রৌমারী উপজেলা
| রৌমারী | |
|---|---|
| উপজেলা | |
রৌমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় | |
মানচিত্রে রৌমারী উপজেলা | |
| স্থানাঙ্ক: ২৫°৩৩′৪৩″ উত্তর ৮৯°৫১′০″ পূর্ব / ২৫.৫৬১৯৪° উত্তর ৮৯.৮৫০০০° পূর্ব | |
| দেশ | বাংলাদেশ |
| বিভাগ | রংপুর বিভাগ |
| জেলা | কুড়িগ্রাম জেলা |
| উপজেলা | ১৯৮৩ |
| আসন | কুড়িগ্রাম-৪ |
| আয়তন | |
| • মোট | ১৯৭.৮০ বর্গকিমি (৭৬.৩৭ বর্গমাইল) |
| জনসংখ্যা (২০২২)[১] | |
| • মোট | ২,২৭,৫০৯ |
| • জনঘনত্ব | ১,২০০/বর্গকিমি (৩,০০০/বর্গমাইল) |
| সাক্ষরতার হার | |
| • মোট | ৬০% |
| সময় অঞ্চল | বিএসটি (ইউটিসি+৬) |
| পোস্ট কোড | ৫৬৪০ |
| প্রশাসনিক বিভাগের কোড | ৫৫ ৪৯ ৭৯ |
| ওয়েবসাইট | দাপ্তরিক ওয়েবসাইট |
রৌমারী উপজেলা বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা। এটি মুক্তাঞ্চল উপজেলা হিসেবে খ্যাত। কুড়িগ্রামের মূল ভূখণ্ডের সাথে এই উপজেলাটির কোনো সংযোগ সড়ক নেই, শুধু জল ভিত্তিক পরিবহন ব্যবস্থা রয়েছে। এই উপজেলাটি জামালপুর জেলার খুবই সন্নিকটে এবং ঢাকার সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা বেশ ভালো।
অবস্থান ও আয়তন
[সম্পাদনা]কুড়িগ্রাম জেলার দক্ষিণাংশে ২৫°২৭´ থেকে ২৫°৪৩´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°৪৫´ থেকে ৮৯°৫৩´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ জুড়ে রৌমারি উপজেলার অবস্থান। এ উপজেলার উত্তরে উলিপুর উপজেলা ও ভারতের আসাম, দক্ষিণে চর রাজিবপুর উপজেলা, পূর্বে ভারতের আসাম. পশ্চিমে চর রাজিবপুর উপজেলা, চিলমারী উপজেলা ও উলিপুর উপজেলা।
নামকরণ
[সম্পাদনা]
রৌমারী উপজেলার নামকরণের সঠিক ইতিহাস নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। তবে লোকমুখে প্রচলিত একটি তথ্য অনুযায়ী, অতীতে এই অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে রুই মাছ পাওয়া যেত। এখানে রুই মাছ ধরার কাজকেরৌ মাছ মারা বলা হতো।[২] এই রৌ মারা শব্দ থেকেই রৌমারী নামের উৎপত্তি হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।[৩]
আয়তন
[সম্পাদনা]রৌমারী উপজেলার মোট আয়তন ১৯৭ বর্গ কিলোমিটার।[৪]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]১৯৪৭ সালের ভারত বিভাগের প্রাক্কালে আসামের মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ গোয়ালপাড়া জেলা পূর্ব পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে রৌমারী সীমান্তের নিকট বড়াইবাড়ি নামক স্থানে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ও মানকাচরের আবদুল কাশেম মিয়া পাকিস্তান কেল্লা প্রতিষ্ঠা করেন এবং স্থানীয় যুবকদের সংঘবদ্ধ করে একটি মিলিশিয়া বাহিনী গঠন করেন। এই স্থানে একটি বিশাল মঞ্চ স্থাপন করে সাত দিন ধরে ঐ উঁচু মঞ্চে উঠে মওলানা ভাসানী লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাবেশে ভাষণ দেন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
রৌমারী সদর ইউনিয়নের বাজারপাড়া এলাকায় অবস্থিত দেশের প্রথম ডাকঘরটি ১৯৪৭ সালে স্থাপিত হয়।[৫][৬] স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলাদেশের অস্থায়ী প্রশাসনিক ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটি পর্যাপ্ত তদারকি ও সংস্কারের অভাবে বর্তমানে জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে।[৭][৮]
মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাবলি
[সম্পাদনা]
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময় সেক্টর কামান্ডার মেজর জিয়াউর রহমান, কর্নেল তাহের, উইং কমান্ডার এম হামিদুল্লাহ খান এবং আরও অনেকে পর্যায়ক্রমে এখান থেকে ১১নং সেক্টরে গেরিলা যুদ্ধ সংগঠন ও পরিচালনা করেন। এখানে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো এবং এখান থেকে চিলমারী, উলিপুর ও গাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হতো।[৯]
মুক্তিযুদ্ধের সময় রৌমারীর ৯ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন- আবু আসাদ, আবুল হোসেন, আব্দুল বারী, আব্দুল লতিফ, আব্দুল হামিদ, আব্দুল মজিদ, শহীবর রহমান, খন্দকার আব্দুল আজিজ ও বদিউজ্জামান। রৌমারীকে মুক্তাঞ্চল বলা হয় কারণ পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এ অঞ্চলে আসতে সাহস পায়নি।[১০]
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত সংঘর্ষ
[সম্পাদনা]
এপ্রিল ২০০১ সালে, রৌমারী উপজেলার বড়াইবাড়ি সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটে। ১৮ই এপ্রিল প্রায় ৩০০ জন ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) সদস্য বাংলাদেশের ভূখণ্ডে বড়াইবাড়ি গ্রামের নিকটে প্রবেশ করে। এটি ছিল ভারতের তরফ থেকে পূর্ববর্তী পদুয়া বা পিরদিওয়াহ ঘটনার প্রতিশোধমূলক অভিযান হিসেবে পরিচালিত অনুপ্রবেশ।
বাংলাদেশী সীমান্তরক্ষী বাহিনী (তৎকালীন বিডিআর) অনুপ্রবেশকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে অতর্কিত আক্রমণ চালায় এবং বড়াইবাড়ি বিডিআর ফাঁড়িতে পরিচালিত হামলা প্রতিহত করতে সক্ষম হয়।[১১] সংঘর্ষ চলাকালীন শত শত স্থানীয় গ্রামবাসী বাংলাদেশী সীমান্তরক্ষীদের সহায়তা করে। এই ঘটনায় ১৬ জন ভারতীয় সৈন্য ও ২ জন বাংলাদেশী সীমান্তরক্ষী নিহত হন;[১২] তবে এলাকাবাসীর মতে, নিহত ভারতীয় সৈন্যের সংখ্যা ১৭০ জন পর্যন্ত হতে পারে।[১৩] সংঘর্ষের পর ২০শে এপ্রিল নিহত ভারতীয় সৈন্যদের মরদেহ ফেরত দেওয়া হয় এবং পরদিন, ২১শে এপ্রিল উভয় পক্ষ অস্ত্রবিরতিতে সম্মত হলে সংঘর্ষের অবসান ঘটে।
প্রশাসনিক এলাকা
[সম্পাদনা]রংপুর জেলার অধীনে রৌমারী থানা গঠিত হয় ১৯০৮ সালে এবং ১৯৮৩ সালের ১ আগস্ট থানাকে উপজেলায় রূপান্তর করা হয়। এ উপজেলায় কোনো পৌরসভা নাই ও ৬টি ইউনিয়ন রয়েছে। উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের প্রশাসনিক কার্যক্রম রৌমারী থানার আওতাধীন।
জনসংখ্যার উপাত্ত
[সম্পাদনা]২০২২ সালের আদশুমারী অনুযায়ী এ উপজেলায় মোট জনসংখ্যা ২,২৭,৫০৯ জন। তার মধ্যে পুরুষ ১,১১,৪২২ জন ও মহিলা ১,১৬,০৮৭ জন।[১৪][৪] ২০২৪ সালের উপজেলা নির্বাচন অনুযায়ী এ উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৬৮ হাজার।[১৫]
শিক্ষা
[সম্পাদনা]২০২২ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী রৌমারী উপজেলার সাক্ষরতার হার ৬০%। এ উপজেলায় ১০টি কলেজ, ২টি কারিগরি কলেজ, ২৬টি উচ্চ বিদ্যালয়, ১১৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১টি ফাজিল মাদ্রাসা, ১টি আলিম মাদ্রাসা ও ১৩টি দাখিল মাদ্রাসা রয়েছে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
[সম্পাদনা]- কলেজ
- রৌমারী সরকারি কলেজ (১৯৮৪)
- রৌমারী মহিলা ডিগ্রি কলেজ (১৯৯৫)
- যাদুর চর ডিগ্রি কলেজ (১৯৯৯)
- যাদুর চর মডেল কলেজ (১৯৯৯)
- চর শৌলমারী ডিগ্রী কলেজ(১৯৯৫)
- শহীদ মুক্তিযোদ্ধা কলেজ,পাখিউড়া(২০১১)
- চর শৌলমারী আদর্শ মহিলা কলেজ(২০১৩)
উচ্চ বিদ্যালয়
[সম্পাদনা]- টাপুরচর উচ্চ বিদ্যালয়(১৯৪১)
- টাপুর চর বি.জি উচ্চ বিদ্যালয়
- যাদুর চর উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৪৬)
- রৌমারী সিজি জামান উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৪৮)
- সোনাভরি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় (২০০২), (দ: খনজনমারা)
- চর শৌলমারী বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়(১৯৭০)
- শৌলমারী এম আর উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৮৬)
- চর শৌলমারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
- কাজাইকাটা জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয়
- সোনাপুর উচ্চ বিদ্যালয়
- ফুলবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়
- প্রাথমিক বিদ্যালয়
- নতুন বন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (১৯৬৮)
- খনজনমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (১৯২২)
- রৌমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (১৮৯৮)
- চাকতাবাড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয় (১৯৩২)
- মির্জাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (১৯৩৬)
- চর শৌলমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয
- মাদ্রাসা
- দক্ষিণ টাপুরচর দারুচ্ছুন্নাহ এল এইচ দাখিল মাদ্রাসা (১৯৮৫)
- খনজনমারা গনি মোল্লা মাদ্রাসা (১৯৯৮)
- নূরপুর রহমানিয়া দারুচ্ছুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসা (১৯৭২)
- ফুলুয়ার চর জুনিয়র মাদ্রাসা (১৯৩৩)
- রৌমারী কেরামতিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা (১৯৩৭)
- জাফরগঞ্জ আদর্শ দাখিল মাদ্রাসা
স্বাস্থ্য
[সম্পাদনা]রৌমারী উপজেলায় ১টি সরকারি হাসপাতাল, ২৭টি কমিউনিটি ক্লিনিক ও ২টি পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র রয়েছে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
অর্থনীতি
[সম্পাদনা]রৌমারী উপজেলায় মোট আবাদি জমির পরিমাণ ১৫,৫৫৫ হেক্টর। এ উপজেলার জনগোষ্ঠীর আয়ের প্রধান উৎস কৃষি ৭৭.৪০%, অকৃষি শ্রমিক ৩.৫৭%, শিল্প ০.৮০%, ব্যবসা ৬.৪০%, পরিবহন ও যোগাযোগ ০.৫৭%, চাকরি ৩.২৫%, নির্মাণ ০.৪৯%, ধর্মীয় সেবা ০.১৫%, রেন্ট অ্যান্ড রেমিটেন্স ০.০৭% এবং অন্যান্য ৭.৩০%। ভূমিমালিক ৫৫.০৫%, ভূমিহীন ৪৪.৯৫%। শহরে ৪৫.৩৪% এবং গ্রামে ৫৬.৪৮% পরিবারের কৃষিজমি রয়েছে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
যোগাযোগ ব্যবস্থা
[সম্পাদনা]রৌমারী উপজেলায় ৬৫ কিলোমিটার পাকা রাস্তা, ৪৮৯ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা ও ৩০ নটিক্যাল মাইল নদীপথ রয়েছে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
ধর্মীয় উপাসনালয়
[সম্পাদনা]
রৌমারী উপজেলায় ২৮৮টি মসজিদ, ৭টি মন্দির রয়েছে ও কোনো গির্জা নাই।[১৬]
- রৌমারী উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।
- থানা জামে মসজিদ।
- ব্যাপারীপাড়া জামে মসজিদ (প্রতিষ্ঠিত ১৮৮২)।
নদ-নদী
[সম্পাদনা]রৌমারী উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে ব্রহ্মপুত্র নদ, হলহলি নদী, সোনাভরি নদী, জিঞ্জিরাম নদী। এছাড়াও এ উপজেলায় অনেক বিল রয়েছে, তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিল হল নটান বিল, ইছাকুড়ি বিল, ভেড়ামারী বিল, আলীর ডোবা, মাদাইডাঙ্কার বিল, বাউশমারীর বিল, দেওকুড়া বিল। ধারণা করা হয়, এ উপজেলায় অনেক চর রয়েছে যার মধ্যে থেকে এ অঞ্চলটি জেগে উঠেছে।[১৭]
হাটবাজার
[সম্পাদনা]রৌমারী উপজেলায় ১৯টি হাটবাজার রয়েছে ও ২টি মেলা হয়ে থাকে।[১৮]
- উল্লেখযোগ্য হাটবাজার
- রৌমারী হাট বাজার
- বড়াইকান্দি হাট বাজার
- কর্তিমারী হাট বাজার
- চর শৌলমারী হাট বাজার
- দাঁতভাঙ্গা হাট বাজার
- সায়েদাবাদ হাট বাজার
- আমবাড়ি হাট বাজার
- শিমুলতলী হাট বাজার
- পাখিউড়া হাট বাজার
- টাপুরচর হাট বাজার
- শেখের হাট বাজার
- চুলিয়ার চর হাট বাজার
- সোনাপুর হাট বাজার
- বাইটকামারী হাট বাজার
- কাজাইকাটা গাছবাড়ী হাট বাজার
- গোয়ালগ্রাম হাট বাজার
- খেওয়ার চর হাট বাজার
- কাজাইকাটা লাউবাড়ী হাট বাজার
দর্শনীয় স্থান
[সম্পাদনা]
রৌমারী উপজেলায় দর্শনীয় স্থানের মধ্যে রয়েছে:[১৯][২০]
- বড়াইবাড়ী স্মৃতিসৌধ
- রৌমারী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার
- তুরা স্থলবন্দর
- সোনাভরি নদী
- চাঁন্দমারী পর্যটন কেন্দ্র
- মশার ঘোপ নীলকুঠি
উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি
[সম্পাদনা]- নুরুল ইসলাম (পাপু মিয়া) – ১৯৭০ সালের নির্বাচনে গণ পরিষদের সদস্য।
- মোহাম্মদ সিরাজুল হক – অধ্যক্ষ ও সাবেক সংসদ সদস্য।
- গোলাম হোসেন – রাজনীতিবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্য।
- রোস্তম আলী দেওয়ান – ভাষাসৈনিক, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক।
- জাকির হোসেন – রাজনীতিবিদ ও সাবেক মন্ত্রী, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
- রুহুল আমিন – রাজনীতিবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্য।
- বিপ্লব হাসান পলাশ – রাজনীতিবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্য।
জনপ্রতিনিধি
[সম্পাদনা]- উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসন
| ক্রম নং | পদবী | নাম |
|---|---|---|
| ০১ | উপজেলা চেয়ারম্যান | মো. শহিদুল ইসলাম শালু |
| ০২ | ভাইস চেয়ারম্যান | সামসুল দোহা |
| ০৩ | মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান | মোছাঃ মাহমুদা আক্তার স্মৃতি |
| ০৪ | উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা | নাহিদ খান |
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "এক নজরে রৌমারী"। বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। জুন ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই ২০১৫।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ আফরিদা ইফরাত (২ জানুয়ারি ২০২৩)। "ভ্রমণ পিপাসুদের টানছে রৌমারি বিল"। দৈনিক ইত্তেফাক। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ "রৌমারী উপজেলার পটভূমি"। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০২৪।
- 1 2 "এক নজরে রৌমারী"। সংগ্রহের তারিখ ২০ আগস্ট ২০২৪।
- ↑ এস দিলীপ রায় (২৭ জুন ২০২৪)। "দেশের প্রথম ডাকঘরের জীর্ণ দশা"। দ্য ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ)। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ কাগজ প্রতিবেদক (১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩)। "দেশের প্রথম পোস্ট অফিস পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব"। দৈনিক ভোরের কাগজ। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ রৌমারী প্রতিনিধি (১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩)। "কালের স্বাক্ষী বাংলাদেশের প্রথম পোস্ট অফিস"। দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদ। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ তাহমিন হক ববী (১০ আগস্ট ২০২৪)। "ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে রৌমারীর সেই টিনশেডের ডাকঘর"। দৈনিক জনকণ্ঠ। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ নিজস্ব প্রতিবেদক (৩ ডিসেম্বর ২০১৪)। "পতপত করে উড়ত স্বাধীন বাংলার পতাকা"। দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ শওকত আলী মণ্ডল (১১ মার্চ ২০২২)। "রৌমারী মুক্তাঞ্চল হিসেবে স্বীকৃতি পাক"। দৈনিক সমকাল। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ "India-Bangladesh border battle"। BBC News। ১৮ এপ্রিল ২০০১। ২০ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ এপ্রিল ২০২৪।
- ↑ "কুড়িগ্রামে কুড়ি বছর আগের যে 'যুদ্ধে' ১৬ জন বিএসএফ মারা যায়"। বিবিসি নিউজ। ১৬ এপ্রিল ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২৫ অক্টোবর ২০২৫।
- ↑ ইমরান মাহমুদ (২ সেপ্টেম্বর ২০২৪)। "যেভাবে মাত্র ৮ বিডিআর সদস্যের কাছে পরাজিত হয়েছিল ভারতীয় বাহিনী (ভিডিও)"। বাংলাভিশন। সংগ্রহের তারিখ ২৫ অক্টোবর ২০২৫।
- 1 2 জনসংখ্যা ও আবাসন শুমারি ২০২২ - জেলা প্রতিবেদন: কুড়িগ্রাম (পিডিএফ)। জেলা সিরিজ। ঢাকা: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। জুন ২০২৪। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৪৭৫-২৭৭-১। ৭ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
- ↑ "রৌমারীতে চেয়ারম্যান হলেন শালু"। সংগ্রহের তারিখ ২০ আগস্ট ২০২৪।
- ↑ "মসজিদ"। ২০ আগস্ট ২০২৪।
- ↑ "নদ-নদী - রৌমারী উপজেলা"। www.rowmari.kurigram.gov.bd। ৮ জানুয়ারি ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ জানুয়ারি ২০২২।
- ↑ "হাট-বাজারের তালিকা"। সংগ্রহের তারিখ ২০ আগস্ট ২০২৪।
- ↑ "দর্শনীয় স্থান"। সংগ্রহের তারিখ ২০ আগস্ট ২০২৪।
- ↑ https://bn.m.wikivoyage.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A7%8C%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80_%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE%5B%5D
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]| বাংলাদেশ বিষয়ক এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |