জো রুট

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
জো রুট
Joe Root on Yorkshire debut.jpg
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নাম জোসেফ এডওয়ার্ড রুট
জন্ম (১৯৯০-১২-৩০) ৩০ ডিসেম্বর ১৯৯০ (বয়স ২৬)
ডোর, শেফিল্ড, সাউথ ইয়র্কশায়ার, ইংল্যান্ড
ডাকনাম রুটা
উচ্চতা ৬ ফুট ০ ইঞ্চি (১.৮৩ মিটার)
ব্যাটিংয়ের ধরন ডানহাতি
বোলিংয়ের ধরন ডানহাতি অফ ব্রেক
ভূমিকা ব্যাটসম্যান
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ৬৫৫)
১৩ ডিসেম্বর ২০১২ বনাম ভারত
শেষ টেস্ট ১৬ ডিসেম্বর ২০১৬ বনাম ভারত
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ২৬৭)
১১ জানুয়ারি ২০১৩ বনাম ভারত
শেষ ওডিআই

৯ মার্চ ২০১৭ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ

      
ওডিআই শার্ট নং ৬৬ (পূর্বে ৬১ ও ৫)
টি২০আই অভিষেক
(ক্যাপ )
২২ ডিসেম্বর ২০১২ বনাম ভারত
শেষ টি২০আই ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৪ বনাম ভারত
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছর দল
২০০৯– ইয়র্কশায়ার (দল নং ৫)
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই টি২০আই এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ৫৪ ৮৩ ১০৩
রানের সংখ্যা ৪,৫৯৪ ৩,৩৪৪ ১৮৩ ৮,১২২
ব্যাটিং গড় ৫২.৮০ ৪৭.৭৭ ৩৬.৬০ ৫১.৪০
১০০/৫০ ১১/২৭ ৯/২০ ০/১ ২০/৪০
সর্বোচ্চ রান ২৫৪ ১২৫ ৯০* ২৫৪
বল করেছে ১,৪২৭ ৯৩৬ ৫৪ ২,৭৮৬
উইকেট ১৫ ১৩ ২৯
বোলিং গড় ৪৮.০৬ ৬৯.৮৪ ২৪.০০ ৫০.৩৪
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং ২/৯ ২/১৫ ১/১৩ ৩/৩৩
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৬৫/– ৩৭/– ৫/– ৯৬/–
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো, ২৩ এপ্রিল ২০১৭

জোসেফ এডওয়ার্ড রুট (ইংরেজি: Joseph Edward Root; জন্ম: ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৯০) দক্ষিণ ইয়র্কশায়ারের শেফিল্ড এলাকার ডোরেতে জন্মগ্রহণকারী প্রথিতযশা ইংরেজ ক্রিকেটারইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের পক্ষ হয়ে ডানহাতি ব্যাটসম্যান ও মাঝে মাঝে অফ-স্পিনারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন তিনি; যা সাবেক ইংল্যান্ড দলনেতা মাইকেল ভনের মাঝে দেখা যায়। লক্ষ্যণীয় যে, রুট ভনের ভক্ত ও তাকে অনুসরণ করেই ক্রিকেট খেলায় উজ্জ্বীবিত হয়েছেন তিনি।[১] রুট ও ভন - উভয়েই শেফিল্ড কলেজিয়েট ক্রিকেট ক্লাবে খেলা শুরু করেছিলেন।[২] অধিকাংশ সময়ই মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নেমে থাকেন। প্রথম-শ্রেণীর কাউন্টি ক্রিকেটে ইয়র্কশায়ার কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাবে খেলে থাকেন জো রুট। বর্তমানে টেস্ট ক্রিকেট র‌্যাঙ্কিংয়ে তিনি বিশ্বের ১নং ব্যাটসম্যান হিসেবে রয়েছেন।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

রুটের ভাই বিলি এমসিসিতে তরুণ ক্রিকেটার হিসেবে খেলছেন।[৩] তিনি হেলেন ও ম্যাট দম্পতির জ্যেষ্ঠ সন্তান। তার দাদা জিওফ রুট অনেক বছর ইয়র্কশায়ার লীগে রথারহ্যাম ক্রিকেট ক্লাবের অধিনায়ক ছিলেন। কিন্তু জো তার বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করে শেফিল্ড কলেজিয়েট ক্রিকেট ক্লাবে যোগ দেন। সেখানে ইয়র্কশায়ারের তরুণ বয়সীদের কোচের নজর কাড়েন ও ১১ বছর বয়সে ইয়র্কশায়ার স্কুলস’ দলে খেলেন। নর্থ নটিংহ্যামশায়ারের ওয়ার্কসপ কলেজে অধ্যয়ন করে সেখানে থেকে ক্রিকেটের উপর বৃত্তি লাভ করেন। প্রথম মৌসুমেই তিনি দুই হাজারের অধিক রান করেন ৫০-এরও বেশি গড়ে। এরপর তিনি সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে ইয়র্কশায়ার ক্রিকেট একাডেমী থেকে ১৩ বছর বয়সে বৃত্তি লাভ করেন।[১] ২০০৫ সালে ডেইলি টেলিগ্রাফের বানবুরি উৎসরে বৃত্তিপ্রাপক হন।

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

২০১২-১৩ মৌসুমে ভারত সফরে রুট মনোনীত হন। নাগপুরে অনুষ্ঠিত ৪র্থ টেস্টের মাধ্যমে অভিষেক ঘটে তার। সাবেক ইংরেজ অল-রাউন্ডার পল কলিংউডের কাছ থেকে ৬৫৫তম খেলোয়াড় হিসেবে ক্যাপ নেন। ৬ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ২২৯ বলের সাহায্যে ৭৩ রান করেন। কেভিন পিটারসনের সাথে তিনিও দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী হিসেবে দলের মোট রান সংখ্যাকে ৩৩০-এ নিয়ে যান। এরপর তিনি পিযুষ চাওলা’র হাতে কট এন্ড বোল্ড হন।[৪] দ্বিতীয় ইনিংসে অপরাজিত ২০ রান করে দলকে ড্রয়ের পথে নিয়ে যান যাতে দলের জয়ের জন্য ১৯৮৪-৮৫ মৌসুমের পর রেকর্ডসংখ্যক রান করতে হতো।

ক্রিকেট বিশ্বকাপ[সম্পাদনা]

২০ ডিসেম্বর, ২০১৪ তারিখে ২০১৫ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য ইংল্যান্ড তাদের ১৫-সদস্যের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে।[৫]

১ মার্চ, ২০১৫ তারিখে ওয়েলিংটন ওয়েস্টপ্যাক স্টেডিয়াম অনুষ্ঠিত গ্রুপ পর্বের ৪র্থ খেলায় শ্রীলঙ্কা দলের বিপক্ষে ১০৮ বলে ১২১ রান করেন। এরফলে ডেভিড গাওয়ারকে পাশ কাটিয়ে বিশ্বকাপে সর্বকনিষ্ঠ ইংরেজ ক্রিকেটার হিসেবে সেঞ্চুরি করেন।[৬] এছাড়াও খেলায় তিনি তার সর্বোচ্চ সংগ্রহ করেন। কিন্তু, লাহিরু থিরিমানে (১৩৯*) ও কুমার সাঙ্গাকারার (১১৭*) নৈপুণ্যে তার দল ৯ উইকেটের ব্যবধানে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়।

মূল্যায়ণ[সম্পাদনা]

২০১৪ সালে মার্টিন ক্রো টেস্ট ক্রিকেটের তরুণ চার ফ্যাবের অন্যতম হিসেবে স্টিভ স্মিথ, কেন উইলিয়ামসনবিরাট কোহলি’র সাথে তাকেও অন্তর্ভূক্ত করেন।[৭][৮]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Danny, Hall। "Root is ready to branch out"ESPNcricinfo। সংগৃহীত ২২ জানুয়ারি ২০১০  লেখা " England Cricket News " উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য)
  2. "Root ready for India examination – Elite Player Development – England – News – ECB"। www.ecb.co.uk। সংগৃহীত ২২ জানুয়ারি ২০১০ 
  3. http://www.espncricinfo.com/mcc/content/story/555614.html
  4. "English cricket team in India – 4th Test"। ESPNcricinfo। সংগৃহীত ১৪ ডিসেম্বর ২০১২ 
  5. "Cricket World Cup: England recall Gary Ballance to one-day squad"। BBC। সংগৃহীত 20 December 2014
  6. "Joe Root scores fourth ODI century during ICC Cricket World Cup 2015 against Sri Lanka in Pool A Match 22 at Wellington"। Cricket Century। ১ মার্চ ২০১৫। সংগৃহীত ১ মার্চ ২০১৫ 
  7. "Test cricket's young Fab Four"। ESPNcricinfo। 
  8. "Virat Kohli, Joe Root, Steven Smith, Kane Williamson ‘Fab Four’ of Tests: Martin Crowe"। The Indian Express। 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]