"বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
সম্পাদনা সারাংশ নেই
}}
{{এশিয়ার মসজিদ}}
'''বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ'''<ref>{{citation |url=http://www.dscc.gov.bd/site/photogallery/514a79b1-8aff-4c7e-91f1-515f32d0a2e9/ |title=বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ|first= |last= |publisher=ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন|date=১৬ মে ২০১৮ |accessdate=2016-05-18}}</ref><ref name="জাতীয় মসজিদ">{{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম=জাতীয় মসজিদ: (সূচীপত্র সিরিয়াল নং-০৭)|শেষাংশ= |প্রথমাংশ= |লেখক-সংযোগ= |coauthors= |বছর=২০১৬ |প্রকাশক= ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের অতীত ও বর্তমান |অবস্থান= |আইএসবিএন= |পাতা= ২৬|পাতাসমূহ= |সংগ্রহের-তারিখ= |ইউআরএল=}}</ref> ({{lang-ar|'''بيت المكرَّم الوطني مسجد'''}}) [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] জাতীয় মসজিদ।<ref>[http://www.bangladesh.com/blog/baitul-mukarram-the-national-mosque-of-bangladesh বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ - বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ]</ref><ref name="বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ">{{citation |url=http://www.parjatan.gov.bd/site/page/891113fb-9c74-495e-b1c6-fbde9d8717d7/বায়তুল-মোকাররম-জাতীয়-মসজিদ|title=বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ: বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ|first= |last= |publisher=গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, পর্যটন মন্ত্রণালয়|date=১ ডিসেম্বর ২০১৪ |accessdate=2014-12-01}}</ref> মসজিদটি রাজধানী ঢাকার প্রাণকেন্দ্র পল্টনে অবস্থিত।<ref name="জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম"/> ১৯৬৮ সালে মসজিদটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়। এর স্থাপত্যশৈলী অত্যন্ত দৃষ্টিনন্দন। তৎকালীন পাকিস্তানের বিশিষ্ট শিল্পপতি লতিফ বাওয়ানি ও তার ভাতিজা ইয়াহিয়া বাওয়ানির উদ্যোগে এই মসজিদ নির্মাণের পদক্ষেপ গৃহীত হয়। মসজিদে একসাথে ৩০,০০০ মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারে, ফলে ধারণক্ষমতার দিক দিয়ে এটি বিশ্বের ১০ম বৃহত্তম মসজিদ। তবে মসজিদটিতে জুমার নামাজ ছাড়াও বিশেষত রমজানের সময় অত্যাধিক মুসল্লির সমাগম হয় বিধায়, বাংলাদেশ সরকার মসজিদের ধারণক্ষমতা ৪০ হাজারে উন্নিত করে।<ref>{{citation |url=http://www.dhaka.gov.bd/site/religious_institutes/f2bd34a7-ab2e-45ff-8a73-317f3ffe1b3a/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%B0%E0%A6%AE-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A6/ |title=বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ|first= |last= |publisher=বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন|date=২২ জানুয়ারি ২০১৯ |accessdate=2019-01-22}}</ref>
 
== ইতিহাস ==
আব্দুল লতিফ ইব্রাহিম বাওয়ানি প্রথম ঢাকাতে বিপুল ধারণক্ষমতাসহ একটি বৃহত্তর মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনার কথা প্রকাশ করেন। ১৯৫৯ সালে ‘বায়তুল মুকাররম মসজিদ সোসাইটি’ গঠনের মাধ্যমে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়। পুরান ঢাকা ও নতুন ঢাকার মিলনস্থলে মসজিদটির জন্য পল্টনে ৮.৩০ একর জমিজায়গা অধিগ্রহণ করা হয়। যাস্থানটি পল্টননগরীর প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্র থেকেও ছিল নিকটবর্তী। সেই সময় মসজিদের অবস্থানে একটি বড় পুকুর ছিল। ২৭যা জানুয়ারি'পল্টন ১৯৬০পুকুর' সালেনামে পরিচিত ছিল। পুকুরটি ভরাট করারকরে মধ্য২৭ দিয়েজানুয়ারী ১৯৬০ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খান মসজিদের নির্মাণ কাজের উদ্ভোধন করেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম |ইউআরএল=https://www.ntvbd.com/religion-and-life/137003/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A6-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%B0%E0%A6%AE |ওয়েবসাইট=এনটিভি অনলাইন |তারিখ=১৫ জুন ২০১৭}}</ref>
 
সিন্ধুর বিশিষ্ট স্থপতি আব্দুল[[আব্দুলহুসেন হুসেনএম. থারিয়ানিকেথারিয়ানি]]কে মসজিদ কমপ্লেক্সটির নকশার জন্য নিযুক্ত করা হয়। পুরো কমপ্লেক্স নকশার মধ্যে দোকান, অফিস, গ্রন্থাগার ও গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত হয়। মসজিদটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হবার পর শুক্রবার, ২৫ জানুয়ারী ১৯৬৩ সালে প্রথমবারের জন্য এখানে নামাজ পড়া হয়। মসজিদটি আটতলা। এ মসজিদের শোভাবর্ধন এবং উন্নয়নের কাজ এখনও অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে মূল মসজিদ এবং উত্তর, দক্ষিণ ও পূর্ব সাহান মিলিয়ে সর্বমোট ৪০ সহস্রাদিক মুসল্লী একত্রে নামায আদায় করতে পারেন। মসজিদের অভ্যন্তরে ওযুর ব্যবস্থাসহ মহিলাদের জন্য পৃথক নামায কক্ষ ও পাঠাগার রয়েছে। মসজিদের নিচতলায় রয়েছে একটি বৃহত্তর অত্যাধুনিক ও সুসজ্জিত মার্কেট কমপ্লেক্স।<ref name="বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ"/> ১৯৭৫ সালের ২৮ মার্চ থেকে [[ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ]] এই মসজিদের রক্ষণাবেক্ষণ করে আসছে। ২০০৮ সালে সৌদি সরকারের অর্থায়নে মসজিদটি সম্প্রসারিত করা হয়। বর্তমানে এই মসজিদে একসঙ্গে ৪০ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন।
 
১৯৭৫ সালের ২৮ মার্চ থেকে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান [[ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ]] এই মসজিদের রক্ষণাবেক্ষণ করে আসছে। বর্তমানে বায়তুল মোকাররম মসজিদটি আটতলা। নিচতলায় রয়েছে বিপণিবিতান ও গুদামঘর। দোতলা থেকে ছয়তলা পর্যন্ত প্রতি তলায় নামাজ পড়া হয়।
 
২০০৮ সালে সৌদি সরকারের দানের সহায়তায় মসজিদটিকে সম্প্রসারিত করা হয়। বর্তমানে এই মসজিদে একসঙ্গে ৪০ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। এ মসজিদের শোভাবর্ধন এবং উন্নয়নের কাজ এখনও অব্যাহত রয়েছে।
 
== স্থাপত্যশৈলী ==
=== বাগান ===
মসজিদের বিশাল এলাকা জুড়ে রয়েছে বাগান। বাগানটি মুঘল শৈলীতে স্থাপন করা।
{{clear}}
 
== মসজিদ ভবন ==
বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদটি ৮ তলা। নীচতলায় রয়েছে বিপণী বিতান ও বিশাল মার্কেট। দোতলা থেকে ছয়তলা পর্যন্ত প্রতি তলায় নামাজ পড়া হয়। বর্তমানে মূল মসজিদ এবং উত্তর, দক্ষিণ ও পূর্ব সাহান মিলিয়ে সর্বমোট ৪০ সহস্রাদিক মুসল্লী একত্রে নামায আদায় করতে পারেন। মসজিদের অভ্যন্তরে ওযুর ব্যবস্থাসহ মহিলাদের জন্য পৃথক নামায কক্ষ ও পাঠাগার রয়েছে। ১ম তলার আয়তন ২৬,৫১৭ বর্গফুট, দ্বিতীয় তলার আয়তন ১০,৬৬০ বর্গফুট, তৃতীয় তলার আয়তন ১০,৭২৩ বর্গফুট, চতুর্থ তলার আয়তন ৭৩৭০ বর্গফুট, পঞ্চম তলার আয়তন ৬,৯২৫ বর্গফুট এবং ষষ্ঠ তলার আয়তন ৭৪৩৮ বর্গফুট। জুম্মা ও ঈদের সময় বাড়তি ৩৯,৮৯৯ বর্গফুটে নামাজ পড়া হয়। মহিলাদের ৬,৩৮২ বর্গফুটের নামাজের জায়গা রয়েছে, যা মসজিদের তিনতলার উত্তর পাশে অবস্থিত। পুরুষদের ওজুখানার জন্য ব্যবহৃত হয় ৬,৪২৫ বর্গফুট। মহিলাদের ওজুখানার জন্য ব্যবহৃত হয় ৮৮০ বর্গফুট। মসজিদের প্রবেশ পথটি রাস্তা হতে ৯৯ ফুট উঁচুতে অবস্থিত।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে দেশের বৃহত্তম মসজিদ বায়তুল মুকাররম |ইউআরএল=http://www.dailysangram.com/post/336091-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%83%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AE-%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A6-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%B0%E0%A6%AE |ওয়েবসাইট=দৈনিক সংগ্রাম |তারিখ=১ জুলাই ২০১৮}}</ref>
 
== পর্যটক ==

পরিভ্রমণ বাছাইতালিকা