তিতাস নদী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
তিতাস
তিতাস নদীর দৃশ্য
তিতাস নদীর দৃশ্য
দেশ  বাংলাদেশ, ভারত
অঞ্চল চট্টগ্রাম বিভাগ
জেলা ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলা
দৈর্ঘ্য ৯৮ কিলোমিটার (৬১ মাইল)


ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার অন্তর্গত শাহবাজপুর টাউন অঞ্চলের লঞ্চঘাট থেকে তিতাস নদীর দক্ষিণাংশের দৃশ্যমালা (২০১২)

তিতাস নদী মেঘনার প্রধান শাখা নদী,ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার চাতলপাড় এলাকায় মেঘনা নদী থেকে উৎপন্ন হয়ে পূর্বমূখে প্রবাহিত হয়ে বর্তমান বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা গ্রামের উত্তরে পূর্ব দক্ষিন মূখে প্রবাহিত হয়ে আখাউড়া রেল জংসনের দক্ষিন পশ্চিম দিক হতে পশ্চিম উত্তর মূখে প্রবাহিত হয়েনবিনগর উপজেলার মানিকনগর ও লালপুরের মধ্যবর্তি স্থানে পুনরায় মেঘনা নদীতে পতিত হয়। চাতলপার হতে লালপুরের দূরত্ব মাত্র ১৬ মাইল, কিন্তু তিতাস নদীর দৈর্ঘ্য ১২৫ মাইল, মতান্তরে ১৫০ মাইল। নদীটি দেখতে ইংরেজি M অক্ষরের মত।তিতাস নদী বলতে সরকারীভাবে মূল তিতাস নদী স্বিকৃত হলেও ,ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সলিমগঞ্জ ও দড়িকান্দি এলাকায় প্রবাহিত আরো দুইটি  নদীকে অনেকে তিতাস নামে ডেকে থাকে। কুমিল্লা জেলার হোমনা ও মুরাদনগরে ছোট কয়েকটি নদীকে তিতাস নামে ডাকা হয়।তিতাস ও মেঘনা নদীকে ঘিরে যুগ যুগ ধরে বিশ্বের অন্যতম জনবহুল রাষ্ট্র বাংলাদেশে অনেক উপকথা প্রচলিত আছে। তন্মধ্যে একটি উপকথায় বলা হয়েছে যে, তিতাস নদী মেঘনার কন্যা বা মেয়ে

গ্যাসক্ষেত্র[সম্পাদনা]

তিতাস নদীর উপকূলে প্রাপ্ত গ্যাসক্ষেত্রটি তিতাস গ্যাসক্ষেত্র নামে পরিচিত। এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্রগুলির মধ্যে অন্যতম। গুরুত্বপূর্ণ গ্যাস উৎপাদনকারী ক্ষেত্র হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত এই গ্যাসক্ষেত্রটি ১৯৬২ সালে পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি আবিষ্কার করেছিল। ২০০০ সাল পর্যন্ত এখানে ১৪টি কূপ খনন করা হয়েছে। প্রায় ৬৪ বর্গ কিলোমিটারব্যাপী বিস্তৃত এই গ্যাসক্ষেত্রটির ভূ-গঠন গম্বুজ প্রকৃতির।

২০১০ সালে বাংলাদেশ সরকার তিতাস নদীর উপর একটি রেলসেতু নির্মাণের পরিকল্পনা প্রস্তাবনা আকারে গ্রহণ করেছেন।[১]

তিতাস একটি নদীর নাম[সম্পাদনা]

তিতাস একটি নদীর নাম শীর্ষক উপন্যাসের রচয়িতা অদ্বৈত মল্লবর্মণের আবক্ষ মূর্তির সম্মুখভাগ (২০১২)

তিতাস নদী তীরবর্তী এলাকায় অবস্থানরত জেলে সম্প্রদায়ের বসবাস ও তাদের জীবন-সংগ্রামকে কেন্দ্র করে তিতাস একটি নদীর নাম শিরোনামে একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস রচনা করেছেন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক অদ্বৈত মল্লবর্মণ। পরবর্তীকালে তিতাস একটি নদীর নাম শিরোনামে বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক ঋত্মিক ঘটক চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। [২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. railway-technology.com
  2. "Titas Ekti Nadir Naam"। bdbazar.com। সংগৃহীত ২০০৭-১২-০৩ 

৩। J E  webster রচিত Assam Benagal District Gazzetter Tippera-1910       ৪। কুমিল্লা জেলার ইতিহাস- কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রকাশিত।  

স্থানাঙ্ক: ২৩°৪২′ উত্তর ৯০°৪৫′ পূর্ব / ২৩.৭০০° উত্তর ৯০.৭৫০° পূর্ব / 23.700; 90.750