অ্যাডিলেড

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
অ্যাডিলেড
South Australia
Adelaide DougBarber.jpg
Looking south-east over Adelaide city centre c. 2005
অ্যাডিলেড অস্ট্রেলিয়া-এ অবস্থিত
অ্যাডিলেড
অ্যাডিলেড
স্থানাঙ্ক ৩৪°৫৫′৪৪.৪″ দক্ষিণ ১৩৮°৩৬′৩.৬″ পূর্ব / ৩৪.৯২৯০০০° দক্ষিণ ১৩৮.৬০১০০০° পূর্ব / -34.929000; 138.601000স্থানাঙ্ক: ৩৪°৫৫′৪৪.৪″ দক্ষিণ ১৩৮°৩৬′৩.৬″ পূর্ব / ৩৪.৯২৯০০০° দক্ষিণ ১৩৮.৬০১০০০° পূর্ব / -34.929000; 138.601000
জনসংখ্যা 1,291,666 (2013)[১] (5th)
 • Density ৬৫৯/km2 (১,৭১০/sq mi) (2006)[২]
প্রতিষ্ঠিত 28 December 1836
Area ১,৮২৬.৯ km2 (৭০৫.৪ sq mi)
সময় অঞ্চল এসিএসটি (UTC+9:30)
 • Summer (DST) এসিডিটি (UTC+10:30)
অবস্থান
  • ৬৫৪ km (৪০৬ mi) NW of Melbourne
  • ৯৫৮ km (৫৯৫ mi) West of Canberra
  • ১,১৬১ km (৭২১ mi) West of Sydney
  • ১,৬০০ km (৯৯৪ mi) SW of Brisbane
  • ২,১৩০ km (১,৩২৪ mi) East of Perth
LGA(s) 18
Mean max temp Mean min temp Annual rainfall
22.1 °C
72 °F
12.1 °C
54 °F
৫৪৫.৪ in

অ্যাডিলেড (শুনুনi/ˈædəld/ AD-ə-layd)[৩] অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নগর। এছাড়াও এটি দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী। ভারত মহাসাগর থেকে উদ্ভূত সেন্ট ভিনসেন্ট উপসাগরের কাছাঁকাছি টরেন্স নদী তীরবর্তী এলাকায় এ নগরের অবস্থান। নগরের মধ্য দিয়ে এ নদী প্রবাহিত হয়েছে।

ভূ-মধ্যসাগরীয় আবহাওয়ায় প্রচণ্ড গরম পড়ে। উত্তর দিকে ফ্লিউরিউ উপদ্বীপ রয়েছে। প্রশস্ত সড়ক, বিস্তৃত উদ্যানের জন্য অ্যাডিলেড আধুনিক নগরের খ্যাতি পেয়েছে। জুন, ২০১৩ অণুযায়ী নগরের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১.২৯ মিলিয়ন।[১] সিডনি, মেলবোর্ন, ব্রিসবেন ও পার্থের পর এটি অস্ট্রেলিয়ার পঞ্চম বৃহত্তম শহর। ১৮৩৬ সালে কর্নেল উইলিয়াম লাইট তাঁর প্রিয়তমা পত্নী রাণী অ্যাডিলেডের নাম অণুসারে এ শহরের নামকরণ করেন। অধিবাসীগণ ‘অ্যাডিলেডিয়ান’ নামে পরিচিতি পান।[৪]

ইলেকট্রনিক, মোটরগাড়ীর সরঞ্জাম, মেশিনারিজ, রাসায়নিক পদার্থ, টেক্সটাইলস, প্লাস্টিকের মালামাল তৈরির উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে এখানে। অ্যাডিলেড বন্দরে জাহাজ নির্মাণের সুবিধাদি বিদ্যমান। অ্যাডিলেডের উত্তর-পূর্বাংশে ৫০ কিলোমিটার (৩০ মাইল) দূরে অবস্থিত বারোসা উপত্যকায় মদ উৎপাদন করা হয়। উল্লেখযোগ্য স্থান হিসেবে - বোটানিক গার্ডেন্স, গভর্নমেন্ট হাউজ, ন্যাচারেল হিস্ট্রি মিউজিয়াম। ১৮৭৪ সালে অ্যাডিলেড বিশ্ববিদ্যালয় ও ১৯৯১ সালে দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "3218.0 - Regional Population Growth, Australia, 2012-13: ESTIMATED RESIDENT POPULATION, States and Territories - Greater Capital City Statistical Areas (GCCSAs)"Australian Bureau of Statistics। ৩ এপ্রিল ২০১৪। সংগৃহীত ৮ এপ্রিল ২০১৪  ERP at 30 June 2013.
  2. Australian Bureau of Statistics (১৭ মার্চ ২০০৮)। "Explore Your City Through the 2006 Census Social Atlas Series"। সংগৃহীত ১৯ মে ২০০৮ 
  3. Macquarie ABC Dictionary। The Macquarie Library Pty Ltd। ২০০৩। পৃ: ১০। আইএসবিএন 1-876429-37-2 
  4. Salt, Bernard (২৭ মার্চ ২০১১)। "Adelaide's European twin"। Sunday Mail (Adelaide)। সংগৃহীত ১৬ এপ্রিল ২০১১ 

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]

  • Kathryn Gargett; Susan Marsden, Adelaide: A Brief History Adelaide: State History Centre, History Trust of South Australia in association with Adelaide City Council, 1996 ISBN 978-0-7308-0116-0
  • Susan Marsden; Paul Stark; Patricia Sumerling, eds, Heritage of the City of Adelaide: an illustrated guide Adelaide: Adelaide City Council, 1990, 1996 ISBN 978-0-909866-30-3
  • Derek Whitelock et al., Adelaide: a sense of difference Melbourne: Arcadia, 2000 ISBN 978-0-87560-657-6

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]


টেমপ্লেট:Adelaide landmarks টেমপ্লেট:Adelaide Sports Teams টেমপ্লেট:South Australia টেমপ্লেট:Capital cities of Australia টেমপ্লেট:Cities of Australia