লালবাগের কেল্লা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
লালবাগের কেল্লা
Lalbag Fort 008.jpg
লালবাগ কেল্লার সম্মুখ দৃশ্য
প্রাক্তন নাম কেল্লা আওরঙ্গবাদ
সাধারণ তথ্য
অবস্থা একটি অসমাপ্ত মুঘল দুর্গ স্থাপনা ।বর্তমানেঃ জাদুঘর ও ঐতিহাসিক নিদর্শন
ধরন দুর্গ স্থাপনা
স্থাপত্য রীতি মুঘল স্থাপত্য
ঠিকানা পুরনো ঢাকার লালবাগে, ঢাকা ১২১১ । পূর্বেঃ ঢাকার , দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে
স্থানাঙ্ক ২৩°৪৩′০৮″উত্তর ৯০°২৩′১৯″পূর্ব / ২৩.৭১৮৯১৫° উত্তর ৯০.৩৮৮৫৬৭° পূর্ব / 23.718915; 90.388567
নির্মাণ শুরু হয়েছে ১৬৭৮
আনুমানিক সম্পূর্ণকরণ ১৬৮৪
স্বত্বাধিকারী বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ব বিভাগ
মাত্রা
অন্যান্য মাত্রা দেওয়ান-ই-আমঃ বাহ্যিক পরিমাপ , ৩২.৪৭ মিটার x ৮.১৮ মিটার (১০৭’ x ২৯’)
পরী বিবির সমাধি:২০.২ মিটার,বর্গাকৃতি
শাহী মসজিদ:আয়তাকার, (১৯.১৯ মি: × ৯.৮৪ মি)
নকশা এবং নির্মান
স্থপতি মুহাম্মদ আজম শাহ
উপাধি Padshah-i-Mumalik Abu'l Faaiz Qutb-ud-Din Muhammad Azam Shah-i-Ali Jah Ghazi
ওয়েবসাইট
http://www.dhaka.gov.bd/
মুঘল সাম্রাজ্য
گورکانیان (ফারসি)
গুরকানিয়ান
مغلیہ سلطنت (উর্দু)
মুগলিয়া সালতানাত

 

 

 

১৫২৬–১৫৪০
১৫৫৫–১৮৫৭

 

 

 

Mughal
মুঘল সাম্রাজ্যের সর্বো‌চ্চ সীমানা, (১৭০৭ সালে)
রাজধানী আগ্রা
(১৫২৬–১৫৪০; ১৫৫৫-১৫৭১)
ফতেহপুর সিক্রি
(১৫৭১–১৫৮৫)
লাহোর
(মে, ১৫৮৬–১৫৯৮)
আগ্রা
(১৫৯৮–১৬৪৮)
শাহজাহানাবাদ, দিল্লি
(১৬৪৮–১৮৫৭)
ভাষাসমূহ চাগতাই তুর্কি (প্রাথমিকভাবে)
ফারসি (সরকারি)[১]
উর্দু ( কথ্য,পরবর্তী সময়)
ধর্ম ইসলাম (১৫২৬–১৮৫৭)
দীন-ই-ইলাহি (১৫৮২–১৬০৫)
সরকার রাজতন্ত্র, ফেডারেল কাঠামোর এককেন্দ্রিক সরকার
সম্রাট[২]
 -  ১৫২৬–১৫৩০ বাবর (প্রথম)
 -  ১৮৩৭–১৮৫৭ দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ (শেষ)
ঐতিহাসিক যুগ প্রাক আধুনিক
 -  পানিপথের প্রথম যুদ্ধ ২১ এপ্রিল ১৫২৬
 -  Empire interrupted by সুরি সাম্রাজ্য ১৫৪০-১৫৫৫
 -  আওরঙ্গজেব এর মৃত্যু ৩ মার্চ ১৭০৭
 -  দিল্লি অবরোধ ২১ সেপ্টেম্বর ১৮৫৭
আয়তন
 -  ১৬৯০[৩]  বর্গ কি.মি. ( বর্গ মাইল)
জনসংখ্যা
 •  ১৬৫০[৪] আনুমানিক ১৪,৫০,০০,০০০ 
মুদ্রা রুপি[৫]
বর্তমানে অংশ  আফগানিস্তান
 বাংলাদেশ
 ভারত
 পাকিস্তান
সতর্কীকরণ: "মহাদেশের" জন্য উল্লিখিত মান সম্মত নয়

লালবাগের কেল্লা (কেল্লা আওরঙ্গবাদ নামে পরিচিত ছিল ) ,বাংলাদেশের ঢাকার , দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত ১৭ শ শতকে নির্মিত একটি অসমাপ্ত মুঘল দুর্গ স্থাপনা।[৬] এটির নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল ১৬৭৮ সালে ,মুঘল সুবাদার মুহাম্মদ আজম শাহ কতৃক , যিনি ছিলেন সম্রাট আওরঙগজেবের পুত্র এবং পরবর্তীতে নিজেও সম্রাট পদপ্রাপ্ত হয়েছিলেন । তার উত্তরসুরী , মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে নির্মাণকাজ পুনরায় শুরু করেন , কিন্তু শেষ করেননি ।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

সম্রাট আওরঙগজেবের ৩য় পুত্র , মুঘল রাজপুত্র আজম শাহ বাংলার সুবাদার থাকাকালীন ১৬৭৮ সালে এটির নির্মাণকাজ শুরু করেন । তিনি বাংলায় ১৫ মাস ছিলেন ।দুর্গের নির্মাণকাজ শেষ হবার আগেই মারাঠা বিদ্রোহ দমনের জন্য পিতা সম্রাট আওরঙগজেব তাকে দিল্লি ডেকে পাঠান । এসময় একটি মসজিদ ও দরবার হল নির্মাণের পর দুর্গ নির্মাণের কাজ থেমে যায়।নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে পুনরায় বাংলার সুবাদার হিসেবে ঢাকায় এসে দুর্গের নির্মাণকাজ পুনরায় শুরু করেন।১৬৮৪ সালে এখানে শায়েস্তা খাঁর কন্যা ইরান দুখত রাহমাত বানুর (পরী বিবি) মৃত্যু ঘটে ।কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান এ দুর্গটিকে অপয়া মনে করেন এবং ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে অসমাপ্ত অবস্থায় এর নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেন।[৭] লালবাগের কেল্লার তিনটি প্রধান স্থাপনার একটি হল পরী বিবির সমাধি ।শায়েস্তা খাঁর ঢাকা ত্যাগ করার পর এটি এর জনপ্রিয়তা হারায় । ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে রাজধানী স্থানান্তর করা হয়েছিল ;এটিই ছিল প্রধান কারণ।রাজকীয় মুঘল আমল সমাপ্ত হওয়ার পর দুর্গটি পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়ে যায় । ১৮৪৪ সালে এলাকাটি "আওরঙ্গবাদ " নাম বদলে "লালবাগ" নাম পায় এবং দুর্গটি পরিণত হয় লালবাগ দুর্গে ।[৮]

লালবাগ কেল্লার দরবার হলের মধ্যকার জাদুঘরের প্রদর্শিত শিলালিপি।

মুঘল সাম্রাজ্য ও শায়েস্তা খাঁ[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধগুলি: মুঘল সাম্রাজ্য এবং শায়েস্তা খাঁ

অবকাঠামো[সম্পাদনা]

দীর্ঘ সময় যাবত এটি ধারনা করা হত যে , দুর্গটি হচ্ছে তিনটি ভবন স্থাপনার সমন্বয় ( মসজিদ ,পরী বিবির সমাধি ও দেওয়ান-ই-আম) ,সাথে দুটি বিশাল তোরণ ও আংশিক ধ্বংসপ্রাপ্ত মজবুত দুর্গ প্রাচীর।বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক উৎখননে অন্যান্য অবকাঠামোর অস্তিত্ব প্রকাশ পেয়েছে ।

দক্ষিণস্থ দুর্গ প্রাচীরের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে একটি বিরাট বুরূজ ছিল । দক্ষিণস্থ দুর্গ প্রাচীরের উত্তরে ছিল কয়েকটি ভবন ,আস্তাবল , প্রশাসনিক ভবন,  এবং পশ্চিম অংশে জলাধার ও ফোয়ারা সহ একটি সুন্দর ছাদ-বাগানের ব্যাবস্থা ছিল ।

আবাসিক অংশটি ছিল দুর্গ প্রাচীরের পশ্চিম-পূর্বে , প্রধানত মসজিদটির দক্ষিণ-পশ্চিমে ।

দক্ষিণের দুর্গ প্রাচীরে নির্দিষ্ট ব্যবধানে ৫ টি বুরুজ ছিল উচ্চতায় দুই তালার সমান , এবং পশ্চিমের দুর্গ প্রাচীরে ছিল ২ টি বুরুজ যার সবচেয়ে বড়টি ছিল দক্ষিণস্থ প্রধান প্রবেশদ্বারে ।

বুরুজ গুলোর ছিল একটি ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ ।কেল্লাটির কেন্দ্রীয় এলাকা দখল করে ছিল তিনটি প্রধান ভবন । পূর্বে দেওয়ান-ই-আম ও হাম্মাম খানা , পশ্চিমে মসজিদটি এবং পরী বিবির সমাধি দুটোর মাঝখানে - এক লাইনে , কিন্তু সমান দূরত্বে নয় । নির্দিষ্ট ব্যবধানে কয়েকটি ফোয়ারা সহ একটি পানির নালা তিনটি ভবনকে পূর্ব থেকে পশ্চিমে ও উত্তর থেকে দক্ষিণেে সংযুক্ত করেছে ।

দেওয়ান-ই-আম[সম্পাদনা]

দিওয়ান-ই-আম বাংলার মুঘল গভর্নর কমপ্লেক্সের পূর্ব সাইটে অবস্থিত একটি দোতলা বাসভবন. [4] একটি একতলা সাধারণের জন্য প্রাচোর স্নানাগার বা গোসলখানা তার পশ্চিমে সংযুক্ত করা হয়. সাধারণের জন্য প্রাচোর স্নানাগার বা গোসলখানা অংশ ফুটন্ত পানির জন্য একটি ভূগর্ভস্থ কক্ষ রয়েছে. একটি দীর্ঘ পার্টিশন দেয়াল সাধারণের জন্য প্রাচোর স্নানাগার বা গোসলখানা পশ্চিমাঞ্চলীয় ছদ্মরূপ বরাবর চালানো. [1]

ভবন ট্যাংক পশ্চিমে 39 মিটার (136 ') অবস্থিত, উত্তর থেকে দক্ষিণে চলমান. ভবনের বাইরের পরিমাপ 32.47m এক্স 8.18m (107 'এক্স 29') হয়. [5]

দুটি গল্প এবং তাদের সংযোগ একটি প্রধান কেন্দ্রীয় হল পথের প্রতিটি স্তরের উপর জীবন্ত আবাস হয়. ভবন যা সপ্তম হাম্মামখানা এখনও বাংলাদেশের ঐতিহ্য ধ্বংসাবশেষ বিদ্যমান অন্যতম দক্ষিণ অংশে একটি হাম্মামখানা (Bathhouse) নেই. [5]

সাম্প্রতিক উৎখনন (1994-2009) দেন হাম্মামখানা, যেখানে প্রত্নতাত্ত্বিকরা পোড়ামাটির পাইপ যা বিশেষভাবে জন্য উৎপাদন করা হয়েছে মাধ্যমে হাম্মামখানা থেকে জল গরম, গরম পানি সরবরাহের ব্যবস্থা সেইসাথে শীতল পানি পাওয়া রুম নিচে একটি বিশেষ স্থান ছিল যে উক্ত উদ্দেশ্যে. ভূগর্ভস্থ কক্ষ প্রমাণ কালো দাগ আবিষ্কার যে আগুন হাম্মামখানা জন্য জল গরম করার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়েছে. এছাড়া হাম্মামখানা ধারে একটি টয়লেট রুমে ছিল. [5]

সকল হাম্মামখানা ব্যবস্থা সহ ভবন পরিষ্কারভাবে দেখায় যে এটা বাংলার সুবেদার ব্যবহারে খুব বেশী ছিল এবং যে সুবেদার শায়েস্তা খান. ইংরেজি কারখানার গভর্নরের রিপোর্ট থেকে এটা জানা গেছে যে শায়েস্তা খান এই রুমে বাস করত এবং কিছু ইউরোপীয়দের হেফাজতে এখানে রাখা হয়. [6]

দরবার হল ও হাম্মাম খানা[সম্পাদনা]

পরী বিবির সমাধি[সম্পাদনা]

লালবাগ কেল্লার তিনটি স্থাপনার মধ্যে অন্যতম এটি। এখানে পরিবিবি সমাহিত আছেন। শায়েস্তা খান তাঁর কন্যার স্মরণে এই মনমুগ্ধকর মাজারটি নির্মাণ করেন।লালবাগ কেল্লার তিনটি বিশাল দরজার মধ্যে বর্তমানে জনসাধারণের জন্যে উন্মুক্ত মাত্র একটি দরজা ।এই দরজা দিয়ে ঢুকলে বরাবর সোজা চোখে পড়ে পরী বিবির সমাধি। আসলে " লালবাগ কেল্লা " বলতে যেই ছবিটি বেশী পরিচিত সেটি মূলত পরী বিবির সমাধির ছবি।পরিবিবি যার অন্য নাম ইরান দুখত রাহমাত বানু ছিলেন বাংলার মুঘল শায়েস্তা খানের কন্যা। মুঘল সম্রাট আওরংগজেবের পুত্র শাহজাদা আজম এর সাথে ১৬৬৮ ইং সালের ৩ মে পরিবিবির বিয়ে হয়। ১৯৮৪ সালে পরিবিবির অকাল মৃত্যুর পর তাঁকে নির্মানাধীন লালবাগ কেল্লার অভ্যন্তরে সমাহিত করা হয়। তাঁর সমাধীস্থলকে চিনহিত করে পরিবিবির মাজার নির্মিত হয়। পরিবিবির মাজার এর স্থাপনাটি চতুষ্কোন। মার্বেল পাথর, কষ্টি পাথর ও বিভিন্ন রং এর ফুল-পাতা সুশোভিত চাকচিক্যময় টালির সাহায্যে অভ্যন্তরীণ নয়টি কক্ষ অলংকৃত করা হয়েছে। মাঝের একটি ঘরে পরিবিবির সমাধিস্থল এবং এই ঘরটি ঘিরে আটটি ঘর আছে। স্থাপনাটির ছাদ করবেল পদ্ধতিতে কষ্টি পাথরে তৈরী এবং চারকোণে চারটি অষ্টকোণ মিনার ও মাঝে একটি অষ্টকোণ গম্বুজ আছে। মূল সমাধি সৌধের কেন্দ্রীয় কক্ষের উপরের এই গম্বুজটি একসময়ে স্বর্ণখচিত ছিল ,পরবর্তীতে পিতলের/ তামার পাত দিয়ে পুরো গম্বুজটিকে মুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।স্থাপনাটির অভ্যন্তর ভাগ সাদা মার্বেল পাথর দিয়ে আচ্ছাদিত। [৯].[১০]. ২০.২ মিটার বর্গাকৃতির এই সমাধিটি ১৬৮৮ খ্রিস্টাব্দের পুর্বে নির্মিত। তবে এখানে পরীবিবির মরদেহ বর্তমানে নেই বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত। 

তিন গম্বুজওয়ালা  দুর্গ মসজিদ (শাহী মসজিদ)[সম্পাদনা]

লালবাগ কেল্লা মসজিদ, সম্রাট আওরঙ্গজেবের ৩য় পুত্র শাহজাদা আজম বাংলার সুবাদার থাকাকালীন এই মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন ১৬৭৮-৭৯ খ্রিষ্টাব্দে। আয়তাকারে (১৯.১৯ মি: × ৯.৮৪ মি) নির্মিত তিন গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদটি এদেশের প্রচলিত মুঘল মসজিদের একটি আদর্শ উদাহরণ। বর্তমানেও মসজিদটি মুসল্লিদের নামাজের জন্য ব্যবহার হয়ে আসছে।

দক্ষিণ পূর্ব তোরণ[সম্পাদনা]

পানির ট্যাংক[সম্পাদনা]

দুর্গের কিছু দৃশ্য[সম্পাদনা]

কেল্লা জাদুঘর[সম্পাদনা]

শায়েস্তা খাঁর বাসভবন ও দরবার হল বর্তমানে লালবাগ কেল্লা জাদুঘর হিসেবে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত

উপাখ্যান[সম্পাদনা]

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য[সম্পাদনা]

বর্তমান অবস্থা[সম্পাদনা]

গ্যালারি[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Conan, Michel (২০০৭)। Middle East Garden Traditions: Unity and Diversity : Questions, Methods and Resources in a Multicultural Perspective, Volume 31। Washington, D.C.: Dumbarton Oaks Research Library and Collection। পৃ: ২৩৫। আইএসবিএন 978-0-88402-329-6 
  2. The title (Mirza) descends to all the sons of the family, without exception. In the Royal family it is placed after the name instead of before it, thus, Abbas Mirza and Hosfiein Mirza. Mirza is a civil title, and Khan is a military one. The title of Khan is creative, but not hereditary. pg 601 Monthly magazine and British register, Volume 34 Publisher Printed for Sir Richard Phillips, 1812 Original from Harvard University
  3. Rein Taagepera (সেপ্টেম্বর ১৯৯৭)। "Expansion and Contraction Patterns of Large Polities: Context for Russia"International Studies Quarterly 41 (3): ৫০০। ডিওআই:10.1111/0020-8833.00053। সংগৃহীত ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ 
  4. Colin McEvedy; Richard Jones (১৯৭৮)। Atlas of World Population History। New York: Facts on File। পৃ: ১৪৮। 
  5. Richards, James (২৬ জানুয়ারি ১৯৯৬)। The Mughal Empire। Cambridge University Press। পৃ: 73–74। 
  6. Rahman, Habibur (২০১২)। "Lalbagh Fort"। in Islam, Sirajul; Jamal, Ahmed A.। Banglapedia: National Encyclopedia of Bangladesh (Second সংস্করণ)। Asiatic Society of Bangladesh 
  7. Sayid Aulad Hasan (১৯০৩)। Extracts from the Notes on the Antiquities of Dacca। Published by the author। পৃ: ৫। 
  8. The Archaeological Heritage of Bangladesh। Asiatic Society of Bangladesh। Nov ২০১১। পৃ: 586। 
  9. "বাংলাপিডিয়া" 
  10. "The Daily Sun"