রাজ্যসভা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
রাজ্যসভা
Coat of arms or logo
ধরন
ধরন
উচ্চকক্ষ
নেতৃত্ব
চেয়ারম্যান
মহম্মদ হামিদ আনসারি, নির্দল
১১ আগস্ট, ২০০৭ [১] থেকে
ডেপুটি চেয়ারম্যান কে. রহমান খান, কংগ্রেস
৩ জানুয়ারি, ২০০৭ [২] থেকে
সভার নেতা ড. মনমোহন সিংহ, কংগ্রেস
বিরোধী নেতা অরুণ জেটলি, বিজেপি
৩ জুন ২০০৯[৩] থেকে
গঠন
আসন ২৫০ জন (২৩৮ নির্বাচিত + ১২ জন মনোনীত)
রাজনৈতিক দল সংযুক্ত প্রগতিশীল জোট
জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট
বামফ্রন্ট
সভাস্থল
Rajyasabha.jpg
রাজ্যসভা কক্ষ, সংসদ ভবন, সংসদ মার্গ, নতুন দিল্লি
ওয়েবসাইট
rajyasabha.nic.in

রাজ্যসভা হল ভারতীয় সংসদের উচ্চকক্ষ। এই সভার সদস্যসংখ্যা ২৪৫। ভারতের রাষ্ট্রপতি শিল্প, সাহিত্য, বিজ্ঞান ও সমাজসেবার ক্ষেত্র থেকে ১২ জন সদস্যকে রাজ্যসভায় নির্বাচিত করেন; এঁরা মনোনীত সদস্য নামে পরিচিত। অন্যান্য সদস্যরা রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির বিধানসভা কর্তৃক নির্বাচিত হন। রাজ্যসভার সাংসদদের কার্যকালের মেয়াদ ছয় বছর এবং প্রতি দুই বছর অন্তর সদস্যদের এক-তৃতীয়াংশ অবসর নেন। রাজ্যসভা স্থায়ী কক্ষ। নির্দিষ্ট সময় অন্তর লোকসভার অবলুপ্তি ও পুনর্নির্বাচন ঘটে। কিন্তু রাজ্যসভা ভেঙে দেওয়া যায় না। সরবরাহ-সংক্রান্ত বিষয় ছাড়া অন্য সব বিষয়ে রাজ্যসভা লোকসভার সমান মর্যাদা ভোগ করে। সরবরাহ-সংক্রান্ত বিষয়ে লোকসভার ক্ষমতা রাজ্যসভার চেয়ে বেশি। কোনো বিষয় নিয়ে দুই কক্ষের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিলে সংসদের দুই কক্ষের যৌথ অধিবেশনের মাধ্যমে তা সমাধান করা হয়। তবে লোকসভার আকার রাজ্যসভার প্রায় দ্বিগুণ হওয়ায়, যৌথ অধিবেশনে লোকসভারই শক্তি বেশি থাকে। আজ পর্যন্ত সংসদে মাত্র তিনটি যৌথ অধিবেশন বসেছে। শেষ যৌথ অধিবেশনটি বসেছিল ২০০২ সালে সন্ত্রাস-বিরোধী আইন পোটা পাস করানোর জন্য।

ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতি পদাধিকারবলে রাজ্যসভার চেয়ারম্যান। তাঁর অনুপস্থিতিতে রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান সভার দৈনন্দিন কাজ পরিচালনা করেন। ডেপুটি চেয়ারম্যান সদস্যদের মধ্যে থেকে নির্বাচিত হন। রাজ্যসভার প্রথম অধিবেশন বসেছিল ১৩ মে, ১৯৫২।[৪]

সদস্যপদ[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধ: রাজ্যসভা সাংসদ

রাজ্যসভার সদস্যসংখ্যা সর্বাধিক ২৫০ হতে পারে। এঁদের মধ্যে ২৩৮ জন রাজ্য বিধানসভা এবং যেসব কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিধানসভা রয়েছে সেখানকার বিধানসভার সদস্যদের দ্বারা পরোক্ষভাবে নির্বাচিত হন (শুধুমাত্র জাতীয় রাজধানী অঞ্চল দিল্লিপুদুচেরির বিধানসভা রয়েছে)। রাজ্যের জনসংখ্যার অনুপাতে রাজ্যসভার আসন বণ্টিত হয়। অপর বারো জনকে ভারতের রাষ্ট্রপতি মনোনীত করেন।

দল অনুযায়ী সদস্যপদ[সম্পাদনা]

রাজ্যসভার দল অনুযায়ী সদস্যসংখ্যার তালিকা দেওয়া হল।[৫]

জোট (২০১০ সালের নির্বাচনের পর) দল সাংসদ
সংযুক্ত গণতান্ত্রিক জোট
আসন: ৯১
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ৭১
জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টি
দ্রাবিড় মুন্নেত্রা কড়গম
সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস
জম্মু ও কাশ্মীর ন্যাশানাল কনফারেন্স
বোড়োল্যান্ড পিপল’স ফ্রন্ট
জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট
আসন: ৬৯
ভারতীয় জনতা পার্টি ৫১
জনতা দল (সংযুক্ত)
শিবসেনা
শিরোমণি অকালি দল
অসম গণ পরিষদ
রাষ্ট্রীয় লোক দল
ভারতীয় জাতীয় লোক দল
তৃতীয় ফ্রন্ট
আসন: ৩৪
ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী) ১৩
বিজু জনতা দল
ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি
অল ইন্ডিয়া আন্না দ্রাবিড় মুন্নেত্রা কড়গম
তেলুগু দেশম পার্টি
সারা ভারত ফরওয়ার্ড ব্লক
অন্যান্য
আসন: ৩২
সমাজবাদী পার্টি
বহুজন সমাজ পার্টি ১৮
রাষ্ট্রীয় জনতা দল
লোক জনশক্তি পার্টি
মিজো ন্যাশানাল ফ্রন্ট
সিকিম ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট
নাগাল্যান্ড পিপল’স ফ্রন্ট
মনোনীত
অন্যান্য দল ও নির্দল
খালি আসন
সর্বমোট ২৪৫

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

পাদটীকা[সম্পাদনা]

  1. "Hon'ble Chairman, Rajya Sabha, Parliament of India"। rajyasabha.nic.in। সংগৃহীত ১৯ আগস্ট ২০১১ 
  2. "Deputy Chairman, Rajya Sabha, Parliament of India"। সংগৃহীত ১৯ আগস্ট ২০১১ 
  3. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Rajya_Sabha নামের ref গুলির জন্য কোন টেক্সট প্রদান করা হয়নি
  4. "OUR PARLIAMENT"। Indian Parliament। সংগৃহীত ১১ মে ২০১১ 
  5. Source: Election Commission of India

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:Rajya Sabha

টেমপ্লেট:National upper houses