ইন্দুরকানী উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ইন্দুরকানী
উপজেলা
ইন্দুরকানী বরিশাল বিভাগ-এ অবস্থিত
ইন্দুরকানী
ইন্দুরকানী
ইন্দুরকানী বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
ইন্দুরকানী
ইন্দুরকানী
বাংলাদেশে ইন্দুরকানী উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২২°৩০′১৫.৮০৪″ উত্তর ৮৯°৫৮′৪৪.২৯২″ পূর্ব / ২২.৫০৪৩৯০০০° উত্তর ৮৯.৯৭৮৯৭০০০° পূর্ব / 22.50439000; 89.97897000স্থানাঙ্ক: ২২°৩০′১৫.৮০৪″ উত্তর ৮৯°৫৮′৪৪.২৯২″ পূর্ব / ২২.৫০৪৩৯০০০° উত্তর ৮৯.৯৭৮৯৭০০০° পূর্ব / 22.50439000; 89.97897000 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগবরিশাল বিভাগ
জেলাপিরোজপুর জেলা
আয়তন
 • মোট৯৪.৬০ বর্গকিমি (৩৬.৫৩ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা [১]
 • মোট৭৭,৬৭৪
 • জনঘনত্ব৮২০/বর্গকিমি (২,১০০/বর্গমাইল)
সাক্ষরতার হার
 • মোট৬৬%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
১০ ৭৯ ৯০
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

ইন্দুরকানী উপজেলা বাংলাদেশের বরিশাল বিভাগের পিরোজপুর জেলার একটি উপজেলা।[২]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ইন্দুরকানী উপজেলা পিরোজপুর জেলার সদর উপজেলার সাথে একিভূত ছিল। ৪ দলীয় জোট সরকারের আমলে ২০০২ সালের ২৭ মার্চ প্রশাসনিক পুনর্গঠন ও সংস্কারের জন্য জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার)৮৭ তম বৈঠকে পিরোজপুরের ইন্দুরকানী থানাকে “জিয়ানগর” উপজেলা নামে নাম করণের প্রস্তাব আনা হয়। এরপর ২০০২ সালের ১৭ এপ্রিল তৎকালীন রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে পিরোজপুর সদর উপজেলার পত্তাশী, পাড়েরহাট ও বালিপাড়া এ ৩টি ইউনিয়নের ৯৪.৬০ বর্গ কি.মি. আয়তন নিয়ে জিয়ানগর উপজেলা নামে একটি নতুন প্রশাসনিক উপজেলা গঠন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এই আদেশের বলে ২০০২ সালের ২১ এপ্রিল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্থানীয় জনগনের দাবির প্রেক্ষিতে ইন্দুরকানী সফর করে ইন্দুরকানী কলেজ মাঠে এক জনসভায় ইন্দুরকানী থানাকে জিয়ানগর উপজেলা নামে উদ্বোধন করেন।

পরবর্তীতে, ২০১৭ সালের ৯ জানুয়ারী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার) এর ১১৩ তম সভায় পিরোজপুরের ৭ম উপজেলা জিয়ানগরের নাম পরিবর্তন করে পূর্বের ইন্দুরকানী থানার নামে নাম করনের প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয় এবং এর ঠিক একমাস পরে (৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ (উপজেলা-১ শাখা) এর এক প্রজ্ঞাপন (গেজেট) জারীর মাধ্যমে নাম পরিবর্তনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন।

ভৌগলিক অবস্থান[সম্পাদনা]

ইন্দুরকানী উপজেলার উত্তরে পিরোজপুর সদর উপজেলা, দক্ষিণে বলেশ্বর নদীমঠবাড়িয়া উপজেলা, পূর্বে কচা নদীভাণ্ডারিয়া উপজেলা, পশ্চিমে পানগুছি নদীবাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ উপজেলা অবস্থিত।

প্রশাসনিক এলাকাসমূহ[সম্পাদনা]

ইন্দুরকানী উপজেলায় বর্তমানে ৩টি ইউনিয়ন রয়েছে। সম্পূর্ণ উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম ইন্দুরকানী থানার আওতাধীন।

ইউনিয়নসমূহ:

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী ইন্দুরকানী উপজেলার মোট জনসংখ্যা ৭৭,২১৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৩৭,৯৪৭ জন এবং মহিলা ৩৯,২৭০ জন। মোট পরিবার ১৭,১৯৯টি।[৩]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী ইন্দুরকানী উপজেলার সাক্ষরতার হার ৬১.২%।[৩]

উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান[সম্পাদনা]

  • ইন্দুরকানী ডিগ্রি কলেজ (২০০১)
  • এইচএফ টেকনিক্যাল ও বিএম কলেজ (১৯৯৬)
  • ভবানীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়
  • পারেরহাট রাজলক্ষ্মী মাধ্যমিক বিদ্যালয় (১৯২১)
  • সেতারা স্মৃতি মাধ্যমিক বিদ্যালয় (১৯৯৮)
  • মেহেউদ্দিন পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় (১৯৪৯)
  • দক্ষিণ ইন্দুরকানি এসএমএ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় (১৯৬৭)
  • টগরা দারুল ইসলাম আলিম মাদ্রাসা (১৯৫৫)
  • বিজিএম মহিলা দাখিল মাদ্রাসা (১৯৮০)

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন ২০১৪)। "এক নজরে ইন্দুরকানী"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ৩১ মার্চ ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০১৫ 
  2. প্রতিনিধি, পিরোজপুর; ডটকম, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর। "'জিয়ানগর' উপজেলা এখন 'ইন্দুরকানী'"bangla.bdnews24.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-১৪ 
  3. "ইউনিয়ন পরিসংখ্যান সংক্রান্ত জাতীয় তথ্য" (PDF)web.archive.org। Wayback Machine। সংগ্রহের তারিখ ২১ নভেম্বর ২০১৯ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]