রতি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
রতি
প্রেম, লিপ্সা ও পরিতোষের দেবী
Rati.jpg
কাম ও রতি
দেবনাগরীरति
অন্তর্ভুক্তিদেবী
আবাসকামলোক
অস্ত্রঅসি
বাহনশুক বা টিয়া
সঙ্গীকামদেব
মাতাপিতাপ্রজাপতি দক্ষ এবং প্রসূতি

রতিদেবী হলেন হিন্দুদের প্রেম, লিপ্সা, জাগতিক আকাঙ্ক্ষা এবং যৌন পরিতৃপ্তির দেবী৷ [১][২][৩][৪] প্রজাপতি দক্ষের কন্যা বলে জ্ঞাত রতিদেবী হলেন জাগতিক যৌন প্রেম ও কামশক্তির দেবতা কামদেবের প্রধানা স্ত্রী এবং তার স্ত্রীবিষয়ক অর্ধাঙ্গিনী৷ স্ত্রী ও সঙ্গিনী হিসাবে বিভিন্ন মন্দিরের স্থাপত্যকর্মে কামদেবের সাথে দেবী রতির মূর্তিও দেখা যায় এবং কামদেব ও রতি সর্বদা যুগলে পূজিত হতেই পছন্দ করেন৷ রতিকে প্রায়শই প্রমোদমূলক ও উত্তেজনাপূর্ণ যৌনক্রিয়ায় লিপ্ত হওয়ার কথা রয়েছে৷ সংস্কৃত ভাষায় একাধিক যৌনপদ্ধতি ও যৌনাসনের নাম এসেছে রতির নাম থেকেই৷

হিন্দু ধর্মগ্রন্থগুলিতে রতির সৌন্দর্য ও যৌনক্ষুধা সংক্রান্ত উল্লেখ রয়েছে৷ বিভিন্ন গ্রন্থে তাঁকে প্রেম ও কামের দেবতাকে পুলকিত করার জন্য সৃষ্টি হওয়ার কথা বর্ণনা করা হয়েছে৷ ক্রোধে শিবের কামদহনকালে কামদেব তথা নিজের স্বামীকে ফিরিয়ে আনার জন্য রতিদেবী তাঁর কাছে সনির্বন্ধ প্রার্থনা জানিয়েছিলেন৷ শিব তাঁকে বর দেন যে তার স্বামী, শ্রীকৃষ্ণের পুত্র প্রদ্যুম্ন রূপে আবার পৃথিবীতে জন্ম নিলে আবার কামদেবের পুনরুত্থান ঘটবে৷ রতিদেবী মায়াবতী নাম নিয়ে জন্মলাভ করেন ও প্রদ্যুম্ন বাল্যকালে পিতা-মাতার থেকে বিচ্ছিন্ন হলে তাঁকে লালনপালন করে এক সমালোচনাপূর্ণ ভূমিকায় উত্তীর্ণ হন৷ মায়াবতী একাধারে প্রদ্যুম্নের পালিকা আবার অপরদিকে প্রেমিকারূপে বর্ণিতা হন এবং প্রদ্যুম্নের উপস্থিতি নিশ্চিত করে এক দানবরাজকে হত্যা করে নিজের পিতা-মাতার কাছে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করেন৷ পরবর্তীকালে কামদেব-প্রদ্যুম্ন রতি-মায়াবতীকে নিজের পত্নীরূপে গ্রহণ করেন৷

নামকরণ[সম্পাদনা]

দেবী রতির নামটি এসেছে সংস্কৃত মূল শব্দ রম থেকে, যার অর্থ "প্রমোদ" বা "পুলকিত হওয়া"৷ যদিও মূল ক্রিয়া রূপে শব্দটি স্বাভাবিক অর্থে যেকোনো ধরনের আনন্দ প্রমোদকে বোঝায় কিন্তু বিভক্তি যোগে রতি শব্দের অর্থ হয় দৈহিক ও জাগতিক আনন্দলাভ৷ আক্ষরিকভাবে রতি শব্দটি যে কোনো প্রকার আনন্দলাভকে সূচিত করলেও মূলত যৌন ভালাবাসা বোঝাতেই রতি শব্দটি ব্যবহৃৎ হয়৷[৫]

জন্ম ও বিবাহ[সম্পাদনা]

বিমিশ্র ঘোটকীর ওপর রতির অবস্থান

হিন্দু গ্রন্থ কালিকা পুরাণ অনুসারে, দশজন প্রজাপতির সৃষ্টির পরে সৃষ্টির দেবতা পদ্মযোনী ব্রহ্মা মানসপুত্র রূপে কামের দেবতা কামদেবকে সৃষ্টি করেন৷ কামদেবকে নিয়োজিত করা হয় তার ইক্ষুধনু ও পুষ্পবাণ দিয়ে সারা বিশ্বসংসারে প্রেম ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য৷ একই ভাবে প্রজাপতি দক্ষকে আদেশ দেওয়া হয় কামদেবের সঙ্গিনী সৃষ্টি করে স্ত্রীরূপে তাঁকে প্রদান করার জন্য৷ কামদেব প্রথম বিরুদ্ধ বাণ ছোড়েন সমস্ত প্রজাপতি ও ব্রহ্মার বিরূদ্ধে, কারণ তারা প্রত্যেকেই ব্রহ্মকন্যা সন্ধ্যার প্রতি আকৃৃষ্ট হয়ে পড়েছিলেন৷ তাদের প্রত্যেকের অবস্থায় শিব পরিহাস করলে ব্রহ্মা এবং অন্যান্য সকল প্রজাপতিগণ বিব্রত হন৷ বিব্রত দেবতাগণ ঘরামাসক্ত হলে দক্ষরাজের ঘাম থেকে সৃষ্টি হয় এক সুন্দরী কন্যা রতি৷ তিনি রতিকে কামদেবকে সঙ্গিনীরূপে দান করেন৷ ঐ একই সময়ে ব্রহ্মা কামদেবকে শাপিত করেন যে সে ভবিষ্যতে শিবের ক্রোধাগ্নিতে প্রজ্বলিত হবে৷ পরে নিজের কথা সংযত করে ব্রহ্মা তাঁকে আশীর্বাদ করেন যে তাঁর আবার পুনর্জন্ম হবে৷[৬] ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ অনুসারে ব্রহ্মার সন্ধ্যাদেবীর প্রতি লিপ্সা জন্মালে তিনি আত্মহত্যায় প্রাণত্যাগ করেন৷ শ্রী বিষ্ণু তাঁকে আবার উদ্ধার করেন এবং রতি নামে কামদেবের সাথে বিবাহ দেন৷ আবার শিব পুরাণ অনুসারে সন্ধ্যার আত্মহত্যার পর তিঁনি রাজা দক্ষের ঘর্মের দ্বারা রতি নামে পুনর্জন্ম পান ও শিবের নির্দেশে কামদেবকে বিবাহ করেন৷[৪] কিছু গ্রন্থে শিবকেই রতির পিতারূপে বর্ণিত করা হয়েছে৷[৭]

হিন্দুদের ধর্মগ্রন্থ মহাভারতে উপাঙ্গীয় গ্রন্থ হিসাবে হরিবংশে কামদেব ও রতিদেবীর দুই পুত্র সন্তানের উল্লেখ রয়েছে, তারা হলেন, "হর্ষ" এবং "যশ"৷ আবার বিষ্ণু পুরাণ অনুসারে নন্দীরূপে রতিদেবীর একটি মাত্র পুত্রসন্তান রয়েছে, তিনি হলেন হর্ষ৷[৮] রামায়ণমহাভারত এই দুটি ধর্মগ্রন্থেই রতিকে কামদেবের স্ত্রী হিসাবে স্পষ্টভাবে মান্যতা দেওয়া হয়েছে৷[৯]

কামদেবের অন্তর্ধান ও মায়াবতীরূপে পুনর্জন্ম[সম্পাদনা]

দানব তারকাসুর বিশ্বজুড়ে ব্যপক ধ্বংসলীলা চালানো শুরু করলে দৈববিধান দেওয়া হয় যে একমাত্র শিবের পুত্রই পারবে তারকাসুরকে দমন করতে৷ কিন্তু শিব তখন তার প্রথমা স্ত্রী সতীর মৃত্যুতে শোকাচ্ছন্ন ও বাহ্যজ্ঞানহীন৷ এই কারণে কামদেবকে দেবতাগণ শিবের কামনা পুনরায় উদ্ভুত করার দায়িত্ব দেন৷ কামদেব রতি দেবীসহ মধু ও বসন্তকে নিয়ে কৈলাস পর্বতের উদ্দেশ্যে রওনা দেন৷ সেখানে গিয়ে কামদেব শিবকে কামবাণ প্রয়োগ করেন (মতান্তরে কামদেব শিবেব মনে প্রবেশ করেন) এবং কামনাশক্তির আহ্বান করেন৷ কামদেবের বাণে ঘায়েল হয়ে শিব সতীর অবতার দেবী পার্বতীর প্রতি আকৃৃষ্ট হয়ে পড়েন৷ সমস্ত ঘটনা বুঝতে পেরে শিব নিজের তৃতীয় নয়নের তেজে কামদেবকে অগ্নিদগ্ধ করেন৷ [১০][১১][১২]

শিবের প্রতি কামদেবের বাণ নিক্ষেপ

ভাগবত পুরাণ অনুসারে রতিদেবী কামদেবের মৃত্যুতে দুর্দশাগ্রস্থ ও মানষিকভাবে আহত হন,[১০] আবার মৎস্যপুরাণপদ্মপুরাণ সংস্করণগুলি অনুসারে, তিনি তাঁর পতির ভস্ম নিজের গায়ে বিলেপিত করেন৷[১২] ভাগবত পুরাণ-এ আরো বলা রয়েছে যে, রতি দেবী পার্বতীর কাছে এর প্রায়শ্চিত্ত বিধান চেয়ে তাঁর কাছে নিজের স্বামীকে ফেরৎ পাওয়ার অনুরোধ জানান৷ পার্বতী তাকে শান্ত্বনা দেন যে কামদেবের পুনর্জন্ম হবে এবং তিনি পৃৃথিবীতে শ্রীবিষ্ণুর অবতার শ্রীকৃষ্ণেরর পুত্র প্রদ্যুম্নরূপে জন্মগ্রহণ করবেন এবং এতকাল যাবৎ রতি সম্বর অসুরের নিকট প্রদ্যুম্নের জন্মের অপেক্ষা করবেন৷ [১০] অন্যান্য গ্রন্থ যেমন মৎস্যপুরাণ, পদ্মপুরাণ, শিব পুরাণ, লিঙ্গপুরাণ এবং কথাসরিৎসাগর গ্রন্থগুলিতে শিবই রতিদেবীকে আশীর্বাদ করে কামদেবের পুনরাবির্ভাবের কথা বলেন৷ [১১][১২][১৩] আবার কিছু কিছু গ্রন্থে বর্ণনা করা হয়েছে যে, রতিদেবী দেবকুলকে অভিশাপিত করেন তাদেরকে এই প্রাণঘাতী উদ্দেশ্যে সামিল করার জন্য৷ পরে সমস্ত দেবতাগণ পার্বতীর কাছে এর বিহিত চাইলে তিনি শিবকে কামদেবের পুনর্জন্মের কথা বলেন৷ আবার ব্রহ্মাণ্ডপুরাণ অনুসারে দেবী পার্বতী অন্যান্য দেবতাগণের পরিকল্পনা ও রতিদেবীর বিষাদের কথা জানতে পেরে অতিশীঘ্র কামদেবকে পুনর্জাগরিত করেন৷ [১৪] খ্যাতনামা সংস্কৃত ভাষার কবি কালিদাস তার কুমারসম্ভবম্‌ কাব্যগ্রন্থে চতুর্থ উপসর্গে রতি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে আলোকপাত করেন৷ এই অংশে তিনি শিব ও পার্বতীর বিবাহ এবং তাদের পুত্রসন্তান স্কন্দর জন্ম ও তারকাসুর বধের বিবরণ দেন৷ ঐ উপসর্গে আরো রয়েছে যে, স্বচক্ষে নিজের স্বামীর মৃৃত্যু দেখে রতি তার স্বামীর চিতায় আত্মাহুতি দিতে সচেষ্ট হন অবং সেই সময়েই এক আকাশবাণী ধ্বনিত হয় ও তাকে আশ্বস্ত করে বলেন যে শিব-পার্বতীর বিবাহই তার স্বামীর পুনরাবির্ভাবের একমাত্র পথ৷ [১৫]

স্কন্দপুরাণ গ্রন্থের কেদারখণ্ড অধ্যায়ে অন্যধরনৈর ঘটনার বিবরণ দেওয়া হয়েছে৷ এই গ্রন্থে কামদেবের অগ্নিদহনের পরে দেবী পার্বতী চিন্তিত হয়ে পড়েন যে কামদেবের অনুপস্থিতিতে তিনি কখনোই শিবকে পাবেন না৷ এই সময় রতিদেবী পার্বতীকে সান্ত্বনা দেন এবং বলেন যে কঠোর তপস্যার দ্বারা তিনি তার উদ্দেশ্য পূরণ করতে পারবেন৷ পরে দেবর্ষি নারদ রতিকে "আপনি কার?" জিজ্ঞাসা করলে তিনি অপমানিত বোধ করে নারদকে কটুকথা বলেন৷ এসময়ে নারদ প্রতিশোধ নিতে সম্বর অসুরকে রতিকে অপহরণ করার জন্য উদ্যত করেন৷ সম্বর তাকে অপহরণ করে নিজের বাড়ীতে নিয়ে গেলেও তিঁনি রতিকে স্পর্শও করতে অপারক ছিলেন কারণ অপহরণকালে সম্বর অভিশাপিত হন যে, রতিদেবীকে স্পর্শ মাত্র তিনি ভস্মীভূত হবেন৷ সেখানে তিনি মায়াবতী নাম গ্রহণ করেন ও রান্নার প্রধান পাচিকা হয়ে ওঠেন৷[২]

কর্ণাটকের বেলুরুতে অবস্থিত চেন্নাকেশব মন্দিরে কামদেব ও রতিদেবীর স্থাপত্য মূর্তি

ভাগবতপুরাণ এবং কথাসরিৎসাগর গ্রন্থ দুটিতেও উল্লেখ রয়েছে শিবের পরামর্শে সম্বর অসুর রতি দেবীকে অপহরণ করেন এবং নিজের প্রধান পাচিকা করে রাখেন৷ সেখানে রতি প্রদ্যুম্নের জন্ম হওয়া অবধি মায়াবতী নামে বাস করতেন৷ সম্বর জানতেন প্রদ্যুম্নের জন্ম হবে তার মৃত্যুর কারণ৷ সম্বর খবর কৃৃষ্ণ ও রুক্মিণীর পুত্র হিসাবে প্রদ্যুম্নের জন্মের বিষয়ে জানতে পারলে প্রদ্যুম্নকে অপহরণ করে সমুদ্রে নিক্ষেপ করলে এক সামদ্রিক মাছ তাকে অচ্ছিন্নভাবে ভক্ষন করে৷ ঐ মাছ আবার জেলেরা ধরে সম্বরের গৃৃৃহেই পাঠায়৷ রান্নার জন্য মাছটি কাটার ব্যবস্থা করতেই মায়াবতী প্রদ্যুম্নকে খুঁজে পান ও আড়ালে তাকে পালন করেন৷ দেবর্ষি নারদ বিস্মৃত মায়াবতীকে মনে করার রতিরূপে তার আত্মপরিচয় এবং এও বলেন যে মাছের পেট থেকে প্রাপ্ত শিশুটি কামদেবেরই পুনর্জন্ম৷ প্রদ্যুম্নের শৈশবকাল থেকে কৈশোর ও যৌবনে পদার্পণের সাথে সাথে মায়াবতীর মাতৃসম স্নেহ ধীরে ধীরে পত্নীপ্রেমে রূপান্তরিত হয়৷ মায়াবতীকে ছোটো থেকে মাতৃরূপে দেখে প্রদ্যুম্ন এই প্রেমকে ক্ষতিকর মনে করেন৷ নারদের উপদেশ মতো মায়াবতী প্রদ্যুম্নকে তাদের পূর্বজন্মের কথা জানায় এবং নারদের কথা মতো এও জানায় যে প্রদ্যুম্ন তাঁর নয় বরং কৃষ্ণ ও রুক্মিণীর পুত্র৷ মায়াবতী প্রদ্যুম্নকে মায়া বিদ্যায় পারদর্শী করেন ও যুদ্ধবিদ্যা শিখিয়ে সম্বরকে হত্যা করার নির্দেশ দেন৷ প্রদ্যুম্ন সম্বরকে যুদ্ধে পরাস্ত করেন৷ মায়াবতীকে স্ত্রী হিসাবে গ্রহণ করে সে কৃষ্ণর রাজধানী দ্বারকাতে প্রবেশ করেন৷ [১০]

বিষ্ণুপুরাণ এবং হরিবংশম-এ প্রায় একই ধরনের ঘটনার বিবরণ পাওয়া যায়, তবে সেখানে মায়াবতীকে মায়াদেবী নামে সম্বরের পাচিকা নয় বরং স্ত্রী হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে৷ ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ অনুসারে মায়াবতী সম্বরের সাথে নিশিযাপন করতো না এবং মায়া দিয়ে তাঁর উপস্থিতি তৈরী করতো৷ [১০][১৬][১৭] প্রতিটি কাহিনীতেই মায়া-রতির বিশুদ্ধতা বজায় থাকার প্রকৃৃৃষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়৷[১৭]

হরিবংশে প্রদ্যুম্নের পুত্র অনিরুদ্ধকে রতিরও পুত্র বলে বর্ণিত করা হয়েছে৷ [১৮]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; swami নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  2. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; wendy নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  3. Patricia Turner and estate of Charles Russell Coulter (২০০০)। Dictionary of ancient deities। Oxford University Press US। পৃষ্ঠা 258, 400। আইএসবিএন 0-19-514504-6 
  4. Kramrisch pp. 253–4
  5. (Monier-Williams 2008, পৃ. 867)
  6. Rati: Mani pp. 644–5
  7. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; suresh নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  8. Hopkins p. 165
  9. Hopkins p. 199
  10. W.J. Wilkins (১৯০০)। "Kamadeva"। Hindu Mythology, Vedic and Puranic। Sacred Texts Archive। আইএসবিএন 1-4021-9308-4 
  11. Kama: Mani pp. 378–9
  12. Benton p. 41
  13. Benton p. 66
  14. Benton pp. 52, 61
  15. Kale, M R; Kālidāsa (১৯৯৯) [1923]। Kumārasambhava of Kālidāsa (7 সংস্করণ)। Motilal Banarsidass। পৃষ্ঠা xxiv। আইএসবিএন 81-208-0161-X  See also the English translation and Sanskrit original of canto IV
  16. Hopkins p. 214
  17. Benton pp. 71–3
  18. Hopkins p. 164