তারা মসজিদ

স্থানাঙ্ক: ২৩°৪২′৫৬″ উত্তর ৯০°২৪′০৬″ পূর্ব / ২৩.৭১৫৬২৯° উত্তর ৯০.৪০১৭২৮° পূর্ব / 23.715629; 90.401728
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
তারা মসজিদ
Tara-masjid.jpg
ধর্ম
অন্তর্ভুক্তিইসলাম
অবস্থান
অবস্থানঢাকা, বাংলাদেশ
তারা মসজিদ বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
তারা মসজিদ
বাংলাদেশে অবস্থান
স্থানাঙ্ক২৩°৪২′৫৬″ উত্তর ৯০°২৪′০৬″ পূর্ব / ২৩.৭১৫৬২৯° উত্তর ৯০.৪০১৭২৮° পূর্ব / 23.715629; 90.401728
স্থাপত্য
স্থাপত্য শৈলীইসলামি স্থাপত্য
নির্দিষ্টকরণ
দৈর্ঘ্য২১.৩৪ মিটার
প্রস্থ৭.৯৮ মিটার
গম্বুজসমূহ
মিনার
তারা মসজিদ, আরমানিটোলা, ঢাকা

একটি সিরিজের অংশ
মসজিদ

স্থাপত্য
স্থাপত্য শৈলী
মসজিদের তালিকা
অন্যান্য

তারা মসজিদ পুরান ঢাকার আরমানিটোলায় আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত। সাদা মার্বেলের গম্বুজের ওপর নীলরঙা তারায় খচিত এ মসজিদ নির্মিত হয় আঠারো শতকের প্রথম দিকে। মসজিদের গায়ে এর নির্মাণ-তারিখ খোদাই করা ছিল না। জানা যায়, আঠারো শতকে ঢাকার 'মহল্লা আলে আবু সাঈয়ীদ'-এ (পরে যার নাম আরমানিটোলা হয়) আসেন জমিদার মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমদ জান)। ঢাকার ধণাঢ্য ব্যক্তি মীর আবু সাঈয়ীদের নাতি ছিলেন তিনি। মির্জা মসজিদ নির্মাণ করেন। ‌মির্জা সাহেবের মসজিদ হিসেবে এটি তখন বেশ পরিচিতি পায়। ১৮৬০ সালে মারা যান মির্জা গোলাম পীর। পরে, ১৯২৬ সালে, ঢাকার তৎকালীন স্থানীয় ব্যবসায়ী, আলী জান বেপারী মসজিদটির সংস্কার করেন। সে সময় জাপানের রঙিন চিনি-টিকরি পদার্থ ব্যবহৃত হয় মসজিদটির মোজাইক কারুকাজে।

মোঘল স্থাপত্য শৈলীর প্রভাব রয়েছে এ মসজিদে। ঢাকার কসাইটুলীর মসজিদেও এ ধরনের বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়। উল্লেখ্য, দিল্লি, আগ্রালাহোরের সতের শতকে নির্মিত স্থাপত্যকর্মের ছাপ পড়ে মোঘল স্থাপত্য শৈলীতে।

তারা মসজিদ বারান্দা

মির্জা গোলামের সময় মসজিদটি ছিল তিন গম্বুজঅলা, দৈর্ঘ্যে ৩৩ ফুট (১০.০৬ মিটার) আর প্রস্থে ১২ ফুট (৪.০৪ মিটার)। আলী জানের সংস্কারের সময়, ১৯২৬ সালে, মসজিদের পূর্ব দিকে একটি বারান্দা বাড়ানো হয়। ১৯৮৭ সালে তিন গম্বুজ থেকে পাঁচ গম্বুজ করা হয়। পুরনো একটি মেহরাব ভেঙে দুটো গম্বুজ আর তিনটি নতুন মেহরাব বানানো হয়।

মসজিদের বতর্মান দৈর্ঘ্য ৭০ ফুট (২১.৩৪ মিটার), প্রস্থ ২৬ ফুট (৭.৯৮ মিটার)।

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]