রবি শাস্ত্রী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
রবি শাস্ত্রী
Ravi Shastri 1.jpg
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামরবিশঙ্কর জয়াধ্রীতা শাস্ত্রী
জন্ম (1962-05-27) ২৭ মে ১৯৬২ (বয়স ৫৭)
মুম্বই, মহারাষ্ট্র, ভারত
ডাকনামরবি
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি ব্যাটসম্যান
বোলিংয়ের ধরনধীর গতির বাহাতি অর্থডক্স স্পিন
ভূমিকাঅল-রাউন্ডার
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৮১ বনাম নিউজিল্যান্ড
শেষ টেস্ট২৬ ডিসেম্বর ১৯৯২ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা
ওডিআই অভিষেক২৫ নভেম্বর ১৯৮১ বনাম ইংল্যান্ড
শেষ ওডিআই১৭ ডিসেম্বর ১৯৯২ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৭৯–১৯৯৩মুম্বই ক্রিকেট দল
১৯৮৭–১৯৯১গ্ল্যামারগন কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাব
১৯৮৭মেলবোর্ন ক্রিকেট ক্লাব
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট
ক্রিকেট
একদিনের
আন্তর্জাতিক
ক্রিকেট

প্রথম
শ্রেণীর
ক্রিকেট

লিস্ট

ক্রিকেট

ম্যাচ সংখ্যা ৮০ ১৫০ ২৪৫ ২৭৮
রানের সংখ্যা ৩৮৩০ ৩১০৮ ১৩২০২ ৬৩৮৩
ব্যাটিং গড় ৩৫.৭৯ ২৯.০৪ ৪৪.০০ ৩১.১৩
১০০/৫০ ১১/১২ ৪/১৮ ৩৪/৬৬ ৬/৩৮
সর্বোচ্চ রান ২০৬ ১০৯ ২১৭ ১৩৮*
বল করেছে ১৫৭৫১ ৬৬১৩ ৪২৪২৫ ১১৯৬৬
উইকেট ১৫১ ১২৯ ৫০৯ ২৫৪
বোলিং গড় ৪০.৯৬ ৩৬.০৪ ৮৮.০০ ৩২.১৮
ইনিংসে ৫ উইকেট ১৮
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং ৫/৭৫ ৫/১৫ ৯/১০১ ৫/১৩
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৩৬/– ৪০/– ১৪১/– ৮৪/–
উৎস: CricketArchive, ৬ সেপ্টেম্বর ২০০৮

রবিশঙ্কর জয়াধ্রীতা শাস্ত্রী (জন্ম: ২৭ মে, ১৯৬২) হলেন একজন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার এবং ভারতীয় দলের প্রাক্তন দলনেতা।[১][২] তিনি ছিলেন একজন অল-রাউন্ডার যিনি ডানহাতি ব্যাটসম্যান ছিলেন এবং বাহাতি বোলার ছিলেন। তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শুরু হয় যখন তার বয়স ছিল ১৮ বছর এবং তা ১২ বছর দীর্ঘস্থায়ী ছিল। তিনি একজন বোলার হিসেবেই তার ক্যারিয়ার শুরু করেন কিন্তু পরবর্তীকালে তিনি একজন ব্যাটসম্যানে পরিণত হন যিনি বলও করতে পারতেন এবং তার সাথে সাথে ব্যাটও। তার পরিবার প্রধানত ম্যাঙ্গালোরের কিন্তু তিনি মুম্বইতেই জন্ম নেন এবং বড় হ্রতেন

একজন ব্যাটসম্যান হিসাবে শাস্ত্রী তার ট্রেডমার্ক ছিল "চাপাটি শট"।[৩][৪](প্যাডস থেকে ঝাঁকুনি দিয়ে), তিনি প্রধানত ধীরে খেলতেন তবে প্রয়োজনে তিনি তার স্ট্রাইক রেট বাড়িয়ে তুলতে পারতেন। তার দৈর্ঘ্য গড় উচ্চতা (তিনি ৬ '৩ "লম্বা) এবং খাড়া অবস্থানের কারণে দ্রুত বোলিংয়ের বিরুদ্ধে তার সীমিত সংখ্যক শট ছিল, তবে স্পিন বোলিংয়ের বিরুদ্ধে লফটেড শটটি ভালো খেতেন। তিনি মূলত ওপেনিং ব্যাটসম্যান বা মিডল অর্ডারে ব এত করতেন।

তাঁর ক্যারিয়ারের হাইলাইটটি ছিল ১৯৮৫ সালে যখন তিনি অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে "চ্যাম্পিয়নস অফ চ্যাম্পিয়নস" নির্বাচিত হয়েছিলেন। একই মৌসুমে, ১৯৮৫ সালের ১০ জানুয়ারী[৫], তিনি ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান গ্যারি সোবার্সের ছয়টি ছক্কা মারার রেকর্ডটিকে স্পর্শ করেছিলেন। তিনি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে একজন সম্ভাব্য অধিনায়ক হিসাবে বিবেচনা করা হত, তবে তার ক্রিকেটের বাইরের চিত্র,[৬] প্রায়ই আহত থাকা এবং খেলার ফর্ম হারাবার প্রবণতাটা এত টাই ছিল যে তিনি কেবলমাত্র একটি টেস্ট ম্যাচে ভারতে অধিনায়ক ছিলেন।

তিনি ঘরোয়া ক্রিকেটে বোম্বাইয়ের (মুম্বাই) হয়ে খেলতেন এবং তার খেলার শেষ বছরটিতে তার দলকে রঞ্জি ট্রফি শিরোপাতে পেতে সাহায্য করেছিলেন। গ্ল্যামারগানের হয়ে কাউন্টি ক্রিকেটে চারটি মরসুমও খেলেছেন তিনি। বারবার হাঁটুর চোটের কারণে তিনি মাত্র ৩১ বছর বয়সে অবসর নিতে বাধ্য হন। পরবর্তীকালে, তিনি বিসিসিআই এর হয়ে ভাষ্যকার রুপে ভারতের খেলা ম্যাচগুলিতে কাজ করেছেন।[৭] ২০১৪ সালে, তিনি ইংল্যান্ড সফর থেকে ২০১৫ বিশ্বকাপ পর্যন্ত আট মাসের জন্য ভারতীয় ক্রিকেট দলের পরিচালক ছিলেন। ১৩ জুলাই ২০১৭ সালে, তিনি ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ হিসাবে নিযুক্ত হয়েছিলেন।[৮] ২০১৯ সালের ১৬ আগস্ট, তিনি সিনিয়র পুরুষদের ভারতীয় দলের প্রধান কোচ হিসাবে পুনরায় নিয়োগ করা হয়েছে এবং ২০২১ সালের আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত দায়িত্বে পালন করবেন।[৯]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

রবি শাস্ত্রী একজন মঙ্গলোরান বংশোদ্ভূত,[১০][১১] তিনি বোম্বাইতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং মাতঙ্গার ডন বোস্কো উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছিলেন। ছোট বয়স থেকেই তিনি ক্রিকেট খেলতে ভালবাসতেন। ডন বসকো (মতুঙ্গা) হয়ে ক্রিকেট খেলতেন। ১৯৭৬ সালের আন্ত-স্কুল গিলস শিল্ডের ফাইনালে তার দল পৌঁছেছিল যদিও অবশেষে সেন্ট মেরির কাছে তাদের হারতে হয়েছিল এবং দলে ছিল ভবিষ্যতের দুই রঞ্জি খেলোয়াড় শিশির হত্তঙ্গাদি এবং জিগনেশ সংহনি। তবে বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি, পরের বছর, শাস্ত্রীর নেতৃত্বে ডন বসকো ১৯৭৭ সালের জিলস শিল্ড জিতেছিল, তার স্কুলের ইতিহাসে এটি ছিল প্রথমবার।[১২] স্কুলে তাঁর কোচ ছিলেন বি.ডি. দেশাই, টাটা এবং দাদার ইউনিয়নের খেলোয়াড়। যদিও ডন বসকো স্কুল, স্কুল ক্রিকেটে তেমন একটি প্রধান শক্তি ছিল না, তবে আর.এ. পোদার কলেজ, যেখানে শাস্ত্রী পরে বাণিজ্য নিয়ে পড়াশোনা করেছিলেন, সেখান থেকে অনেকগুলি ভাল ক্রিকেটার তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীকালে, বসন্ত আমলাদি এবং বিশেষত ভিএস "মার্শাল" পাতিল শাস্ত্রীকে একজন ক্রিকেটার হতে সাহায্য করেছিলেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "ESPN Cricinfo Player Archive"http://www.espncricinfo.com/  |ওয়েবসাইট= এ বহিঃসংযোগ দেয়া (সাহায্য)
  2. "Shastri named director of cricket for England ODIs"http://www.espncricinfo.com/  |ওয়েবসাইট= এ বহিঃসংযোগ দেয়া (সাহায্য)
  3. "Some interesting trademark shots"। Chennai, India: The Hindu। ১৪ জুলাই ২০০১। সংগ্রহের তারিখ ২০০৭-০৫-০২ 
  4. "Restraint is the essence"The Hindu। ১১ জানুয়ারি ২০০৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৭-০৫-০২ 
  5. "10th January 1985: Ravi Shastri Hits-Six-Sixes-in-an-Over"
  6. Raju Bharatan, "Ravi Shastri : Always 'on the ball'", Special Portrait, Indian Cricket 2002.
  7. "Ravi .Shastri" 
  8. "Ravi Shastri appointed Head Coach"BCCI। ১১ জুলাই ২০১৭। ১৪ জুলাই ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুলাই ২০১৭ 
  9. "Ravi Shastri to continue as India head coach"Cricbuzz। ১৬ আগস্ট ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১৬ আগস্ট ২০১৯ 
  10. Vasu, Anand (১১ মার্চ ২০০৭)। "Repaying the faith"। "Cricinfo"। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুলাই ২০০৮ 
  11. "Proud to hail from Mangaluru-Team Indian director Ravi Shastri"। "Daijiworld news"। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ 
  12. "Report of Sanket Chavan improving Shastri's Giles shield record"। Mid-day.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-০৮-০৯