কল্কি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
কল্কি
সীমাহীন মহাবিশ্বের দেবতা
Kaliki avatar statue.JPG
কল্কি দেবতার প্রস্তর মূর্তি
দেবনাগরীकल्कि
সংস্কৃত লিপ্যন্তরकल्कि
অন্তর্ভুক্তিবিষ্ণু অবতার
গ্রহপৃথিবী
অস্ত্রতলোয়ার বা অসি (অশুভ প্রাণীকে ধ্বংস করার পরব্রহ্ম অস্ত্র)
বাহনদুই পক্ষযুক্ত শ্বেত অশ্ব

কল্কি (দেবনাগরী লিপি: कल्कि) হিন্দুধর্মের একজন অবতার যিনি কলিযুগে মানব সমাজের ত্রাতা হিসেবে আবির্ভূত হবেন। কল্কি হচ্ছেন ভগবান বিষ্ণুর সর্বশেষ রূপ। হিন্দু ধর্মশাস্ত্র পুরাণ থেকে জানা যায় কল্কি অবতার সাদা ঘোড়ার পিঠে খোলা তরবারী হাতে আবির্ভূত হবেন। কল্কি অবতার কলি যুগের অবসান ঘটিয়ে সত্য যুগ শুরু করবেন।

কল্কি শব্দটি সময়ের রূপকার্থে ব্যবহৃত হয়। শব্দটির উৎসমূল সংস্কৃত শব্দে খুঁজে পাওয়া যায়, কলকা অর্থ অশুভ। বর্তমানে কল্কি শব্দের অনুবাদ করা হয় অশুভ ধ্বংসকারী, অজ্ঞতা ধ্বংসকারী অথবা অন্ধকার দূরকারী হিসেবে।[১] সংস্কৃতে কল্কি শব্দের আরেকটি অর্থ সাদা ঘোড়া[২]

বৌদ্ধ কালচক্র ঐতিহ্যে , শম্ভল রাজ্যের ২৫ জন শাসকের নাম ছিলো কল্কি, কুলিকা অথবা কল্কি রাজ।[৩] বৈশাখের শুল্ক পক্ষের প্রথম ১৫ দিন ১৫ জন দেবতার পূজা করা হয়। একেকদিন একেক দেবতার পূজা হয়। ১২ তম দিন বৈশাখী দ্বাদশী। দিনটি মাধবের(কল্কির আরেক নাম) জন্য নির্দিষ্ট।

মহা অবতার[সম্পাদনা]

কল্কি তার মাতার ৪র্থ সন্তান হিসবে জন্ম নিবেন (কল্কি পুরান ২.৩১) কল্কি বাবার নাম বিষ্ণু যশ মাতার নাম সুমতি কল্কিকে তার গুরু রামদেব বেদ শেখাবেন (কল্কিপুরাণ ৩.৪৩)

পুরাণ[সম্পাদনা]

“অতঃপর দুইযুগের(কলিযুগ কলিযুগ এবং সত্যযুগের) সন্ধিক্ষণে ভগবান কল্কি অবতার রুপে বিষ্ণুযশ নামক ব্যক্তির পুত্র হিসেবে জন্ম গ্রহণ করবেন। ঐ সময় পৃথিবীর প্রায় সমস্ত শাসক অধঃপতিত হয়ে লুটেরা ও ডাকাতের পর্যায়ে নেমে যাবে।”- ভাগবতপুরাণ-১/৩/২৫

এর অর্থ হল ভগবান এই কলিযুগের শেষের দিকে কল্কি অবতার হিসেবে আবির্ভুত হবেন। তিনি অসাধু লোকদের বিনাশ করে দায়িত্ব শেষ করার পর খুব কম সংখ্যক লোক বেঁচে থাকবে, যারা সৎ এবং ধার্মিক। কল্কি অবতারের পর এই পৃথিবীতে আবার সত্যযুগ শুরু হবে। সনাতন ধর্ম অনুযায়ী কলি যুগের সময়কাল হল ৪,৩২,০০০ বছর, যা পন্ডিতদের গবেষণা অনুযায়ী খৃষ্টপূর্ব ৩,১০২ সাল থেকে শুরু হয়েছে। এখন কেবল ৫,০০০ বছর চলছে। সেই হিসাব অনুযায়ী, কল্কি অবতারের জন্ম গ্রহণ করতে এখনও অনেক দেরি| আবার পন্ডিত শ্রী যুক্তেশ্বর গিরি দাবি করেন যে, এই দীর্ঘ ৪,৩২,০০০ বছর সময়ের মাঝেও অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সময়কালের চক্র বিদ্যমান রয়েছে|

জন্ম এবং আগমণ সম্পর্কে ভবিষ্যতবাণী[সম্পাদনা]

কল্কি এবং তার বাহন দেবদত্ত

শ্রীমদ্ভাগবতে (১২.২.১৮) বলা হয়েছে- “ভগবান কল্কি সম্ভল গ্রামের মুখ্য ব্রাহ্মণ মহাত্মা বিষ্ণুযশের গৃহে আবির্ভূত হবেন।” মহাভারতের বনপর্বে (১৯০.৯৩-৯৭) কল্কি অবতারের আবির্ভাব প্রসঙ্গে বলা হয়েছে “কালক্রেমে বিষ্ণুযশ নামে এক ব্রাহ্মণের আবির্ভাব হবে। মহাবীর্য ও মহানুভব কল্কি সেই ব্রাহ্মণগৃহে জন্ম পরিগ্রহণ করবেন। তাঁর মননমাত্রেই সমুদয় বাহন, কবচ, বিবিধ আয়ুধ ও ভুরিভুরি যোদ্ধা উপস্থিত হবে। তিনি ধর্ম বিজয়ী সম্রাট হয়ে পর্যায়কুল লোক সকলের প্রতি প্রসন্ন হবেন। ক্ষয়কারী ও যুগপরিবর্তক সেই দীপ্তপুরুষ উত্থিত ও ব্রাহ্মণগণ পরিবৃত হয়ে সর্বত্রগত ম্লেচ্ছগণকে উৎসারিত করবেন।”


অগ্নিপুরাণ (১৬.৭-৯)-এ বর্ণনা করা হয়েছে, “যখন অনার্যরা রাজ্যপদ অধিকার করে নিষ্ঠাবান ব্যক্তিদের শোষণ করতে শুরু করবে, তখন ভগবান কল্কি বিষ্ণুযশের পুত্র এবং যাজ্ঞ্যবল্কের শিষ্য হিসেবে সেসকল অনার্যদের তাঁর অস্ত্র দ্বারা বিনাশ করবেন। তিনি চার বর্ণ ও আশ্রম সমন্বিত নীতি প্রতিষ্ঠা করবেন। তারপর আবার জনগণ সত্য ও ন্যায়ের পথে ফিরে আসবে।” পদ্মপুরাণে (৬.৭১.২৭৩-৩৮৩) বর্ণনা করা হয়েছে- “ভগবান কল্কি ম্লেচ্ছদের বিনাশ করে সকল দুরাবস্থা অপসারণ করে কলিযুগের অবসান ঘটাবেন। তিনি সকল ব্রাহ্মণদের একত্রিত করে পরম সত্য প্রতিস্থাপন করবেন।

তিনি ধ্বংসপ্রাপ্ত সকল প্রকার জীবনধারা সম্বন্ধে অবগত থাকবেন এবং ব্রাহ্মণ তথা ধার্মিক ব্যক্তিদের ক্ষুধা অপসারণ করবেন। তিনি হবেন জগতের একমাত্র নিয়ন্ত্রক। তাঁকে কেউ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না এবং তিনিই হবেন বিশ্বের বিজয়পতাকা।” এই ভবিষ্যদ্বাণীটি ব্যাখ্যা করতে ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে (প্রকৃতি খন্ড ৭.৬০,৫৮-৫৯) কলিযুগ এবং কল্কি অবতারের উদ্দেশ্য বর্ণনা করা হয়েছে- “তখন পৃথিবীতে অরাজকতা বিরাজ করবে। সর্বত্র অযাচিত কার্যসকল-যেমন, চৌর্যবৃত্তি ও লুটতরাজ বৃদ্ধি পাবে। সেসময় বিষ্ণুযশ নামে এক ব্রাহ্মণের পরিবারে ভগবান নারায়ণ আবির্ভূত হবেন।

তিনি এক সুবৃহৎ অশ্বে সওয়ার হয়ে হাতে তরবারি ধারণপূর্বক পৃথিবীতে ম্লেচ্ছদের বিনাশ করবেন। এভাবে পৃথিবী ম্লেচ্ছদের থেকে মুক্ত হবে।” এই শ্লোকে আমরা দেখতে পাই ভগবান কল্কি একজন যোদ্ধারূপে আবির্ভূত হবেন। কালক্রমে পৃথিবী যৌক্তিক জ্ঞানে অসমর্থ ব্যক্তিতে পরিপূর্ণ হয়ে উঠবে। তরা হবে অনুন্নত মেধা ও বুদ্ধিসম্পন্ন, পারমার্থিক জ্ঞান ও জীবনের উদ্দেশ্য সম্বন্ধে অজ্ঞ। তাদের কী করা উচিত, সে সম্বন্ধে তারা অজ্ঞ থাকবে না। তাই ভগবান কল্কি অবতাররূপে শিক্ষা দেয়ার জন্য নয় বরং ধ্বংস করার জন্য আবির্ভূত হবেন।

আরেকটি বিষয় এখানে গুরুত্বপূর্ণ যে, কোন বংশে এবং কোথায় কল্কি অবতার আবির্ভূত হবেন, তারও বর্ণনা পাওয়া যায়। তাঁর পরিবার হবে বিদ্ধান ব্রাহ্মণ। তার অর্থ হলো যত খারাপ কিছুই হোক না কেন, তথনো পৃথিবীতে ব্রাহ্মণ বর্তমান থাকবে। পদ্মপুরাণে (৬.২৪২.৮-১২) বর্ণনা করা হয়েছে- “কলিযুগ শেষ হবার প্রাক্কালে ভগবান কল্কি সম্ভল গ্রামে এক ব্রহ্মণের গৃহে আবির্ভূত হবেন।



বর্ণিত আছে, স্বায়ম্ভুব মনু গোমতী নদীর তীরে নৈমিষায় ভগবান বিষ্ণুকে তিনি জন্মে তাঁর পুত্ররূপে পাবার জন্য কঠোর তপস্যা করেছিলেন। তাঁর তপস্যায় তুষ্ট হয়ে ভগবান তাঁকে তিন জন্ম রাম, কৃষ্ণ এবং কল্কির পিতা হবার বর দান করেন। এভাবে স্বায়ম্ভুব মনু দশরথ, বসুদেব এবং বিষ্ণুযশ রূপে আবির্ভূত হন।” কল্কি পুরাণে(২.১) ব্রহ্মার আদেশে দেবগণ তাঁর সম্মুখে উপবেশনপূর্বক কলির দোষে ধর্মহানির কথা নিবেদন করলেন। ব্রহ্মা দেবগণের আদেশ শ্রবণ করে বললেন, “চল আমরা বিষ্ণু সমীপে গমনপূর্বক অভীষ্ট সাধনের জন্য তাঁকে প্রসন্ন করি।’

অতঃপর দেবগণসহ ব্রহ্মা গোলোকে উপস্থিত হলেন ও শ্রীহরির স্তব-স্তুতিপূর্বক ব্রহ্মা দেবগণের অভিপ্রায় এবং প্রার্থনার কথা নিবেদন করলেন। পদ্ধপলাশলোচন হরি তৎসমুদয় শ্রবণান্তে ব্রহ্মাকে বললেন, হে ব্রাহ্মণ। আমি অনুরোধ নিমিত্ত ধরাতলে সম্ভল নামক স্থানে বিষ্ণুযশ নামক বিপ্রের গৃহে তা পত্নী সুমতির গর্ভে জন্মগ্রহণ করব। হে দেববৃন্দ, স্বর্গবাসীদের কল্যাণার্থে তোমরা নিজ নিজ অংশে জন্মগ্রহণ পূর্বক আমার সাথে সৌহার্দ্য স্থাপন করবে। আমার প্রিয়া লক্ষীদেবীও সিংহলরাজ বৃহদ্রথের পত্নী কৌমুদীর গর্ভে পদ্মা নাম ধারণপূর্বক জন্মগ্রহণ করবে।” “হে দেবগণ, তোমরা শীঘ্র নিজ নিজ অংশে মর্ত্যধামে গমন কর। আমি পুনর্বার মরু ও দেবাপি নামক নৃপদ্বয়কে পৃথিবীর শাসনভার অর্পণ করব। পুনরায় আমি সত্যযুগের সৃষ্টি করতঃ পূর্বের ন্যায় ধর্ম সংস্থাপন করব এবং কলিরূপে দৃষ্ট ভুজঙ্গকে দূর করে বৈকুন্ঠে প্রত্যাবর্তন করব।” কল্কিপুরাণের লেখা অনুসারে:

অনুবাদ:'

शम्भल ग्राममुख्यस्य ब्राह्मणस्य महात्मनः।
भवने विष्णुयशसः कल्किः प्रादुर्भविष्यति।।
শ্রীমদ্ভগবত মহা পুরাণ – ১২:২:১৮

शम्भल ग्राम मुख्यस्य ब्राह्मणस्य महात्मनः।
शम्भु শম্ভু (শিব শম্ভু ভোলা) + ल বা ले (এর) + ग्राम গ্রাম (সম্প্রদায়/গ্রাম) + मुख्यस्य মূখ্যাশয় (প্রধানত) + ब्राह्मणस्य ব্রক্ষ্মাশয় (ব্রাহ্মণদের) + महात्मनः মহা আত্মা (মহান আত্মা) মহা আত্মা ব্রাহ্মণ প্রধানত শিব দুর্গা পূজা সম্প্রদায়

द्वादश्यां शुक्ल-पक्षस्य माधवे मासि माधवम्।
जातं ददृशतुः पुत्रं पितरौ हृष्ट-मानसौ।। (১:২:১৫ কল্কি পুরাণ)

জ্যোতিষশাস্ত্র[সম্পাদনা]

কল্কি পুরাণে তার জন্মের সময়ের বর্ণনা:

शम्भल ग्राम मुख्यस्य ब्राह्मणस्य महात्मनः

भवने विष्णुयशसः कल्किः प्रादुर्भविष्यति
भवने विष्णुयशसः कल्किः प्रादुर्भविष्यति
द्वादश्यां शुक्ल-पक्षस्य माधवे मासि माधवम्
जातं ददृशतुः पुत्रं पितरौ हृष्ट-मानसौ

— কল্কি পুরাণ, ১.২.১৫

পদ্মা[সম্পাদনা]

কল্কি পুরাণ অনুসারে ভগবান কল্কি বৃহদ্রথ রাজকন্যা পদ্মাকে বিবাহ করবেন ।

কল্কি পুরাণ:

मत्तो विद्यां शिवाद् अस्त्रं लब्ध्वा वेद-मयं शुकम्।
सिंहले च प्रियां पद्मां धर्मान् संस्थापयिष्यसि।। ১:৩:৯ ततो दिग्-विजये भूपान् धर्म-हीनान् कलि-प्रियान्।
निगृह्य बौद्धान् देवापिं मरुञ् च स्थापयिष्यसि।। ১:৩:১০ श्रुत्वेति वचनं कल्किः शुकेन सहितो मुदा।
जगाम त्वरितो ऽश्वेन शिव-दत्तेन तन्मनाः।। ২:১:৩৯ समुद्र-पारम् अमलं सिंहलं जलसंकुलम्। («=सिंहलद्वीप»)
नाना-विमान-बहुलं भास्वरं मणि-काञ्चनैः।। ২:১:৪০ प्रासादसदनाग्रेषु पताका-तोरणाकुलम्।
श्रेणी-सभा-पणाट्ताल-पुर-गोपुर-मण्दितम्।। ২:১:৪১

শিখ ধর্মমতে কল্কি অবতার[সম্পাদনা]

পাঞ্জাব পর্বতে কল্কি অবতার, গুলার, সি. ১৭৬৫

শিখ ধর্মগুরু গোবিন্দ শিং শ্রী দশম গ্রন্থে কল্কি অবতারের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি তরবারী হস্তে ঘোড়ায় চড়ে আগমণ করবেন বলে শিখ ধর্মবিশ্বাসীগণ বিশ্বাস করেন।

যে সকল ব্যক্তিগণকে কল্কি অবতার হিসেবে দাবী করা হয়[সম্পাদনা]

দশাবতারঃ(বামদিক থেকে) মৎস্য, কুর্ম, বরাহ, নৃসিংহ, বামন, পর্শুরাম, রাম, কৃষ্ণ, বুদ্ধ, কল্কি

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "The Kalki Purana"। Ismaili.net। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-০১-২০ 
  2. "Appearance of Kalki Avatar"yoga-philosophy.com। ২০০৩। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০৬-১৫ 
  3. "Kalachakra History"International Kalachakra Network। ২০০৬-০৭-২৯। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০৬-১৫ 
  4. Momen, Moojan (১৯৯০)। "Hindu Prophecies"। Hinduism and the Bahá'í Faith। Oxford: George Ronald। আইএসবিএন 0-85398-299-6 
  5. Buck, Christopher (২০০৪)। "The eschatology of Globalization: The multiple-messiahship of Bahā'u'llāh revisited"। Sharon, Moshe। Studies in Modern Religions, Religious Movements and the Bābī-Bahā'ī Faiths। Boston: Brill। পৃষ্ঠা 143–178। আইএসবিএন 90-04-13904-4 
  6. The Baha'i Faith in India: A Developmental Stage Approach by William Garlington, Occasional Papers in Shaykhi, Babi and Baha'i Studies, No. 2 (June, 1997)
  7. Juergensmeyer, Mark (২০০৬)। Oxford Handbook of Global Religions। Oxford: Oxford University Press। পৃষ্ঠা 520। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-৫১৩৭৯৮-৯, ISBN (Ten digit): 0195137981। 
  8. http://www.youtube.com/watch?v=eJMT5HkBhZc
  9. Powell, Robert; Isaacson, Estelle (২০১৩)। Gautama Buddha's Successor (ইংরেজি ভাষায়)। SteinerBooks। আইএসবিএন 978-1-58420-162-5। সংগ্রহের তারিখ ১৭ মে ২০২০ 
  10. Roerich, Elena Ivanovna (১৯৬৭)। Letters, 1929-1938 (ইংরেজি ভাষায়)। Agni Yoga Society। সংগ্রহের তারিখ ১৭ মে ২০২০ 
  11. Plott, John C.; Dolin, James Michael; Hatton, Russell E. (১৯৭৭)। Global History of Philosophy: The period of scholasticism (ইংরেজি ভাষায়)। Motilal Banarsidass Publishe। পৃষ্ঠা 358। আইএসবিএন 978-0-89581-678-8। সংগ্রহের তারিখ ১৭ মে ২০২০ 
  12. Lawrence, Troy (১৯৯০)। New Age Messiah identified: who is Lord Maitreya? : Tara Center's "mystery man" alive and living in London (ইংরেজি ভাষায়)। Huntington House Publishers। পৃষ্ঠা 62। আইএসবিএন 978-0-910311-17-5। সংগ্রহের তারিখ ১৭ মে ২০২০ 
  13. Stutley, Margaret (১৯৮৫)। Hinduism: The Eternal Law : an Introduction to the Literature, Cosmology and Cults of the Hindu Religion (ইংরেজি ভাষায়)। Aquarian Press। আইএসবিএন 978-0-85030-348-3। সংগ্রহের তারিখ ১৭ মে ২০২০ 
  14. "OUR DIALOGUE * Kaliki Avtar"Islamic Voice। নভেম্বর ১৯৯৭। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ 
  15. "Muhammad in Hindu scriptures"Milli Gazette। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-১১-০৬ 
  16. Book: "Kalki Avatar aur Muhammad Sahab" - Dr. Ved Prakash Upadhyay

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]