বিষয়বস্তুতে চলুন

চর রাজিবপুর উপজেলা

চর রাজিবপুর
উপজেলা
মানচিত্রে চর রাজিবপুর উপজেলা
মানচিত্রে চর রাজিবপুর উপজেলা
স্থানাঙ্ক: ২৫°২৩′৫৩″ উত্তর ৮৯°৪১′২০″ পূর্ব / ২৫.৩৯৮০৬° উত্তর ৮৯.৬৮৮৮৯° পূর্ব / 25.39806; 89.68889 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশবাংলাদেশ
বিভাগরংপুর বিভাগ
জেলাকুড়িগ্রাম জেলা
উপজেলা১৯৮৩
সংসদীয় আসনকুড়িগ্রাম-৪
আয়তন[]
  মোট১১১.০৩ বর্গকিমি (৪২.৮৭ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০২২ আদমশুমারি)
  মোট৭৩,৩৮৩[][]
সাক্ষরতার হার[]
  মোট৬১.৩৯%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড৫৬৫০ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
৫৫ ৪৯ ০৮
ওয়েবসাইটদাপ্তরিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

চর রাজিবপুর উপজেলা বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা। স্থানীয় ভাবে এটি রাজিবপুর উপজেলা নামে পরিচিত। বাংলাদেশের নারী খেতাবপ্রাপ্ত বীরপ্রতীক তারামন বিবি এই উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের প্রথম সীমান্ত হাট বালিয়ামারী-কালাইরচর সীমান্ত হাট এই উপজেলায় অবস্থিত।

অবস্থান ও আয়তন

[সম্পাদনা]

ভৌগোলিক ভাবে এই উপজেলাটি জামালপুর সীমান্তে এবং কুড়িগ্রাম জেলার মূল ভুখন্ড থেকে ব্রহ্মপুত্র নদ দ্বারা বিচ্ছিন্ন। এই উপজেলায় ছোট বড় প্রায় ৩০টি চর রয়েছে। এর আয়তন ১১১.০৩২ বর্গ কিলোমিটার।[] রাজিবপুর উপজেলার উত্তরে রৌমারী উপজেলাচিলমারী উপজেলা এবং ব্রহ্মপুত্র নদ, দক্ষিণে জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলাগাইবান্ধা জেলার গাইবান্ধা সদর উপজেলা এবং ব্রহ্মপুত্র নদ, পূর্বে ভারতের আসামমেঘালয় রাজ্য, পশ্চিমে গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

রাজিবপুর থানাটি ১৯৭৭ সালে গড়ে উঠে,পরবর্তীতে ১৯৮৩ সালে চর রাজিবপুর উপজেলা নামে আত্মপ্রকাশ করে।ভৌগোলিক ভাবে জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ডাঙধরা ও চর আমখাওয়া ইউনিয়নের মানুষ রাজিবপুর উপজেলা কেন্দ্রীক।

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস

[সম্পাদনা]

১৯৭১ সালের ৪ আগস্ট পাকবাহিনী কোদালকাটি দখল করে নেয়। ১৩ আগস্ট তারাবরে পাকবাহিনীর সাথে ভয়াবহ যুদ্ধে লিপ্ত হয় মুক্তিবাহিনী, পাকবাহিনী দিশেহারা হয়ে পিছু হটে। ২ অক্টোবর, কোদালকাটি ও শংকর মাধবপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে পাকিস্তানি বাহিনীর প্রচণ্ড যুদ্ধ হয়, যেখানে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহসিকতায় পাকিস্তানি ১০০-১৫০ সেনা হতাহত হয়। পরবর্তীতে ৪ অক্টোবর পাকবাহিনীর পলায়নের মাধ্যমে কোদালকাটি তথা রাজিবপুর মুক্ত হয়।[][]

শংকর মাধবপুরের গণহত্যা

[সম্পাদনা]

শংকর মাধবপুর গ্রামটি ছিল তৎকালীন বৃহত্তর রংপুর জেলার (বর্তমানে কুড়িগ্রাম জেলা) রৌমারী থানার (বর্তমানে রাজিবপুর উপজেলা) কোদালকাটি ইউনিয়নের একটি গ্রাম। দেশের অন্যান্য স্থানের মত স্বাধীনতা সংগ্রামকালীন সময়ে বর্বর দখলদার পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এবং তাদের এদেশীয় দোসররা এখানে চালিয়েছিল এক গণহত্যা। তেররশী, খারুভাঞ্জ, সাজাই, ভেলামারী, উত্তর ভেলামারী, কোদালকাটি, শংকর মাধবপুর এবং দেউয়ার চর নিয়ে গঠিত হয়েছিল কোদালকাটি ইউনিয়নটি। শংকর মাধবপুর ছিল এই ইউনিয়নের সর্ববৃহৎ গ্রাম।

১৯৭১ সালের ৪ আগস্ট, পাকবাহিনী কোদালকাটির বিভিন্ন গ্রামগুলোকে দখলে নিয়ে নেয়। বিভিন্ন গ্রামের মানুষ যাদুরচর ও রাজিবপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী গ্রামে আশ্রয় নেয়। শংকর মাধবপুরের ধনাঢ্য ব্যক্তি বাদশা দেওয়ানী পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর সাথে একটা ভালো সম্পর্ক গড়ে তোলে। তার অনেকগুলো ঘোড়া ছিলো ও আবাদী জমি ছিলো কয়েকশত বিঘা। তার জমিগুলোতে বর্গাচাষি হিসাবে ১৫০ টি পরিবার নিয়োজিত ছিলো। তার আশ্বাসে ৭০/৮০ টি পরিবার চাষাবাদের কাজের জন্য গ্রামে ফিরে আসে। এদের অধিকাংশ নদীর অপর তীরে মুক্তিবাহিনীকে পাকিস্তানি বাহিনীর মুভমেন্ট এর খবর দিতো।

৬ আগস্ট মুক্তিবাহিনী কোদালকাটি সিজ অপারেশন শুরু করে। ৮ আগস্ট তারা পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরক্ষা গড়ে তোলে। ১৩ আগস্ট তারাবরে ব্যাপক যুদ্ধ হয় এর পর পাকবাহিনী পিছু হটে। এর পর আগস্ট-সেপ্টেম্বর জুড়ে আক্রমণ ও পালটা আক্রমণ চলতে থাকে।[][]

১৯৭১ সালের ২ অক্টোবর, এদিন মুক্তিবাহিনীর প্রবল আক্রমণের মুখে কোদালকাটি অবস্থান ছেড়ে পাকিস্তানিরা চিলমারীর উদ্দেশ্যে চলে যায়। যাবার আগ মুহূর্তে পাকিস্তানিরা শংকর মাধবপুর, সাজাই, ভেলামারী ও কোদালাকাটি গ্রামের ৬৫ জন বেসামরিক মানুষকে ১০/১২ জনের দলে দলে রশি দিয়ে বেঁধে খারুভাঞ্জ ক্যাম্পে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে গ্রামবাসীদের দিয়ে তারা তাদের নিহত সৈন্যদের লাশ এবং মাল-সামানা স্টীমার ও লঞ্চে লোড করার কাজে নিয়োজিত করে। নৌকা ঘাট ত্যাগ করার আগে সবাইকে নিয়ে শংকর মাধবপুরের সাজাইয়ে এলএমজি, এমজি এবং এসএমজির ব্রাস্ট ফায়ারে হত্যা করে। বাদশা দেওয়ানীকেও মেরে ফেলে। নিহতদের মধ্যে ৫৭ জনই ছিলো শংকর মাধবপুরের।

লাশগুলো যতোতত্র ফেলে রাখার কারনে কুকুরগুলো লাশের মাংস ভক্ষনের প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়ে এতে অনেকের চেহারা বিকৃত হয়ে যায়। ৪ অক্টোবর গ্রামবাসী ৫৩ জনকে শনাক্ত করতে পারেন, বাদশা দেওয়ানীর চশমা দেখে তাকে শনাক্ত করা হয়। পরের দিন অর্থাৎ ৫ অক্টোবর, ধর্মীয় বিধি অনুযায়ী গনকবরের মাধ্যমে দাফন কাফনের ব্যাবস্থা করা হয়। [][]

প্রশাসন

[সম্পাদনা]

তবে রাজিবপুর উপজেলার মোহনগঞ্জ ইউনিয়ন চিলমারী উপজেলার ঢুষমারা জল থানার আওতাধীন।

উল্লেখযোগ্য গ্রামসমূহ

[সম্পাদনা]

গ্রাম: ১০২টি

  1. বালিয়ামারী
  2. সবুজবাগ
  3. বড়াইডাংগী
  4. শংকর মাধবপুর
  5. সাজাই
  6. ভেলামারী
  7. তারাবর

শিক্ষা ব্যবস্থা

[সম্পাদনা]

সাধারণ কলেজ[১১]

[সম্পাদনা]

টেকনিক্যাল কলেজ

[সম্পাদনা]
  • রাজিবপুর টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ
  • চর রাজিবপুর টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ
  • ব্রাদারহুড ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি

মাধ্যমিক/নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়

[সম্পাদনা]
  • রাজিবপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়
  • রাজিবপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
  • চরনেওয়াজী দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়
  • কোদালকাটি সাদাকাত হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়
  • শংকর মাধবপুর উচ্চ বিদ্যালয়
  • নয়াচর নিম্ন মাধ্যমিক বালক বিদ্যালয়
  • কোদালকাটি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
  • উত্তর কোদালকাটি জুনিয়র স্কুল
  • জাউনিয়ারচর হাই স্কুল
  • শিবের ডাঙ্গী হাই স্কুল
  • নয়াচর বাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
  • মোহনগঞ্জ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়

মাদ্রাসা

[সম্পাদনা]
  • নয়াচর ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা
  • চর রাজিবপুর আলিম মাদ্রাসা
  • রাজিবপুর সবুজবাগ দাখিল মাদ্রাসা
  • বদরপুর দাখিল মাদ্রাসা
  • চর সাজাই দাখিল মাদ্রাসা
  • রাজিবপুর বটতলা মহিলা দাখিল মাদ্রাসা

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়[১২]

[সম্পাদনা]
  • রাজিবপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • চর রাজিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • শংকর মাধবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • রাজিবপুর মুন্সিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • জাউনিয়ার চর মিয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • সরকারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • মোহনগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

যোগাযোগ ব্যবস্থা

[সম্পাদনা]

রাজধানী ঢাকার সাথে সরাসরি বাস যোগে যাতায়াত করা যায়।জেলা শহরে যাতায়াতের জন্য নৌকা দিয়ে নদী পার হতে হয়। অভ্যন্তরীণ পাকা রাস্তা ২০ কিমি, কাঁচা রাস্তা ১৫০ কিমি; নৌপথ ১৪ নটিক্যাল মাইল। পালতোলা নৌকা, ঘোড়ার গাড়ির পাশাপাশি সব ধরনের আধুনিক যানবাহন এখানে চলাচল করে।

অর্থনীতি

[সম্পাদনা]

মোট আবাদী জমি ১৫৪৫০ একর। অর্থকরী ফসল ধান, পাট, সরিষা, বাদাম, কাউন প্রভৃতি। প্রধান রপ্তানি দ্রব্য ধান, পাট, গুড়, বাদাম। শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা মোট ৭টি, কুটির শিল্প ৭টি। কুটিরশিল্প প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কুমার-২২টি, বাঁশ ও বেত শিল্প ৩০টি, স্বর্ণকার ১০টি, কাঠের কাজ ১২টি, দর্জি দোকান-২০টি। শিল্প ও কলকারখানা মধ্যে ওয়েল্ডিং-৫টি, চাল ও আটা মিল। হাটবাজার ৫টি (রাজিবপুর হাট, বর্ডার হাট, কোদালকাটি বাজার, নয়ারচর বাজার এবং শংকর মাধবপুর বাজার)

কৃষি সম্পদ

[সম্পাদনা]
  1. প্রধান ফসল: ধান,ভূট্টা,মরিচ,মাশকলাই, গম, পাট, আলু, আখ, কাউন, শাকসবজি, চিনাবাদাম, রসুন, সরিষা, মসুর।
  2. বিলুপ্তপ্রায় কৃষি ফসল: চিনা,কাউন,আউশ ধান,অড়হর।
  3. প্রধান ফল-ফলাদি: আম,কাঁঠাল, বড়ই, সুপারি, জাম, কলা, তরমুজ।
  • চাষযোগ্য জমি ১৫৪৫০ একর
  • এক ফসলি ২০%, দো ফসলি ৫২%, তিন ফসলি ২৮%
  • সেচের আওতায় আবাদি জমি ৩০%
  • ভূমিহীন ১১%, প্রান্তিক চাষি ৪৪.৫%, মধ্যম চাষি ২০%, বড় চাষি ১২%
  • মাথাপিছু আবাদি জমি ০.০৭ হেক্টর

প্রধান নদী

[সম্পাদনা]

দর্শনীয় স্থান

[সম্পাদনা]

এই উপজেলার প্রায় তিন ভাগের এক ভাগ নদী। আর এই নদীগুলোর কোল ঘেষা গ্রামগুলো দেখতে অনেক সুন্দর। আরও রয়েছে ছোট বড় অনেক চর যা দেখলে মনে হয় এক একটা দ্বীপ। আর এই চরগুলোর সৌন্দর্য কাশফুল আরও বহুগুন বাড়িয়ে দেয়। এই নদীগুলো পাহাড়া দেওয়ার জন্য রয়েছে একটা জলথানা, যা বাংলাদেশের দুইটি জলথানার একটি। এছাড়া রয়েছে পাহাড়িয়া নদী। যে নদী মাঝে মাঝে ভারত বাংলাদেশের মধ্যে ভাগ হয়ে গেছে।

বাংলাদেশের প্রথম বালিয়ামারী-কালাইরচর সীমান্ত হাট রাজিবপুরে অবস্থিত। যা উপজেলাটির বালিয়ামারী এবং ভারতের মেঘালয় রাজ্যের কালাইচর সীমান্তে অবস্থিত।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান

[সম্পাদনা]
  • মসজিদ: ১২৫টি (উপজেলা মডেল মসজিদ,রাজিবপুর বাজার মসজিদ)
  • মন্দির: ১টি
  • গির্জা: নাই

স্বাস্থ্যকেন্দ্র

[সম্পাদনা]
  • উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র
  • পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র
  • যক্ষ্মা ও কুষ্ঠ নিরাময় কেন্দ্র
  • পশু হাসপাতাল
  • কমিউনিটি ক্লিনিক
  • বেসরকারী ক্লিনিক ও হাসপাতাল

উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি

[সম্পাদনা]

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো"bbs.portal.gov.bd (ইংরেজি ভাষায়)। ৬ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২৫
  2. "এক নজরে সাঘাটা উপজেলা"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। জুন ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০১৪[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  3. 1 2 "বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো"bbs.portal.gov.bd (ইংরেজি ভাষায়)। ৬ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২৫
  4. "বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো"bbs.portal.gov.bd। ৬ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২৫
  5. হারুন-অর-রশীদ; মিয়া, শাহজাহান, সম্পাদকগণ (২০২০)। বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জ্ঞানকোষ - ৯ম খন্ড। ঢাকা: বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৩৪-৯২৬৮-৫
  6. 1 2 ইশতিয়াক, আহমাদ (১৫ ডিসেম্বর ২০২৪)। "মুক্তিযুদ্ধে রৌমারীর আফতাব বাহিনী"দ্য ডেইলি স্টার। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২৫
  7. 1 2 "রাজিবপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার হলেন সোলায়মান সরকার"মানবজমিন। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২৫
  8. হারুন-অর-রশীদ; মিয়া, শাহজাহান, সম্পাদকগণ (২০২০)। বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জ্ঞানকোষ - ৯ম খন্ড। ঢাকা: বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৩৪-৯২৬৮-৫
  9. "1971.10.25 | শংকর মাধবপুর গণহত্যা | কুড়িগ্রাম | সংগ্রামের নোটবুক"। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২৫
  10. "চর রাজিবপুর উপজেলা - বাংলাপিডিয়া"bn.banglapedia.org। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২৫
  11. "বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)"banbeis.gov.bd (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৯ আগস্ট ২০২৫[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  12. "কুড়িগ্রাম জেলার সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তালিকা"[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  13. প্রতিবেদক, নিজস্ব (১৫ ডিসেম্বর ২০১৮)। "তারামন বিবির বাড়িতে"দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২৫
  14. "যবিপ্রবিতে বীরপ্রতীক তারামন বিবির নামে হলের নামকরণ"ঢাকা ট্রিবিউন। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২৫
  15. নিউজ, সময়। "নতুন নাম পেলো জাবির ৬ আবাসিক হল | শিক্ষা"Somoy News। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২৫
  16. প্রতিনিধি, নিজস্ব (১৯ আগস্ট ২০২৫)। "গুলির দাগ বুকে নিয়ে আজ রাজিবপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার সোলায়মান সরকার"কুড়িগ্রাম সংবাদ (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২৫

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]