পলাশবাড়ী উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
পলাশবাড়ী
উপজেলা
পলাশবাড়ী বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
পলাশবাড়ী
পলাশবাড়ী
বাংলাদেশে পলাশবাড়ী উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৫°১৭′৩″ উত্তর ৮৯°২১′১৪″ পূর্ব / ২৫.২৮৪১৭° উত্তর ৮৯.৩৫৩৮৯° পূর্ব / 25.28417; 89.35389স্থানাঙ্ক: ২৫°১৭′৩″ উত্তর ৮৯°২১′১৪″ পূর্ব / ২৫.২৮৪১৭° উত্তর ৮৯.৩৫৩৮৯° পূর্ব / 25.28417; 89.35389 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ রংপুর বিভাগ
জেলা গাইবান্ধা জেলা
আয়তন
 • মোট ১৮৫.৩৩ কিমি (৭১.৫৬ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট ২,৩১,৭৫৫
 • ঘনত্ব ১৩০০/কিমি (৩২০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট ৩৩.৬৯% (২০০১)
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
ওয়েবসাইট অফিসিয়াল ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

পলাশবাড়ী বাংলাদেশের গাইবান্ধা জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা

অবস্থান[সম্পাদনা]

পলাশবাড়ীর অবস্থানঃ ২৫°১৬'৫২.২৬" উত্তর, ৮৯°২১'১১.৫৬" পূর্ব। এর দক্ষিণে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা ও বগুড়া জেলা, উত্তরে পীরগঞ্জ উপজেলারংপুর জেলা, পূর্বে গাইবান্ধা জেলা সদর ও যমুনা নদী এবং পশ্চিমে ঘোড়াঘাট উপজেলাদিনাজপুর জেলা। এই উপজেলা শহরটি ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। তাছাড়া পলাশবাড়ী-গাইবান্ধা, পলাশবাড়ী-ঘোড়াঘাট রাস্তা জুড়ে বিস্তীর্ণ এলাকা নিয়ে শহরটি গড়ে উঠেছে। উপজেলা শহর হিসাবে মোটামুটি অনেক বড় এলাকা জুড়েই এটি বিস্তৃত।

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

পলাশবাড়ীর আয়তন ১৯০.৬৭ বর্গ কিমি। উত্তরে রংপুরের পীরগঞ্জ, দক্ষিণে গোবিন্দগঞ্জ, পূর্বে সাদুল্লাপুর ও গাইবান্ধা সদর, পশ্চিমে ঘোড়াঘাট। ৮ টি মৌজা নিয়ে গঠিত। এ উপজেলার প্রধান নদী করতোয়া, নালুয়া, মরিচী ও কাটাখালি ।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ইতিহাস খ্যাত রাণী ভবাণীর গো-চারণ ভূ’মি হিসেবে বহুল পরিচিত এই গাইবান্ধা জেলা। উত্তরাঞ্চলের মঙ্গা পীড়িত এ জেলাটি সারা দেশেই বেশ পরিচিত। ১৯১৮ সালে জেলার থানা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে পলাশবাড়ী। ১৯৮৩ সালে পলাশবাড়ী উপজেলা হয়। কবি জসীমউদ্দিন এ উপজেলা থেকে ঘুরে আসার পর নিজের বাড়ির নাম দিয়েছিলেন পলাশবাড়ী। এ উপজেলার রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের এক গৌরবোজ্জল ইতিহাস। উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার পলাশবাড়ীতে দেশের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি যুদ্ধ হয় মুক্তিযুদ্ধের সময়। স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করে রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে পাক বাহিনীর গতি রোধ করে তাদের উত্তরবঙ্গে প্রবেশ দুই দিন পিছিয়ে দিয়েছিল পলাশবাড়ীর আপামর জনতা। পরে তাদেরকে গণহারে হত্যা করে পাকিস্তানি সৈন্যরা। ‘স্বাধীন পলাশবাড়ী ’ গঠনের আহ্বায়ক ছিলেন তোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী এবং সদস্য সচিব ছিলেন ফারুক চৌধুরী।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী পলাশবাড়ীর জনসংখ্যা ২৬০৮০৬ মোট । পুরুষ মহিলার অনুপাত মোটামুটি সমান। যার মধ্যে ৫০.৫৪% পুরুষ ও ৪৯.৪৬% মহিলা। মুসলমান ৯২.৪৮ % , হিন্দু ৭.০২% ও অন্যান্য ০.৫%। শিক্ষার হার বেশ কম। মাত্র ১৯.৫%।

শিক্ষা[সম্পাদনা]

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

জীবন কুমার সাহা যিনি অনেক দরিদ্র মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন৷তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী ছিলেন৷অনেক দরিদ্র ছাএ-ছাত্রীদের তিনি পড়াশুনা চালিয়ে যেতে সাহায্য করেছেন৷মাষ্টার পাড়া দুর্গা পূজা ও কালী পূজা তার হাত ধরেই শুরু হয়৷এছাড়া পলাশবাড়ী কেন্দ্রীয় কালী মন্দিরে তিনি দীর্ঘকাল নিষ্ঠার সহিত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন৷১৯৭১ সালে যুদ্ধে তার গ্রামের বাড়ীতে পাক বাহিনীর বিপক্ষে লড়েছেন৷তিনি দীর্ঘকাল সততার সহিত তার ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান চালিয়ে গেছেন৷কালী পূজায় তিনি গরীব মানুষদের বস্ত্র বিতরন করতেন৷

চিত্তাকর্ষক স্থান[সম্পাদনা]

  • ড্রিমল্যান্ড

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসুত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে উপজেলা"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ২১ ডিসেম্বর, ২০১৪ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]