তজুমদ্দিন উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
তজুমদ্দিন
উপজেলা
তজুমদ্দিন বরিশাল বিভাগ-এ অবস্থিত
তজুমদ্দিন
তজুমদ্দিন
তজুমদ্দিন বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
তজুমদ্দিন
তজুমদ্দিন
বাংলাদেশে তজুমদ্দিন উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২২°২৫′০.১২″ উত্তর ৯০°৫০′৫৪.৯৬″ পূর্ব / ২২.৪১৬৭০০০° উত্তর ৯০.৮৪৮৬০০০° পূর্ব / 22.4167000; 90.8486000স্থানাঙ্ক: ২২°২৫′০.১২″ উত্তর ৯০°৫০′৫৪.৯৬″ পূর্ব / ২২.৪১৬৭০০০° উত্তর ৯০.৮৪৮৬০০০° পূর্ব / 22.4167000; 90.8486000 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগবরিশাল বিভাগ
জেলাভোলা জেলা
আয়তন
 • মোট৫১২.৯২ কিমি (১৯৮.০৪ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা [১]
 • মোট১,২৭,৪৬০
 • জনঘনত্ব২৫০/কিমি (৬৪০/বর্গমাইল)
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
১০ ০৯ ৯১
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট Edit this at Wikidata

তজুমদ্দিন উপজেলা বাংলাদেশের ভোলা জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা।

অবস্থান ও আয়তন[সম্পাদনা]

এই উপজেলার উত্তরে দৌলতখান উপজেলা; দক্ষিণে মেঘনা নদী, লালমোহনমনপুরা উপজেলা; পূর্বে মেঘনা নদীনোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলা এবং পশ্চিমে বোরহানউদ্দিন উপজেলা। এর আয়তন ৫১২.৯২ বর্গ কিঃমিঃ।

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

এই উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন:

  1. চাঁচড়া ইউনিয়ন;
  1. চাঁদপুর ইউনিয়ন;
  1. বড় মালঞ্চ ইউনিয়ন;
  1. শম্ভুপুর ইউনিয়ন ইউনিয়ন;
  1. সোনাপুর ইউনিয়ন।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

জনৈক তমিজউদ্দিন এর নামানুসারে তমিজউদ্দিন উপজেলার নামকরণ করা হয়। এ উপজেলার পূর্বে মেঘনা নদী, উত্তর ও পশ্চিমে বোরহানউদ্দিন উপজেলা এবং দক্ষিণে লালমোহন উপজেলা। ১৮৭২ সালের ১৫ই জানুয়ারীর জরীপে এটিকে দৌলতখাঁ থানার একটি আউটপোষ্ট হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। ১৯২৮ সালের ২৮ শে আগস্ট তারিখ থেকে এই থানাটি একটি আলাদা থানার মর্যাদা পেয়ে আসছিল। মনপুরা এই থানার একটি ইউনিয়ন ছিল। নদীভাঙ্গনে এই থানা অতি সংকুচিত হয়ে আসছে। অপর দিকে যাতায়াত ও অন্যান্য কারণে মনপুরা আলাদা থানার স্বীকৃতি পাওয়ায় ইহার আয়তন আরো কমে যায়। ১৯৮৩ সালের ১৪ ই মার্চ তারিখে ভোলা জেলার দ্বিতীয় উপজেলা হিসেবে স্বীকৃতি পায়।[২]

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

২০০১ সালের আদমশুমারী অনুসারে এই উপজেলার লোকসংখ্যা ১,২০,১৮৯ জন; যার মধ্যে পুরুষের সংখ্যা ৬৩,৫৭৫ জন এবং মহিলার সংখ্যা ৫৬,৬১৩ জন।[৩] এখানে মুসলিমের সংখ্যা ১১০৯০৬৩ জন, হিন্দুর সংখ্যা ২১১০৮৬ জন, বৌদ্ধের সংখ্যা ৩১১ জন আর অন্যান্য ধর্মের সংখ্যা ৫৯ জন।[৩]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

এই উপজেলার শিক্ষার হার ৩৬.৭%; যার মধ্যে পুরুষদের শিক্ষা হার ৪০.২% এবং মহিলাদের শিক্ষার হার ৩২.৮%।[৩] এখানে ১টি কলেজ, ৭টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১০৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২টি কিন্ডারগার্টেন এবং ৭৭টি মাদ্রাসা আছে।

কৃষি[সম্পাদনা]

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

বিবিধ[সম্পাদনা]

এছাড়াও এখানে আছেঃ[৩]

  • মসজিদ - ১৫৬টি,
  • মন্দির - ৩০টি,
  • মঠ - ৫টি,
  • লাইব্রেরী - ১টি,
  • ক্লাব - ১০টি,
  • সিনেমা হল - ২টি,
  • খেলার মাঠ - ৭টি,
  • এতিমখানা - ৯টি,
  • ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র - ১টি,
  • সমবায় সমিতি - ৩০১টি,
  • মহিলা সংগঠন - ৬২ টি।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসুত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন ২০১৪)। "এক নজরে তজুমদ্দিন উপজেলা"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ২৭ মার্চ ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ মার্চ ২০১৫ 
  2. "তমিজুদ্দীন উপজেলার পটভূমি"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, তমিজুদ্দীন উপজেলা 
  3. আদমশুমারী রিপোর্ট ২০০১, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]