আর্নেস্ট টিল্ডসলে

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
আর্নেস্ট টিল্ডসলে
Ernest Tyldesley c1925.jpg
আনুমানিক ১৯২৫ সালের সংগৃহীত স্থিরচিত্রে আর্নেস্ট টিল্ডসলে
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামজর্জ আর্নেস্ট টিল্ডসলে
জন্ম(১৮৮৯-০২-০৫)৫ ফেব্রুয়ারি ১৮৮৯
ওরস্লি, ল্যাঙ্কাশায়ার
মৃত্যু৫ মে ১৯৬২(1962-05-05) (বয়স ৭৩)
রোস-অন-সী, ডেনবাইশায়ার, ওয়েলস
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি স্লো মিডিয়াম
ভূমিকাব্যাটসম্যান
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ১৯৪)
২৮ মে ১৯২১ বনাম অস্ট্রেলিয়া
শেষ টেস্ট১৬ মার্চ ১৯২৯ বনাম অস্ট্রেলিয়া
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ১৪ ৬৪৮
রানের সংখ্যা ৯৯০ ৩৮,৮৭৪
ব্যাটিং গড় ৫৫.০০ ৪৫.৪৬
১০০/৫০ ৩/৬ ১০২/১৯১
সর্বোচ্চ রান ১৩৮ ২৯৫*
বল করেছে ৪২১
উইকেট
বোলিং গড় - ৫৭.৬৬
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং - ৩/৩৩
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ২/০ ২৯৫/০
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ১৫ অক্টোবর ২০১৫

জর্জ আর্নেস্ট টিল্ডসলে (ইংরেজি: Ernest Tyldesley; জন্ম: ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৮৮৯ - মৃত্যু: ৫ মে, ১৯৬২) ল্যাঙ্কাশায়ারের ওরস্লি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা ছিলেন। ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯২১ থেকে ১৯২৯ সময়কালে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেন।

ঘরোয়া কাউন্টি ক্রিকেটে ল্যাঙ্কাশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেন আর্নেস্ট টিল্ডসলে। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলেছেন। এছাড়াও, ডানহাতে স্লো মিডিয়াম বোলিং করতেন।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

তাঁর ছোট ভাই জনি টিল্ডসলে। ল্যাঙ্কাশায়ার ক্রিকেট ক্লাবের শীর্ষ রানসংগ্রহকারী ছিলেন টিল্ডসলে। অদ্যাবধি ল্যাঙ্কাশায়ারের পক্ষে সর্বকালের সেরা রান সংগ্রাহকের ভূমিকায় রয়েছেন। ১৯০৯ থেকে ১৯৩৬ সাল পর্যন্ত ল্যাঙ্কাশায়ারের পক্ষে খেলেছেন। এ সময়ে তিনি ৫৭৩টি খেলায় অংশ নিয়ে ৩৪,২২২ রান তুলে ক্লাবের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হন।

১৯০৯ সালে কাউন্টি ক্রিকেটে ধীরলয়ে খেলা শুরু করেন। তাস্বত্ত্বেও ল্যাঙ্কাশায়ারের পক্ষে পরবর্তী তিন বছর নিয়মিতভাবে মাঠে নামেন। ১৯১২ সালে সাসেক্সের বিপক্ষে নিজস্ব প্রথম সেঞ্চুরির সন্ধান পান। কিন্তু, ১৯১৩ সালে দলের প্রতিষ্ঠিত সদস্য ছিলেন। ঐ মৌসুমে প্রথমবারের মতো হাজার রান তোলেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের কারণে খেলা বন্ধ থাকার পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত এ ধারা বজায় ছিল তাঁর। যুদ্ধ শেষ হলে ১৯১৯ সালে ইংরেজ ব্যাটসম্যানদের মধ্যে তাঁর অবস্থান ছিল শীর্ষ পর্যায়ের। ফলশ্রুতিতে তাঁকে উইজডেন কর্তৃপক্ষ বর্ষসেরা ক্রিকেটার ঘোষণা করে। ১৯২৭ সাল পর্যন্ত তাঁর ব্যাট রানের মুখ দেখে। ১৯২৮ সালে ৩,০২৪ রান তুলেন।

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

১৯২১ সালে টেস্ট ক্রিকেটে তাঁর অভিষেক হয়। কিন্তু ট্রেন্ট ব্রিজ টেস্টের পর তাঁকে দল থেকে বাদ দেয়া হয়। ১৯২২ সালে প্রথমবারের মতো দুই হাজার রান তোলেন। কিন্তু আঘাতের কারণে ১৯২৫ সালের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত দলে অনিয়মিত ছিলেন। ১৯২৬ সালে দশটি ইনিংসে ধারাবাহিকভাবে পঞ্চাশ বা তদূর্ধ্ব রান তুলেছিলেন।

১৯২৮-২৯ মৌসুমের অ্যাশেজ সফরে দলের সদস্য ছিলেন। কিন্তু ঐ সফরে তিনি একটিমাত্র টেস্টে অংশ নিতে পেরেছিলেন।সফর শেষে দলটি আঘাতের কারণে দূর্বল হয়ে পড়েছিল। নিজ ভূমিতে চারবার খেললেও ১৯২১ সালে শেষ দুই খেলায় ভাল খেলেন। তন্মধ্যে ওল্ড ট্রাফোর্ডে ৭৮ রান করেছিলেন। ওয়ালি হ্যামন্ড, প্যাটসি হেনড্রেন, ফ্রাঙ্ক ওলি ও পরবর্তীতে এডি পেন্টারের উপস্থিতিতে মাঝারিসারিতে শূন্যতা পূরণ করায় দলে অন্তর্ভুক্ত হতে পারেননি।

অবসর[সম্পাদনা]

১৯২৯ সালে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নেয়ার সময় তাঁর ব্যাটিং গড় ছিল ৫৫.০০। ২০ বা ততোধিক ইনিংস সম্পন্নকারী খেলোয়াড়দের মধ্যে তাঁর এ ব্যাটিং গড়ের তালিকায় তাঁর অবস্থান সপ্তদশ।[১]

১৯৩৫ সালে ৪৬ বছর বয়সে পুণরায় আঘাতের কারণে খেলা থেকে দূরে থাকেন ও কদাচিৎ তাঁকে খেলার মাঠে দেখা যেতো। পরের বছরই শৌখিন ক্রিকেটার হিসেবে অংশ নেন ও কেবলমাত্র দুইটি খেলায় তাঁকে দেখা যায়। এরপর তিনি ব্যবসায়ের দিকে ঝুঁকে পড়েন। বেশ কয়েক বছর ওয়েলসে বসবাসের পর ৫ মে, ১৯৬২ তারিখে ডেনবিগশায়ারের রোস-অন-সী এলাকায় আর্নেস্ট টিল্ডসলের দেহাবসান ঘটে। ইয়র্কশায়ার ও ইংরেজ ক্রিকেটার মাইকেল ভন সম্পর্কে তাঁর আত্মীয়।[২]

সম্মাননা[সম্পাদনা]

ঘরোয়া ক্রিকেটে অনন্য সাধারণ অবদান রাখায় ১৯২০ সালে উইজডেন কর্তৃপক্ষ তাঁকে বর্ষসেরা ক্রিকেটাররূপে ঘোষণা করে।[৩][৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Records / Test matches / Batting records / Highest career batting average
  2. Holburn, Graham. Ernest Tyldesley: illuminated the golden age of cricket
  3. Wisden online archive (includes copies of the Wisden Cricketers' Almanack essays on each Cricketer of the Year)
  4. Full List on Cricinfo

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]