সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন থেকে পুনর্নির্দেশিত)
সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন
సర్వేపల్లి రాధాకృష్ణ
ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন
২য় ভারতের রাষ্ট্রপতি
কার্যালয়ে
১৩ মে, ১৯৬২ – ১৩ মে, ১৯৬৭
পূর্বসূরী রাজেন্দ্র প্রসাদ
উত্তরসূরী জাকির হুসেন
ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতি
কার্যালয়ে
১৯৫২ – ১৯৬২
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম ৫ই সেপ্টেম্বর, ১৮৮৮
তিরুত্তানি,তামিলনাড়ু, দক্ষিণ ভারত
মৃত্যু ১৭ই এপ্রিল, ১৯৭৫
চেন্নাই, ভারত
রাজনৈতিক দল স্বাধীন
সন্তান পাঁচ জন মেয়ে এবং এক জন ছেলে
জীবিকা রাজনীতিবিদ, দার্শনিক ,অধ্যাপক
ধর্ম হিন্দু

সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন (তেলুগু ভাষায়: సర్వేపల్లి రాధాకృష్ణ; তামিল ভাষায়: சர்வேபள்ளி ராதாகிருஷ்ணன்), (৫ই সেপ্টেম্বর, ১৮৮৮১৭ই এপ্রিল, ১৯৭৫) স্বাধীন ভারতের প্রথম উপরাষ্ট্রপতি এবং দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি ছিলেন।

সাফল্য[সম্পাদনা]

সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন যে ছিলেন স্বাধীন ভারতের প্রথম উপরাষ্ট্রপতি এবং দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি ছিলেন।আজ ৫ই সেপ্টেম্বর, ভারতে শিক্ষক দিবসরূপে পালিত হচ্ছে। সকল শিক্ষককে বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই।

একজন আদর্শ শিক্ষক ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ [৫ই সেপ্টেম্বর, ১৮৮৮ – ১৭ই এপ্রিল, ১৯৭৫] আজকের দিনে তামিলনাডুর তিরুট্টানিতে এক দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

তিনি স্বাধীন ভারতের প্রথম উপরাষ্ট্রপতি (১৯৫২-১৯৬২) এবং দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি(১৯৬২-৬৭) ছিলেন।

একাধারে রাজনীতিবিদ, দার্শনিক ও অধ্যাপক এই শান্ত মানুষটি ছাত্রজীবনে অতি মেধাবী ছিলেন। জীবনে কোন পরীক্ষায় দ্বিতীয় হননি। বিভিন্ন বৃত্তির মাধ্যমে তার ছাত্র জীবন এগিয়ে চলে। ১৯০৫ সালে তিনি মাদ্রাজ খ্রিস্টান কলেজ থেকে দর্শনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। তার বিষয়টি ছিল ‘বেদান্ত দর্শনের বিমূর্ত পূর্বকল্পনা’(The Ethics of the Vedanta and its Metaphysical Presuppositions)।

বিশ্বের দরবারে তিনি অতি জনপ্রিয় দার্শনিক অধ্যাপক হিসাবেও পরিচিত ছিলেন। ১৯৩১ সালে তাঁকে British knighthood-এ সম্মানিত করা হয়। ১৯৫৪তে ভারতরত্ন উপাধি পান।

প্রথম জীবনে তিনি মাইসোর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপনা করেন (১৯১৮)। এসময় তিনি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য পত্রিকায় লিখতেন। সে সময়েই তিনি লেখেন তাঁর প্রথম গ্রন্থ ‘The Philosophy of Rabindranath Tagore’। দ্বিতীয় গ্রন্থ ‘The Reign of Religion in Contemporary Philosophy’প্রকাশিত হয় ১৯২০সালে। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়েও অধ্যাপনা করেন। দেশ–বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি বারবার অধ্যাপনার জন্য আমন্ত্রিত হয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর তার গুণমুগ্ধ ছাত্র ও বন্ধুরা তাঁর জন্মদিন পালন করতে চাইলে তিনি বলেন ‘জন্মদিনের পরিবর্তে ৫ই সেপ্টেম্বর যদি শিক্ষক দিবস উদ্‌যাপিত হয় তবে আমি বিশেষরূপে অনুগ্রহ লাভ করবো।’

আরও দেখুন[সম্পাদনা]