মোহাম্মদ ময়েজউদ্দিন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মোহাম্মদ ময়েজউদ্দিন
মোহাম্মদ ময়েজউদ্দিন.jpg
জন্ম১৭ মার্চ, ১৯৩০
মৃত্যু২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৪
কালীগঞ্জ, গাজীপুর, বাংলাদেশ
অন্য নামশহীদ ময়েজউদ্দিন
প্রতিষ্ঠানবাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
বাংলাদেশ রেডক্রস সোসাইটি
বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতি
দাম্পত্য সঙ্গীবিলকিস ময়েজউদ্দিন
সন্তান৫ মেয়ে ও ১ ছেলে
২য় সন্তান মেহের আফরোজ চুমকি, সংসদ সদস্য
পিতা-মাতামো. ছুরত আলী (বাবা)
মোসাম্মৎ শহর বানু (মা)
পুরস্কারস্বাধীনতা পুরস্কার (২০০১)

মোহাম্মদ ময়েজউদ্দিন (১৭ মার্চ ১৯৩০ - ২৭ সেপ্টেম্বর ১৯৮৪) বাংলাদেশের একজন রাজনীতিবিদ ও সেনাশাসক এরশাদের বিরুদ্ধে সংগঠিত স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের একজন শহীদ।[১] তিনি ছিলেন আইনজীবী, সমাজকর্মী ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী।

পরিচিতি[সম্পাদনা]

ময়েজউদ্দিন ১৯৩০ সালের ১৭ মার্চ গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার বড়হরা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম মো. ছুরত আলী ও মাতার নাম মোসাম্মৎ শহর বানু, পিতা-মাতার চার পুত্র সন্তানের মধ্যে তিনিই জ্যেষ্ঠ। তার কন্যা মেহের আফরোজ চুমকি বর্তমানে কালীগঞ্জ থেকে নির্বাচিত সাংসদ এবং প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন।[১]

শিক্ষা ও কর্মজীবন[সম্পাদনা]

তিনি প্রথমে নোয়াপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা লাভের পর রাজা রাজেন্দ্র নারায়ণ উচ্চ বিদ্যালয়-এ ভর্তি হন এবং এখান থেকে ১৯৪৮ সালে প্রথম বিভাগে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ঢাকা কলেজ-এ ভর্তি হন। ময়েজউদ্দিন ১৯৫০ সালে প্রথম বিভাগে ইন্টারমিডিয়েট পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক শ্রেণীতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে ১৯৫৩ সালে রাষ্ট্র্রবিজ্ঞানে স্নাতক (সম্মান) ও ১৯৫৫ সালে এমএ ডিগ্রী অর্জন করেন। পরবর্তীতে ১৯৬০ সালে এখান থেকে এলএলবি পাস করে আইন পেশায় আত্মনিয়োগ করার সাথে সাথে রাজনীতিতেও সক্রিয় হন।

রাজনৈতিক জীবন[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদান[সম্পাদনা]

স্বাধীনতা পরবর্তীকাল[সম্পাদনা]

মৃত্যু[সম্পাদনা]

১৯৮৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর সেনাশাসক এরশাদের স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে সারা দেশব্যাপী আহূত সকাল-সন্ধ্যা হরতালে একটি মিছিলে নেতৃত্ব দেয়ার সময় কতিপয় দুস্কৃতিকারী কর্তৃক নির্মম ভাবে ছুরিকাহত হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।[২]

সম্মাননা[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বিশেষ অবদান রাখার জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মো. ময়েজউদ্দিনকে ২০০১ সালে স্বাধীনতা দিবস পুরস্কারে (মরণোত্তর) ভূষিত করেন।[৩]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "মোহাম্মদ ময়েজউদ্দিন"Priyo.com। ১ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ নভেম্বর ২০১৩ 
  2. "সগৌরবে স্বমহিমায় ভাস্বর শহীদ ময়েজউদ্দিন"kalerkantho.com [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  3. "স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি"। ২৩ আগস্ট ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ নভেম্বর ২০১৩