নীল হার্ভে
![]() আনুমানিক ১৯৫০ সালের সংগৃহীত স্থিরচিত্রে নীল হার্ভে | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ব্যক্তিগত তথ্য | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| পূর্ণ নাম | রবার্ট নীল হার্ভে | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| জন্ম | ৮ অক্টোবর ১৯২৮ ফিটজরয়, ভিক্টোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ডাকনাম | নিনা | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| উচ্চতা | ১.৭১ মিটার (৫ ফুট ৭ ইঞ্চি) | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ব্যাটিংয়ের ধরন | বামহাতি | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| বোলিংয়ের ধরন | ডানহাতি অফ-স্পিন | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ভূমিকা | শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| আন্তর্জাতিক তথ্য | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| জাতীয় দল |
| |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| টেস্ট অভিষেক (ক্যাপ ১৭৮) | ২৩ জানুয়ারি ১৯৪৮ বনাম ভারত | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| শেষ টেস্ট | ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৩ বনাম ইংল্যান্ড | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ঘরোয়া দলের তথ্য | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| বছর | দল | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ১৯৪৬–১৯৫৭ | ভিক্টোরিয়া | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ১৯৫৮–১৯৬৩ | নিউ সাউথ ওয়েলস | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২৫ মার্চ ২০১৪ | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
রবার্ট নীল হার্ভে, এমবিই (ইংরেজি: Neil Harvey; জন্ম: ৮ অক্টোবর, ১৯২৮) ভিক্টোরিয়া প্রদেশের ফিটজরয় এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক ও বিখ্যাত অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা। তিনি ১৯৪৮ থেকে ১৯৬৩ সময়কালে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের অন্যতম ব্যাটসম্যান হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ১৯৫৭ সাল থেকে অবসর গ্রহণের পূর্ব-পর্যন্ত অস্ট্রেলীয় দলে সহঃ অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। অবসর গ্রহণের সময় তিনি অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী ও সেঞ্চুরির অধিকারী ছিলেন। বামহাতি আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের অধিকারী ও ‘নিনা’ ডাকনামে পরিচিত নীল হার্ভে দক্ষ ফিল্ডার হিসেবেও দলে সমান অবদান রেখেছেন। এছাড়াও, মাঝে-মধ্যে অফ-স্পিন বোলিং করতেন। ১৯৫০-এর দশকে অস্ট্রেলীয় দলে বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যাটসম্যান ছিলেন। ঐ সময়ে উইজডেন কর্তৃপক্ষ তাকে সর্বাপেক্ষা দক্ষ ফিল্ডার হিসেবে বিবেচিত করেছিল।
প্রারম্ভিক জীবন
[সম্পাদনা]হোরেস হার্ভের ছয় পুত্রের প্রত্যেকেই ক্রিকেটার ছিলেন। শারীরিক গড়ন ছোট হলেও জন্মেছেন ৪.৫ কিলোগ্রাম (১০ পাউন্ড) ওজন নিয়ে।[১] পরিবারটি ব্রোকেন হিল এলাকায় বসবাস করতো। সেখানে হোরেস হার্ভে খনি শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। এরপর সিডনিতে বসবাস করলেও পরবর্তীকালে ১৯২৬ সালে তারা মেলবোর্নে স্থানান্তরিত হন। উত্তরাঞ্চলীয় শিল্প এলাকার উপকণ্ঠে ফিটজরয় এলাকায় আবাস গড়ে তোলেন। ছয় সন্তানের প্রত্যেকেই বাবার নির্দেশনায় ক্রিকেট খেলা শিখতে থাকেন। তারা বোলার হবার চেয়ে ব্যাটসম্যানের দিকেই অধিক মনোনিবেশ করেন ও টেনিস বল ব্যবহার করতেন। ছেলেদেরকে জর্জ স্ট্রিট স্টেট স্কুল ও ফকোনার স্ট্রিট সেন্ট্রাল স্কুলে পড়াশোনা করিয়েছেন হোরেস হার্ভে।[২][৩] ক্রিকেট খেলা ও ক্রিকেট বিষয়ক কথাবার্তা তাদের পরিবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল। হোরেস ব্রোকেন হিলের হয়ে তাদের পারিবারিক ব্যাটিং গড়কে ১৯৮ রানে নিয়ে যান ও মেলবোর্ন ক্লাব ক্রিকেটে খেলতে পাঠান। তন্মধ্যে মিক ও রে ভিক্টোরিয়ার হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন। ব্রায়ান ও হ্যারল্ড জেলা ক্রিকেটে ফিটজরয়ের পক্ষে খেলেন। হার্ভে তার বড় ভাই মার্ভের সাথে টেস্ট ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেন। মার্ভ অস্ট্রেলিয়া জাতীয় ক্রিকেট দলের পক্ষে একটি টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন। এছাড়াও, হ্যারল্ড বাদে বাকী পাঁচজনই বেসবল খেলায় ভিক্টোরিয়ার প্রতিনিধিত্ব করেন।[২][৪]
খেলোয়াড়ী জীবন
[সম্পাদনা]জানুয়ারি, ১৯৪৮ সালে তার টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে। তখন তার বয়স ছিল মাত্র ১৯ বছর তিন মাস। নিজস্ব দ্বিতীয় খেলায় তিনি চমকপ্রদ সেঞ্চুরি করেন। এরফলে তিনি অস্ট্রেলিয়ার সর্বকনিষ্ঠ সেঞ্চুরি লাভকারী ক্রিকেটারের সম্মান লাভ করেন যা অদ্যাবধি অক্ষত রয়েছে।[৫] এছাড়াও ১৯৪৮ সালে ইংল্যান্ড সফরে স্যার ডোনাল্ড ব্র্যাডম্যানের নেতৃত্বাধীন অপরাজেয় দলের অন্যতম ও সর্বকনিষ্ঠ সদস্য ছিলেন তিনি। এ দলটি টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা সুসংগঠিত দলরূপে চিহ্নিত হয়ে আছে। শুরুতে ইংরেজ পরিবেশে কিছুটা সমস্যা দেখা দিলেও তিনি অ্যাশেজ সিরিজে সেঞ্চুরি করেছেন। হার্ভে তার খেলোয়াড়ী জীবন শুরু করেছেন অত্যন্ত রাজকীয় ঢংয়ে। তার প্রথম ছয়টি সেঞ্চুরিই আসে মাত্র তেরো টেস্টে, শতাধিক রান গড়ে। তন্মধ্যে ১৯৪৯-৫০ মৌসুমে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেন চারটি; যার একটি ছিল টেস্ট জয়ী খেলায় অপরাজিত ১৫১* রান করে। ১৯৫০-এর দশকে ব্র্যাডম্যানের অবসরগ্রহণের পর অপরাজেয় দলটি ভেঙ্গে পড়ে। তখন হার্ভে দলের সর্বাপেক্ষা বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যাটসম্যান ছিলেন। ১৯৫৩ সালে ইংল্যান্ড সফরে তিনি দুই হাজারেরও অধিক রান সংগ্রহ করেন। এরফলে ১৯৫৪ সালে উইজডেন কর্তৃপক্ষ তাকে বর্ষসেরা ক্রিকেটার হিসেবে ঘোষণা করে। ১৯৫৪-৫৫ মৌসুমে ডারবান ও সিডনিতে অনুষ্ঠিত ব্যাটিং অনুপযোগী খেলায় যখন সতীর্থ খেলোয়াড়েরা ব্যাটিং করতে হিমশিম খাচ্ছিলেন, তখন তিনি অপরাজিত ১৫১* ও ৯২* রান করে ব্যাটিংয়ে তার নৈপুণ্যতা দেখাতে পেরেছিলেন। এছাড়াও ঢাকায় পাকিস্তানের বিপক্ষে করেছেন ৯৬ রান।
২৭ জুলাই, ১৯৫৬ তারিখে নীল হার্ভে জোড়া শূন্য রানের সাথে নিজেকে যুক্ত করেন। ১৯৫৬ সালে ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্রাফোর্ডে অনুষ্ঠিত টেস্টে জিম লেকার খেলায় ৯০ রান খরচায় ১৯ উইকেট লাভের কীর্তিতে দ্বিতীয় দিনে ২ ঘণ্টার ব্যবধানে হার্ভে জোড়া শূন্য রান করেন।
অধিনায়কত্ব
[সম্পাদনা]১৯৫৭ সালে অধিনায়ক ইয়ান ক্রেগের সহকারী হিসেবে মনোনীত হন তিনি।[৬] ক্রেগ মাত্র ছয়টি খেলায় অধিনায়কত্ব করেন। এ সময় দল পুণঃগঠনের ফলে তরুণ খেলোয়াড়দেরকে সম্পৃক্ত করা হয়। এরফলে ক্রেগের দল দুর্বল হতে থাকে। এ অবস্থায় দলকে সহায়তার হাত বাড়ান হার্ভে।
পরবর্তী মৌসুমে ক্রেগের অসুস্থতা ও হার্ভে আন্তঃরাজ্য খেলায় অংশগ্রহণের ফলে রিচি বেনোকে অধিনায়কত্ব প্রদান করা হয়। কিন্তু হার্ভেকে তার খেলোয়াড়ী জীবনের শেষ পর্যন্ত সহকারী অধিনায়কের ভূমিকাতেই রাখা হয়েছিল। তিনি কেবলমাত্র একটি খেলাতেই অধিনায়কত্ব করেন। ১৯৬১ সালে লর্ডসে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্টে বেনো আহত হলে হার্ভে দলকে নেতৃত্ব দেন। পর্বত-শিখরের লড়াই নামে পরিচিত ঐ খেলায় তার দলকে জয়ের জন্য প্রাণান্তকর পরিশ্রম করতে হয়।[৭]
অবসর পরবর্তীকাল
[সম্পাদনা]হার্ভের অবসরকালীন সময়ে কেবলমাত্র ব্র্যাডম্যানই তার তুলনায় অধিক রান ও সেঞ্চুরি করতে পেরেছিলেন। হার্ভে তার পায়ের সুচারু কারুকাজ ও স্ট্রোক প্লে’র জন্য বিখ্যাত ছিলেন। পাশাপাশি ফিল্ডিংয়েও সমান দক্ষ ছিলেন। অবসর পরবর্তীকালে তিনি বারো বছর অস্ট্রেলিয়া জাতীয় ক্রিকেট দলের নির্বাচক ছিলেন। কিন্তু সাম্প্রতিককালে তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ আধুনিক ক্রিকেটের সমালোচনায় মুখর হয়ে সরব ভূমিকা পালন করছেন।[৮][৯][১০] ২০০০ সালে অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট হল অব ফেমে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।[১১] এছাড়াও, অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ডের শতাব্দীর সেরা দলের অন্যতম সদস্য হিসেবে মনোনীত হন নীল হার্ভে।[১২] ২০০৯ সালে আইসিসি ক্রিকেট হল অব ফেমের জন্য মনোনীত ৫৫জন ক্রিকেটারের মধ্যে তাঁকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।[১৩]
পরিসংখ্যান
[সম্পাদনা]- প্রতিপক্ষের বিপক্ষে সাফল্যগাঁথা
| ব্যাটিং[১৪] | বোলিং[১৫] | ||||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| প্রতিপক্ষ | খেলা | রান | গড় | সর্বোচ্চ | ১০০ / ৫০ | রান | উইকেট | গড় | সেরা |
| ইংল্যান্ড | ৩৭ | ২৪১৬ | ৩৮.৩৪ | ১৬৭ | ৬/১২ | ১৫ | ০ | – | – |
| ভারত | ১০ | ৭৭৫ | ৫৯.৬৩ | ১৫৩ | ৪/২ | ৫৯ | ২ | ২৯.৫০ | ১/৮ |
| পাকিস্তান | ৪ | ২৭৯ | ৩৯.৮৫ | ৯৬ | ০/২ | ৮ | ০ | – | – |
| দক্ষিণ আফ্রিকা | ১৪ | ১৬২৫ | ৮১.২৫ | ২০৫ | ৮/৫ | ২০ | ১ | ২০.০০ | ১/৯ |
| ওয়েস্ট ইন্ডিজ | ১৪ | ১০৫৪ | ৪৩.৯১ | ২০৪ | ৩/৩ | ১৮ | ০ | – | – |
| সর্বমোট | ৭৯ | ৬১৪৯ | ৪৮.২১ | ২০৫ | ২১/২৪ | ১২০ | ৩ | ৪০.০০ | ১/৮ |
- টেস্ট শতকসমূহ
নিচের ছকে নীল হার্ভের টেস্ট শতকের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেয়া হলো:-
- কলামে রানের পার্শ্বে * চিহ্নের মাধ্যমে অপরাজিত থাকাকে বুঝানো হয়েছে।
- কলামে খেলা শিরোনামের সাহায্যে তার খেলোয়াড়ী জীবনের খেলার নম্বরকে বুঝানো হয়েছে।
ব্যক্তিগত জীবন
[সম্পাদনা]১৯৪৯-৫০ মৌসুমে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যান। ঐ সফরে আইরিশ গ্রীনিশ নাম্নী এক রমণীর সাথে প্রথমবারের মতো স্বাক্ষাৎপর্ব সমাপণ করেন। ঐ সময় গ্রীনিশ মাত্র ১৬ বছরের ও হার্ভে ২১ বছরের ছিলেন। তবে, গ্রীনিশের বাবা সংবাদ মাধ্যমে মন্তব্য করেন যে, কন্যার বয়স ১৮ না হওয়া পর্যন্ত বাগদানপর্বে তিনি আপত্তি জানাবেন।[১৭] চার বছর পর তাদের বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। পূর্ব মেলবোর্নের হলি ট্রিনিটি চার্চে তাদের বিয়ে হয়। এ দম্পতির তিন সন্তান ছিল। দুই পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জনক তিনি। [৫][১৮]
বিয়ের বিশ বছর পর হার্ভে ও আইরিশের মধ্যকার দাম্পত্যজীবন ভেঙ্গে যায়। এর দুই বছর পর তিনি পুনরায় ৪৭ বছর বয়সী বারবারা ম্যাকগিফোর্ডের সাথে পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Robinson, p. 258.
- 1 2 "Wisden 1954 - Neil Harvey"। Wisden। ১৯৫৪। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০০৭।
- ↑ Mallett, p. 170.
- ↑ Cashman, Franks, Maxwell, Sainsbury, Stoddart, Weaver, Webster (১৯৯৭)। The A-Z of Australian cricketers। Melbourne: Oxford University Press। পৃ. ১১৭–১১৯। আইএসবিএন ০-১৯-৫৫০৬০৪-৯।
{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: একাধিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - 1 2 Perry (2000), p. 228.
- ↑ Benaud, pp. 120–124.
- ↑ Haigh, pp. 163–165.
- ↑ "Scandal could turn cricket fans away"। Australian Broadcasting Corporation। ১২ এপ্রিল ২০০০। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০০৭।
- ↑ "Are Our Cricketers THAT Good?"। Australian Broadcasting Corporation। ৪ ডিসেম্বর ২০০০। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০০৭।
- ↑ "Australia's overwhelming success robs cricket of contest"। Australian Broadcasting Corporation। ৪ ডিসেম্বর ২০০০। ২৯ ডিসেম্বর ২০০৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০০৪।
- ↑ "Australian Cricket Hall of Fame"। Melbourne Cricket Ground। ৯ জুন ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুলাই ২০০৭।
- ↑ "Panel selects cricket team of the century"। Australian Broadcasting Corporation। ১৮ জানুয়ারি ২০০০। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০০৭।
- ↑ "Border, Harvey, Gower, Underwood inducted into Hall of Fame"। ২২ আগস্ট ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মার্চ ২০১৪।
- ↑ "Statsguru – RN Harvey – Test matches – Batting analysis"। Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১৪ এপ্রিল ২০০৮।
- ↑ "Statsguru – RN Harvey – Test Bowling – Bowling analysis"। Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১৪ এপ্রিল ২০০৮।
- ↑ Statsguru: Neil Harvey, Cricinfo, 17 March 2010.
- ↑ Haigh, p. 246.
- ↑ Robinson, p. 264.
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]পাদটীকা
[সম্পাদনা]- Benaud, Richie (১৯৯৮)। Anything But। London: Hodder & Stoughton। আইএসবিএন ০-৩৪০-৬৯৬৪৮-৬।
- Fingleton, Jack (১৯৪৯)। Brightly fades the Don। London: Collins।
- Haigh, Gideon (১৯৯৭)। The summer game: Australia in test cricket 1949–71। Melbourne: Text Publishing। আইএসবিএন ১-৮৭৫৮৪৭-৪৪-৮।
- Haigh, Gideon (২০০৭)। Inside story:unlocking Australian cricket's archives। Southbank, Victoria: News Custom Publishing। আইএসবিএন ১-৯২১১১৬-০০-৫।
- Harte, Chris (২০০৩)। The Penguin History of Australian Cricket। Camberwell, Australia: Penguin Books Australia। আইএসবিএন ০-৬৭০-০৪১৩৩-৫।
- Perry, Roland (২০০০)। Captain Australia: A history of the celebrated captains of Australian Test cricket। Milsons Point, New South Wales: Random House Australia। আইএসবিএন ১-৭৪০৫১-১৭৪-৩।
- Perry, Roland (২০০২)। Bradman's best Ashes teams : Sir Donald Bradman's selection of the best ashes teams in cricket history। Milsons Point, New South Wales: Random House Australia। আইএসবিএন ১-৭৪০৫১-১২৫-৫।
- Piesse, Ken (২০০৩)। Cricket's Colosseum: 125 Years of Test Cricket at the MCG। South Yarra, Victoria: Hardie Grant Books। আইএসবিএন ১-৭৪০৬৬-০৬৪-১।
- Robinson, Ray (১৯৭৫)। On top down under : Australia's cricket captains। Stanmore, New South Wales: Cassell Australia। আইএসবিএন ০-৭২৬৯-৭৩৬৪-৫।
- Bannerman, Mark (১২ অক্টোবর ২০০৪)। "7.30 Report"। http://www.abc.net.au/7.30/content/2004/s1218626.htm। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জানুয়ারি ২০১৪।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:-এ বহিঃসংযোগ (সাহায্য)|ওয়েবসাইট= - Buggy, Hugh (১৪ নভেম্বর ১৯৫০)। "The Neil Harvey Story"। http://trove.nla.gov.au/ndp/del/article/23020667। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জানুয়ারি ২০১৪।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:-এ বহিঃসংযোগ (সাহায্য)|ওয়েবসাইট=
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- ইএসপিএনক্রিকইনফোতে নীল হার্ভে (ইংরেজি)
- ক্রিকেটআর্কাইভে নীল হার্ভে (সদস্যতা প্রয়োজনীয়) (ইংরেজি)
| পূর্বসূরী রিচি বেনো |
অস্ট্রেলীয় টেস্ট ক্রিকেট অধিনায়ক ১৯৬১ |
উত্তরসূরী রিচি বেনো |
- ১৯২৮-এ জন্ম
- জীবিত ব্যক্তি
- অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার
- অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট ক্রিকেটার
- অস্ট্রেলিয়া জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক
- আইসিসি ক্রিকেট হল অব ফেমে প্রবেশকারী
- স্পোর্ট অস্ট্রেলিয়া হল অব ফেমে প্রবেশকারী
- অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট হল অব ফেমে প্রবেশকারী
- উইজডেন বর্ষসেরা ক্রিকেটার
- অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার পদক বিজয়ী
- অপরাজেয় (ক্রিকেট)
- নিউ সাউথ ওয়েলসের ক্রিকেটার
- ভিক্টোরিয়ার ক্রিকেটার
- অস্ট্রেলীয় বেসবল খেলোয়াড়
- অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট প্রশাসক
- অস্ট্রেলিয়া জাতীয় ক্রিকেট দল নির্বাচক
- অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট ক্রিকেট অধিনায়ক
- অস্ট্রেলিয়ান মেম্বার্স অব দি অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার
- অস্ট্রেলিয়ার মেডেল অব দি অর্ডার গ্রহীতা
- মেলবোর্ন থেকে আগত ক্রিকেটার
