ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ঠাকুরগাঁও সদর
উপজেলা
ঠাকুরগাঁও সদর রংপুর বিভাগ-এ অবস্থিত
ঠাকুরগাঁও সদর
ঠাকুরগাঁও সদর
ঠাকুরগাঁও সদর বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
ঠাকুরগাঁও সদর
ঠাকুরগাঁও সদর
বাংলাদেশে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৬°১′১৫″ উত্তর ৮৮°২৮′৭″ পূর্ব / ২৬.০২০৮৩° উত্তর ৮৮.৪৬৮৬১° পূর্ব / 26.02083; 88.46861স্থানাঙ্ক: ২৬°১′১৫″ উত্তর ৮৮°২৮′৭″ পূর্ব / ২৬.০২০৮৩° উত্তর ৮৮.৪৬৮৬১° পূর্ব / 26.02083; 88.46861 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগরংপুর বিভাগ
জেলাঠাকুরগাঁও জেলা
আয়তন
 • মোট২৩৯.১৪ বর্গকিমি (৯২.৩৩ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট৪,২৭,৯১৩
 • জনঘনত্ব১,৮০০/বর্গকিমি (৪,৬০০/বর্গমাইল)
সাক্ষরতার হার
 • মোট৬৫%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড৫১০০ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
৫৫ ৯৪ ৯৪
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

ঠাকুরগাঁও সদর বাংলাদেশের ঠাকুরগাঁও জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা[২]

অবস্থান[সম্পাদনা]

ঠাকুরগাঁওয়ে টাঙ্গন নদীর পাড়ে অপরাজেয় ৭১ ভাস্কর্য।

এই উপজেলার উত্তরে আটোয়ারী উপজেলাবোদা উপজেলা, দক্ষিণে পীরগঞ্জ উপজেলা (ঠাকুরগাঁও) ও বীরগঞ্জ উপজেলা, পূর্বে বোদা উপজেলা, দেবীগঞ্জ উপজেলাবীরগঞ্জ উপজেলা, পশ্চিমে বালিয়াডাঙ্গি উপজেলারানীশংকাইল উপজেলা

ঠাকুরগাঁও সদর : ইউনিয়ন ২১টি। ১.রুহিয়া, ২.আখানগর, ৩.আকচা, ৪.বড়গাঁও, ৫.বালিয়া, ৬.আউলিয়াপুর, ৭.চিলারং, ৮.রহিমানপুর, ৯.রায়পুর, ১০.জামালপুর, ১১.মোহম্মাদপুর, ১২.সালন্দর, ১৩.গড়েয়া, ১৪.রাজাগাঁও, ১৫.দেবীপুর, ১৬.নারগুন, ১৭.জগন্নাথপুর, ১৮.শুখানপুকুরী, ১৯.বেগুন বাড়ি, ২০.রুহিয়া পশ্চিম, ২১.ঢোলার হাট।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা[সম্পাদনা]

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর তালিকাভুক্ত দুটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা আছে। সেগুলো হচ্ছে ঢোলারহাট শিব মন্দিরজামালপুর জামে মসজিদ[৩]

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা শিক্ষার দিক দিয়ে বেশ উন্নত। এই উপজেলায় বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো :

১। ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় : ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী একটি বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি ১৯০৪ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত। এটি ২০১৬ সালে দেশসেরা বিদ্যালয় হিসেবে পুরষ্কৃত হয়েছে। বিদ্যালয়য়ের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের নাম জনাব পিযূষ কান্ত রায়।

২। ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় : এই বিদ্যালয়টি শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত উপজেলার একমাত্র সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত।

৩। ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ : ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ উত্তরাঞ্চলের একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ঠাকুরগাঁও শহর সংলগ্ন টাঙ্গন নদীর দক্ষিণ-পূর্বে নদীর পাশেই সুন্দর ও মনোরম পরিবেশে ৩৩ একর জমির উপর কলেজটি অবস্থিত। ১ মার্চ ১৯৮০ সালে ঠাকুরগাঁও কলেজকে জাতীয়করণ করে নামকরণ করা হয় ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ। বর্তমান অধ্যক্ষের নাম প্রফেসর ড. মোঃ গোলাম কিবরিয়া মন্ডল।

৪। ঠাকুরগাঁও সরকারি মহিলা কলেজ : ঠাকুরগাঁও সরকারি মহিলা কলেজ এই উপজেলার একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ঠাকুরগাঁও শহরে প্রায় ১ একর জমির উপর কলেজটি অবস্থিত। এই কলেজ বাংলাদেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত। ১ জুলাই ১৯৮৫ সালে কলেজটি জাতীয়করণ করা হয়।

এছাড়াও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ভেলাজান উচ্চ বিদ্যালয়, রিভারভিউ উচ্চ বিদ্যালয়, কালেক্টরেট পাবলিক স্কুল, আবুল হোসেন সরকার মহাবিদ্যালয়, ইকো পাঠশালা প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও শীঘ্রই এখানে একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হবে।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

জেলার অন্যান্য উপজেলাগুলোর মতো সদর উপজেলাও বহুলাংশে কৃষি নির্ভর। প্রধান কৃষিজাত দ্রব্যের মধ্যে রয়েছে ধান, গম, পাট, আখ, ভূট্টা, আলু, মরিচ প্রভৃতি।

নদীসমূহ[সম্পাদনা]

ঠাকুরগাঁওয়ের টাঙ্গন সেতু থেকে টাঙ্গন নদীর দৃশ্য।।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় রয়েছে কয়েকটি নদী। সেগুলো হচ্ছে টাঙ্গন নদী, কুলিক নদী, শুক নদী, ঢেপা নদী, তালমা নদী, পুনর্ভবা নদী, তীরনই নদী, সেনুয়া নদী ও পাথরি নদী।[৪][৫]

কৃতি ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

বিবিধ[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন ২০১৪)। "এক নজরে ঠাকুরগাঁও সদর"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুন ২০১৫ টেমপ্লেট:কার্যকর সংযোগ
  2. "ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০১-৩০ 
  3. "প্রত্নস্হলের তালিকা"বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরhttp://www.archaeology.gov.bd/। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৬  |প্রকাশক= এ বহিঃসংযোগ দেয়া (সাহায্য)
  4. ড. অশোক বিশ্বাস, বাংলাদেশের নদীকোষ, গতিধারা, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ২০১১, পৃষ্ঠা ৪০৫,আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৮৯৪৫-১৭-৯
  5. মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক (ফেব্রুয়ারি ২০১৫)। বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতি। ঢাকা: কথাপ্রকাশ। পৃষ্ঠা ৬১৭। আইএসবিএন 984-70120-0436-4 

গ্যালারি[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]