মিথোলোজি, অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, আইএসবিএন ৯৭৮-০১৯৫৩৩২৬১২, পৃষ্ঠা ৯০, ১১২
  3. যজুর্বেদ অধ্যায় ২০, মন্ত্র ১১ ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২১ জুন ২০২২ তারিখে ও ৩৬ ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২১ জুন ২০২২ তারিখে । ধর্মদেব বিদ্যামার্তণ্ড ভাষ্য।
  4. Lynn Foulston, Stuart Abbott (২০০৯)। Hindu goddesses: beliefs and practices। Sussex Academic Press। পৃষ্ঠা ১–৩, ৪০–৪১। আইএসবিএন 9781902210438 
  5. ডেভিড লরেন্স (২০১২), The Routledge Companion to Theism (Editors: Charles Taliaferro, Victoria S. Harrison and Stewart Goetz), Routledge, আইএসবিএন ৯৭৮-০৪১৫৮৮১৬৪৭, পৃষ্ঠা ৭৮-৭৯
  6. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, দেবতত্ত্ব ও হিন্দুধর্ম, বঙ্কিম রচনাবলী। পৃষ্ঠা ৭৮৪
  7. ডাব্লিউ জে উইলকিন্স (২০০৩), Hindu Gods and Goddesses, Dover, আইএসবিএন ৯৭৮-০৪৮৬৪৩১৫৬৭, পৃষ্ঠা ৯,১০
  8. ঋগ্বেদ, মণ্ডল ১, সুক্ত ৩৪, মন্ত্র ১১ ; ভাষ্যকার ধর্মদেব বিদ্যামার্তণ্ড। ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৭ মার্চ ২০২২ তারিখে http://www.onlineved.com ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৮ মার্চ ২০২২ তারিখে
  9. মনির-উইলিয়াম, A Sanskrit-English Dictionary" পৃষ্ঠা ৪৯২
  10. Satapatha Brahmana Part II (SBE26), Julius Eggeling tr. (1885), p. 411 ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২ এপ্রিল ২০২২ তারিখে, sacred-texts.com
  11. বৃহদারণ্যক উপনিষদ্, অধ্যায় ৩, ব্রাহ্মণ ৯, মন্ত্র ১
  12. বৃহদারণ্যক উপনিষদ্, অধ্যায় ৩, ব্রাহ্মণ ৯, মন্ত্র ২
  13. ঋগ্বেদ, মণ্ডল ৩, সুক্ত ৬, মন্ত্র ৯ ; ভাষ্যকার ধর্মদেব বিদ্যামার্তণ্ড। ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৩০ মার্চ ২০২২ তারিখে http://www.onlineved.com ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৮ মার্চ ২০২২ তারিখে
  14. ঋগ্বেদ, মণ্ডল ১, সুক্ত ১৩৯, মন্ত্র ১১ ; ভাষ্যকার ধর্মদেব বিদ্যামার্তণ্ড। ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৩১ মার্চ ২০২২ তারিখে http://www.onlineved.com ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৮ মার্চ ২০২২ তারিখে ।
  15. ঋগ্বেদ, মণ্ডল ৮, সুক্ত ২৮, মন্ত্র ১
  16. ঋগ্বেদ, মণ্ডল ৮, সুক্ত ৩০, মন্ত্র ২
  17. ঋগ্বেদ, মণ্ডল ৯, সুক্ত ৯২, মন্ত্র ৪
  18. ঋগ্বেদ, মণ্ডল ৮, সুক্ত ৩৫, মন্ত্র ৩
  19. ঋগ্বেদ, মণ্ডল ১, সুক্ত ১৩৯।
  20. ভাষ্যকার ধর্মদেব বিদ্যামার্তণ্ড। "যজুর্বেদ ১৪, মন্ত্র ৩১"www.onlineved.com। ২০২২-০৩-১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-০৩-১৭ 
  21. Hymns of the Atharvaveda - Book 10, HYMN VII, Verse 13, Translated by Ralph T.H. Griffith ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে, www.hinduwebsite.com;
    "Who out of many, tell me, is that Skambha He in whose body are contained all three-and-thirty Deities?"
  22. ঋগ্বেদ, মণ্ডল ১, সুক্ত ১৩৯, মন্ত্র ১১ ; ভাষ্যকার ধর্মদেব বিদ্যামার্তণ্ড। ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৩১ মার্চ ২০২২ তারিখে http://www.onlineved.com ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৮ মার্চ ২০২২ তারিখে ।
  23. ঋগ্বেদ, মণ্ডল ১, সুক্ত ১৩৯, মন্ত্র ১১ ; ভাষ্যকার ধর্মদেব বিদ্যামার্তণ্ড। ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৩১ মার্চ ২০২২ তারিখে http://www.onlineved.comওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৮ মার্চ ২০২২ তারিখে
    "There are eleven devas in the solar world consisting of the ten pranas and soul. Similarly, there are eleven devas on this earth and eleven in waters. these make ten senses and mind. O men of knowledge ! you know the devas and then perform the Yajna"
  24. "ভাগবত পুরাণ, স্কন্দ ১২, অধ্যায় ১১, শ্লোক ২৭-৪৯"। ২৫ এপ্রিল ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ 
  25. "ভাগবত পুরুণ, স্কন্দ ৩ অধ্যায় ৩, শ্লোক ১২"। ২০ আগস্ট ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২২ 
  26. ওয়ারনার, কার্ল (২০০৫). A Popular Dictionary of Hinduism. ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১২ মে ২০২২ তারিখে রাউটলেজ. পৃষ্ঠা. ১৭. ISBN 9781135797539.
  27. Dalal, Roshen (2014-04-18). Hinduism: An alphabetical guide. ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১২ মে ২০২২ তারিখে Penguin UK. ISBN 978-81-8475-277-9.
  28. হোপকিন্স। পৃষ্ঠা ১৭২–১৭৩। 
  29. দানিয়েলো, অ্যালাইন (১৯৯১-১২-০১)। The Myths and Gods of India। ইন্টারনেট আর্কাইভ। ইনার ট্র্যাডিশনস। আইএসবিএন 978-0-89281-354-4 
  30. মনি, ভেত্তম (১৯৭৫)। Puranic encyclopaedia : a comprehensive dictionary with special reference to the epic and Puranic literature। রবার্টস - টরোন্টো বিশ্ববিদ্যালয়। দিল্লি : মতিলাল বানারসিদাস। পৃষ্ঠা ৪৮৯–৪৯০। আইএসবিএন 978-0-8426-0822-0 
  31. www.wisdomlib.org (২০১৯-০১-২৮)। "Story of Aṣṭavasu"www.wisdomlib.org (ইংরেজি ভাষায়)। ২০২২-০২-১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-০৬-২১ 
  32. Wise, Thomas Alexander (১৮৬০)। Commentary on the Hindu system of medicine: New issue (ইংরেজি ভাষায়)। Trübner। 
  33. Jamison, Stephanie W.; Brereton, Joel P. (২০১৪)। The Rigveda: The Earliest Religious Poetry of India (ইংরেজি ভাষায়)। Oxford University Press। আইএসবিএন 978-0-19-937018-4। ২১ জুন ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুন ২০২২ 
  34. West, M. L.; West, Formerly Professor of Greek at Royal Holloway and Bedford New College Senior Research Fellow M. L.; West, Morris (২০০৭-০৫-২৪)। Indo-European Poetry and Myth (ইংরেজি ভাষায়)। OUP Oxford। আইএসবিএন 978-0-19-928075-9। ২০২২-০৬-২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-০৬-২১ 
  35. Lang, Andrew (১৮৮৭)। Myth, Ritual and Religion (ইংরেজি ভাষায়)। Longmans, Green। ২১ জুন ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুন ২০২২ 
  36. মনি, ভেত্তম (১৯৭৫)। Puranic encyclopaedia : a comprehensive dictionary with special reference to the epic and Puranic literature। রবার্টস - টরোন্টো বিশ্ববিদ্যালয়। দিল্লি : মতিলাল বানারসিদাস। পৃষ্ঠা ৬৯। আইএসবিএন 978-0-8426-0822-0