আবদুস সাত্তার ভূঞা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
আবদুস সাত্তার ভূঞা
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী
কাজের মেয়াদ
১০ অক্টোবর ২০০১ – ৭ এপ্রিল ২০০৩
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
কাজের মেয়াদ
২২ মে ২০০৩ – ৬ মে ২০০৪
ভূমি প্রতিমন্ত্রী
কাজের মেয়াদ
৬ মে ২০০৪ – ৩ অক্টোবর ২০০৬
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী
কাজের মেয়াদ
৩ অক্টোবর ২০০৬ – ২৯ অক্টোবর ২০০৬
প্রধানমন্ত্রীখালেদা জিয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন আসনের
সংসদ সদস্য
কাজের মেয়াদ
১৯৯১ – ২০০১
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন আসনের
সংসদ সদস্য
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
৩০ ডিসেম্বর ২০১৯
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্মব্রাহ্মণবাড়িয়া, পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমানে বাংলাদেশ)
রাজনৈতিক দলবাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল

উকিল আবদুস সাত্তার ভূঞা একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ।[১] তিনি মোট ৫ বার ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি সাংগঠনিকভাবে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এবং বাংলাদেশ সরকারের সাবেক ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসেবেও দায়ীত্ব পালন করেন।[২]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

জনাব সাত্তার বড়বাড়ী, পরমানন্দপুর, সরাইল, বাহ্মণবাড়িয়ায় পিতা মুকসুদ আলী ভূঞা ও মাতা রহিমা খাতুন এর ঘরে জন্মগ্রহণ করেন।[৩]

রাজনৈতিক জীবন[সম্পাদনা]

১৯৭৯ সালে কুমিল্লা-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন সাত্তার। পরবর্তিতে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারি ও জুনের নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালের নির্বাচনে তৎকালীন ৪ দলীয় জোট সরকার থেকে টেকনোক্রেট মন্ত্রী হিসেবে আবদুস সাত্তার আইন, মৎস্য ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন। তবে ২০০৮ সালের নির্বাচনের পরে রাজনৈতিক কার্যক্রম থেকে তিনি নিষ্ক্রিয় ছিলেন।

২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি আবারো ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে বিএনপি এর মনোনিত সংসদ সদস্য হিসেবে জয়লাভ করেন।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "আরেক আসনে জয় পেল বিএনপি"নয়াদিগন্ত। ৯ জানুয়ারি ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ৯ জানুয়ারি ২০১৯ 
  2. "ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী জয়ী"৯ জানুয়ারি ২০১৯প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ৯ জানুয়ারি ২০১৯ 
  3. "একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রদত্ত ব্যক্তিগত তথ্যাদি" (PDF)নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশ। নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশ। সংগ্রহের তারিখ ৯ জানুয়ারি ২০১৯